খুঁজুন
                               
, ,
           

আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবি শিক্ষক মশিউর-আসাদুজ্জামানের ১০ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবি শিক্ষক মশিউর-আসাদুজ্জামানের ১০ বছর কারাদণ্ড

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিশ্ববিদ্যালটির দুই শিক্ষকের ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। তারা হলেন- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল। দুজনের পলাতক।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা পৌনে একটার দিকে ৬ আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। গত ১৬ জুলাই পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার আসামিদের ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। তাদের উপস্থিতিতে রায় পড়া শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ৯টার দিকে আসামিদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়ায় তোলা হয়। এর কিছু সময় পড় রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও র‍্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনালের আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন তারা।

ট্রাইব্যুনালে হাজির করা ছয় আসামি হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

বহুল আলোচিত আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় ২০২৫ সালের ২৪ জুন। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে ৩০ জুন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন। ওই দিনই অভিযোগটি আমলে নিয়ে ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর শুনানি করেন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর ৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় ২৭ আগস্ট। এর পরদিন থেকে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা মুকুল হোসেন।

দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা সাক্ষ্যগ্রহণের সমাপ্তি ঘটে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি। এ সময়ে তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনসহ মোট ২৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে। তাদের মধ্যে অন্যতম সাক্ষী হাসনাত আবদুল্লাহ। যিনি জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। তার সাক্ষ্য মামলার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো স্পষ্ট করতে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০ জানুয়ারি শুরু হয় যুক্তিতর্ক, যা চলে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। পরে ৫ মার্চ রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হচ্ছে আলোচিত এ মামলার রায়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।

এবার বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপা গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নিরাপদ নগর ও মানসম্মত বাসস্থান বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে জাতিসংঘ ১৯৮৫ সালে বিশ্ব বসতি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরের বছর, ১৯৮৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

খামারের দুর্গন্ধে ব্যাহত মাদরাসার পাঠদান, বাইরে ক্লাস

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
খামারের দুর্গন্ধে ব্যাহত মাদরাসার পাঠদান, বাইরে ক্লাস

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারপাখিয়া দাখিল মাদরাসার পাশে গড়ে ওঠা পোল্ট্রি খামারের দুর্গন্ধে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তীব্র দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মাদরাসার বাইরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, বারপাখিয়া গ্রামের বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের স্ত্রী মলিনা বেগম নিজ বাড়িতে পোল্ট্রি মুরগির খামার গড়ে তুলেছেন। মাদরাসার খুব কাছেই খামারটি হওয়ায় সেখান থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুরসালি বলেন, খামারের দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনা করতে খুব কষ্ট হয়। বাতাসে সবসময় দুর্গন্ধ ভেসে আসে। কয়েক দিন নয়, বেশ কিছুদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।

মাদরাসার সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। পরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে সেটিও করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সামাজিকভাবেও সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। তীব্র দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিকভাবে ক্লাস করানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে খামারের মালিক মলিনা বেগমের দাবি, তিনি বাড়িতে অল্প পরিমাণে মুরগি পালন করেন। এক মাস বয়স হলে সেগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, প্রথম ২০ দিন খামারে তেমন দুর্গন্ধ থাকে না; শেষের দিকে প্রায় ১০ দিন কিছুটা দুর্গন্ধ হয়।

কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে এ ধরনের পোল্ট্রি খামার থাকা উচিত নয়। দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খামারটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তারা।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা তাঁর কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মন বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সিডরের ১৯ বছর পরও সংস্কার হয়নি আমতলীর শহর রক্ষা বাঁধ

বরগুনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সিডরের ১৯ বছর পরও সংস্কার হয়নি আমতলীর শহর রক্ষা বাঁধ

বরগুনার আমতলী পৌর শহর রক্ষা বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেড় যুগের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাঁধটির বিভিন্ন অংশ প্রয়োজনীয়ভাবে সংস্কার করা হয়নি। ফলে সামান্য জোয়ারের পানি বাড়লেই পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি ঢুকে পড়ছে। এতে বাঁধসংলগ্ন বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিডরের পর একের পর এক ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাঁধটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিশেষ করে আমতলী ফেরিঘাট থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাশ্মশান ঘাট পর্যন্ত এলাকায় বাঁধের অবস্থা বেশি নাজুক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঁধের বিভিন্ন অংশে ব্লক সরে গেছে। কোথাও কোথাও ঢাল ধসে নদীর দিকে ভাঙন তৈরি হয়েছে। প্রতিবছর জোয়ার ও দুর্যোগের সময় নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাঁধ। এতে বাঁধসংলগ্ন বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সিডরের পর রেশমি, আইলা, মহাসেন, কোমেন, রোয়ানু, মোরা, ফণী, বুলবুল, আম্পান, ইয়াস, জাওয়াদ, সিত্রাং, মোখা, হামুন ও রেমালসহ বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনেছে। এসব দুর্যোগে আমতলী শহর রক্ষা বাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় বাঁধের অবস্থা দিন দিন নাজুক হচ্ছে।

পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁধসংলগ্ন বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র দে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে এখানে বসবাস করছেন। বাঁধের ব্লকগুলো দ্রুত সংস্কার করা হলে তাঁরা অনেকটা নিরাপদে থাকতে পারবেন। তা না হলে সামান্য জলোচ্ছ্বাসেই ঘরের আঙিনায় পানি ঢুকে পড়ে।

স্থানীয় করাতকল ব্যবসায়ী আমির হোসেন তালুকদার বলেন, তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিও বর্তমানে ঝুঁকিতে রয়েছে। আগে করাতকলের সামনে ১০ থেকে ১৫ ফুট জায়গা ছিল, এরপর ছিল ব্লকের ঢাল। কিন্তু জোয়ার ও বন্যার পানিতে বারবার ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেই জায়গাটুকুও এখন নেই। যেকোনো সময় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কথা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. আবদুল হান্নান প্রধান বলেন, বিষয়টি অধস্তন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁরা সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তদারকি করবেন। বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত হলে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া এবং একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় পৌর শহরের জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি