খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ডিজিটাল বাংলাদেশে চারুকলায় কম্পিউটার গ্রাফিক্সের গুরুত্ব অপরিহার্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৮, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
ডিজিটাল বাংলাদেশে চারুকলায় কম্পিউটার গ্রাফিক্সের গুরুত্ব অপরিহার্য

নজরুল ইসলাম তোফা||

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এদেশে শিক্ষার হার উন্নত দেশের তুলনায় কম বলা চলে। দেখা যায় স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেলেও শিক্ষার মানের উন্নয়ন ঘটেনি সেই হারে। মানুষের জীবন যাপনের ব্যাপক পরিবর্তনও ঘটেছে। সেই সাথে রুচিবোধের পাশা পাশি সামাজিক রীতিনীতি, কৃষ্টি কালচারের চর্চাও অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন এদেশের সরকার বৃহৎ একটি স্বপ্ন আর আশা আকাঙ্ক্ষার আলোকে সমাজ পরিচালিত করছে। বাংলাদেশের এমন এই সরকার বিরাট এক পরিবর্তন এবং ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলছে ডিজিটাল বাংলাদেশ নামক একটি প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

একুশ শতকে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই শেখ হাসিনা ৬ জানুয়ারি ২০০৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় বারের মতো শপথ নিয়েছিলেন। সুতরাং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের বছরে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণই ছিল সরকারের মূল নির্বাচনী ইশতেহার।

আওয়ামী লীগের এই উদ্যোগ মতে বলা যায়, ১২ ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে তাদেরই নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা ছিল যে ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছরে এদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হবে। একটি উন্নত দেশ হবে, সমৃদ্ধশালী ডিজিটাল সমাজ হবে, এমন ডিজিটাল যুগের জনগোষ্ঠীরাই সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাবে, রূপান্তরিত উৎপাদন ব্যবস্থাও চালু হবে, নতুন নতুন জ্ঞানভিত্তিক সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির সমন্বয়েই এক জ্ঞানভিত্তিক সমাজের স্বপ্নে বিভর ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সুতরাং তাদের প্রধান এই বিষয়ের কাজও ত্বরান্বিত হচ্ছে। আসলেই এমন এই উদ্যোগ ডিজিটাল বাংলাদেশ সত্যিই বিশ্বের জ্ঞানভিত্তিক সমাজের সঙ্গে মিলিয়েই বাংলার জনগোষ্ঠীকে উপহার দেওয়া খুব প্রয়োজন বৈকি। আমাদের দামাল ছেলেরা অনেক রক্ত দিয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আজকের এ বাংলাদেশ পেয়ে আজ আমরা তিল তিল করেই দাঁড়াতে শিখছি। তাই এদেশের নতুন প্রজন্মের সোনার ছেলেরা হাতের নাগালে পাবে আধুনিক ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়নশীল দেশ ও সমৃদ্ধশালী নতুন জীবন। ডিজিটাল বাংলাদেশ সেই স্বপ্ন এবং লক্ষ্য পূরণ করবে তা আমার অনুধাবন করতে পারি।

‘বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি’ ২০০৯ সালের ১৭ থেকে ১২ নভেম্বরে “ডিজিটাল বাংলাদেশ সামিট” নামক এ বিষয়ে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল, যাতে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো আলোচিত হয়। সুতরাং ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপ রেখায় কম্পিউটার গ্রাফিক্সের গুরুত্ব ও তার যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় আসা উচিত ছিল। বলতেই হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে চারুকলা কলেজ খোলার প্রয়োজনীয়তা সরকার অনুভব করছে তা শিকার করে নিতেই হয়। কিন্তু এমন এই প্রয়োজনীয়তার পাশা পাশি দেখা যায় শিক্ষালয়ে কম্পিউটার গ্রাফিক্সের ব্যবহার এবং সংযোজন ঘটানোর কোনই উদ্যোগ শুরু হয়নি। লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, উন্নতিশীল সারা বিশ্বে কম্পিউটার গ্রাফিক্স ব্যবহার করে তাঁরা অনেক অর্থ উপার্জন করছে। এমন এই উদ্যোগের মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশকে আর এক ধাপ উন্নয়নের সহযোগিতা করতে পারবে বলে মনে করি। সুতরাং শিক্ষাঙ্গনে কম্পিউটার গ্রাফিক্সের প্রয়োজন রয়েছে এবং পাঠদানের জন্যে পাঠ্য সিলেবাসেরও দরকার আছে। এমন এ আশু প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার গ্রাফিক্স বিষয়ে পড়াশোনায় আগ্রহ দেখিয়ে থাকে। সুতরাং বলা যায়, ডিজিটাল বাংলাদেশের সামাজিক চাহিদা ও বাধা অনেকাংশে কমে যাবে। তাই এক সময় দেখা যাবে, কম্পিউটার গ্রাফিক্স ব্যবহার করে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথকে আরও প্রসারিত করবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্হানরত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চারুকলা বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তিও হচ্ছে। তাদের এমন এই প্রয়োজনীয়তায় চারুকলায় সঠিক ভাবে কম্পিউটার গ্রাফিক্স ব্যবহার হচ্ছে না। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে একটি জাতিকে উন্নত শিখরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। আসলে বলাই যায় যে, একটি জাতি কতটুকু উন্নত হলো, যদি তাদের থাকে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শৈল্পিক চেতনা।

বাংলাদেশের চারুকলার প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা দেরিতে হলেও প্রায় সত্তর বছর হতে চলেছে। সুতরাং দেশ স্বাধীনের পর চারুকলার প্রাতিষ্ঠানিক চর্চার ব্যাপক প্রসার হলেও তথ্যপ্রযুক্তি যুগে এসে যেন এশিক্ষায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনেকাংশে পিছিয়ে। চারুকলা চর্চার প্রয়োজনীয়তা লক্ষনীয়ভাবে বৃদ্ধি করতে পারলে অবশ্যই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার একটি ধাপ অগ্রসর হবে। প্রচলিত শিক্ষা এবং সংস্কৃতিতে আমূল পরিবর্তন আনতে না পারলেই ভবিষ্যতে কর্ম সংস্থান নিয়ে বড় ধরনের জটিলতায় পড়তে হবে। এমন কথাগুলো বলেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তির মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা থেকে মন্ত্রিত্ব পাওয়া এমন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আরও বলেছেন, প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় বেকার তৈরির কারখানা। আসলেই তো, এমন প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে প্রকৃত অর্থে সামনের দিন গুলোতে আমাদের সন্তানদের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা অসম্ভব হবে। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা পাঠ্যক্রম, পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষক সহ শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের চারুকলা শিক্ষায় কম্পিউটার গ্রাফিক্স সমন্বয় ঘটিয়ে এবং পাঠদানের জন্যে সিলেবাসের অনুমোদন আশু প্রয়োজন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী ‘সঠিক সময়েই’ মোস্তাফা জব্বারকে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন। হয়তো বা তাঁর চৌকস ও সুদক্ষ তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞানের আলোকেই গড়ে উঠবে ডিজিটাল সোনার বাংলাদেশ।

 

লেখক: টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

পাড়ের লাল আভা এবং হাতে রঙিন চুড়ির সমন্বয় তার লুকে এনেছে উৎসবের আবহ। খোলা চুল, কপালে ছোট লাল টিপ আর সোনালি গয়নায় ফুটে উঠেছে বাংলাদেশি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য।

এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিমের রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! সবাইকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ, নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

কালের আলো/এসএকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন