খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

কেউ কেউ রমজানকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
কেউ কেউ রমজানকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন: প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র রমজান মাসে কারও কষ্টের কারণ না হতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অসাধু চক্র রমজান মাসকে লোভ ও লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন মন্তব্য করে সবাইকে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।

শনিবার (৭ মার্চ) এতিম ও আলেম-ওলামার সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

ইফতার মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেএম জাহিদ হোসেন, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, মধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামিদ, জমিয়ত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি মনির কাসেমী, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা সালাহউদ্দীন নানুপুরী, শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফসহ শীর্ষ আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র রমজান ত্যাগ এবং সংযমের মাস। রহমত- বরকত-সংযমের মাস। অথচ অপ্রিয় হলেও সত্য, রমজান এলেই আমাদের কেউ কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। রমজান মাসকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন। পবিত্র রমজান মাসেও যারা অসাধু পন্থা অবলম্বন করছেন, আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান, অনুগ্রহ করে আপনারা মানুষের কষ্টের কারণ হবেন না।

তারেক রহমান বলেন, ইসলামি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি অনুযায়ী অতীতের প্রতিটি রমজানের প্রায় প্রতিদিনই আমরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করে আসছিলাম। আলেম ওলামা মাশায়েখ এবং এতিমদের সম্মানে আমরা সাধারণত পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে থাকি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে দেশের চলমান বাস্তবতায় এবার আমাদেরকে একটু দেরি করেই আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ইফতারের আয়োজন করতে হয়েছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতিটির কারণে গ্যাস বিদ্যুৎ জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যায় সংকোচন এবং কৃচ্ছতা সাধনের অংশ হিসেবে এবারের রমজানে আজ এবং গতকালের ইফতার মাহফিলসহ মোট দুটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছি।

সরকারপ্রধান বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবারের রমজানে এটিই হয়তো শেষ ইফতার মাহফিল। আজকের এই ইফতার মাহফিলের অংশগ্রহণকারী ‘এতিম সন্তানেরাই’ আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেহমান। পবিত্র কোরআন এবং হাদিসে ‘এতিমের হক’ আদায়ের ব্যাপারে মুমিন মুসলমানদের প্রতি ইসলামের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এতিমের প্রতি ‘হক আদায়ে’র গুরুত্ব এবং এতিমদের নিয়ে আজকের এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন।

তারেক রহমান বলেন, আজকের এই ইফতার মাহফিলে সঙ্গত কারণেই সকল এতিম সন্তানদেরকে আমন্ত্রণ জানানো সম্ভব হয়নি। তবে এতিমদের ব্যাপারে রাষ্ট্র এবং সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই ইফতার মাহফিলের অবশ্যই প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে। এই ইফতার মাহফিল এতিমদের প্রতি বিত্তবানদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দায় দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রতিজন বিত্তবান যদি অসহায় এতিমদের প্রতি পবিত্র কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট থাকেন…তাহলে আমি বিশ্বাস করি… পিতৃহারা এতিম সন্তানেরা এক বুক বেদনা বুকে নিয়েও রাষ্ট্র এবং সমাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা খুঁজে পাবে।

আলেম-ওলামার উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসলামের পাঁচটি ভিত্তির আরেকটি হচ্ছে জাকাত। দেশে জাকাত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমি আমার একটি পরিকল্পনার কথা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। ইসলামের বিধান অনুযায়ী আমাদের সমাজে অনেক বিত্তবান নিজ উদ্যোগেই জাকাত দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ সরকারের ‘জাকাত বোর্ডের’ মাধ্যমেও জাকাত পরিশোধ করে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন গবেষণা রিপোর্টে দেখা গেছে… প্রতি বছর বাংলাদেশে এই জাকাতের পরিমাণ ২০/২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হয়ে থাকে। কেউ কেউ এর পরিমাণ আরও অনেক বেশি বলেছেন। তবে সুপরিকল্পিত এবং সুসংগঠিতভাবে জাকাত বণ্টন না করায় বিত্তবান ব্যক্তির জাকাত আদায় হয়ে গেলেও জাকাতের অর্থ দারিদ্র বিমোচনে কতটা ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে এটি একটি বড় প্রশ্ন।

তারেক রহমান বলেন, যতদূর জানি, জাকাতদাতাদেরকে ইসলামি বিধান এমনভাবে জাকাত বণ্টনে উৎসাহিত করে, যাতে একজন জাকাত গ্রহীতা প্রথম বছর জাকাত গ্রহণের পর পরের বছর আর জাকাত গ্রহণ করতে না হয়। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, পরিকল্পিতভাবে জাকাত বণ্টন করা গেলে দারিদ্র বিমোচনে জাকাত যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে। এমন বাস্তবতায় সরকার জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর এবং লক্ষ্যভিত্তিক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধনী দরিদ্র সবমিলিয়ে দেশে বর্তমানে পরিবারের সংখ্যা কমবেশি চার কোটি। এসব পরিবারের মধ্যে যদি দরিদ্র কিংবা হত দরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে ৫ লক্ষ পরিবারকে এক লক্ষ করে টাকা যাকাত দেওয়া হয়, আমার বিশ্বাস এসব পরিবারের মধ্যে বেশির ভাগ পরিবারকে পরের বছর আর জাকাত নাও দিতে হতে পারে। লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে জাকাত দেওয়া হলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুধু জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

আলেমদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দারিদ্র বিমোচনে জাকাত ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আপনাদের কাছে যৌক্তিক মনে হলে এ ব্যাপারে বিত্তবানদের সচেতন করার ক্ষেত্রে আপনারা আলেম ওলামা মাশায়েখগণ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারেন। জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন করার লক্ষ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ওলামা, ইসলামিক স্কলার এবং সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদ্যমান ‘জাকাত বোর্ড’কে পুনর্গঠন সম্ভব। জাকাতকে দারিদ্র বিমোচনে ব্যবহার করে ইসলামি বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি মডেল হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে বলেও আমি মনে করি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তামিলনাড়ু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আসা একের পর এক ইমেইল বার্তায় এই হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়, অভিনেত্রীর বাড়িতে শক্তিশালী বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিস্ফোরিত হতে পারে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর তৃষার ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তৃষার চেন্নাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) একটি বিশেষ দল। সঙ্গে নেওয়া হয় স্নিফার ডগ।

পুরো বাড়ি এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সেখানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিত করে যে, এটি একটি ভুয়া হুমকি বা ‘হকস’ কল ছিল।

তৃষার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। পুলিশ রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাতেও ঠিক একইভাবে অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই অভিনেত্রীকে বারবার কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ প্রশাসনও। কে বা কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

হুমকি এবং আতঙ্ক একদিকে থাকলেও তৃষা বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় পার করছেন। মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর বিপরীতে ‘বিশ্বম্ভরা’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় বাজেটের এই ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে রয়েছে প্রবল আগ্রহ।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

পহেলা বৈশাখে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বের হয়।

টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন তারেক রহমান।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা, ভর্তুকি ও সরকারি সহায়তা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকারের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মধ্য দিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। এর আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

কালের আলো/এসআর/এএএন