খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ, সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে গুরুত্ব বিমান বাহিনী প্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ, সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে গুরুত্ব বিমান বাহিনী প্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দেশে প্রযুক্তির উৎকর্ষতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। একই সঙ্গে বেড়ে চলেছে নিত্যদিনের প্রযুক্তির ব্যবহার। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে অপব্যবহারের মাত্রাও। সাইবার আক্রমণের পরিমাণও নেহায়েত কম নয়। স্বভাবতই সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে সাইবার নিরাপত্তা। সাইবার বলয় তৈরি করে সাইবার সুরক্ষা দেওয়াও এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই সাইবার নিরাপত্তা সুনিশ্চিতে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে সচেতন করতে অক্টোবর মাসজুড়ে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস (ক্যাম) কর্মসূচির প্রচারণা জোরদার করা হয়েছে।

সর্বস্তরে প্রযুক্তির ব্যবহারের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীও। সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সচেতনতা বাড়াতে তাঁরা গ্রহণ করেছে সময়োপযোগী কার্যকর পদক্ষেপ। মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস উদ্বোধন করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা আর কেবল একটি প্রযুক্তিগত বিষয় নয়, এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য এবং আলোচ্য অংশ।’ সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা সম্পর্কিত এই মাসব্যাপী কর্মসূচি বিমান বাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রথমবারের মতো সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস উদযাপনের সূচনা করেছে। এদিন ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনী সদর দপ্তর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী প্রধান সাইবার নিরাপত্তায় সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে প্রথমবারের মতো সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাসের সূচনা উদযাপন প্রত্যক্ষ করা অত্যন্ত উৎসাহজনক।

সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা অপরিহার্য
সাইবার সুরক্ষার জন্য মূলত প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের সংস্কৃতি তৈরি করা প্রয়োজন। এ জন্য জনসচেতনতা তৈরি করে ব্যবহারকারীদের আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি প্রতিশ্রুতিশীল সুস্থ সাইবার সংস্কৃতি গড়ে তোলার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, ‘সংবেদনশীল তথ্যের সুরক্ষা শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলোর মধ্যে একটি। সাইবার হুমকি ও আক্রমণের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার সাথে, সংস্থা এবং ব্যক্তিদের জন্য তাদের সংবেদনশীল তথ্যগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।’

বিমান বাহিনী প্রধান আরও বলেন, ‘কার্যকর সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা ঝুঁকি কমাতে পারি এবং সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারি। সাইবার নিরাপত্তা শুধুমাত্র আমাদের আইটি বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব নয়, সাইবার স্পেসে নিজেদেরকে সুরক্ষিত রাখতে আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সর্বোত্তম সাইবার নিরাপত্তা অনুশীলনে অগ্রগামী এবং অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সাইবার ওয়ারফেয়ার এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি পরিদপ্তরের পরিচালক অনুষ্ঠানে প্রধান সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিমান বাহিনী প্রধান এই উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সাইবার ওয়ারফেয়ার এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি পরিদপ্তরের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন এবং সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে উৎসাহিত করেছেন। অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনীর ঢাকাস্থ ঘাঁটি ও ইউনিটের নির্বাচিত কর্মকর্তা, বিমানসেনা এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার বাইরের ঘাঁটিগুলোর প্রতিনিধিরা ভিডিও টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু করার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার তিনি তেহরানে পৌঁছেছেন।

ইরানের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইরানে পৌঁছেছেন।

তেহরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং দ্বিতীয় দফার আলোচনার সমন্বয় করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের এই প্রতিনিধিদল ইরান সফরে গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরআইবি বলেছে, আগামী কয়েক দিনের মাঝে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে কোনও ফলাফল ছাড়াই শেষ হওয়া আলোচনার পর পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তার আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে বলে ইরানের পক্ষ থেকে জানানোর কয়েক ঘণ্টা পরই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ইরান সফরে গেছেন।

বুধবার সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেন, গত রোববার ইরানি প্রতিনিধিদল তেহরানে ফিরে আসার পর থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে বেশ কিছু বার্তা বিনিময় করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামাবাদে চলমান আলোচনার ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের পাকিস্তানি এক প্রতিনিধিদলকে গ্রহণ করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদ সম্মলনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ তেহরানের ‘অনস্বীকার্য’ অধিকার। তবে সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ‘আলোচনাযোগ্য’। ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের অধিকার চাপ প্রয়োগ কিংবা যুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ও ধরনের বিষয়ে আমরা সব সময় বলেছি, এই বিষয়টি আলোচনাযোগ্য। আমরা জোর দিয়ে বলেছি, ইরানের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখার সক্ষমতা থাকা উচিত।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়ে বাঘায়ি বলেন, আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের কিছু দাবি ছিল ‘অযৌক্তিক ও অবাস্তব’। তিনি পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়ে ইরানের অধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‌‌‌‘‘এই অধিকার চাপ প্রয়োগ বা যুদ্ধের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া যাবে না।’’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী দুই দিনের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হতে পারে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন। ইরানিরা পাকিস্তানের দিকে ‘বেশি ঝুঁকে আছেন’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, আপনাদের আসলেই সেখানে অবস্থান করা উচিত। কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে কিছু একটা ঘটতে পারে এবং আমরা সেখানে যাওয়ার পক্ষেই বেশি আগ্রহী। তিনি নিউ ইয়র্ক পোস্টকে বলেন, এর সম্ভাবনা বেশি, জানেন কেন? কারণ ফিল্ড মার্শাল দারুণ কাজ করছেন। তিনি অসাধারণ এবং এ কারণেই আমাদের সেখানে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমরা কেন এমন কোনও দেশে যাব যাদের এই বিষয়ের সঙ্গে কোন সম্পর্কই নেই?

বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘প্রায় শেষের পথে’।

সুত্র: আল জাজিরা, ডন, ফক্স নিউজ।

কালের আলো/জেএন

দেড় মাস পর ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
দেড় মাস পর ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রায় দেড় মাস পর আবারও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) একটি ব্যাংকের কাছ থেকে ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি ডলার কেনা হয়।

মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট দুটিই ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

এর আগে সর্বশেষ গত ২ মার্চ দুটি ব্যাংকের কাছ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল। ওই সময় কাট-অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ৫৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার (৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়তে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। চলতি বছরের মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এর পরিমাণ ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এসেছে ১৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নয়ন প্রবাসী আয় বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও।

সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, ১৫ এপ্রিল দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার।

কালের আলো/জেএন

পুলিশে বড় রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
পুলিশে বড় রদবদল

‎পুলিশ বাহিনীতে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। পুলিশ সুপার (এসপি) থেকে ‘সুপারনিউমারারি পদোন্নতি’ পাওয়া এক ডিআইজিসহ ১৬ জন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

‎‎বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পুলিশ-১ শাখা) তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

‎‎প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশের (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) কামরুল হাসান মাহমুদকে এসবিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, আরপিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) তোফায়েল আহমেদকে পদস্থ বিভাগেই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে এবং ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) সুফিয়ান আহমেদকে ডিএমপিতেই যুগ্ম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎‎আরও জানান হয়, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মুহাম্মদ বাছির উদ্দিনকে সিআইডিতেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে এসবিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুইয়াকে সিএমপিতেই অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মাহবুবুল করিমকে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরেই রাখা হয়েছে। আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আল মামুনকে আরএমপিতেই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে।

‎শিল্পাঞ্চল পুলিশ-৪ (নারায়ণগঞ্জ) এর পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহা. আসাদুজ্জামানকে পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ আনিছুর রহমানকে এসবিতেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎রংপুর রেঞ্জের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) ড. আ ক ম আকতারুজ্জামান বসুনিয়াকে পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে একই দপ্তরে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ হায়াতুন নবীকে সিআইডিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পুলিশ সদর দপ্তরেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎‎এছাড়া আরও জানান হয়, পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আফরোজা পারভীনকে একই কর্মস্থলে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) তোফায়েল আহমেদ মিয়াকে নিজ বিভাগেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

‎জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন