খুঁজুন
                               
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৮ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কেউ কেউ রমজানকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
কেউ কেউ রমজানকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন: প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র রমজান মাসে কারও কষ্টের কারণ না হতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অসাধু চক্র রমজান মাসকে লোভ ও লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন মন্তব্য করে সবাইকে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।

শনিবার (৭ মার্চ) এতিম ও আলেম-ওলামার সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

ইফতার মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেএম জাহিদ হোসেন, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, মধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামিদ, জমিয়ত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি মনির কাসেমী, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা সালাহউদ্দীন নানুপুরী, শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফসহ শীর্ষ আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র রমজান ত্যাগ এবং সংযমের মাস। রহমত- বরকত-সংযমের মাস। অথচ অপ্রিয় হলেও সত্য, রমজান এলেই আমাদের কেউ কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। রমজান মাসকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন। পবিত্র রমজান মাসেও যারা অসাধু পন্থা অবলম্বন করছেন, আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান, অনুগ্রহ করে আপনারা মানুষের কষ্টের কারণ হবেন না।

তারেক রহমান বলেন, ইসলামি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি অনুযায়ী অতীতের প্রতিটি রমজানের প্রায় প্রতিদিনই আমরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করে আসছিলাম। আলেম ওলামা মাশায়েখ এবং এতিমদের সম্মানে আমরা সাধারণত পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে থাকি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে দেশের চলমান বাস্তবতায় এবার আমাদেরকে একটু দেরি করেই আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ইফতারের আয়োজন করতে হয়েছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতিটির কারণে গ্যাস বিদ্যুৎ জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যায় সংকোচন এবং কৃচ্ছতা সাধনের অংশ হিসেবে এবারের রমজানে আজ এবং গতকালের ইফতার মাহফিলসহ মোট দুটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছি।

সরকারপ্রধান বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবারের রমজানে এটিই হয়তো শেষ ইফতার মাহফিল। আজকের এই ইফতার মাহফিলের অংশগ্রহণকারী ‘এতিম সন্তানেরাই’ আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেহমান। পবিত্র কোরআন এবং হাদিসে ‘এতিমের হক’ আদায়ের ব্যাপারে মুমিন মুসলমানদের প্রতি ইসলামের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এতিমের প্রতি ‘হক আদায়ে’র গুরুত্ব এবং এতিমদের নিয়ে আজকের এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন।

তারেক রহমান বলেন, আজকের এই ইফতার মাহফিলে সঙ্গত কারণেই সকল এতিম সন্তানদেরকে আমন্ত্রণ জানানো সম্ভব হয়নি। তবে এতিমদের ব্যাপারে রাষ্ট্র এবং সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই ইফতার মাহফিলের অবশ্যই প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে। এই ইফতার মাহফিল এতিমদের প্রতি বিত্তবানদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দায় দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রতিজন বিত্তবান যদি অসহায় এতিমদের প্রতি পবিত্র কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট থাকেন…তাহলে আমি বিশ্বাস করি… পিতৃহারা এতিম সন্তানেরা এক বুক বেদনা বুকে নিয়েও রাষ্ট্র এবং সমাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা খুঁজে পাবে।

আলেম-ওলামার উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসলামের পাঁচটি ভিত্তির আরেকটি হচ্ছে জাকাত। দেশে জাকাত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমি আমার একটি পরিকল্পনার কথা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। ইসলামের বিধান অনুযায়ী আমাদের সমাজে অনেক বিত্তবান নিজ উদ্যোগেই জাকাত দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ সরকারের ‘জাকাত বোর্ডের’ মাধ্যমেও জাকাত পরিশোধ করে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন গবেষণা রিপোর্টে দেখা গেছে… প্রতি বছর বাংলাদেশে এই জাকাতের পরিমাণ ২০/২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হয়ে থাকে। কেউ কেউ এর পরিমাণ আরও অনেক বেশি বলেছেন। তবে সুপরিকল্পিত এবং সুসংগঠিতভাবে জাকাত বণ্টন না করায় বিত্তবান ব্যক্তির জাকাত আদায় হয়ে গেলেও জাকাতের অর্থ দারিদ্র বিমোচনে কতটা ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে এটি একটি বড় প্রশ্ন।

তারেক রহমান বলেন, যতদূর জানি, জাকাতদাতাদেরকে ইসলামি বিধান এমনভাবে জাকাত বণ্টনে উৎসাহিত করে, যাতে একজন জাকাত গ্রহীতা প্রথম বছর জাকাত গ্রহণের পর পরের বছর আর জাকাত গ্রহণ করতে না হয়। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, পরিকল্পিতভাবে জাকাত বণ্টন করা গেলে দারিদ্র বিমোচনে জাকাত যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে। এমন বাস্তবতায় সরকার জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর এবং লক্ষ্যভিত্তিক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধনী দরিদ্র সবমিলিয়ে দেশে বর্তমানে পরিবারের সংখ্যা কমবেশি চার কোটি। এসব পরিবারের মধ্যে যদি দরিদ্র কিংবা হত দরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে ৫ লক্ষ পরিবারকে এক লক্ষ করে টাকা যাকাত দেওয়া হয়, আমার বিশ্বাস এসব পরিবারের মধ্যে বেশির ভাগ পরিবারকে পরের বছর আর জাকাত নাও দিতে হতে পারে। লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে জাকাত দেওয়া হলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুধু জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

আলেমদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দারিদ্র বিমোচনে জাকাত ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আপনাদের কাছে যৌক্তিক মনে হলে এ ব্যাপারে বিত্তবানদের সচেতন করার ক্ষেত্রে আপনারা আলেম ওলামা মাশায়েখগণ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারেন। জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন করার লক্ষ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ওলামা, ইসলামিক স্কলার এবং সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদ্যমান ‘জাকাত বোর্ড’কে পুনর্গঠন সম্ভব। জাকাতকে দারিদ্র বিমোচনে ব্যবহার করে ইসলামি বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি মডেল হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে বলেও আমি মনে করি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকার নিরাপত্তায় ১৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকার নিরাপত্তায় ১৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন

রোববার (২১ জুন) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

নিয়াজ মেহেদী জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো নগরীতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নগরের ২০০টির বেশি কৌশলগত স্থানে পুলিশের বিশেষ পিকেট ও চেকপোস্ট বসানো হবে। পাশাপাশি ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি ডিএমপির বিশেষায়িত ইউনিট ডিবি ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) সক্রিয় থাকবে। সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও আইএডি গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

তিনি আরও জানান, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১৫টি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া ঢাকার চারটি প্রধান কন্ট্রোলরুমে পর্যাপ্ত ফোর্স রিজার্ভ রাখা হবে। নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকিতে কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

এদিকে জুন মাসের শুরু থেকে ২০ জুন পর্যন্ত রাজধানীতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় বিপুল সংখ্যক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। এর মধ্যে রাজনৈতিক মামলায় ৮২ জন, ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে ২৮ জন, চুরি সংক্রান্ত ঘটনায় ১২১ জন, দস্যুতার ঘটনায় ১১৩ জন এবং ডাকাতি মামলায় ১২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এছাড়া ডিএমপির থানা, ডিবি ও সিটিটিসির অভিযানে জুন মাসে এখন পর্যন্ত ৫৫ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ রয়েছে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, রাজধানীর শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে তায়কোয়ানদো দোজাং এর ২৬ তম বেল্ট বিতরণী অনুষ্ঠিত

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে তায়কোয়ানদো দোজাং এর ২৬ তম বেল্ট বিতরণী অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ‘তায়কোয়ানদো দোজাং এর ২৬তম বেল্ট বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৬’। রোববার (২১ জুন) বিকেলে নগরীর উপশহরস্থ শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত  অনুষ্ঠানে শতাধিক তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং-এর সভাপতি মোঃ শরফুজ্জামান শামীম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা: আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর ও রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ সাইফুদ্দিন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং-এর সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান প্রশিক্ষক মোঃ মোজাফফর হোসেন বুলু। তিনি বলেন, তায়কোয়ানডোর মাধ্যমে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আত্মপ্রত্যয়ী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতেই আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষনাথী, অভিভাবকবৃন্দ, রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে বেল্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং-এর নেতৃবৃন্দ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মা হচ্ছেন সামান্থা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
মা হচ্ছেন সামান্থা

গত বছরের ১ ডিসেম্বর ‘ফ্যামিলি ম্যান’ পরিচালক রাজ নিদিমরুকে বিয়ে করেন দক্ষিণি অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তারকা দম্পতির সংসারে আসছে নতুন অতিথি। প্রথমবারের মতো মা হতে চলেছেন সামান্থা। সামান্থা বা রাজের কেউই খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে খবরটি প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

সম্প্রতি সামান্থার নতুন ছবি ‘মা ইনতি বানগারাম’-এর সাফল্য উদ্‌যাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে অভিনেত্রীর বেবি বাম্প স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। উদ্‌যাপনের ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সামান্থাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অনেক ভক্ত।

সামান্থা–রাজের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’-এর কাজের সময়। পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন বাড়তে থাকে।

সম্প্রতি সামান্থার নতুন ছবি ‘মা ইনতি বানগারাম’-এর সাফল্য উদ্‌যাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। কোলাজ

বিয়ের পর সামান্থার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারও আবার ভাইরাল হয়। সেখানে রাজের পাঠানো একটি ভিডিও বার্তা দেখে সামান্থাকে লজ্জা পেতে দেখা যায়। বার্তায় রাজ তাঁর কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও তামিল-তেলুগু দুই ইন্ডাস্ট্রিতে সমান দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার প্রশংসা করেছিলেন।

সম্প্রতি দুজন আবারও একসঙ্গে কাজ করেছেন ‘মা ইনতি বানগারাম’ ছবিতে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নন্দিনী রেড্ডি। এর আগে ২০১৯ সালের ‘ওহ! বেবি’ ছবিতেও সামান্থা ও নন্দিনী রেড্ডির সফল জুটি দেখা গিয়েছিল। ছবিটির প্রযোজক রাজ।
সামান্থা আগে দক্ষিণি অভিনেতা নাগা চৈতন্যার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। চার বছর পর তাঁদের বিচ্ছেদ হয়, পরে অভিনেত্রী সবিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেন নাগা।

এনডিটিভি অবলম্বনে

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি