খুঁজুন
                               
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু ।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় ধর্মপাশা উপজেলায় ২ জন, জামালগঞ্জ ১ জন, তাহিরপুরের ১ জন ও দিরাই উপজেলায় আরেকজনের মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- ধর্মপাশা উপজেলার হবিবুর রহমান,(২২), রহমত উল্লাহ(১৩),জামালগঞ্জ উপজেলায় নুর মিয়া, দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া, তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া।

পুলিশ ও স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে হবিবুর তার চাচার সঙ্গে টগার হাওর সংলগ্ন চকিয়াচাপুর গ্রামে বোরো ধান কাটতে যান। সেখানে দুপুরের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয় এবং বজ্রপাত হলে হবিবুর রহমানসহ কয়েকজন আহত হয়। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় গুরুতর আহত হবিবুরকে স্থানীয়রা দ্রুত ধর্মপাশা সদর হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রওনা দিলে পথিমধ্যে হবিবুরের মৃত্যু হয়।

অপর দিকে দুপুরে ১টার দিকে জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর ইসলামপুর গ্রামেও বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ওই গ্রামের জয়নাল হক (৩৫), তার ছেলে রহমত উল্লাহ এবং লাল সাধুর স্ত্রী শিখা মনি (২৫) গুরুতর আহত হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রহমত উল্লাহকে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তাহিরপুরে বজ্রপাতে একজন নিহত ও আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতের নাম আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮)। তিনি সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে।

এছাড়া শনিবার একই সময় জামালগঞ্জে একই বজ্রপাতে জামলাবাজ গ্রামের সামনে একটি হাসেঁর খামারে বজ্রপাতে এক খামারির মৃত্যু হয়। আর দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতে লিটন মিয়া (৩৮) নামে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে। শনিবার দুপুর ১টায় কালিয়াগোটার (আতরার) হাওরের একটি বিলের পাশে ধান কাটার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তার মৃত্য হয়।

কালের আলো/ইএম

নেত্রকোণার  হাওরাঞ্চলে ঈদের আনন্দ ম্লান, গো- খাদ্যের ও  তীব্র সংকট

নেএকোনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণার  হাওরাঞ্চলে ঈদের আনন্দ ম্লান,  গো- খাদ্যের ও  তীব্র সংকট

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং বিএডিসির বি ধান-৮৮ মিশ্রণ বীজের কারণে নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে চলতি বোরো মৌসুমে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। চোখের সামনে   পাকা ও আধাপাকা ধান পানিতে তলিয়ে যেতে দেখে হতাশ হয়ে পড়েছেন জেলার ১০ উপজেলার প্রায় ৭৮ হাজার কৃষক। সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা থাকলেও কৃষক পরিবারগুলোতে নেই উৎসবের আমেজ; বরং বিরাজ করছে হতাশা, অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার ৯৪৯ দশমিক ৪৩ টন বোরো ধান। এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭২ কোটি ১৫ লাখ টাকা। শুধু ধান নয়, বন্যার পানিতে সবজি, মাছ ও অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট। কারণ গ্রামের অধিকাংশ কৃষক ধান কাটতে না পারায় গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য খড়ও সংগ্রহ করতে পারেননি।

কেন্দুয়া উপজেলার পানগাঁও গ্রামের কৃষক নুরু মিয়া জানান, অতিবৃষ্টিতে তার ৩০ থেকে ৩৫ কাটা জমির ধান নষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে ফিশারি পুকুরের মাছেও ভাইরাস ছড়িয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রতি বছর কোরবানি দিই। এবারও ইচ্ছা আছে। কিন্তু কীভাবে দেবো, আল্লাহই ভালো জানেন। সংসার চালানোই এখন কঠিন হয়ে গেছে।”

একই উপজেলার বাইগনি গ্রামের কৃষক আবদুল মান্নান বলেন, “ঈদ আসছে, কিন্তু ঘরে কোনো আনন্দ নেই। ছেলেমেয়েদের নতুন কাপড় কিনে দিতে পারিনি। ধান বিক্রি করতে না পারায় হাতে টাকাও নেই।”

মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের কৃষক আবদুল করিম বলেন, “সব জমির বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। প্রতি বছর কোরবানি দিই, এবারও দেওয়ার ইচ্ছা আছে। আল্লাহ নিশ্চয়ই একটা ব্যবস্থা করবেন।”

মনোহরপুর গ্রামের কৃষক আলম বলেন, “ফসল আল্লাহর দান, তিনি নিয়ে গেছেন। কী আর করার আছে। প্রতি বছর কোরবানি দিই, এবারও দেবো।”

খালিয়াজুড়ি উপজেলার কৃষক আবুল কাশেম জানান, ঋণ করে বোরো ধান আবাদ করেছিলেন। কিন্তু বন্যার পানিতে সব তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, “যেভাবেই হোক কোরবানি তো দিতে হবে।”

মোহনগঞ্জ উপজেলার কৃষক পায়েল মিয়া ও রুকেল মিয়া বলেন, বছরের একমাত্র বোরো ফসলের আয়ে তাদের পুরো বছর চলে। কিন্তু এবার বন্যায় সব শেষ হয়ে গেছে। সামান্য কিছু ধান কাটলেও রোদ না থাকায় সেগুলোও নষ্ট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত সরকারি সহায়তা, কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না নিলে তাদের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।

ঈদের আনন্দ ম্লান, হতাশা, অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তাই যেনো নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলবাসীর  সম্ভল।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

Oplus_131072

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা আজ থেকে শুরু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) এশার নামাজের পর থেকেই হজযাত্রীরা ‘তাবুর নগরী’ খ্যাত মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। সোমবার (২৫ মে) দুপুর পর্যন্ত হাজিদের মিনায় পৌঁছানোর এই প্রক্রিয়া চলবে।

হজের নিয়ম অনুযায়ী, সোমবার সারা দিন এবং রাত মিনায় ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পার করবেন হজযাত্রীরা। এরপর মঙ্গলবার (৯ জিলহজ) হজের প্রধান রোকন বা মূল আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য তারা মিনা থেকে আরাফার ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। যাকে বলা হয় অকুফে বা আরাফার ময়দানে অবস্থান।

আগামী বুধবার পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে এবং শুরু হবে ঈদুল আজহা। এরপর হাজিরা কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করে নিজ নিজ দেশে ফিরতে শুরু করবেন।

মিনা ও আরাফাতসহ পবিত্র স্থানগুলোতে এখন তীব্র দাবদাহ বিরাজ করছে। সৌদি আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আরাফার ময়দানে অবস্থানের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

তীব্র গরম থেকে হাজিদের সুরক্ষা দিতে সৌদি সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পবিত্র স্থানগুলোতে ছায়া নিশ্চিত করতে বাড়তি শেড নির্মাণ, মিস্ট ফ্যান বা কৃত্রিম কুয়াশা তৈরির পাখা এবং পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে হাজিদের চিকিৎসাসেবা দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম ও ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল। গরমের কারণে অসুস্থতা এড়াতে হাজিদের ছাতা ব্যবহার ও পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
সূত্র : গালফ নিউজ, আরব নিউজ

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।

সোমবার (২৫ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে