খুঁজুন
                               
, ,
           

অসময়ের তরমুজে ভাগ্য বদল আতিয়ারের, আগ্রহ বাড়ছে অন্য কৃষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
অসময়ের তরমুজে ভাগ্য বদল আতিয়ারের, আগ্রহ বাড়ছে অন্য কৃষকদের

দিনাজপুরের হিলিতে মাচায় অসময়ের তরমুজ চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন কৃষক আতিয়ার রহমান। প্রথমবার ৪০ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষ করে ইতোমধ্যে লাখপতি হয়েছেন তিনি। খরচ বাদ দিয়ে আরও ভালো লাভের আশা করছেন এই কৃষক। তার সাফল্য দেখে স্থানীয় অন্য কৃষকরাও তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাকিমপুর উপজেলার খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের কৃষক আতিয়ার রহমান স্থানীয় কৃষি অফিসের প্রদর্শনী হিসেবে ৪০ শতাংশ জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করেছেন। উচ্চ তাপমাত্রা ও বৃষ্টি সহনীয় ‘বেঙ্গল টাইগার’ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে ভালো ফলন এসেছে। তরমুজ পাকতে শুরু করায় ইতোমধ্যে বাজারজাতও করছেন তিনি।

কৃষক আতিয়ার রহমান জানান, বীজ রোপণ থেকে শুরু করে তরমুজ সংগ্রহ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি প্রতি মণ তরমুজ ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। প্রথম চালানেই ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছেন। জমিতে এখনো অনেক তরমুজ রয়েছে। সব মিলিয়ে বিক্রি দুই লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, ধানের তুলনায় তরমুজ চাষে লাভ বেশি। তাই আগামীতে আরও বড় পরিসরে তরমুজ চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

স্থানীয় কয়েকজন যুবক জানান, আতিয়ারের তরমুজের জমিতে কাজ করে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। তার সাফল্য দেখে গ্রামের আরও অনেক কৃষক মাচায় তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম বলেন, মাচায় তরমুজ চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। অসময়ের ফল হওয়ায় এ চাষে কৃষক লাভবান হওয়ার পাশাপাশি মানুষের পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হবে। বর্তমানে হিলিতে প্রায় ৩ হেক্টর জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় আগামীতে এ আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

কিউ-ক্যাশের সেবা চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে ৩০ ব্যাংকের লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
কিউ-ক্যাশের সেবা চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে ৩০ ব্যাংকের লেনদেন

কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের সেবা স্বাভাবিক হওয়ায় ৩০টি ব্যাংকের বন্ধ থাকা এটিএম, কার্ড, পিওএস, এনপিএসবি, ই-কমার্স ও কিউআরভিত্তিক লেনদেন আবার চালু হয়েছে। ফলে এসব ব্যাংকের গ্রাহকেরা স্বাভাবিকভাবে সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করতে পারছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) কয়েকটি ব্যাংক গ্রাহকদের খুদে বার্তার মাধ্যমে কার্ড ও ডিজিটাল লেনদেন সেবা সচল হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে। ব্যাংক এশিয়া জানিয়েছে, তাদের এটিএম, কার্ড, পিওএস, এনপিএসবি, ই-কমার্স ও কিউআর সেবা পুরোপুরি চালু হয়েছে।

এর আগে কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম মাইগ্রেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে ৪ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে কয়েকটি ব্যাংকের কার্ড, এটিএম ও এনপিএসবি-সংশ্লিষ্ট সেবা বিঘ্নিত হয়। এতে এটিএম থেকে টাকা তোলা, কার্ডে কেনাকাটা ও বিভিন্ন ডিজিটাল লেনদেনে ভোগান্তিতে পড়েন গ্রাহকেরা।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মঙ্গলবার রাতে কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্ক পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আইটি কনসালট্যান্টস পিএলসির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে তলব করে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে স্যুইচিংসহ কার্ড-সংশ্লিষ্ট সব সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পর কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের সেবা চালু হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর বন্ধ থাকা এটিএম, কার্ড, পিওএস, এনপিএসবি, ই-কমার্স ও কিউআর সেবা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।

কিউ-ক্যাশের রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রযুক্তিগত কার্যক্রমের কারণে একযোগে ৩০টি ব্যাংকের বিভিন্ন ডিজিটাল লেনদেন সেবা বিঘ্নিত হয়েছিল। ব্যাংকগুলো জানিয়েছিল, ৪ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে ১০ অক্টোবর দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু সেবা বন্ধ থাকতে পারে।

কিউ-ক্যাশের আওতাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বেসিক ব্যাংক, ব্যাংক আলফালাহ, কমিউনিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক ও উরি ব্যাংক বাংলাদেশ।

তবে কিউ-ক্যাশের সমস্যার কারণে দেশের সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেন বন্ধ হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জাতীয় পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী এবং অন্যান্য পেমেন্ট সেবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস (বিএসিপিএস), বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) এবং রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) ব্যবস্থাও সচল ছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসরণ এবং বিকল্প পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ওষুধ ও তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর

ইন্দোনেশিয়ার বাজারে ওষুধ-গার্মেন্টস রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ
ইন্দোনেশিয়ার বাজারে ওষুধ-গার্মেন্টস রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানো এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তার বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে।

তিনি বলেন, বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করা গেলে দুই দেশের বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি করা সম্ভব। এ জন্য বাংলাদেশি পণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক, ওষুধ, আলু ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের ইন্দোনেশিয়ার বাজারে প্রবেশ সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে পিটিএ, সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ), জ্বালানি সহযোগিতা এবং হালাল সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের প্রসঙ্গ তুলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য বিশ্বের শতাধিক দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার বাজারে এসব পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমাতে দেশটির সহযোগিতা চান তিনি।

এ সময় জাকার্তায় বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্যের একক প্রদর্শনী আয়োজনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রদর্শনী আয়োজনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশি আলু রপ্তানির ক্ষেত্রেও পরীক্ষাগার ও নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা দূর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের পরীক্ষার ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতির প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় আলু রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিভিন্ন জটিলতায় তা এগোয়নি।

দুই দেশের মধ্যে পিটিএ নিয়ে চার দফা আলোচনা হলেও তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ২০২৩ সাল থেকে আলোচনা থমকে আছে। এ বিষয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আগামী ১৪ থেকে ১৮ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীর সময় দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও একটি প্রতিনিধিদলকে ওই প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি পারতামিনাকে বাংলাদেশের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) টার্মিনাল পরিচালনার প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয় এবং বাংলাদেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে দুই পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করে। এতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতিসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়বে: আবদুল মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়বে: আবদুল মঈন খান

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে শিশুদের ভবিষ্যতে দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ‘শিশু অধিকার দিবস ২০২৬’ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। সেমিনারের বিষয় ছিল ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জন, অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতে দেশের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক হয়ে বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে। তাই শিশুদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব বর্তমান প্রজন্মেরও। দেশকে ভালোবেসে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শিশুদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী শিশু অধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরির অনেক আগেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের ভবিষ্যৎ ও অধিকার নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করেছিলেন। শিশুদের সুপ্ত শক্তি ও সম্ভাবনা বিকশিত করে ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তাও তিনি উপলব্ধি করেছিলেন।

মঈন খান বলেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তির এ আয়োজনের মাধ্যমে শিশুরা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়েছে। আজকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তাদের নিজেদের ভবিষ্যতের পাশাপাশি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎও গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালে শিশুদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবনা শুরু করার অনেক আগেই ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি উপজেলায় শিশু একাডেমির কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কার্যক্রমে সুবিধাভোগী শিশুদের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও সমান সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সরকারের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি