খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বহুল আলোচিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন হত্যা মামলায় ৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, চারজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পরপরই আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আদালত ভবন থেকে বের করে প্রিজন ভ্যানে কড়া পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।
রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় সাধারণ মানুষ, নিহত সেনা কর্মকর্তার স্বজন ও গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র মামলায়ও কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত দণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও অন্যান্য দণ্ডপ্রাপ্তদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় জানা না গেলেও আদালত সূত্র জানিয়েছে, মামলায় মোট ১৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হন লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন। মাত্র ২৩ বছর বয়সী এ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

ঘটনার পর ২৫ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আবদুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ১৭ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতিসহ হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই ঘটনায় চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা করেন। পরে তদন্তভার পান চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরী।

তদন্ত শেষে পুলিশ দুই মামলায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তে এজাহারভুক্ত কয়েকজনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া হয় এবং নতুন কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন -জালাল উদ্দিন ওরফে বাবুল, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, আনোয়ার হাকিম, জিয়াবুল করিম, ইসমাইল হোসেন, নুরুল আমিন, নাসির উদ্দিন, আবদুল করিম, মোহাম্মদ সাদেক, আনোয়ারুল ইসলাম, মোরশেদ আলম, শাহ আলম, আবু হানিফ, এনামুল হক ওরফে তোতলা এনাম, মো. এনাম, কামাল ওরফে ভেন্ডি কামাল ও মিনহাজ উদ্দিন।

মামলাটি শুরু থেকেই দেশব্যাপী আলোচিত ছিল। রায়ের পর নিহত সেনা কর্মকর্তা নির্জনের পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত   

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত   

নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর আঞ্চলিক পর্যায়ের ১২-১৪ বছরের শিশু কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা অনুষ্টিত হয়।

বুধবার (২০ মে) আঞ্চলিক পর্যায়ের ফুটবল বালক বিভাগের ফুটবলের সেমিফাইনালে নওগাঁ জেলা ২-০ গোলে সিরাজগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়। বিজয়ী দলের পক্ষে তামিম ও ওবাইদুল ১টি করে গোল করে।

অন্য ম্যাচে বগুড়া জেলা টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে পরাজিত করে ফাইনালে উন্নীত হয় ।

বালিকা বিভাগে স্বাগতিক রাজশাহীর সাকিরা আবারও হ্যাটট্রিক করেছে। সাকিরার হ্যাটট্রিকের সুবাদে রাজশাহী ৩-০ গোলে নওগাঁ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়।

বিজয়ী দলের পক্ষে সাকিরা একাই ৩টি গোল করে। অন্য ম্যাচে বগুড়া জেলা ১-০ গোলে নাটোর জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। বিজয়ী দলের পক্ষে খুশি জয়সুচক একমাত্র  গোলটি করে।

কাবাডি বালক বিভাগে রাজশাহী ৫২-১৫ পয়েন্টে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে, বগুড়া ৩৪-৯ পয়েন্টে সিরাজগঞ্জকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।

বালিকা বিভাগে জয়পুরহাট ৩০-১৭ পয়েন্টে পাবনাকে ও রাজশাহী ২৮-৬ পয়েন্টে নওগাঁ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।

দাবা বালক বিভাগে রাজশাহীর ইলহাম ও বালিকা বিভাগে পাবনার আরিশা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এ্যাথলেটিক্সয়ে বালকে ১০০ মিটারে সিরাজগঞ্জের সুমন শেখ ১ম, বালিকা বিভাগে নওগাঁর মুন্নি ১ম, বালক ২০০ মিটারে নাটোরের আমান ১ম ও বালিকাতে চাঁপাইনবাগঞ্জের বিজলী রানী ১ম স্থান অধিকার করেছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

জামায়াতকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অসত্য-দায়িত্বজ্ঞানহীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
জামায়াতকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অসত্য-দায়িত্বজ্ঞানহীন

বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কর্তৃক ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা উস্কানিমূলক, অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বুধবার (২০ মে) এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যে গৎবাঁধা মিথ্যাচার ও বিষোদ্গার করেছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এবং সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি সুশৃঙ্খল ও গণমুখী ইসলামী দলের বিরুদ্ধে ন্যাক্কারজনকভাবে কুৎসা রটানোর পথ বেছে নিয়েছেন।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন ‘আমরা নাকি ধর্মের নামে রাজনীতি করি বা মিথ্যা বলি।’ অথচ দেশবাসী ভালো করেই জানেন, জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক, আদর্শিক ও প্রকাশ্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। আমরা ধর্ম নিয়ে কখনো কোনো ধরনের হীন ব্যবসা বা চাতুরীর আশ্রয় নেই না। বরং ধর্ম নিয়ে প্রকৃত ব্যবসা ও ভণ্ডামি করে বিএনপি নিজেই।

সারা বছর তাদের বড় বড় নেতাদের নামাজের কোনো খবর থাকে না, অথচ নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই তাদের গায়ে পাজামা-পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি চড়ে, হাতে তসবিহ দেখা যায় এবং আতর মেখে মসজিদে ঢুকতে দেখা যায়। জনগণের ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার এই সস্তা ও ভণ্ডামিপূর্ণ রাজনীতি বিএনপির জন্যই বেশি প্রযোজ্য, জামায়াতের নয়।’

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অমূলক দাবি করেছেন ‘এ দেশের মানুষ জামায়াতকে কোনো দিন ক্ষমতায় বসাবে না।’ উনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, জামায়াতে ইসলামী এ দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া একটি দল। অতীতে একাধিকবার সংসদ নির্বাচনে দেশপ্রেমিক জনতা জামায়াতকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে এবং আমাদের মন্ত্রীরা সততা ও দক্ষতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনার নজির স্থাপন করেছেন। জনগণের এই রায়কে যারা অস্বীকার করে, তারা আসলে গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না।

ঠাকুরগাঁওয়ের সভায় দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার হীন উদ্দেশে যে সস্তা নাটক তিনি মঞ্চস্থ করার অপচেষ্টা করেছেন, তা তার মতো একজন সিনিয়র রাজনীতিকের কাছে কখনো কাম্য নয়। অপপ্রচার চালিয়ে মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করা যায় না।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে তিনি যে পুরোনো ও অসত্য বয়ান দিয়েছেন, তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়। জামায়াতে ইসলামী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার পক্ষে অতন্দ্র প্রহরীর মতো ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও পালন করবে ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, মিথ্যা এবং কুৎসার ওপর ভিত্তি করে কখনো টেকসই রাজনীতি করা যায় না। রাজনীতি করতে হবে সত্য, সততা এবং জনকল্যাণমূলক আদর্শের উপর ভিত্তি করে, যা জামায়াতে ইসলামী জন্মলগ্ন থেকেই করে আসছে। তাই নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকতে জামায়াতের বিরুদ্ধে অসত্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করার এবং এ ধরনের অসত্য মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি

নির্ধারিত ও বৈধভাবে ইজারা দেওয়া স্থানের বাইরে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে পশু কেনাবেচা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে।’

বুধবার (২০ মে) গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কোরবানির পশুর হাট পাঁচ দিনের জন্য বসবে। এর আগে কোনো ধরনের বেচাকেনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।’

তিনি জানান, ‘হাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ঠেকাতে প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাবেন এবং কোনো অনিয়ম পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদাররা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন। এর বাইরে বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে অপসারণ করতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়। পাশাপাশি হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়েও ইজারাদারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে পরিবারের নারী সদস্য ও শিশুরাও পশুর হাটে যান। তাই তাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য হাট এলাকায় নারীদের জন্য পৃথক ‘পিংক টয়লেট’ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

সভায় ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, ইজারাদার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ