খুঁজুন
                               
, ,
           

অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলে টিকা কেনায় দীর্ঘসূত্রতা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলে টিকা কেনায় দীর্ঘসূত্রতা

আগে টিকা কেনা হতো ইউনিসেফ থেকে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ইউনিসেফ এবং ৫০ শতাংশ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কারণে টিকা কেনায় দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সব ধরনের টিকার সংকট দেখা দেয়। সেই সংকট এখনো বিদ্যমান। তবে বর্তমান সরকার তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, যে টিকাগুলো সরকারের কাছে থাকার কথা সেগুলো গত ১৬ মার্চ থেকে শেষ হওয়া শুরু করেছে। এপ্রিলে পেন্টাভ্যাক্স এমএম; ডিপথেরিয়া, পারটুসিস (হুপিংকাশি) এবং টিটেনাসসহ সবই মোটামুটি শেষ হওয়ার পথে। এই সংকটের সমাধানে সরকার নতুন করে টিকা কেনার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। সরকার সরাসরি ইউনিসেফ থেকে টিকা কিনতে তাদের কাছে টাকাও পাঠিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, শিগগিরই টিকার সমাধান হবে। তবে ওপি চালু করতে না পারলে সংকট থেকে যাবে।

টিকা শেষ হওয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, ‘এ ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্তহীনতায় ছিল। অদ্ভুত ঘটনা হচ্ছে, আগে সরকার সরাসরি ইউনিসেফ থেকে টিকা কিনত। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, ৫০ শতাংশ কিনবে ইউনিসেফের থেকে আর বাকি ৫০ শতাংশ সিএমএসডিতে ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে। ওপেন টেন্ডার করা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। ফলে বিষয়টি ঝুলে ছিল। বর্তমান সরকার এখন সরাসরি প্রকিউরমেন্টে নিয়ে আসায় ইউনিসেফ থেকেই কেনা হচ্ছে। বাকি ৫০ শতাংশের টাকার জন্য একটা সমন্বয়ের বিষয় ছিল। কোভিডের কিছু টাকা বেচেছিল।

সেই টাকার সঙ্গে সমন্বয় করতে সময় লাগছিল। সেটাও এখন মোটামুটি সমাধান হয়েছে। সুতরাং এখন নতুন ভ্যাকসিন পেতে আর সমস্যা নেই। তবে টিকার যে সংকট সেটা ডিপোতে, ডিস্ট্রিবিউশন এরিয়া, বিভিন্ন উপজেলা-জেলায় এখনো টিকা আছে। সেগুলো দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫-২০ দিন চলবে। ২০ তারিখ থেকে আমরা রেগুলার ভ্যাক্সিনেশন শুরু করছি। আর সমস্যা হবে না।’

জানা গেছে, স্বাস্থ্য খাতে অপারেশন প্ল্যানে (ওপি) স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং জনসংখ্যার কার্যক্রমগুলো চলছিল। তা নবায়ন না করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব (স্বাস্থ্য-৩) ফাতিমা-তুজ-জোহরা ঠাকুর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ওপি পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত তিন পদবিও বিলুপ্ত করা হয়।

জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, ওপিতে ৫ বছর মেয়াদি খাতভিত্তিক ব্যাপক কর্মসূচি পরিচালিত হতো। প্রায় ৩৪-৩৫টি ওপি দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সব কাজ হতো। স্বাস্থ্যের সব কাজ যেমন কিউরেটিভ সার্ভিসেস, হাসপাতাল, হাসপাতালের ওষুধপত্র, নানা সার্জিক্যাল জিনিস, যন্ত্রপাতি কেনা এবং হাসপাতালের যত কর্মকাণ্ড আছে সবই ওপির মাধ্যমে হতো। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের কাজগুলো, যেমন টিকা দান, কুকুর এবং মানুষকে জলাতঙ্কের টিকাদান। এভাবে বিভিন্ন রোগ নির্মূল, বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপকভাবে কাজ করত এই ওপি। কিন্তু বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে ওপি বন্ধ করে দেয়। আর এতে স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন বিষয় স্থবির হয়ে পড়ে।

কালের আলো/এম/এএইচ

হরমুজে চলাচলকারী জাহাজে নতুন ফি আরোপের পথে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৭ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে চলাচলকারী জাহাজে নতুন ফি আরোপের পথে ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে বিভিন্ন সেবার বিপরীতে ফি নেওয়ার বিধান রেখে খসড়া আইনের একটি ধারা অনুমোদন করেছে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিশন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদিত খসড়া আইনের তৃতীয় ধারায় হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক, পরিবেশগত, বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ, বিমা, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সেবার জন্য ফি আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে।

কমিশনের মুখপাত্র হাসান কাশকাভি জানান, প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাওয়া দেশগুলোর জাহাজ থেকে এসব ফি নেওয়া হবে। ইরানি মুদ্রা রিয়াল অথবা তেহরান নির্ধারিত অন্য কোনো মুদ্রায় এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

তিনি বলেন, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির নিজস্ব নিয়ম ও পরিস্থিতি রয়েছে। খসড়া আইন তৈরির সময় প্রণালির তীরবর্তী দেশগুলোর অধিকারও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন বলেছেন, খুব শিগগিরই ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ‘নতুন পর্যায়’ শুরু হতে পারে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জনসন দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সফল হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও বলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি

জুলাই-জুন নয়, এপ্রিল-মার্চ হবে নতুন অর্থবছর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
জুলাই-জুন নয়, এপ্রিল-মার্চ হবে নতুন অর্থবছর

অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় রূপরেখা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সরকার।

রোববার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের জন্য সংবিধান ও ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭’-এর প্রয়োজনীয় সংশোধনী পর্যালোচনা করবে কমিটি। পাশাপাশি সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় কারিগরি পরিবর্তন এবং বাস্তবায়ন কর্মপন্থাও নির্ধারণ করা হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে ধরা হয়। তবে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর হবে এপ্রিল থেকে মার্চ। অর্থাৎ ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৯ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে গণনা করা হবে।

কমিটি প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা আয়োজন করবে। কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে অর্থ বিভাগ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন

হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ এবং শামা ওবায়েদ ইসলামকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত বিষয়গুলোতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে দুই প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি জানানো হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, এ দায়িত্ব বণ্টনে প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুমোদন রয়েছে।

দায়িত্ব অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বিষয়াবলি, অনিবাসী বাংলাদেশি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী নির্ধারিত অন্যান্য বিষয়ে কাজ করবেন।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, মানবাধিকার, গবেষণা ও উদ্ভাবন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, সৃজনশীল অর্থনীতি, এলডিসি উত্তরণ, আইসিটি, সমুদ্র আইন ও সমুদ্রসম্পদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য কূটনীতি এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কূটনীতির দায়িত্ব পালন করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে দুই প্রতিমন্ত্রীর কাজের ক্ষেত্র নির্দিষ্ট করা হলো।

কালের আলো/এমএসআইপি