খুঁজুন
                               
, ,
           

নাটোরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ১৪ জনের

নাটোর সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
নাটোরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ১৪ জনের

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। নিহতদের মধ্যে দুই যানবাহনের চালকও রয়েছেন। হতাহতদের বেশির ভাগই বাসের যাত্রী।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বালুবোঝাই ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

মঙ্গলবার সকালে নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম ১৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর হোসেন ও নাটোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থল থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক, হাসপাতাল, নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

দুর্ঘটনার পর নাটোর-পাবনা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক সরিয়ে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. আবুল হায়াতসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতদের বিস্তারিত পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে আরও তথ্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ শেষ নয়, ইশরাকের সামনে বড় দায়িত্বের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ শেষ নয়, ইশরাকের সামনে বড় দায়িত্বের সম্ভাবনা

মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগকে রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন না প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। বরং আত্মোপলব্ধি, সংশোধন এবং জনগণের ভালোবাসাকে ধারণ করে ভবিষ্যতে ইশরাকের সামনে আরও বড় ও জনমুখী রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে এসব কথা লেখেন মাহদী আমিন। পোস্টে ইশরাকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, রাজনৈতিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এবং দল ও দেশের জন্য তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন লেখেন, ইশরাক হোসেনের পদত্যাগকে কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাঁর ভাষ্য, আত্মোপলব্ধি, সংশোধন এবং গণমানুষের ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সামনে ইশরাকের জন্য আরও বৃহত্তর ও জনমুখী রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পথ উন্মোচিত হতে পারে।

মাহদী আমিনের এই বক্তব্যে ইশরাকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর পদে থাকা বা পদত্যাগ করার মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত অবদানকে মূল্যায়ন করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে মাহদী আমিন জানান, তিনি এক সপ্তাহের জন্য পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর জানতে পারেন তিনি। ইশরাককে নিজের প্রিয় ভাই এবং রাজপথের আপসহীন লড়াইয়ের অন্যতম মুখ হিসেবে উল্লেখ করেন মাহদী। তিনি লেখেন, ইশরাকের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। একসঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি তাঁদের অনেক স্মৃতি ও রাজনৈতিক পথচলা রয়েছে।

মাহদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইশরাক হোসেনের ভূমিকা এবং তাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সবাই অবগত। বিএনপির তরুণদের সম্পৃক্ত করা, কূটনৈতিক যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়েও তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। ইশরাক জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও দেশপ্রেমকে নিজের বিশ্বাসে ধারণ করেন উল্লেখ করে মাহদী আমিন তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করেন।

ইশরাকের সাম্প্রতিক কাজের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন কিংবা মতভিন্নতা থাকতে পারে বলে স্বীকার করেছেন মাহদী আমিন। তবে যে উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার লক্ষ্য, নৈতিকতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে ন্যূনতম দ্বিধার অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টে মাহদী আমিন বলেন, প্রতিমন্ত্রীর পদ বা পদত্যাগপত্র দিয়ে ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা আত্মত্যাগের মূল্য নির্ধারণ করা যায় না। সাময়িক কোনো সিদ্ধান্তের চেয়ে দল, দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান এবং আন্তরিক অবস্থান বেশি অর্থবহ। তবে কোন উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এই বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি মাহদী আমিন।

পোস্টে মাহদী আমিন সরকারের জবাবদিহিতার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন, ত্যাগী ও জনপ্রিয় তরুণ নেতা ইশরাক হোসেনের কোনো সাহসী ও জনবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও বিতর্কের অবকাশ থাকলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি লেখেন, জনগণের সরকারের বার্তা এ ক্ষেত্রে স্পষ্ট। রাষ্ট্র বিনির্মাণের যাত্রায় সামনের দিনগুলোতেও সরকারের প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহিতার ধারা বজায় থাকবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। মাহদী আমিন তাঁর পোস্টের শেষাংশে আবারও উল্লেখ করেন, ইশরাক হোসেনের পদত্যাগকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি হিসেবে দেখার কারণ নেই। বরং আত্মোপলব্ধি, সংশোধন এবং মানুষের ভালোবাসার মধ্য দিয়ে তাঁর সামনে আরও বড় ও জনমুখী দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

 

দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৫ দিনের ছুটি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৫ দিনের ছুটি শুরু

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা পাঁচ দিনের ছুটি শুরু হয়েছে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)। দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি কাটাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ ছুটি সমন্বয়ের জন্য গত ১৭ অক্টোবর শনিবার সরকারি অফিস-আদালত খোলা রাখা হয়েছিল।

দীর্ঘ ছুটি পেয়ে অনেক কর্মজীবী মানুষ গ্রামের বাড়িতে গেছেন। ছুটি শুরুর আগে সোমবার বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে ঘরমুখী মানুষের ভিড় দেখা যায়। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে পূজার সময় কাটাতে এবং ছুটি উপভোগ করতে অনেকেই রাজধানী ছেড়ে নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এক দিনের সরকারি ছুটির প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন করা হয়। এর ফলে নির্ধারিত সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের অবকাশ তৈরি হয়েছে।

ছুটির সূচি অনুযায়ী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি নির্ধারিত ছিল। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবরের অতিরিক্ত ছুটি যুক্ত হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটির ব্যবস্থা করতে ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা একটানা পাঁচ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন।

সরকারি অফিস-আদালতের তুলনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির সময় আরও দীর্ঘ। শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, প্রবারণা পূর্ণিমা ও শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি চলছে। ছুটির আগে ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ছিল শেষ কর্মদিবস। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পৃথক নোটিশ অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুলের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে। দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী (২১ অক্টোবর), প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মীপূজা (২৫ অক্টোবর) উপলক্ষে এ ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর থেকে স্কুলে নিয়মিত সময়সূচিতে শ্রেণি পাঠদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কলেজ শাখার শ্রেণি কার্যক্রমে ছুটির সময়সীমা আরও কয়েক দিন বেশি। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলেজের শ্রেণি পাঠদান ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এরপর ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠদান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ফলে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকরিজীবী, স্কুলশিক্ষার্থী ও কলেজশিক্ষার্থীদের ছুটির সূচিতে পার্থক্য থাকছে। সরকারি চাকরিজীবীরা ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ছুটি পেলেও স্কুলে পাঠদান শুরু হওয়ার কথা ২৬ অক্টোবর এবং কলেজে ১ নভেম্বর থেকে। টানা ছুটিকে ঘিরে কর্মজীবী মানুষের মধ্যে বাড়ি ফেরার প্রবণতা দেখা গেছে। সোমবার বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। দীর্ঘ ছুটির সুযোগে অনেকেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে এবং উৎসব উদ্‌যাপন করতে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

 

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে দেশ গড়ার আহ্বান তারেক রহমানের

রংপুর সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে দেশ গড়ার আহ্বান তারেক রহমানের

মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সব ধর্মের মানুষের অবদান রয়েছে। এখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রংপুরের পাগলাপীরে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাতে তিনি সেখানে যান।

সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান

পথসভায় তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলে দেশ স্বাধীন করেছেন। এখন দেশ গড়ার কাজেও সবাইকে একসঙ্গে অংশ নিতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে প্রত্যেকের প্রত্যাশা হওয়া উচিত, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিতভাবে দেশ গড়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। তিনি সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষকদের কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে এবং শিগগিরই কৃষক কার্ড চালু করা হবে। পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার বলে জানান তারেক রহমান। তাঁর বক্তব্যে কৃষক, নিম্ন আয়ের মানুষ এবং ধর্মীয় নেতাদের সহায়তার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

দুর্গোৎসবে শুভেচ্ছা জানাতে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী

এর আগে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাতে রংপুরের পাগলাপীরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে তাঁর এই সফরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসে। পথসভায়ও তিনি সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ গড়ার ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে সড়কের দুই পাশে মানুষের ভিড়

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সৈয়দপুর থেকে রংপুরের সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। কয়েক কিলোমিটার সড়কজুড়ে উৎসুক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এ সময় তাঁরা হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে দেশ গড়ার আহ্বান এবং সরকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান তাঁর বক্তব্য দেন। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করার বার্তাই ছিল তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি