খুঁজুন
                               
, ,
           

যুক্তরাষ্ট্রের হিমার্স থেকে চীনের দিকে রকেট নিক্ষেপ তাইওয়ানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের হিমার্স থেকে চীনের দিকে রকেট নিক্ষেপ তাইওয়ানের

তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনী চীনের সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার প্রস্তুতি হিসেবে এক ঐতিহাসিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা অত্যাধুনিক এম-১৪২ হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (ব্যবস্থা) তথা হিমার্স থেকে চীন অভিমুখে রকেট ছুড়ে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা জানান দিয়েছে স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপরাষ্ট্রটি।

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তাইওয়ান এর আগেও পরীক্ষা করেছে। তবে দ্বীপরাষ্ট্রটিকে চীন থেকে পৃথককারী তাইওয়ান প্রণালির জলসীমায় হিমার্স থেকে রকেট ছুড়ে মহড়ার ঘটনা এবারই প্রথম।

মহড়া চলাকালে তাইওয়ানের সেনা সার্জেন্ট ওয়াং মিং-হুই বলেন, ‘বর্তমান নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপটে আমরা হিমার্সের প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখব, যাতে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।’ তবে তাইওয়ানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহড়ায় তুলনামূলক কম দূরপাল্লার ‘প্র্যাকটিস রকেট’ ব্যবহার করা হয়েছিল, যা উপকূল থেকে খুব বেশি দূরে না গিয়ে তাইওয়ান প্রণালির পানিতে গিয়ে পড়ে।

এ প্রসঙ্গে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের সাংবাদিক জিম সিউটো বুধবার ওয়াশিংটনে নিযুক্ত তাইওয়ানের প্রতিনিধি আলেক্সান্ডার ইউইয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী তাদের নতুন হিমার্স দিয়ে মূলত যুদ্ধের অনুশীলন করছে।’ তিনি কিছুটা রসিকতা করে সিএনএনকে বলেন, ‘আমরা একটা দ্বীপ। আমরা কেবল পূর্ব বা পশ্চিম দিকেই গুলি ছুড়তে পারি। তাই তারা পশ্চিম দিকটাকেই বেছে নিয়েছে।’

উল্লেখ্য, তাইওয়ানের পশ্চিমে চীনের মূল ভূখণ্ড অবস্থিত।

হিমার্স হলো হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম। ট্রাক-মাউন্টেড বা ছয় চাকার ট্রাকে বসানো এই রকেট পডগুলো মূলত ‘শুট-অ্যান্ড-স্কুট’ (গুলি করো এবং পালাও) কৌশলের জন্য বিখ্যাত। এই কৌশলে যানগুলো কোনো গোপন সুড়ঙ্গ বা আস্তানা থেকে দ্রুত বের হয়ে মাত্র ৩ মিনিটের মধ্যে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দিতে পারে এবং শত্রু রাডারে ধরা পড়ার আগেই অন্য কোনো নিরাপদ আস্তানায় সরে যেতে পারে। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে এই অস্ত্র ব্যবহারে টিকে থাকার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।

ধারণা করা হচ্ছে, চীনের বিশাল সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বড় বড় যুদ্ধযান বা অস্ত্র কেনার প্রতিযোগিতায় না গিয়ে তাইওয়ানকে ‘অ্যাসিমেট্রিক’ বা অসমন্বিত যুদ্ধকৌশলে পারদর্শী করতে উদ্বুদ্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই কৌশলকে সামরিক পরিভাষায় ‘পোরকুপাইন’ বা সজারু নীতি বলা হয়, যার লক্ষ্য হলো নিজেদের একটি সুরক্ষিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রেখে আক্রমণকারীকে সহজে কাবু করা। সাধারণত সজারু এমনটি করে। তাইওয়ানও চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় এই সজারু নীতি অনুসরণের পরিকল্পনা করছে।

তাইওয়ানের পশ্চিম উপকূলে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এই মহড়ার দ্বিতীয় দিনে হিমার্স ছিল মূল আকর্ষণ। এই মহড়ায় ১৫৫ মিলিমিটারের হাউইটজার কামানও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রসঙ্গত, চীন তাইওয়ানকে তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ মনে করে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো উপায়ে, প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করে হলেও এটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অঙ্গীকার করে রেখেছে। এর অংশ হিসেবে প্রায় প্রতিদিন তাইওয়ানের আকাশ ও জলসীমায় যুদ্ধজাহাজ ও ফাইটার জেট পাঠায় বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানকে পৃথক দেশ হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে এর স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের তীব্র বিরোধী এবং তাইওয়ানের প্রতিরক্ষার জন্য প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী রাষ্ট্র।

গত বছরের ডিসেম্বর মাসে তাইওয়ানের কাছে আরও ৮২টি হিমার্স সিস্টেম বিক্রির একটি বড় চুক্তি ঘোষণা করেছিল ওয়াশিংটন। তবে গত মাসে বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সেই বড় অস্ত্র চুক্তিটি বর্তমানে স্থগিত রয়েছে বলে জানা গেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মালদ্বীপে অবকাশযাপনের সময় এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। কখনো তারা গল্প করছেন, কখনো রেস্টুরেন্টে নিজের হাতে তরুণকে খাবার খাইয়ে দিতে দেখা গেছে।

টিকটক থেকে এ ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। তখন ভিডিওর যুবকের সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক নিয়েও নানা চর্চা হওয়া এবং চারদিকে গুঞ্জন ছড়াতে থাকে।

সেই ভিডিও নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হলেও ঘটনার এক সপ্তাহ পরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি কেয়া পায়েলের।

এদিকে এরইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন একটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেত্রী; যা নিয়ে নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। নিজের নতুন একটি ছবি পোস্ট করে একটি রহস্যময় ক্যাপশন দিয়েছেন। কেয়া পায়েল লিখেছেন, ‘প্রথম ভালোবাসা কি ভোলা যায়?’

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে এ ক্যাপশন দেন কেয়া পায়েল। নিজের লাস্যময়ী ছবির সঙ্গে জুড়ে দেয়া ক্যাপশন মুহূর্তেই নজর কাড়ে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেটিজেনদের। তারা সঙ্গে সঙ্গে নানা মন্তব্য শুরু করেন।

তবে নেটিজেনদের অধিকাংশের মন্তব্যই একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে―কদিন আগের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা যুবকই কি তাহলে কেয়া পায়েলের প্রথম ভালোবাসা, নাকি অন্য কেউ? কারও কারও মতে, অভিনেত্রীর সেই প্রথম ভালোবাসার মানুষটিই বা কে। তবে নানা মন্তব্য থাকলেও কোনো পাল্টা জবাব বা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি ছোটপর্দার এই তারকাকে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও বিমান চলাচলে কানাডা ও বাংলাদেশের সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার কানাডা হাইকমিশন এক বার্তায় এসব তথ্য জানায়।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনীর বিমান চলাচল, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি এবং বৃহত্তর নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

উভয় পক্ষই অভিন্ন স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরন্তর যোগাযোগ বজায় রাখার গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে যে ভূমিকা পালন করেছেন তার জন্য সেনাপ্রধানকে ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরা হয়। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহায়তায় কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ (৭ জুলাই) বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে মিশরের মোহাম্মদ সালাহর দল।

এই মহারণকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা এখন মহা তুঙ্গে। কে জিতবে এই তর্কে উত্তপ্ত মাঠের লড়াই শুরুর আগেই। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের সম্ভাব্য একটি পূর্বাভাস দিয়েছে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিখ্যাত সংস্থা অপ্টা।

অপ্টার সুপারকম্পিউটার ম্যাচটি নিয়ে প্রায় ২৫ হাজারবার কৃত্রিম বিশ্লেষণ (সিমুলেশন) চালিয়ে জানিয়েছে, কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টাইনদের জয়ের সম্ভাবনা ৬৮.১ শতাংশ। বিপরীতে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে। শেষ ষোলোতে আসা মিশরের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১২.৩ শতাংশ। আর ম্যাচ ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ১৮.৫ শতাংশ।

পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখলেও নকআউটের মঞ্চে যেকোনো অঘটন ঘটাতে প্রস্তুত সালাহ-বাহিনী। তা ছাড়া দুই দলই আগের রাউন্ডে চরম পরীক্ষা দিয়ে এসেছে।

আর্জেন্টিনা যেখানে নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের আত্মঘাতী গোলে ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় পায়, সেখানে মিশর ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি