খুঁজুন
                               
, ,
           

গোঁফেই পুরুষত্ব! ‘বিগ বস ২০’-এ আসিফের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
গোঁফেই পুরুষত্ব! ‘বিগ বস ২০’-এ আসিফের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পঞ্চায়েত’খ্যাত অভিনেতা আসিফ খান এবার ‘বিগ বস ২০’-এর ঘরে দেওয়া এক মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছেন। পুরুষত্ব ও গোঁফ নিয়ে তাঁর মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

সম্প্রতি ‘বিগ বস’-এর ঘরে অধিনায়কত্ব নির্বাচন নিয়ে প্রতিযোগীদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এ সময় প্রতিযোগী গুল্লু অভিযোগ করেন, আরেক প্রতিযোগী ইয়াং ডিএসএ তাঁর দলের সব সদস্যের গোঁফ নিজের পছন্দমতো সাজিয়ে দিচ্ছেন।

এ অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে নিজের রাজস্থানি সংস্কৃতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আসিফ খান। তিনি বলেন, ‘আমরা রাজস্থান থেকে এসেছি। এই গোঁফ আমাদের পরিচয়। যাদের গোঁফ নেই, তাদের আমরা পুরুষ মানুষ বলে গণ্যই করি না। তাই দাড়ি-গোঁফ এমনই রাখা হয়।’

আসিফের এই মন্তব্যের পরই অনুষ্ঠানের অন্য প্রতিযোগীরা তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। তাঁদের মতে, কারও গোঁফ আছে কি না, তার সঙ্গে পুরুষত্বের কোনো সম্পর্ক নেই।

এ সময় আলোচনায় উঠে আসে বলিউড অভিনেতা ও ‘বিগ বস’-এর সঞ্চালক সালমান খানের প্রসঙ্গও। প্রতিযোগীদের কেউ কেউ বলেন, সালমান খানকেও সবসময় গোঁফে দেখা যায় না। ফলে গোঁফকে পুরুষত্বের মাপকাঠি হিসেবে দেখার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

অন্য এক প্রতিযোগী আসিফের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, একজন প্রকৃত পুরুষকে তাঁর চেহারা বা গোঁফ দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। তাঁর মতে, একজন পুরুষের পরিচয় তাঁর আচরণ ও পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধের মধ্যেই প্রকাশ পায়।

এদিকে আসিফ খানের মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা। নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, গোঁফ নিয়ে মন্তব্য করার সময় সালমান খানের প্রসঙ্গ পরোক্ষভাবে উঠে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে আসিফ খানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

‘পঞ্চায়েত’ সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পাওয়া আসিফ খান বর্তমানে ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। গোঁফ ও পুরুষত্ব নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর রিয়েলিটি শোটির ঘরের বিতর্ক আরও কতটা বাড়ে, সেদিকেই এখন নজর দর্শকদের।

কালের আলো/এসএ

 

জাবির উপাচার্য হলেন অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম

জাবি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
জাবির উপাচার্য হলেন অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম। আগামী চার বছর তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পদ থেকে অধ্যাপক নূরুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাকে জাবির উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ—যেটি আগে হবে, সে সময় পর্যন্ত তিনি উপাচার্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

শিক্ষাজীবন ও গবেষণা

অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লাড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট রিসার্চ কনসোর্টিয়ামে পোস্টডক্টোরাল গবেষণাও করেন তিনি।

এ ছাড়া অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়, ভারতের বোস ইনস্টিটিউট এবং থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি) থেকে জিআইএস, রিমোট সেন্সিং এবং পরিবেশ প্রভাব বিশ্লেষণ বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

অধ্যাপক নূরুল ইসলাম রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি শিক্ষক হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে তার অর্ধশতাধিক গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দেবে সরকার। এ অনুদানের জন্য আগ্রহীদের আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পুনর্বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো আবেদনকারী আগে অনলাইনে আবেদন করে থাকলে তাঁকে আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে না। একই ব্যক্তি দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে তাঁর দুটি আবেদনই বাতিল বলে গণ্য হবে।

এর আগে বিশেষ অনুদানের অর্থ বিতরণের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাইগভ প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিতসংখ্যক যোগ্য আবেদনকারী না পাওয়া এবং প্রত্যন্ত, দুর্গম, উপকূলীয়, চরাঞ্চল ও হাওর এলাকার অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীর অনলাইনে আবেদনের সুযোগ সীমিত থাকায় এবার নতুন করে ম্যানুয়াল আবেদন নেওয়া হচ্ছে।

যেসব ক্ষেত্রে অনুদান দেওয়া হবে

বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম কেনা, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা এবং পাঠাগার উন্নয়নের জন্য অনুদান দেওয়া হবে।

এ ছাড়া বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনাজনিত কারণে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনায় আক্রান্ত, দুস্থ, মেধাবী, এতিম, অদম্য মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায় ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরাও অগ্রাধিকার পাবেন। উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওর ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার থাকবে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদান পেতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আর স্নাতক বা সমমান এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অধ্যক্ষ বা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা রেজিস্ট্রার আবেদন গ্রহণ করে প্রাথমিক যাচাই শেষে সেগুলো একত্র করবেন। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠাতে হবে।

অনলাইন ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে একই আবেদন যাতে দুইবার সুপারিশপ্রাপ্ত না হয়, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য জেলা কমিটির মাধ্যমে আগে পাঠানো অনলাইন আবেদনভিত্তিক সুপারিশের তালিকা এবং নতুন করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাওয়া তালিকা সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৫ অক্টোবর

প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে পাওয়া আবেদন জেলা কমিটি যাচাই করে সুপারিশ করবে। সেই সুপারিশকৃত তালিকা আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর পৌঁছাতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের পর পাওয়া কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

নির্ধারিত আবেদন ফরম মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

রয়েছে একাধিক শর্ত

কোনো আবেদনকারী আগে অনলাইনে আবেদন করে থাকলে নতুন করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারবেন না। দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে উভয় আবেদন বাতিল হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারীরা চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ দুইবার এ সুবিধা নিতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা তাঁদের শিক্ষাজীবনে প্রতি তিন বছর পরপর এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

একই সময়ে অন্য কোনো সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ আবেদনের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার প্রদত্ত সাধারণ উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি এ শর্তের আওতামুক্ত থাকবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে নির্মাণ, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত কার্যক্রম চলছে অথবা সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে এ ধরনের প্রকল্প সমাপ্ত বা চলমান রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে

অনলাইনে আবেদনকারী ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদনকারী—উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে অনুদানের অর্থ দেওয়া হবে।

অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাঁর বাবা বা মায়ের সঙ্গে যৌথ নামে যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের নিজ নামে ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।

ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল

অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ, ভুল তথ্যসংবলিত কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।

তবে আবেদন বা কোনো সুপারিশকে অনুদানের অর্থ পাওয়ার অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। অনুদান দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ফলে আবেদনকারীদের নির্ধারিত ফরমে সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পাশাপাশি আগে অনলাইনে আবেদন করা হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়ার পর আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

জাবির উপাচার্য পদে রদবদল, নতুন দায়িত্বে নূরুল ইসলাম

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
জাবির উপাচার্য পদে রদবদল, নতুন দায়িত্বে নূরুল ইসলাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলামকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(২) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক কামরুল আহসানকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে তাঁর মূল পদে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, একই আদেশের ১১(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তাঁকে ওই পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তাঁর অবসর গ্রহণের তারিখ—যেটি আগে হবে—পর্যন্ত নূরুল ইসলাম জাবির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

অধ্যাপক নূরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক। এর আগে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন।

অধ্যাপক কামরুল আহসান ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এবার তাঁকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনে পরিবর্তন আনা হলো।

কালের আলো/এসএ