খুঁজুন
                               
, ,
           

জীবনে কখনও প্রথম হননি, লাক্সের আসরে হলেন সেরা সুন্দরী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
জীবনে কখনও প্রথম হননি, লাক্সের আসরে হলেন সেরা সুন্দরী

‘আমি সব সময় পড়ালেখায় ভালো ফল করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু জীবনে কখনও প্রথম হতে পারিনি। সব সময় দ্বিতীয় বা তৃতীয় হয়েছি। সব সময়ই মনে হতো, কোথাও না কোথাও প্রথম হতে চাই। আজ সত্যিই আমি এই মঞ্চে প্রথম হতে পেরেছি।’ ‘লাক্স সুপারস্টার ২০২৫’–এর বিজয়ী হয়ে এভাবেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন রাজশাহীর মেয়ে বিদুষী বর্ণিতা।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বসেছিল এ প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার আসর। জমকালো সে আয়োজনে সেরা সুন্দরীর মুকুট জেতেন বর্ণিতা।

বর্ণিতার হাতে স্বরোভস্কি ক্রিস্টালে তৈরি ট্রফি তুলে দেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস খান ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। পাশাপাশি তাকে দেওয়া হয় একটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবি।

এরপরই নিজের প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেন বর্ণিতা। বলেন, ‘পুরস্কার ঘোষণার সময় আমার পা এত কাঁপছিল, দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না। বারবার পা শিফট করছিলাম। যখন যাত্রা শুরু করি, তখন ভাবিনি এত দূর আসতে পারব। আল্লাহর রহমতে, মানুষের ভালোবাসায় আর নিজের পরিশ্রমে এখানে আসা।’

এদিকে পুরস্কারের ঝুলিতে শুধু গাড়ি নয়, সঙ্গে থাকছে জনপ্রিয় নির্মাতা রায়হান রাফীর সিনেমায় কাজের সুযোগ। এ নিয়ে তার মন্তব্য, ‘রায়হান রাফী স্যারের সিনেমায় কাজের সুযোগ পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত।’ ছবিটি নির্মিত হবে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে।

বর্ণিতার মাধ্যমে দীর্ঘ সাত বছর পর নতুন সুপারস্টার পেল লাক্স। ২০০৫ থেকে ১৮ পর্যন্ত নিয়মিত আয়োজন চললেও এরপর আর নতুন আসর বসেনি। অর্ধযুগ পর দশম আসরের সেরা সুন্দরীর খেতাব জিতলেন বিদুষী বর্ণিতা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাসি খাবার ও অপরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, গোজো রামেনকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
বাসি খাবার ও অপরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, গোজো রামেনকে জরিমানা

রাজধানীর উত্তরায় রান্নাঘরে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, বাসি খাবার বিক্রি ও পোড়া তেল সংরক্ষণের অভিযোগে ‘গোজো রামেন’ রেস্টুরেন্টকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের গরীবে নেওয়াজ রোডে রেস্টুরেন্টটিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘরে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে বাসি খাবার ও পোড়া তেল সংরক্ষণের পাশাপাশি ফ্রিজে লেবেলবিহীন খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যায়। এছাড়া আমদানিকারকের তথ্যবিহীন বিদেশি খাদ্যসামগ্রীও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

অভিযানে আরও দেখা যায়, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ বাধ্যতামূলক ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ ও রেস্তোরাঁ নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় সনদ দেখাতে পারেনি।

এসব অনিয়মের বিষয়ে দোষ স্বীকার করায় নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পরে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

অভিযানে ঢাকা মেট্রোপলিটনের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মেহরিন যারীন তাসনিম, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূঁইয়াসহ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বাস্তবতা বুঝে জানুয়ারি-জুনের মধ্যে স্থানীয় ভোট: ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
বাস্তবতা বুঝে জানুয়ারি-জুনের মধ্যে স্থানীয় ভোট: ইসি সচিব

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে বাস্তবতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ইউনেস্কোর সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আগামী জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, কমিশন এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। সম্প্রতি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব এসেছে।

তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রীর জানুয়ারি থেকে জুনের সময়সীমার বক্তব্যকে একটি রেফারেন্স হিসেবে নিয়ে কমিশনে বিষয়টি জানানো হবে। এরপর স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা, নির্বাচনী সামগ্রী ও ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে এসএসসি পরীক্ষা, রমজান, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় কর্মসূচিসহ স্থানীয় বাস্তবতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে।

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, কমিশন তা নেবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি ভবিষ্যতের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আখতার আহমেদ বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন থেকে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, ভবিষ্যতের নির্বাচনেও সেই মান বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে। স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা করেই নির্বাচন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, আগামী জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়ে ৬ জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মহুরী-কহুয়া প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
মহুরী-কহুয়া প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে পরশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট মহুরী ব্রিজ এলাকায় প্রকল্পটির ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফলক উন্মোচনের পর প্রধানমন্ত্রী সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে নদী খনন কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সড়কপথে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি জয়নাল আবেদীন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি নথি অনুযায়ী, মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল এপ্রিল ২০২৬ থেকে জুন ২০৩১ পর্যন্ত।

প্রকল্পটির আওতায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে ফেনীর সংশ্লিষ্ট এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি