খুঁজুন
                               
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বাজেট আসে যায়, কোনো পরিবর্তন নাই: মুজিবুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
বাজেট আসে যায়, কোনো পরিবর্তন নাই: মুজিবুর রহমান

বাজেট আসে বাজেট যায়, কিন্তু কোনো পরিবর্তন হয় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন,  দীর্ঘ সময় ধরে বাজেট পর্যবেক্ষণ করলেও এর কাঠামোয় কোনো মৌলিক পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজেটের কার্যকারিতা নির্ভর করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নৈতিক ভিত্তির ওপর। তার মতে, নৈতিকতা ছাড়া জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ অর্জন সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ‘শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি, দেওয়ান সালাহ উদ্দিন বাবু এমপি, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান নাসির, সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান, ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন এমপি, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ এমপি, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহসহ শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব এবং একটি সমন্বিত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বাজেট এলেই জনগণের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। দেশের জন্য এখন প্রয়োজন শুধু সংখ্যাগত শিক্ষা নয়, বরং মানসম্মত শিক্ষা। শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক ও আদর্শিক ভিত্তি জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক মানুষের মৌলিক জ্ঞান থাকা জরুরি এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তা নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ এমপি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বলা হলেও বাস্তবে শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরনের অতিরিক্ত খরচ থাকে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যবই ও ফি-নির্ভর না করে বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী হওয়া উচিত। বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও মূলধারার শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। এই দুই ধারাকে একীভূত করে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে।

অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রব বলেন, দেশের শিক্ষা খাতে মোট দেশজ উৎপাদনের তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। তিনি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে অন্তত ২০ শতাংশ করার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তি দেশে ধরে রাখতে হলে শিক্ষক, গবেষক ও পেশাজীবীদের জন্য উপযুক্ত বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাখাতে দলীয় প্রভাব ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্বলতা পুরো ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটি সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখনও ঔপনিবেশিক ধ্যানধারণার প্রভাব থেকে বের হতে পারেনি। তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নৈতিক মানুষ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং দক্ষ জনশক্তিও যথাযথভাবে তৈরি করতে পারছে না, যার ফলে বেকারত্ব ও সামাজিক সমস্যা বাড়ছে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের বেতন কাঠামো প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম, যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় বাধা।

খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, নৈতিক ও আদর্শভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া সমাজে স্থায়ী উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতকে ব্যয় হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, যাতে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন করা যায়।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান বলেন, শিক্ষা মানুষের সক্ষমতা বাড়ায়, তবে এর সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয় না থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও মত দেন এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সামগ্রিকভাবে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, মানসম্মত ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, কর্মমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং একটি কার্যকর জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৮৭ জনের শরীরে হাম বা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে এ সময়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫২৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯১ শিশু। অর্থাৎ এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬২০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২২১ জন। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১২০ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৯ হাজার ১২। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৯ হাজার ৬৮৬ জন। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৪ হাজার ২৬৩ জন রোগী। তাঁদের মধ্যে ৬০ হাজার ৮৪ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

সরকারি সফরে চীন যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
সরকারি সফরে চীন যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী

Oplus_131072

চীন সরকারের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

রোববার (৭ জুন) দুপুরে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

সফর উপলক্ষে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ সময় সফর-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যমন্ত্রী চায়না মিডিয়া গ্রুপের আয়োজনে ৮-১১ জুন অনুষ্ঠিতব্য ‘পঞ্চম সিএমজি ফোরাম’-এ অংশগ্রহণ করবেন।

এছাড়া সফরকালে চীনের তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বৈঠকে তথ্য ব্যবস্থাপনা, গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং তথ্য বিনিময় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে তথ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এ সফরের মাধ্যমে তথ্য ও গণমাধ্যম খাতে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

কালের আলো/এসএকে

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

ভাতা বৃদ্ধি, বাধ্যতামূলক শিক্ষানবিশকাল বাতিল ও বিসিএসে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিসহ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। সারাদেশে ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়।

রোববার সকাল  সোয়া ১১টার দিকে রামেক হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে ‘রামেক ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ’-এর ব্যানারে কর্মবিরতি শুরু করেন ২২০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না পাওয়ায় তারা এবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা বৃদ্ধি করে ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত করা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই বছরের বাধ্যতামূলক শিক্ষানবিশকাল (ইন্টার্নশিপ) বাতিল করা এবং বিসিএস চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছরে উন্নীত করা। এছাড়া তাদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নেরও দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবায় যেন কোনো ধরনের সংকট সৃষ্টি না হয়, সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোগীদের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখতে অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিকল্প ব্যবস্থায় চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তবে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসাসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষ করে বহির্বিভাগ ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী চিকিৎসকদের ওপর কাজের চাপ বেড়েছে।

উল্লেখ্য, ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল থেকে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে একযোগে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দেয় ‘ইন্টার্ন চিকিৎসক ফোরাম’। এরপর থেকেই চূড়ান্ত আন্দোলনে নামেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি