খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ের গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ
রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ের গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। বিভাগের আট জেলার বালক-বালিকা গ্রুপের মোট ১৬টি দল তিন দিনব্যাপী টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসাররা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ইউনিয়ন থেকে উপজেলা এবং জেলা পর্যায় থেকে এখন বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ দল নির্বাচনের জন্য এখানে নিয়ে এসেছে।

রাজশাহী বিভাগে অনেক জায়গাতে খুব ভালো ফুটবল খেলা হয় এবং ভালো খেলোয়াড় আছে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে এই টুর্নামেন্ট থেকে অনেক ভালো বালক-বালিকা খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে।

জাতীয় পর্যায়ে এই টুর্নামেন্টে রাজশাহী বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হবে বলে এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আল মামুন, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক নূর আখতার জান্নাতুল ফেরদৌস।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ: ড. মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ: ড. মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে পারলে শুধু নিজেরা নয়, বাংলাদেশ একটি গর্বিত জাতি হিসেবে উপনীত হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশে গুণী মানুষদের যথাযথ সম্মান দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে দৈনিক ইত্তেফাক ও দিনকালের সাবেক সম্পাদক আখতার উল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।

আখতার উল আলমের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, এমন একটি সময় ছিল যখন সত্য কথা লিখতে সাংবাদিকদের জন্য নিজ নামে লেখা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সে কারণে আখতার উল আলম ‘লুব্ধক’ ছদ্মনামে লিখতেন। ‘লুব্ধক’ শুধু একটি ছদ্মনাম নয়, এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি কৌশল। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে লিখতেন। তার লেখায় উদারচেতা বাস্তবতার প্রতিফলন ছিল। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি, কূটনীতি ও বৈদেশিক অর্থনীতি নিয়েও তিনি নিয়মিত লিখতেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দিও হতে হয়েছিল। তিনি ছিলেন স্বাধীনতার পক্ষে একজন দৃঢ় অবস্থানের মানুষ। সেই সময়ে অনেকে প্রতিবাদের সাহস দেখাতে পারেনি।

সাংবাদিকতার বাইরেও ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আখতার উল আলমকে বাহরাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, তিনি সফলতার সঙ্গে ওই দায়িত্ব পালন করেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া আক্তারুল আলম পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও কূটনীতির জগতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যারা অবদান রেখেছেন, সেসব বরেণ্য অনেক মানুষকে স্মরণ করা হয় না বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ।

তিনি বলেন, তাদেরকে মর্যাদা দিয়ে স্মরণ করা উচিত। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের স্মরণ করি না। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জন্য কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান হয়? শুধু টেলিভিশন-সংবাদ পত্রে বিবৃতি দেওয়া হয়। যে জাতি তার বীর ও পথপ্রদশর্কদের স্মরণ করতে পারে না সেই জাতি সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে আগামীর পথে এগোতে পারে না।

সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মহৎ পুরুষ, অগ্রগামী মানুষ তাদের ইতিহাস, তাদের কাজ-সংগ্রাম যেন ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বরেণ্য মানুষদের স্মরণ করার জন্য একটা সংগঠন করার দাবিও জানান তিনি।

জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভাণ্ডার গঠনের প্রস্তাব দাবি জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাংবাদিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে দেশের কৃতি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।

স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।

কালের আলো/এসআর/এএএন

তারেক-লিউ বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বারোপ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
তারেক-লিউ বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বারোপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে তাদের সাক্ষাৎ হয়।

বৈঠকের শুরুতে লিউ হাইশিং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নয় বার চীন সফরের কথাও উল্লেখ করেন।

লিউ হাইশিং জানান, ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার চীন সফরের ছবি তার সম্মানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

লিউ হাইশিং বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) কথা উল্লেখ করে দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল নির্মাণে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ঐতিহ্য (লিগ্যাসি) ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমানের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে লিউ হাইশিং বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ আরও উন্নত জীবন লাভ করবে বলে তিনি আশাবাদী।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদি আমিন এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রতিদিন ঘি-চা খেলে কী হয় জানেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতিদিন ঘি-চা খেলে কী হয় জানেন?

অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। পেট ঠিকমতো পরিষ্কার না হওয়া, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি-এসব সমস্যা দৈনন্দিন জীবনকে বেশ কষ্টকর করে তোলে। মূলত অন্ত্রের স্বাভাবিক নড়াচড়া কমে গেলে মলত্যাগ কঠিন হয়ে যায়, আর তখনই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়।

এই সমস্যার একটি ঘরোয়া সমাধান হিসেবে অনেকেই বিশেষ এক ধরনের পানীয়ের কথা বলেন, এক কাপ লাল চায়ের সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খাওয়া। পুষ্টিবিদ ও ম্যাক্রোবায়োটিক প্রশিক্ষক শিল্পা অরোরা সামাজিক মাধ্যমে এই পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেছেন, যা অনেকের কাছে একটি প্রচলিত আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া উপায় হিসেবে পরিচিত।

কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণত বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, পিসিওডি, অনিয়মিত ঘুম, কম পানি পান করা, আঁশযুক্ত খাবারের অভাব, ব্যায়ামের ঘাটতি বা অতিরিক্ত লাল মাংস খাওয়ার অভ্যাস ইত্যাদি। এসব কারণ অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

এর ফলে শুধু পেটের অস্বস্তিই নয়, পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা, ব্যথা এবং কখনও কখনও মুখে দুর্গন্ধের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সাধারণত সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত জীবনযাপন বজায় রাখার পরামর্শ দেন।

ঘি সম্পর্কে বলা হয়, এতে বুটিরিক অ্যাসিড থাকে, যা অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে এবং মল চলাচল সহজ করতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি অন্ত্রকে কিছুটা লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়, যা হজম প্রক্রিয়াকে আরামদায়ক করতে পারে।

অন্যদিকে, লাল চা নিয়েও বলা হয় যে এতে থাকা ক্যাফেইন ও অন্যান্য উপাদান শরীরের স্নায়ু-সংকেত সক্রিয় করতে সাহায্য করতে পারে, যা হজম প্রক্রিয়া ও অন্ত্রের গতিবিধিকে কিছুটা উদ্দীপিত করতে ভূমিকা রাখে।

সব মিলিয়ে, ঘি ও লাল চা একসঙ্গে একটি ঘরোয়া উপায় হিসেবে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি