খুঁজুন
                               
, ,
           

পিছিয়ে পড়েও নেইমারদের দারুণ জয়

ক্রীড়া ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
পিছিয়ে পড়েও নেইমারদের দারুণ জয়

ব্রাজিলিয়ান লিগে ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দারুণ জয় তুলে নিয়েছে সান্তোস। নেইমারের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে গাবিগোলের সমতাসূচক গোল এবং ফিলিপে কুতিনহোর জয়সূচক গোলে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও বিরতির পর আক্রমণে গতি বাড়িয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে সান্তোস। শেষ পর্যন্ত গ্যাব্রিয়েল বোন্তেম্পোর তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে কুতিনহো জয় নিশ্চিত করেন।

শুরুতেই ধাক্কা খায় সান্তোস
ম্যাচের শুরুতে লুয়ান পেরেসের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগায় ফ্লুমিনেন্স। সেই আক্রমণে ইগর রাবেলোর মাধ্যমে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন কাস্তিয়ো। শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে সান্তোস। গোলরক্ষক দিওগেনেসের ভুলও ওই গোলের ঘটনায় আলোচনায় আসে। তবে পরবর্তী সময়ে সাভারিনোর দুর্দান্ত শট ঠেকিয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে হাল্কের গোলের সুযোগও নস্যাৎ করেন এই গোলরক্ষক।

গাবিগোলের গোলে সমতায় ফেরে সান্তোস
পিছিয়ে পড়ার পর ধীরে ধীরে খেলায় ফেরার চেষ্টা করে সান্তোস। রক্ষণভাগে নির্ভরযোগ্য ভূমিকা রাখার পাশাপাশি আক্রমণেও অবদান রাখেন রদিনি। তাঁর পা থেকেই আসে গাবিগোলের সমতাসূচক গোলের অ্যাসিস্ট। গোলটি সান্তোসকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দেয়। এরপর দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে বিরতির পর সান্তোসের খেলায় আরও বেশি সমন্বয় ও গতির ছাপ দেখা যায়।

বোন্তেম্পোর ক্রসে কুতিনহোর জয়সূচক গোল
দ্বিতীয়ার্ধে সান্তোসের ঘুরে দাঁড়ানোর অন্যতম কারিগর ছিলেন গ্যাব্রিয়েল বোন্তেম্পো। তাঁর ক্রস থেকেই জয়সূচক গোল করেন ফিলিপে কুতিনহো। এই গোলেই ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে এগিয়ে যায় সান্তোস। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে রোলহাইসারও আক্রমণে উজ্জ্বলতা দেখান। তবে ফ্লুমিনেন্সের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফাবিওর দৃঢ়তায় গোলের দেখা পাননি তিনি। অন্যদিকে মাঝমাঠে সুরক্ষা ও ভারসাম্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন গুস্তাভো এনরিকে।

চোটে মাঠ ছাড়লেন ভেরিসিমো
রক্ষণভাগে লুকাস ভেরিসিমো প্রথমার্ধে কিছুটা অস্বস্তিতে থাকলেও পরে নিজেকে গুছিয়ে নেন। তবে ম্যাচের শেষদিকে বাঁ পায়ের ঊরুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। তাঁর বদলি হিসেবে অভিষেক হয় জোয়াও আলেনকারের। নতুন দায়িত্বে নেমে তিনি নিজের কাজ ভালোভাবেই সামলান। এদিকে বারিয়াল রক্ষণে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আক্রমণেও অবদান রাখেন। বাঁ দিক দিয়ে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন রনি। এভারটনও গাবিগোলকে একটি ভালো পাস দিয়েছিলেন, কিন্তু অতিরিক্ত ড্রিবলিংয়ের কারণে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি গাবিগোল।

বিরতির পর বদলে যায় সান্তোসের খেলা
মাঝমাঠে স্থিরতা আনতে বদলি হিসেবে নামেন অলিভা। গাবিগোলের বাড়ানো বল থেকে গোল করার সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মাঠে নামেন রাফায়েল গোনজাগা।প্রথমার্ধের ভুলত্রুটি কাটিয়ে বিরতির পর দলকে নতুনভাবে সাজান কোচ কুকা। তাঁর কৌশলগত পরিবর্তনে সান্তোসের আক্রমণ আরও সংগঠিত হয়ে ওঠে। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে জয়ের ব্যবধান আরও বড় হতে পারত। সব মিলিয়ে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় সান্তোস। গাবিগোলের সমতা ফেরানো গোল এবং কুতিনহোর জয়সূচক ফিনিশিংয়ে নেইমারের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে ওঠে দলটির জন্য।

কালের আলো/এএএন/এসএ

জলপাই-আমলকীতে হেমন্তের ঘ্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
জলপাই-আমলকীতে হেমন্তের ঘ্রাণ

শৈশবের চেনা স্বাদ, গ্রামবাংলার স্মৃতি আর টক-মিষ্টি ফলের আকর্ষণ—সব মিলিয়ে হেমন্তের শুরুতেই জমে উঠেছে রাজধানীর দেশি ফলের বাজার। জলপাই, আমলকী, আমড়া, কদবেল, চালতা, পানিফল, জাম্বুরা ও কামরাঙাসহ নানা মৌসুমি ফলে রঙিন হয়ে উঠেছে যাত্রাবাড়ী ও শ্যামবাজারের ফলের দোকান। পছন্দের ফল কিনতে বাজারে ভিড় করছেন ক্রেতারা। তবে ফলের সমারোহে খুশি হলেও দামের ক্ষেত্রে হিসাব কষতে হচ্ছে অনেককে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর এই দুই বাজার ঘুরে দেখা যায়, দোকানে দোকানে সাজানো দেশি ফলের পসরা। কেউ পরিবারের জন্য কিনছেন কয়েক ধরনের ফল, কেউ আবার দীর্ঘদিন পর পরিচিত ফলের দেখা পেয়ে কিনছেন নিজের পছন্দে। সারা বছর সহজে না পাওয়া এসব ফলের প্রতি বাড়তি টান তৈরি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে।

  • রাজধানীর বাজারে ফিরেছে গ্রামবাংলার চেনা ফল
  • হেমন্তের শুরুতে যাত্রাবাড়ী ও শ্যামবাজারে দেশি ফলের বাহার
  • শৈশবের স্মৃতি আর স্বাদের টানে ক্রেতা, দামে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

৬০ টাকার জলপাই, ১০০ টাকার আমলকী
বাজারে প্রতি কেজি জলপাই বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। আমলকীর দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পাকা আমড়া ৮০ টাকা এবং কাঁচা আমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। পানিফল মিলছে ৪০ টাকায়, জাম্বুরা ৯০ থেকে ১০০ টাকা এবং পেঁপে ৬০ টাকা কেজি দরে।

এ ছাড়া কদবেল ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেয়ারা ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং কামরাঙা ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি চালতার দাম ৫ টাকা। আনারস কিনতে খরচ হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আর প্রতিটি তাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। ফলের দামে ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া অবশ্য এক রকম নয়। কারও কাছে দাম মোটামুটি সহনীয়, আবার কারও মতে, কিছু ফলের দাম বেশি। তাই পছন্দ থাকলেও অনেকে কিনছেন পরিমাণ বুঝে, কেউবা একাধিক দোকানে দাম যাচাই করে নিচ্ছেন সিদ্ধান্ত।

ফলের টানে ফিরছে গ্রামের স্মৃতি
রাজধানীর ব্যস্ত জীবনে গ্রামের পরিচিত অনেক ফলই সারা বছর সহজে মেলে না। মৌসুমে বাজারে এসব ফলের দেখা মিললে তাই স্বাদের পাশাপাশি ফিরে আসে পুরোনো দিনের স্মৃতি। যাত্রাবাড়ীর ক্রেতা সাব্বির বলেন, জলপাই, আমলকী, আমড়া ও কদবেল সারা বছর পাওয়া যায় না। বাজারে এসব ফল উঠলে কিনতে ইচ্ছা করে। দাম কিছুটা বেশি হলেও পরিবারের জন্য অল্প করে কেনেন তিনি। আরেক ক্রেতা জানান, গ্রামে থাকতে এসব ফল সহজেই পাওয়া যেত। এখন রাজধানীতে সব সময় পাওয়া যায় না বলে বাজারে এলে কিনতে মন চায়। তবে কেনার আগে কয়েকটি দোকানে দাম যাচাই করেন তিনি।

সরবরাহ কমলেই বাড়ে দামের চাপ
বিক্রেতাদের মতে, ফলের দাম নির্ভর করে সরবরাহ, আকার, মান ও সংগ্রহস্থলের ওপর। বাজারে সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কিছুটা কমে, আর সরবরাহ কমলে বাড়তে পারে। মৌসুমি অনেক ফল অল্প সময়ের জন্য পাওয়া যায় বলে এ সময় চাহিদাও থাকে। শ্যামবাজারের বিক্রেতা রবিউল আলম বলেন, মৌসুমি ফলের চাহিদা থাকলেও বেশি দামে সবাই কিনতে চান না। কেউ অল্প করে কেনেন, কেউ পরিবারের জন্য কয়েক ধরনের ফল নেন। ফলের মান ও সরবরাহ অনুযায়ী দাম নির্ধারিত হয়।

আরেক বিক্রেতা কামরুল হাসান বলেন, মৌসুমি ফলের স্থায়িত্ব কম। দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় সময়মতো বিক্রি করতে হয়। এ কারণে ফলের বেচাকেনায় সরবরাহ ও চাহিদার পাশাপাশি পচনশীলতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

ফলের সমারোহে স্বাদ, পুষ্টি ও ঐতিহ্য
মৌসুমি দেশি ফলের আবেদন শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিতেও। ফলভেদে এতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও খাদ্যআঁশ। সুষম খাদ্যাভ্যাসে নানা ধরনের ফল রাখার গুরুত্বও রয়েছে।

তবে রাজধানীর বাজারে এই ফলের সমারোহ স্রেফ কেনাবেচার চিত্র নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতি ও স্মৃতির সম্পর্কও। টক জলপাই, কষযুক্ত আমলকী কিংবা স্বতন্ত্র স্বাদের কদবেল—পরিচিত এসব ফল অনেকের কাছেই ফিরিয়ে আনে ফেলে আসা দিনের কথা। হেমন্তের শুরুতে তাই দেশি ফলের পসরা ঘিরে রাজধানীর বাজারে তৈরি হয়েছে বাড়তি আকর্ষণ। পছন্দের ফল কেনার আগ্রহ আছে, তবে সেই আগ্রহের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে দামের হিসাব। সাধ্য অনুযায়ী কেনাকাটার মধ্য দিয়েই মৌসুমি ফলের স্বাদ নিচ্ছেন নগরবাসী।

কালের আলো/এএএন/এমকে 

ফুটপাত পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, আটক ছাত্রলীগ নেতা

আদালত প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
ফুটপাত পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, আটক ছাত্রলীগ নেতা

রাজধানীর মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণ করার অভিযোগে তানভীর জোমাদ্দার নামে ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) তাঁকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। আটক তানভীর পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত শনিবার মিরপুর-১০ এলাকায় দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করতে থাকেন তানভীর। একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি যাওয়ারও চেষ্টা করেন।

ঘটনাটি একটি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে শনাক্ত করতে তৎপর হয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার তাঁকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, ভিডিওতে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করতে দেখা গেছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তবে তাঁকে আটকের সুনির্দিষ্ট আইনি কারণ ও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নিজেদের মাঠে বরিশালকে উড়িয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ রাজশাহীর

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
নিজেদের মাঠে বরিশালকে উড়িয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ রাজশাহীর

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) তৃতীয় রাউন্ডে নিজেদের মাঠে বরিশাল বিভাগকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে রাজশাহী বিভাগ। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের চতুর্থ ও শেষ দিনে মধ্যাহ্নভোজের আগেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

এর আগে প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম ও দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে ড্র করেছিল রাজশাহী। তৃতীয় রাউন্ডে জয়ের পর ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে দলটি। ৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে খুলনা বিভাগ।

ম্যাচের চতুর্থ দিন আগের দিনের ৫ উইকেটে ২৪৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বরিশাল। তবে রাজশাহীর বোলার শফিকুলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ২৫ রান যোগ করতেই বাকি ৫ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যায় বরিশাল। তাদের দ্বিতীয় ইনিংস থামে ২৭৪ রানে। ফলে জয়ের জন্য রাজশাহীর লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৪৭ রান।

বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ৯১ রান করেন জাওয়াদ আবরার। এ ছাড়া হাফিজুর রহমান ৩৯ ও আব্দুল্লাহ ৩৪ রান করেন। রাজশাহীর হয়ে শফিকুল ৭৩ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন। সানজামুল ইসলাম নেন ২ উইকেট, খরচ করেন ১০২ রান।

৪৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজশাহী। দলীয় ১ রানে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন উদ্বোধনী ব্যাটার সোহান। এরপর প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি করা নাঈম আহমেদও ব্যক্তিগত ৮ রানে ফিরে যান।

তবে এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি অধিনায়ক প্রীতম কুমার ও সাব্বির হোসেন। দুজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রাজশাহী। সাব্বির ২৩ এবং অধিনায়ক প্রীতম ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ২০২ রান করে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় রাজশাহীর নাঈম আহমেদ নির্বাচিত হন ম্যাচসেরা। আগামী ২৪ অক্টোবর একই মাঠে ঢাকা বিভাগের মুখোমুখি হবে রাজশাহী বিভাগ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি