খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের পুনর্মিলনে স্মৃতির সন্তরণ, দেশসেবায় আত্মনিয়োগের অনুরোধ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের পুনর্মিলনে স্মৃতির সন্তরণ, দেশসেবায় আত্মনিয়োগের অনুরোধ সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের সবুজ ক্যাম্পাসে রূপময় নিসর্গ ছুঁয়েছে বসন্ত। যান্ত্রিকতার কোলাহলমুখর অতি কর্মব্যস্ত জীবনে ঋতুরাজের দোলায় ভেসে সবাই ছুটে এসেছেন নিজের প্রিয় ক্যাম্পাসে, নাড়ির টান আর বন্ধুদের ভালোবাসার টানে। দূর থেকে নাম ধরে ডাক দিচ্ছেন একজন আরেকজনকে। পেছন ফিরে তাকাতেই হাসিতে ঝলমল একেকজনের মুখ। যে বা যারা নাম ধরে ডাকলো যে-সেও পুরোনো আলিঙ্গন পেতে দুহাত প্রসারিত করে উন্মুখ হয়ে দাঁড়িয়ে। কাছাকাছি হতেই একে অপরকে জড়িয়ে ভুলে যায় প্রিয় বন্ধুর দীর্ঘদিনের না পাওয়া উষ্ণ আলিঙ্গন সুখ। খোঁজ নিয়েছেন বর্তমান হালহকিকতের।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেটদের সংগঠন ‘মির্জাপুর এক্স-ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন’ (মেকা) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ১৪তম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে এমন দৃশ্যের অবতারণা ঘটে একবার-প্রতিবার। চোখের কোনে আনন্দ অশ্রু নিয়ে দীর্ঘদিনের সঙ্গী ও পুরোনো বন্ধুকে পেয়ে সবাই মেতেছেন খোশগল্পে। হাসি-ঠাট্টা, স্মৃতিচারণ, আড্ডা, বাড়তি বাড়তি উচ্ছ্বাস আর উন্মাদনায়। ক্যাডেট কলেজ প্রাঙ্গণ জুড়ে ছিলো বন্ধুদের দেখা পেয়ে আবেগ-অনুভুতি সমৃদ্ধ বাক্যের ছড়াছড়ি। দুরন্ত সময়কার সোনালী স্মৃতিগুলোই আজীবনের জমানো সুখ।

মির্জাপুর এক্স-ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন’ (মেকা) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ১৪তম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনটি হয়ে ওঠে অনাবিল আনন্দে মুখর। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে উঠে অধ্যয়নরত-পুরোনোদের মিলনমেলায়। সঙ্গে ছিলেন তাঁদের পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানের ‘মধ্যমণি’ প্রধান অতিথি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর উপস্থিতির মধ্যে দিয়ে যোগ হয় বাড়তি মাত্রা। বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি। খোলা জিপে বর্তমান ও পুরোনো শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী প্যারেডের সালাম গ্রহণ করেন। পরে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান দেশ ও জাতি গঠনে ক্যাডেটদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। এখান থেকে সবাই ভালো মানুষ হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে বেরিয়ে যান।’ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ক্যাডেটদের সার্বিক সফলতা ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা, নৈতিকতা ধরে রাখা এবং নিজেদের মধ্যে দেশপ্রেমের স্পৃহা বজায় রাখার মাধ্যমে তাঁদেরকে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করতে অনুরোধ জানান।

এর আগে সেনাপ্রধান ক্যাডেট কলেজে এসে পৌঁছালে নবম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও সাভারের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মঈন খান, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল এস এম ফয়সলসহ অন্যরা তাকে স্বাগত জানান। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি, সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল মাসুদুর রহমানসহ মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেট, স্থানীয় ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুনর্মিলনী মানেই এক অন্যরকম উত্তেজনা যেখানে জড়িয়ে থাকে হাজারো স্মৃতি ও আনন্দ। তারুণ্যদীপ্ত অতীতের সোনালি দিনগুলোতে ফিরে যান প্রত্যেকে। অগ্রজদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করেন অনুজরা। আড্ডায়-গল্পে সোনালি দিনের স্মৃতি রোমন্থনে সময় পার করেছেন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি। কালের আলো’র সঙ্গে আনন্দোচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আজ খুব ভালো লাগছে, এতোদিন পরে সবাইকে একসঙ্গে পেয়ে। স্মৃতিতে ভাসছে সেই পুরোনো অতীত, ক্যাডেট জীবনের সেই দিনগুলির কথা। সুযোগ হয়েছে পরস্পরের মধ্যে এই মেলবন্ধনের।’

প্রাক্তন ক্যাডেটদের সংগঠন ‘মির্জাপুর এক্স-ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন’ (মেকা) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ১৪তম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের শেষ দিন শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি)। বিদায় নিতে নিতে যেন সবার হৃদয়ে হৃদয়ে নীরবে বাজবে সেই গান ‘দেখা হবে, বন্ধু, কারণে আর অকারণে/দেখা হবে, বন্ধু চাঁপা কোনো অভিমানে…।’

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ