খুঁজুন
                               
, ,
           

ভক্তদের যুদ্ধ, বন্ধুত্বে অটুট জোভান-তৌসিফ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ভক্তদের যুদ্ধ, বন্ধুত্বে অটুট জোভান-তৌসিফ

পছন্দের অভিনয়শিল্পীকে সেরা প্রমাণ করতে ভক্তদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ কিংবা পোস্টের মন্তব্যে প্রিয় তারকাকে এগিয়ে রাখতে অন্য তারকার ভক্তদের সঙ্গে তর্কে জড়ান অনেকেই। কখনো সেই তর্ক সীমা ছাড়িয়ে কটূক্তি কিংবা ঝগড়াতেও গড়ায়।

তবে এবার যে দুই তারকাকে ঘিরে এমন ভার্চুয়াল প্রতিদ্বন্দ্বিতা, তারা নিজেরাই একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান ও তৌসিফ মাহবুব। অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই একসঙ্গে পথ চলছেন দুজন। ভক্তদের এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই নিজেদের বন্ধুত্বের জায়গাটি মনে করিয়ে দিয়েছেন জোভান।

‘যুদ্ধটা আপনাদের, বন্ধুত্বটা আমাদের’

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর)  দুপুরে তৌসিফ মাহবুবের সঙ্গে একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন জোভান। ছবির সঙ্গে ভক্তদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘আমাদের দুজনকে নিয়ে ভক্তদের নিজেদের মধ্যে এত ঝগড়াঝাঁটি, এত ভার্চুয়াল মারামারি করার আগে একটা জিনিস জেনে রাখেন, আমরা একে অপরকে যতটা সম্মান করি, আপনারা একে অপরকে ততটা সম্মান করেন না।’

পরে নিজের বক্তব্য আরও স্পষ্ট করে জোভান বলেন, ‘যুদ্ধটা আপনাদের, বন্ধুত্বটা আমাদের। ভালোবাসাটা আমাদের। আপনারা ফ্যান হয়ে একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধ করেন, আর আমরা প্রতিযোগী হয়ে একসঙ্গে আড্ডা দিই।’

তার এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ভক্তদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের বিপরীতে দুই অভিনেতার বন্ধুত্বের বিষয়টি সামনে এসেছে।

১৩ বছরের বন্ধুত্ব

জোভান ও তৌসিফের বন্ধুত্ব বেশ পুরোনো। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নির্মাতা রেদওয়ান রনির পরিচালনায় ‘ঝালমুড়ি’ ধারাবাহিক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করেন তারা। এরপর নিয়মিত বিভিন্ন কাজে একসঙ্গে যুক্ত হতে হতে গড়ে ওঠে তাদের বন্ধুত্ব।

দেখতে দেখতে সেই সম্পর্কের বয়স প্রায় ১৩ বছর। দুজনের ব্যস্ততা বেড়েছে, কাজের পরিধিও বদলেছে; কিন্তু বন্ধুত্বে তার প্রভাব পড়েনি। সুযোগ পেলেই এখনো একসঙ্গে সময় কাটান, আড্ডা দেন।

এর আগে নিজেদের বন্ধুত্ব নিয়ে জোভান বলেছিলেন, ব্যস্ততা যতই থাকুক, বন্ধুদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে দেখা হওয়া জরুরি। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে মন ভালো হয়ে যায়। তাদের আড্ডায় ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে খুনসুটি চলতে থাকে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

মন্তব্যে ফুটে উঠল ভক্তদের দ্বন্দ্ব

জোভানের সাম্প্রতিক পোস্টের মন্তব্যেও দেখা গেছে সেই তারকা-প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘জোভান ভাই আমার কাছে সেরা।’ এর জবাবে আরেকজন লিখেছেন, ‘তৌসিফ ভাই সেরা।’

রাজীব অভি নামের একজন মন্তব্যে লিখেছেন, ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ বা পোস্টে ভক্তরা যেভাবে একে অপরের সঙ্গে ঝগড়া করেন, বাস্তবে তারকারা নিজেরাই একসঙ্গে আড্ডা দেন।

সব মিলিয়ে জোভানের বক্তব্যে উঠে এসেছে তারকা-ভক্তদের সম্পর্কের একটি পরিচিত বাস্তবতা—পছন্দের শিল্পীকে সমর্থন করা এক বিষয়, আর সেই সমর্থনকে কেন্দ্র করে অন্যের সঙ্গে বিরোধে জড়ানো আরেক বিষয়। দুই অভিনেতার দীর্ঘ বন্ধুত্বের বার্তাটিও তাই স্পষ্ট—পর্দায় প্রতিযোগিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কে থাকতে পারে পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্ব।

কালের আলো/এসএ

ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী পেল আইএফআইসি ব্যাংকের গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী পেল আইএফআইসি ব্যাংকের গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে নিতে বিশেষ আর্থিক অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তির চেক দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স হলে ‘আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব অনুদান ও বৃত্তি হস্তান্তর করা হয়।

গবেষণায় ৫০, বৃত্তি পেলেন ৩০ শিক্ষার্থী

অনুষ্ঠানে ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ৫০ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান এবং ৩০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের সহায়তা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার মো. মনিতুর রহমান, চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস হেলাল আহমেদ এবং হেড অব ট্রেজারি মোহাম্মদ শাহীন উদ্দিন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মো. তারিক, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও আইএফআইসি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরাও অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ।

২০১২ সালে গঠিত ট্রাস্ট ফান্ড

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০১২ সালে আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়।

ফান্ডটি চালুর পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের সাড়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থী গবেষণা অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণা পরিচালনা ও উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়—এ লক্ষ্যেই ট্রাস্ট ফান্ডের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বে পুরস্কার, বাহিনীজুড়ে প্রেরণা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বে পুরস্কার, বাহিনীজুড়ে প্রেরণা

পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্ববোধ ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ২০২৫ সালের শ্রেষ্ঠ সাত সদস্যকে ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, এ সম্মাননা কর্মক্ষেত্রে সফলতার স্বীকৃতি; একই সঙ্গে এটি অন্য সদস্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে।

  • অসাধারণ দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি
  • সম্মাননা কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে
  • পুরস্কার অন্যদেরও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হবে: বিমান বাহিনী প্রধান

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার)-দের হাতে ট্রফি ও সনদপত্র তুলে দেন বিমান বাহিনী প্রধান। দায়িত্ব পালনে অসাধারণ অবদানের জন্য সাত সদস্যের হাতে দেওয়া এই ট্রফি ও সনদ শুধুমাত্র একটি পুরস্কার নয়; বিমান বাহিনীর পেশাগত উৎকর্ষের ধারায় নিজেদের আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য সদস্যদের প্রতি একটি প্রাতিষ্ঠানিক উৎসাহ হিসেবেও বিবেচিত।

পুরস্কারের মঞ্চে বিমান বাহিনী প্রধানের বার্তা
ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ শেষে উপস্থিত সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন বিমান বাহিনী প্রধান। সম্মাননাপ্রাপ্ত সাত সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাঁদের অর্জনকে দায়িত্ব পালনে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, কর্মক্ষেত্রে অর্জিত এই সম্মান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বীকৃতি নয়; এটি অন্য সদস্যদের আরও নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে।

সাতজনের হাতে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি
অসাধারণ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সুচারুরূপে সম্পন্ন করার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সালের জন্য সাতজন বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ট্রফি ও সনদপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁদের পেশাগত অবদান আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল। বিমান বাহিনীতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উৎকর্ষ, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠাকে উৎসাহিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

ব্যক্তিগত অর্জন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রেরণা
একজন সদস্যের ভালো কাজ যখন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়, তখন তার প্রভাব ব্যক্তিগত গণ্ডি ছাড়িয়ে পুরো কর্মপরিবেশে পড়ে। বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠ সদস্য নির্বাচনের এই উদ্যোগও সেই লক্ষ্যেই গুরুত্বপূর্ণ। বিমান বাহিনী প্রধানের বক্তব্যে সেই দিকটিই উঠে এসেছে—শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সদস্যরা নিজেদের সাফল্যের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বনিষ্ঠার উদাহরণ তৈরি করবেন। ফলে সম্মাননাটি একই সঙ্গে স্বীকৃতি ও প্রেরণার বার্তা বহন করছে। অনুষ্ঠানে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধানরা, বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটের এয়ার অধিনায়ক, বিমান সদরের পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

গবেষণা-উদ্ভাবনে বুটেক্সে জাতীয় প্রতিযোগিতা

কাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
গবেষণা-উদ্ভাবনে বুটেক্সে জাতীয় প্রতিযোগিতা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ‘টেক্সভার্স ২.০’। বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

৩০ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব। বুটেক্সের অডিটোরিয়াম, সেমিনার কক্ষ, একাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় মাঠে আলাদাভাবে আয়োজন করা হবে বিভিন্ন ইভেন্ট।

গবেষণা ও উদ্ভাবনে তরুণদের আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্য

আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই ‘টেক্সভার্স ২.০’-এর অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে টেক্সটাইল খাতের বাস্তব সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে তরুণদের উৎসাহিত করাও এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় থাকবে প্রজেক্ট প্রদর্শনী, গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা, কুইজ, টেক্সটাইল কেস প্রতিযোগিতা, ট্রেজার হান্ট, প্রবন্ধ লেখা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতা।

অন্যদিকে, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হবে বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখা, গণিত অলিম্পিয়াড, পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও রসায়ন অলিম্পিয়াড।

এক ক্যাম্পাসে নানা আয়োজন

আয়োজকেরা জানান, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব বুটেক্স ক্যাম্পাসের পৃথক ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে প্রজেক্ট প্রদর্শনী, পোস্টার উপস্থাপনা ও টেক্সটাইল কেস প্রতিযোগিতা। সেমিনার কক্ষে হবে কুইজের মঞ্চ পর্ব।

একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হবে কুইজের লিখিত পর্ব, বিভিন্ন অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখা প্রতিযোগিতা। কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজন করা হবে ট্রেজার হান্ট। এ ছাড়া প্রবন্ধ লেখা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে।

প্রতিযোগিতার প্রতিটি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে অংশগ্রহণ সনদ। পাশাপাশি প্রতিটি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন, প্রথম রানারআপ ও দ্বিতীয় রানারআপকে সনদ, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি দেওয়া হবে।

‘শুধু প্রতিযোগিতা নয়, গবেষণার সংস্কৃতি গড়াই লক্ষ্য’

বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি ও ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রুবায়েত রশীদ রনি বলেন, ‘টেক্সভার্স ২.০-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা সবার সামনে তুলে ধরতে চাই।’

তিনি বলেন, আয়োজনটির লক্ষ্য শুধু একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি টেক্সটাইল শিল্পের বাস্তব সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে তাদের অনুপ্রাণিত করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কে এম শফিক রাইয়্যান বলেন, ‘টেক্সভার্স ২.০-এর মূল উদ্দেশ্য দেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার আগ্রহ সৃষ্টি করা।’

তার ভাষ্য, এ আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের টেক্সটাইল খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন, যা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

১৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধন

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘টেক্সভার্স ২.০’-এ অংশগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি বুটেক্স ক্যাম্পাসে স্পট নিবন্ধনের মাধ্যমেও অংশ নিতে পারবেন।

প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগ, নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত নির্দেশনা বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ