খুঁজুন
                               
, ,
           

বাজেট আসে যায়, কোনো পরিবর্তন নাই: মুজিবুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
বাজেট আসে যায়, কোনো পরিবর্তন নাই: মুজিবুর রহমান

বাজেট আসে বাজেট যায়, কিন্তু কোনো পরিবর্তন হয় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন,  দীর্ঘ সময় ধরে বাজেট পর্যবেক্ষণ করলেও এর কাঠামোয় কোনো মৌলিক পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজেটের কার্যকারিতা নির্ভর করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নৈতিক ভিত্তির ওপর। তার মতে, নৈতিকতা ছাড়া জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ অর্জন সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ‘শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি, দেওয়ান সালাহ উদ্দিন বাবু এমপি, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান নাসির, সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান, ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন এমপি, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ এমপি, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহসহ শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব এবং একটি সমন্বিত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বাজেট এলেই জনগণের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। দেশের জন্য এখন প্রয়োজন শুধু সংখ্যাগত শিক্ষা নয়, বরং মানসম্মত শিক্ষা। শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক ও আদর্শিক ভিত্তি জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক মানুষের মৌলিক জ্ঞান থাকা জরুরি এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তা নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ এমপি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বলা হলেও বাস্তবে শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরনের অতিরিক্ত খরচ থাকে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যবই ও ফি-নির্ভর না করে বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী হওয়া উচিত। বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও মূলধারার শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। এই দুই ধারাকে একীভূত করে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে।

অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রব বলেন, দেশের শিক্ষা খাতে মোট দেশজ উৎপাদনের তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। তিনি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে অন্তত ২০ শতাংশ করার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তি দেশে ধরে রাখতে হলে শিক্ষক, গবেষক ও পেশাজীবীদের জন্য উপযুক্ত বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাখাতে দলীয় প্রভাব ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্বলতা পুরো ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটি সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখনও ঔপনিবেশিক ধ্যানধারণার প্রভাব থেকে বের হতে পারেনি। তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নৈতিক মানুষ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং দক্ষ জনশক্তিও যথাযথভাবে তৈরি করতে পারছে না, যার ফলে বেকারত্ব ও সামাজিক সমস্যা বাড়ছে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের বেতন কাঠামো প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম, যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় বাধা।

খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, নৈতিক ও আদর্শভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া সমাজে স্থায়ী উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতকে ব্যয় হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, যাতে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন করা যায়।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান বলেন, শিক্ষা মানুষের সক্ষমতা বাড়ায়, তবে এর সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয় না থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও মত দেন এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সামগ্রিকভাবে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, মানসম্মত ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, কর্মমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং একটি কার্যকর জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ফের বাড়ল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্ববাজারে আরও একবার বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা কমে গেছে।

এর প্রভাবেই আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬২ সেন্ট বা ০.৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪.৩৯ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে টানা দরপতনের কারণে ব্রেন্টের দাম তিন সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও ৬১ সেন্ট বা ০.৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০.৯৫ ডলারে উঠেছে।  আগের লেনদেনে এটির দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে প্রায় এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল।

এদিকে, সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই দাবি অস্বীকার করেছে তেহরান।

ট্রাম্প জানান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতারসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (৩ আগস্ট) স্পষ্টভাবে জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।

তেহরানের এই বক্তব্যের বিপরীতে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনই কথা বলছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের জন্য একটি ভালো চুক্তিতে সই করার এটাই শেষ সুযোগ। শিরশ্ছেদের আগে আমি তাদের সম্ভাব্য সবশেষ সুযোগ দিতে চাই।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নিয়ম ভেঙে ১ মাদ্রাসার ১৯ শিক্ষক-কর্মচারী তুললেন দেড় কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
নিয়ম ভেঙে ১ মাদ্রাসার ১৯ শিক্ষক-কর্মচারী তুললেন দেড় কোটি টাকা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ইকামাতেদ্বীন মডেল কামিল মাদ্রাসার ১৯ জন প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে প্রায় দেড় কোটি টাকা অতিরিক্ত উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের উত্তোলিত মোট ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ টাকা এক মাসের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি আইনের বিধান অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা দায়ের করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিদপ্তর জানায়, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও পুনর্বিবেচনা, গ্রেড পরিবর্তন, বাতিল ও স্থগিত-সংক্রান্ত পুনর্বিবেচনা কমিটির গত ১৬ জুনের সভার সিদ্ধান্তের আলোকে গত ১৬ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির জুলাই মাসের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ইকামাতেদ্বীন মডেল কামিল মাদ্রাসার (আলিম স্তর পর্যন্ত এমপিওভুক্ত) ফাজিল ও কামিল স্তরের ১৯ জন প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক-কর্মচারীর ইনডেক্স কর্তনের পাশাপাশি তাদের নামে বিধিবহির্ভূতভাবে উত্তোলিত মোট ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অধিদপ্তরের জারি করা পৃথক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মচারীদের নির্ধারিত অঙ্কের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে, ট্রেজারি চালানের মূল কপি অথবা সত্যায়িত অনুলিপি দ্রুত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রভাষক (আরবি) মো. আল আমিন ৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকা, প্রভাষক (আরবি) মো. রাশেদুল ইসলাম ১০ লাখ ৬০ হাজার ৩০২ টাকা, প্রভাষক (বাংলা) মো. কুদরাতুর রহমান ১৮ লাখ ১ হাজার ১০২ টাকা, প্রভাষক (ইংরেজি) ফকরুল ইসলাম ১৮ লাখ ১ হাজার ১০২ টাকা, প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস) মো. ফারুক হোসেন ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪১ টাকা, প্রভাষক (গ্রন্থাগারিক) মো. সরোয়ার হোসেন ৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকা, সহকারী গ্রন্থাগারিক মহিউদ্দিন ৮ লাখ ৭৭ হাজার ১৫ টাকা, সহকারী মৌলভী মো. নূরনবী ৬ লাখ ২৭ হাজার ৭০২ টাকা,

জুনিয়র শিক্ষক নাছরিন ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৩ টাকা, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর কাজী আল মাসুদ ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৩ টাকা, ল্যাব সহকারী (পদার্থ) মো. রেজাউল মিয়া ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৯১ টাকা, ল্যাব সহকারী (জীববিজ্ঞান) সাম্মি আক্তার ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৯১ টাকা,

চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. মাসুম বিল্লাহ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৫ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম ৩ লাখ ২৮ হাজার ২১৫ টাকা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. নাজমুল ইসলাম ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪০৭ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হামীব গাজী ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৫ টাকা এবং প্রভাষক (ফকিহ) জাহিদ হোসেন ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলন করেছেন।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি আইনের বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা দায়ের করা হবে।

এদিকে, এ সিদ্ধান্তের অনুলিপি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ), ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ভ্যাপসা গরমের পর ঢাকায় বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ভ্যাপসা গরমের পর ঢাকায় বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টিতে ভিজেছে রাজধানী ঢাকা। সকাল থেকেই ঢাকার কোথাও ভারী, কোথাও মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে রাজধানীবাসীর। বৃষ্টির এ ধারাবাহিকতা দুপুর পর্যন্ত থাকতে পারে। এ সময়ে ঢাকায় থেমে থেমে গুঁড়িগুঁড়ি অথবা মাঝারি বৃষ্টি

এদিকে, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ দুপুর পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে দিনের তাপমাত্রা হালকা কমে গরমের তীব্রতা কিছুটা প্রশমিত হতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বৃষ্টি ও কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়েছে, আজ দুপুর পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে দিনের তাপমাত্রা হালকা কমতে পারে। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়, সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯২ শতাংশ। সোমবার রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে।

 

অন্যদিকে, সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রকাশিত পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি