খুঁজুন
                               
, ,
           

ক্লপের দুই ম্যাচেই জয়হীন জার্মানি, শোয়াইনস্টাইগারের কড়া মন্তব্য

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
ক্লপের দুই ম্যাচেই জয়হীন জার্মানি, শোয়াইনস্টাইগারের কড়া মন্তব্য

বিশ্ব ফুটবলে একসময় জার্মানি মানেই ছিল সাফল্য, শৃঙ্খলা আর আধিপত্যের প্রতিচ্ছবি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই চেনা জার্মানির ছবিটাই যেন বদলে গেছে। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকেই বড় কোনো সাফল্যের দেখা নেই দলটির। এবার নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের অধীনে শুরুটা আশাব্যঞ্জক হওয়ার বদলে তৈরি করেছে নতুন প্রশ্ন।

নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর ঘরের মাঠে গ্রিসের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে জার্মানি। গ্রিসের বিপক্ষে এটি আবার জার্মানির ইতিহাসে প্রথম হার। এমন ফলের পর দলের বর্তমান অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন সাবেক অধিনায়ক বাস্তিয়ান শোয়াইনস্টাইগার।

‘আমরা আর শীর্ষ দল নই’

ম্যাচ শেষে সম্প্রচার ক্যামেরার সামনে জার্মানির পারফরম্যান্স নিয়ে নিজের হতাশার কথা জানান শোয়াইনস্টাইগার। সাবেক এই মিডফিল্ডারের মতে, জার্মানি এখন আর আগের মতো ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর একটি নয়।

শোয়াইনস্টাইগার বলেন, ‘আমরা আর শীর্ষ দল নই, মাঝারি মানের দলে পরিণত হয়েছি।’

জার্মানির হয়ে ১২১ ম্যাচ খেলা শোয়াইনস্টাইগার মনে করেন, বর্তমান দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা প্রতিপক্ষের ওপর পর্যাপ্ত চাপ তৈরি করতে না পারা। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কিছুটা ভালো ফুটবল দেখা গেলেও গ্রিসের বিপক্ষে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি দলটি।

ক্লপের শুরুটাও হতাশার

২০২৬ বিশ্বকাপের পর জার্মানির দায়িত্ব নিয়েছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। ক্লাব ফুটবলে দীর্ঘদিন বড় সাফল্য পাওয়া এই কোচের অধীনে শুরুতেই নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

নেশনস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে জার্মানি। এরপর ঘরের মাঠে গ্রিসের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বসে তারা।

তবে এই হারে এখনই হতাশ হয়ে পড়ছেন না ক্লপ। গ্রিসের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি এটিকে চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ক্লপ বলেন, ‘এটা প্রক্রিয়ার অংশ।’

নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া, একাদশে পরিবর্তন এবং দলের কাঠামো তৈরি—সবকিছুর দায়ও নিজের কাঁধে নিয়েছেন তিনি।

একাদশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা

২০২৮ ইউরো সামনে রেখে জার্মান দলকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাইছেন ক্লপ। প্রথম চার ম্যাচের জন্য তিনি ৪৪ জন খেলোয়াড় নিয়ে দুটি স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন। মূল লক্ষ্য, যত বেশি সম্ভব খেলোয়াড়কে দেখে নেওয়া এবং তাদের মধ্য থেকে ভবিষ্যতের দল তৈরি করা।

সে কারণেই শুরুতেই ফলাফলের চেয়ে খেলোয়াড়দের মূল্যায়ন ও নিজেদের কাঙ্ক্ষিত কৌশল বাস্তবায়নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ক্লপ।

গ্রিসের বিপক্ষে ম্যাচেও ছিল সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষার ছাপ। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শুরু করা একাদশ থেকে পাঁচটি পরিবর্তন করেন জার্মান কোচ। নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি মাঠে তাঁর চাওয়া খেলার ধরন কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটিও পরীক্ষা করেন।

ক্লপের মতে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে প্রায় ১৫ মিনিট জার্মানি কিছুটা নিজেদের কাঙ্ক্ষিত ছন্দ খুঁজে পেয়েছিল। কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি দল।

নিয়ন্ত্রণ থাকলেও গোলের সুযোগ কম

গ্রিসের বিপক্ষে ম্যাচে বলের দখল ও নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল জার্মানি। কিন্তু সেই নিয়ন্ত্রণকে কার্যকর আক্রমণে রূপ দিতে পারেনি তারা। পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরিতেও ব্যর্থ হয়েছে দলটি।

উল্টো ম্যাচের ৭৪ মিনিটে দিমিত্রিয়োস কুরবেলিসের ডিফ্লেক্টেড শটে গোল হজম করে জার্মানি। শেষ পর্যন্ত সেই গোলই দুই দলের ব্যবধান গড়ে দেয়।

ম্যাচের ফল নিয়ে ক্লপ নিজেও সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, ‘ম্যাচটি আমরা বড় ব্যবধানে না জিতলে, এমনকি জিততে না পারলেও আমি মেনে নিতে পারতাম। কিন্তু কোনোভাবেই হারা যেত না। অথচ আমরা ঠিক সেটাই করে বসলাম।’

‘ক্লপ কোনো জাদুকর নন’

শোয়াইনস্টাইগার অবশ্য জার্মানির এই অবস্থার জন্য শুধু ক্লপকে দায়ী করছেন না। তাঁর মতে, নতুন কোচের অধীনে একটি দলকে রাতারাতি বদলে ফেলা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘ক্লপ কোনো জাদুকর নন। এটা কঠোর পরিশ্রমের ব্যাপার।’

সাবেক এই জার্মান তারকার মতে, খেলোয়াড়দেরও নিজেদের নিয়ে প্রশ্ন করতে হবে। তাঁরা মাঠে যে পারফরম্যান্স দিচ্ছেন, সেটিই তাঁদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য কি না—সেটা নিয়েও ভাবতে হবে।

সামনে আরও দুটি ম্যাচ

চলমান ফিফা উইন্ডোয় জার্মানির সামনে আরও দুটি ম্যাচ রয়েছে। ১ অক্টোবর মিউনিখে সার্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। এরপর ৪ অক্টোবর এথেন্সে গ্রিসের বিপক্ষে ফিরতি লেগ খেলবে জার্মানি।

এই দুই ম্যাচে ক্লপ তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা কতটা এগিয়ে নিতে পারেন এবং নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে কাঙ্ক্ষিত দলীয় কাঠামো কতটা দাঁড় করাতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

কালের আলো/জেএন

সব খাতের শ্রমিকের জন্য কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা স্কিম চায় বিলস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
সব খাতের শ্রমিকের জন্য কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা স্কিম চায় বিলস

দেশের তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি সব খাতের শ্রমিকের জন্য অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদেরও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত এক মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ দাবি জানানো হয়। ইআইএস পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২২ সালে শুরু হওয়া ইআইএস পাইলট প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত ২৪৮টি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের মধ্যে ১৬১ জন নিহত শ্রমিকের উত্তরাধিকারী এবং ৮৭ জন স্থায়ীভাবে অক্ষম শ্রমিককে মোট ৪ কোটি ২৮ লাখ ৩১ হাজার ৫৭১ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

রানা প্লাজা ও তাজরিন দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর সহায়তায় প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ইআইএস প্রকল্পটি বর্তমানে তৈরি পোশাক খাতে পাইলট হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কর্মক্ষম ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে একটি পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। তাই শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।

আইএলও-ইআইএসের চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার সৈয়দ সাদ হুসাইন গিলানী জানান, প্রকল্পের আওতায় শ্রমিক ও তাদের পরিবার তিন ধরনের সুবিধা পেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে মজুরির ৫০ শতাংশ হারে আর্থিক সহায়তা, অক্ষম শ্রমিকদের পুনর্বাসন এবং কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সহায়তা।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন স্বপন বলেন, ২০২২ সালে প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর ক্ষতিপূরণের বিষয়টি শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সরকার, মালিকপক্ষ ও আইএলওর যৌথ উদ্যোগে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করেন তিনি।

স্কপের যুগ্ম সমন্বয়কারী এএএম ফয়েজ হোসেন বলেন, পাইলট প্রকল্পটি শুরুতে শুধু তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য ছিল। এখন দেশের সব খাতের শ্রমিককে এর আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ডিসি পদে রদবদল, চার জেলায় নতুন নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
ডিসি পদে রদবদল, চার জেলায় নতুন নিয়োগ

জনপ্রশাসনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার। চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগের পাশাপাশি তিন জেলা প্রশাসককে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নীলফামারীর নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. হুমায়ূন কবির।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক করা হয়েছে একই বিভাগের উপসচিব চৌধুরী আশরাফুল করিমকে। পিরোজপুরের নতুন জেলা প্রশাসক হয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।

এদিকে পিরোজপুরের বর্তমান জেলা প্রশাসক আবু সাঈদকে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নীলফামারীর ডিসি মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, টাঙ্গাইলের ডিসি শরীফা হককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং পটুয়াখালীর ডিসি মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীকে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ায় এই তিন কর্মকর্তাকে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সাধারণত উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ইতিহাস বলে, পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টের ফেরার সুযোগ নেই: আমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
ইতিহাস বলে, পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টের ফেরার সুযোগ নেই: আমান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, ইতিহাস বলে কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর আর ক্ষমতায় ফিরতে পারেনি। ভবিষ্যতেও পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টদের ফিরে আসার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে’ এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টরা এখন বিভিন্ন ধরনের হুংকার দিচ্ছে এবং দেশে ফেরার কথা বলছে। পলাতক নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতেই এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের বিভিন্ন সংকটে বিএনপি জনগণের পাশে ছিল। জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে জনগণের নিরাপত্তা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছেন। পরে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমান সরকার জনগণের কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করছে দাবি করে আমান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন করা হচ্ছে এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে সরকার পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানান তিনি। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মতো এখনো দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান আমান।

বিএনপির নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ যেন গণতন্ত্রের ওপর আঘাত করতে না পারে এবং পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফুসহ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি