খুঁজুন
                               
, ,
           

গণমাধ্যমের সংস্কারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
গণমাধ্যমের সংস্কারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সরকার গণমাধ্যম সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এবং ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী ইআরএফ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁদের সমালোচনা, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ সরকারকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।

তিনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিকার ব্যবস্থা এবং অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণমূলক কাঠামো প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ‘রিফর্ম ট্র্যাকিং’ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকার, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি গণমুখী, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল মিডিয়া পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, দৈনিক নিউ এজ-এর সম্পাদক নূরুল কবীর ও ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বক্তব্য রাখেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

পিরোজপুরে পুরোনো রাস্তায় দেয়াল-বেড়া, অবরুদ্ধ ৪২ পরিবার

পিরোজপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
পিরোজপুরে পুরোনো রাস্তায় দেয়াল-বেড়া, অবরুদ্ধ ৪২ পরিবার

পিরোজপুরের নেছারাবাদে দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তার মাঝখানে ইটের দেয়াল ও টিনের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে নারী, শিশু, শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪২টি পরিবারের দুই শতাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কেউ দেয়াল টপকে, আবার কেউ টিনের বেড়া পার হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আচার্য্যপাড়া এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুব্রত আচার্য্য ও সোহাগ আচার্য্য ওই রাস্তার অংশে দেয়াল ও টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, রাস্তাটি বহু পুরোনো এবং সরকারি খাসজমির ওপর দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা চলাচল করে আসছেন। রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৪০ থেকে ৪২টি পরিবার কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। নারী, শিশু ও স্কুলশিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে দেয়াল ও বেড়া পার হতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগী মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘এটি আমাদের বহু বছরের চলাচলের রাস্তা। এই পথ দিয়ে প্রায় ২০০ মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। হঠাৎ রাস্তার মাঝখানে ইটের দেয়াল ও টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ কুমার দাস বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন। ওই রাস্তা ছাড়া স্থানীয়দের চলাচলের বিকল্প কোনো পথ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে ১১২ জন স্থানীয় বাসিন্দা গণস্বাক্ষর করে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। আদালত জনউপদ্রব বন্ধ করে সংশ্লিষ্টদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রেখে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে রাস্তা বন্ধের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুব্রত আচার্য্য ও সোহাগ আচার্য্য। তাদের দাবি, যে জায়গায় বেড়া দেওয়া হয়েছে, সেটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি। তাদের ভাষ্য, ফিরোজ মিয়া গায়ের জোরে ওই জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নিতে চাইছেন। কারও ব্যক্তিগত জমি দিয়ে চলাচলের প্রয়োজন হলে আপসের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা উচিত বলেও তারা জানান।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মাহমুদ বলেন, ঘটনাস্থলে প্রায় চার শতক খাস জমি রয়েছে। তবে রাস্তার জায়গাটি খাস জমির মধ্যে পড়েছে কি না, তা মেপে নিশ্চিত হতে হবে। খাসজমির অংশ যদি রাস্তার মধ্যে পড়ে থাকে, তাহলে সেখানে কেউ বেড়া দিয়ে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করতে পারবেন না।

দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ দ্রুত উন্মুক্ত করতে জমির সীমানা নির্ধারণ, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দিলেই বদলাবে ডেঙ্গু পরিস্থিতি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দিলেই বদলাবে ডেঙ্গু পরিস্থিতি: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টা করে পরিচ্ছন্নতায় সময় দিলে ডেঙ্গু পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। নিজেদের বাসাবাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা অপসারণ করতে হবে। এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সরকার আগামী তিন মাসে এই কর্মসূচি সফল করার চেষ্টা করবে বলেও জানান তারেক রহমান।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় আজ থেকে সারাদেশে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ ও জনসচেতনতা বাড়ানোই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তিন মাসব্যাপী এ অভিযানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিষ্কার রাখার বিষয়ে সচেতন করা হবে।

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ তিন মাসব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দৌলতপুরে বন্যার অবনতি, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি-রাস্তাঘাট

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
দৌলতপুরে বন্যার অবনতি, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি-রাস্তাঘাট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার পানি দ্রুত বাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট ও যোগাযোগপথ। একই সঙ্গে বন্যার পানিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, উজান থেকে ফারাক্কা হয়ে নেমে আসা ঢলের কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বাড়ছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১৩ দশমিক ০২ মিটার রেকর্ড করা হয়। এ পয়েন্টে বিপদসীমা ১৩ দশমিক ৮০ মিটার। অর্থাৎ বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে পানি ছিল ১২ দশমিক ৮৮ মিটার। ১৮ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৪ সেন্টিমিটার।

উপজেলার ভাগজত পয়েন্টেও পানি দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় সেখানে পানির উচ্চতা ছিল ১৪ দশমিক ৯০ মিটার। এ পয়েন্টে বিপদসীমা ১৫ দশমিক ৫২ মিটার। পাউবো জানিয়েছে, সেখানে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ১৭ সেন্টিমিটার করে পানি বাড়ছে।

পানির নিচে রাস্তাঘাট, দুর্ভোগে মানুষ

চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও যোগাযোগপথ তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় নৌকা ছাড়া চলাচলের উপায় নেই। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও তার চেয়েও বেশি পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, নারী ও বয়স্করা।

বসতবাড়ির আশপাশে পানি ঢুকে পড়ায় গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের আশঙ্কা।

তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ

ফিলিপনগর, মরিচা, চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর এলাকার ফসলি জমিতে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে রোপা আমন, কলা, মরিচসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন জানান, নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৩৫০ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও কৃষি পরামর্শ দেওয়া হবে।

১৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান স্থগিত

বন্যার পানিতে যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুশতাক আহম্মেদ বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই বন্যাকবলিত এলাকার ১৮টি বিদ্যালয়ে পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে বিদ্যালয় ভবনগুলো খোলা থাকবে, যাতে বন্যায় গৃহহীন মানুষ সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন।

বন্যার সঙ্গে নদীভাঙনের আতঙ্ক

পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি কয়েকটি এলাকায় নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। চিলমারী ইউনিয়নের উদয়নগরসহ কয়েকটি এলাকায় পদ্মার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ইউনিয়নের সবকটি গ্রাম ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। অধিকাংশ রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। পানিবন্দী মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পানি কমার আশা

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বাড়ছে। তবে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পানি কমতে শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পানিবন্দী মানুষের সহযোগিতা ও নিরাপত্তার জন্য জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চিলমারী ইউনিয়নের অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে সীমিত পরিসরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি