খুঁজুন
                               
, ,
           

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আজ জামায়াত জো‌টের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আজ জামায়াত জো‌টের বিক্ষোভ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে আজ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। শনিবার (০৪ এপ্রিল) বিকেলে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে এ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

গত বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানের একটি বাসায় ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এ সময় হামিদুর রহমান আযাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান) প্রমুখ।

বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, সরকার যদি সংসদে গণভোটের সমাধান না করে, তাহলে ১১ দলের উদ্যোগে শনিবার বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হবে। এ ছাড়া গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনমত গঠনের চেষ্টা করবে বিরোধী দল। একই সঙ্গে গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম করা হবে। এরপরও সরকার জনমতকে উপেক্ষা করলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বিরোধী দল।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারি দল গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটা দুঃখজনক ঘটনা। এর মাধ্যমে যে প্রতিশ্রুতির আলোকে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ও নির্বাচন হয়েছে, সেটিকে অস্বীকার করা হয়েছে, জাতিকে অপমান করা হয়েছে। জাতির সঙ্গে প্রতারণাও করা হয়েছে।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকার কর্তৃত্ববাদ ও স্বৈরাচার তৈরির রাস্তা উন্মুক্ত করে গেছে। সেই রাস্তায় শেখ হাসিনা সাংবিধানিক স্বৈরাচার হয়েছিলেন। সেই রাস্তায় বর্তমান সরকার হাঁটছে। এটা ভুল পথ। সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারই করতে হবে। সংস্কার করতে হলে গণভোট মানতে হবে। সে জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে হবে।

সংসদ তথা সরকার এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে রাজপথের আন্দোলন ছাড়া বিরোধী দলের আর কোনো বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, সংস্কারের মধ্য দিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ছাড়া দেশে জ্বালানিসংকট থাকলেও সরকার ছলচাতুরি করছে। সরকার জ্বালানি তেলের সংকট নেই বলে প্রচার করলেও পেট্রলপাম্পে গিয়ে তেল পাওয়া যায় না। আবার সংকট নেই প্রচার করলেও পরিবহন ব্যয় কমাতে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস করানোর কথা বলেছে। এটা মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধাশূন্য করার আরেকটি পাঁয়তারা।

কালের আলো /এসাআর/ এএএন 

কাল থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
কাল থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শনিবার (১ আগস্ট) থেকে সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযোজন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নতুন নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা প্রদর্শন করতে হবে।

সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো গণপরিবহনের চলাচল পর্যবেক্ষণ, রুট ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি কার্যকর তদারকি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত সুফল অর্জন কঠিন হবে।

দেশের সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় বাসের বেপরোয়া রেষারেষি, নির্ধারিত স্টপেজের বাইরে যাত্রী ওঠানামা এবং একাধিক লেন দখল করে যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকার কারণে তীব্র যানজট ও জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই সরকার জিপিএসভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে জিপিএস সংযোজনের বিষয়ে ইতোমধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হয়েছে। তবে আগামী ১ আগস্ট থেকেই সব গাড়িতে এটি পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হবে না। এজন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) জানিয়েছে, জিপিএস সংযুক্ত ও সচল না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ প্রদান কিংবা নবায়ন করা হবে না। এ বিষয়ে পরিবহন মালিকদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, নতুন নিবন্ধনের জন্য আসা প্রতিটি গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্ত থাকতে হবে। একইভাবে ফিটনেস সনদ নবায়নের ক্ষেত্রেও এটি বাধ্যতামূলক। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য বিআরটিএ নিজস্ব প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গড়ে তুলছে, যার মাধ্যমে সহজেই কোনো যানবাহনে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা যাবে।

এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করে সুশাসনের সঙ্গে প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, গণপরিবহনে জিপিএস সংযোজন একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও মেয়াদোত্তীর্ণ ও জরাজীর্ণ যানবাহনে এটি কতটা কার্যকর পরিবর্তন আনবে, তা সময়ই বলে দেবে। তাই প্রযুক্তির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, নিয়মিত তদারকি এবং কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

কালের আলো/এসএকে

ফজলুর রহমানের কাঁধে এবার নতুন দায়িত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
ফজলুর রহমানের কাঁধে এবার নতুন দায়িত্ব

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮–এর ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।

নতুন কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুককে।

এ ছাড়া অর্থ বিভাগের সচিব, শিল্প সচিব এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদাধিকারবলে কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সদস্য-সচিবের দায়িত্বে থাকবেন।

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটি ট্রাস্টের আইন, বিধিমালা ও ট্রাস্টি বোর্ডের অর্পিত দায়িত্ব বাস্তবায়নের পাশাপাশি সংস্থার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

অধীনস্থ বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন, হিসাব নিরীক্ষা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভারতের সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন

বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণ ইতিবাচক, চীনের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণ ইতিবাচক, চীনের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

ভারতের সংসদীয় পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটি বাংলাদেশে বিএনপি সরকারের ক্ষমতা গ্রহণকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি ইতিবাচক সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত ও কৌশলগত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিটি।

লোকসভায় উপস্থাপিত ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নয়াদিল্লির সামনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুনভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে একই সময়ে ঢাকায় চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ভারতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা সমন্বয় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

সংসদীয় কমিটির মতে, বাংলাদেশে চীনের অবকাঠামো, জ্বালানি, পরিবহন এবং অন্যান্য বড় উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর ফলে অঞ্চলটির ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে।

এ কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে ভারতকে সক্রিয় ও দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সংযোগ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি, যাতে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সহজ হয়।

কমিটি আরও বলেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কেবল প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক নয়, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে ভারত সরকারকে বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাস্তববাদী, ভারসাম্যপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশল অনুসরণের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সূত্র:টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি