খুঁজুন
                               
, ,
           

চিরচেনা রূপের প্রশংসা নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
চিরচেনা রূপের প্রশংসা নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপালি পর্দায় যার বিচরণ। এর বাইরে যেটা প্রশংসার দাবি রাখে, তা হলো তার চিরচেনা রূপ-সৌন্দর্য। তাকে বলা হয় তিন প্রজন্মের নায়িকা; ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে অভিহিত করেন চিরযৌবনা বলেও।

পূর্ণিমা এখনও সেই আগের মতোই রূপের দ্যুতি ছড়িয়ে যাচ্ছেন অনায়াসেই। সামাজিক মাধ্যমে নিত্য-নতুন ছবিতে যেন সৌন্দর্যের প্রাণ ফিরে পান ভক্তরা। এ সকল প্রশংসা কীভাবে নেন চিত্রনায়িকা, তা সম্প্রতি একটি ইভেন্টে উপস্থিত হয়ে অকপটে জানালেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পূর্ণিমা জানালেন, ভক্তদের এমন প্রশংসা তিনি বেশ উপভোগ করেন। তার কথায়, আপনারা বলতে থাকেন, আমি এনজয় করছি। আমি কিছু বলছি না। তবে মোটেও আমি একই জায়গায় রয়ে নি। আমার মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। এরপরও সবাই যেটা বলছে এটা আসলে ব্লেসিং।

পূর্ণিমা বলেন, আপনাদের সবার ভালোবাসা এবং আপনাদের দোয়া। আপনারা আছেন বলেই আমরা আছি।

রূপের বিচারে নিজেকে একমাত্র সেরা ভাবতে নারাজ এই নায়িকা। তিনি অকপটে স্বীকার করেন, ইন্ডাস্ট্রিতে তার চেয়েও অনেক সুন্দরী এবং পরীর মতো দেখতে অনেকেই আছেন। তার কথায়, আমার চেয়ে আরও অনেক সুন্দরীরা আছেন, পরীর মতো দেখতে আরও অনেকেই আছেন। তাই আমি একমাত্র সুন্দরী না, এটা আমি বিলিভ করি এবং সবাই তাই বিলিভ করে।
ঢালিউডের ইতিহাসে বড় পর্দার তারকাদের ছোট পর্দায় কাজ করা নিয়ে একসময় নেতিবাচক ধারণা থাকলেও সেই প্রথা ভেঙেছেন পূর্ণিমা। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটক ও টেলিফিল্মেও সমান তালে কাজ করে তিনি তার জনপ্রিয়তা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি রিয়াজ, মান্না, শাকিব খান, রুবেল ও আমিন খানের মতো শীর্ষ নায়কদের বিপরীতে অভিনয় করেছেন।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘মনের মাঝে তুমি’ ও ‘মধুর মিলন’। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছেন। সব মিলিয়ে নিজের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে বর্তমানে এক তুষ্টির সময় পার করছেন এই নায়িকা।

কালের আলো/এসএকে

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ পরিচালিত ক্যাপস্টোন কোর্স সমাপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ পরিচালিত ক্যাপস্টোন কোর্স সমাপ্ত

মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি)-এ মর্যাদাপূর্ণ ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/২’-এর সমাপনী অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন খাতের নীতি-নির্ধারক ও পেশাজীবীদের কয়েক সপ্তাহের নিবিড় প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জাতীয় কৌশলগত বিষয়ে জ্ঞানার্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন হলো।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ফেলোদের হাতে কোর্স সম্পন্নের সনদ তুলে দেওয়া হয়। এতে অন্যতম ক্যাপস্টোন ফেলো হিসেবে সনদ গ্রহণ করেন কাজী শাহ আরফিন।

কোর্সটিতে দেশের নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন পেশা ও সেক্টরের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। কোর্স চলাকালে জাতীয় নিরাপত্তা, আধুনিক নেতৃত্ব, অর্থনীতি, সুশাসন, আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও অপার সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত বিভিন্ন স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে ফেলোরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান।

কোর্স সম্পন্ন করে ক্যাপস্টোন ফেলো কাজী শাহ আরফিন নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এই কোর্সটি কেবল একটি প্রশিক্ষণ বা সনদ অর্জনের বিষয় ছিল না; বরং দেশ, জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও সমসাময়িক নেতৃত্বকে আরও বিস্তৃত ও সামগ্রিক দৃষ্টিতে বোঝার একটি অসাধারণ সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে দেশের সামগ্রিক টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা কতটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, সেই উপলব্ধিটি আরও দৃঢ় হয়েছে। এ সময় তিনি এনডিসি’র কমান্ড্যান্ট, ফ্যাকাল্টি সদস্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সহকর্মী ফেলোদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সনদ বিতরণের মাধ্যমে কোর্সের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটলেও এখান থেকে অর্জিত কৌশলগত জ্ঞান, নেটওয়ার্কিং ও পারস্পরিক সহযোগিতা দেশের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ এবং অগ্রগতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

কালের আলো/এম/এএইচ

তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা জাতীয় স্বার্থমুখী হতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা জাতীয় স্বার্থমুখী হতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা শুধু ব্যক্তিগত কর্মসংস্থান বা চাকরি পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; তাদের দক্ষতা, জ্ঞান ও মেধাকে জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ফ্রম স্কিল টু অপরচুনিটি’ শীর্ষক চাকরি মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে এবং বেসরকারি সহযোগিতা সংস্থা চোরগউসান ফর চিলড্রেন ও এডুকো’র সহায়তায় এ মেলার আয়োজন করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একইসঙ্গে মনে রাখতে হবে, শুধু বিদ্যমান চাকরির জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাই যথেষ্ট নয়; নতুন চাকরি সৃষ্টি এবং চাকরির বাজার সম্প্রসারণের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ‘জব ক্রিয়েশন’, ‘জব এক্সটেনশন’ বা ‘জব মার্কেট এক্সপানশন’- যে নামেই বলা হোক, এর মূল ভিত্তি অর্থনীতি, শিল্পনীতি ও উৎপাদননীতি। আর এসব নীতির সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারণ সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই, কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধান করতে হলে শুধু দক্ষতা উন্নয়নের দিকে তাকালে হবে না; চাকরির বাজারের ‘সুইচ’ কোথায়, সেটিও বুঝতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী এসময় তরুণদের নিজেদের দক্ষতা ও সক্ষমতাকে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার মানসিকতা তৈরির উপর জোর দেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে জ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে এসে বাংলাদেশের জনশক্তিকে আধুনিক পোশাকশিল্পের দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, সেসময় উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, ব্যাংকঋণ, বিদেশি জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সংযোগ এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে একটি নতুন শিল্পখাতের ভিত্তি তৈরি করা হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের এ ধরনের নীতিগত সহায়তার সুফল শুধু একজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে।

তিনি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান দুটি উৎস পণ্য রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, সীমিত ভৌগোলিক পরিসরে বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টির জন্য নতুন নতুন শিল্প ও উৎপাদন খাত গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

মন্ত্রী চাকরিপ্রার্থী তরুণদের নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি, সমাজ, রাজনীতি ও জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কে ধারণা রাখার পরামর্শ দেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই বেসিক পিকচার যদি একজন তরুণের মাথায় না থাকে, তাহলে সে হয়তো চাকরি পাবে; কিন্তু তার সেই দক্ষতা ও সম্ভাবনা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত নাও হতে পারে।’

তিনি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানভিত্তিক কারিকুলাম তৈরির সময় তাদের নৈতিকতা, দর্শন এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কেও ধারণা দেওয়ার জন্য জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

তথ্যমন্ত্রী তরুণদের দক্ষ কর্মী হিসেবে তৈরির পাশাপাশি তাদের দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় স্বার্থমুখী করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে একদিকে যেমন দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে, অন্যদিকে অর্থনীতি, শিল্প ও উৎপাদনের নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি করে চাকরির বাজারকে সম্প্রসারণ করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে রাষ্ট্র, উদ্যোক্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এডুকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী ও ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহিদ উজ জামান।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারি বরাদ্দে নির্মিত রাস্তা কেটে ফেলায় দুর্ভোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

কেন্দুয়া ( নেএকোনা) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সরকারি বরাদ্দে নির্মিত রাস্তা কেটে ফেলায় দুর্ভোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের রায়পুর পাছপাড়া এলাকায় সরকারি অর্থে উন্নয়ন করা একটি রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে গ্রামবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ ও স্বেচ্ছাশ্রমে রায়পুর জিপিএস থেকে চুচিয়া বিল পর্যন্ত রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় সরকারি বরাদ্দের ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন কৃষক, শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ চলাচল করতেন। সম্প্রতি রাস্তা কেটে দেওয়ায় তাঁদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহন এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি বেড়েছে।

ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, সরকারি অর্থে উন্নয়ন করা রাস্তা কেটে ফেলার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এলাকার বাসিন্দা ও কেন্দুয়া পৌর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক রনি বলেন, প্রথমে স্বেচ্ছাশ্রমে এবং পরে সরকারি বরাদ্দের অর্থে রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। রাস্তাটি পাকাকরণের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে রাস্তা কেটে ফেলায় এলাকার বহু পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছে। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তবে রাস্তা কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. শরীফ হাসান ভূঞা। তাঁর দাবি, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর সাময়িকভাবে চলাচলের জন্য রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। পাশের সরকারি হালট একসময় ব্যক্তি দখলে থাকায় ওই পথ দিয়ে স্থানীয়দের চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, সম্প্রতি সরকারি হালট উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বেলায় রাস্তাটি কাটা হয়েছে। তাঁর দাবি, কাটা রাস্তাটির কোনো আইডি নম্বর নেই এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গায় অবস্থিত।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল চৌধুরী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হয়েছিল। কিন্তু রাস্তা কাটার বিষয়টি তাঁকে জানানো হয়নি। এতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) স্বজল সরকার বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, রাস্তা নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় হয়ে থাকলে সেটি কেটে ফেলার বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত রাস্তা সংস্কার করে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ নিরসনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি