খুঁজুন
                               
, ,
           

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় হাজারো ফিলিস্তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় হাজারো ফিলিস্তিনি

গাজার বিশাল ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা হাজার হাজার ফিলিস্তিনির মরদেহ চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে। উদ্ধারকাজের ধীরগতি এবং দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ার কারণে এই মরদেহগুলো হয়তো আর কখনোই শনাক্ত করা সম্ভব হবে না।

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

জেরুজালেমে আইসিআরসি-এর মুখপাত্র প্যাট গ্রিফিথস বলেন, কোনও সন্দেহ নেই যে এই মরদেহগুলো শীঘ্রই শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ যত বেশি সময় থাকবে, তা তত দ্রুত পচনের উন্নত স্তরে পৌঁছাবে, এমনকি তা কেবল কঙ্কালে পরিণত হতে পারে। ফলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পরিচয় নিশ্চিত করার মতো পারিপার্শ্বিক প্রমাণাদি হারাবেন।

গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিরা গাজার আনুমানিক ৬ কোটি ১০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করেছে।

গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, এই ধ্বংসস্তূপের নিচে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মরদেহ চাপা পড়ে আছে। কিছু বিশেষজ্ঞের ধারণা, এই সংখ্যা ১৪ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।

উদ্ধারকারী দলগুলো বেলচা, কোদাল, হাতগাড়ি এবং খালি হাতেই এই বিশাল ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছে। উদ্ধারকাজ দ্রুত করতে বুলডোজার ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য ইসরায়েলের কাছে বারবার অনুরোধ করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি।

গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, লাশ উদ্ধারের যন্ত্রপাতি গাজায় আনার কোনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

গাজার ফরেনসি মেডিসিন ডিরেক্টর ড. আহমেদ দাহির এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, আমরা দেখেছি মাত্র দুই সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হওয়া একজন ব্যক্তির দেহ পুরোপুরি

কঙ্কালে পরিণত হয়েছে এবং বন্যপ্রাণী তা খুবলে খেয়েছে। সাধারণ অবস্থায় পরিবেশগত কারণে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় লাগার কথা।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে গাজার অবশিষ্ট হাসপাতালগুলোতে ডিএনএ পরীক্ষার যন্ত্রপাতির অভাব। ইসরায়েল গাজায় ডিএনএ পরীক্ষার কোনও সামগ্রী প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।

এছাড়া, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বুলডোজারগুলো বিভিন্ন এলাকায় মাটি ও ধ্বংসস্তূপ ওলটপালট করায় মরদেহগুলো তাদের মূল স্থান থেকে স্থানান্তরিত হয়ে যাচ্ছে, যা উদ্ধারকাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

লাশ শনাক্ত করতে না পারা কেবল মৃতদের মর্যাদার বিষয় নয়, এটি জীবিতদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর। মনোবিজ্ঞানীরা একে বলছেন অ্যাম্বিগুয়াস লস বা অমিমাংসিত শোক, যা গাজার মানুষের মধ্যে তীব্র বিষণ্নতা, ট্রমা ও মানসিক বিভ্রান্তি তৈরি করছে।

৭ অক্টোবর ২০২৩-এ নিখোঁজ হওয়া ৪-০ বছর বয়সী সামেহ-এর ভাই সায়েদ আল-ইয়াজজি বলেন, দুই বছর ধরে আমরা জানি না সে বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে। তার স্ত্রী বারবার মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছেন। কোনও খবর না পেয়ে আমাদের পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে।

ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহগুলো সংরক্ষণের জন্য দেইর আল-বালাহ এলাকায় একটি বিশেষ কবরস্থান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিটি কবরের একটি নম্বর দেওয়া হচ্ছে এবং নথিপত্র রাখা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনোদিন ডিএনএ বা অন্য উপায়ে স্বজনরা তাদের প্রিয়জনকে খুঁজে পান।

গাজার কবরস্থান বিভাগের পরিচালক জিয়াদ ওবেদ বলেন, এই কবরস্থানে অজ্ঞাত মরদেহের সংখ্যা এখন ৬৫০ ছাড়িয়ে গেছে। যুদ্ধের বয়স এখন প্রায় তিন বছর হতে চলল, আর কিছু লাশ এখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে দাফন করা রয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মালদ্বীপে অবকাশযাপনের সময় এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। কখনো তারা গল্প করছেন, কখনো রেস্টুরেন্টে নিজের হাতে তরুণকে খাবার খাইয়ে দিতে দেখা গেছে।

টিকটক থেকে এ ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। তখন ভিডিওর যুবকের সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক নিয়েও নানা চর্চা হওয়া এবং চারদিকে গুঞ্জন ছড়াতে থাকে।

সেই ভিডিও নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হলেও ঘটনার এক সপ্তাহ পরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি কেয়া পায়েলের।

এদিকে এরইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন একটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেত্রী; যা নিয়ে নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। নিজের নতুন একটি ছবি পোস্ট করে একটি রহস্যময় ক্যাপশন দিয়েছেন। কেয়া পায়েল লিখেছেন, ‘প্রথম ভালোবাসা কি ভোলা যায়?’

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে এ ক্যাপশন দেন কেয়া পায়েল। নিজের লাস্যময়ী ছবির সঙ্গে জুড়ে দেয়া ক্যাপশন মুহূর্তেই নজর কাড়ে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেটিজেনদের। তারা সঙ্গে সঙ্গে নানা মন্তব্য শুরু করেন।

তবে নেটিজেনদের অধিকাংশের মন্তব্যই একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে―কদিন আগের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা যুবকই কি তাহলে কেয়া পায়েলের প্রথম ভালোবাসা, নাকি অন্য কেউ? কারও কারও মতে, অভিনেত্রীর সেই প্রথম ভালোবাসার মানুষটিই বা কে। তবে নানা মন্তব্য থাকলেও কোনো পাল্টা জবাব বা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি ছোটপর্দার এই তারকাকে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও বিমান চলাচলে কানাডা ও বাংলাদেশের সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার কানাডা হাইকমিশন এক বার্তায় এসব তথ্য জানায়।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনীর বিমান চলাচল, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি এবং বৃহত্তর নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

উভয় পক্ষই অভিন্ন স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরন্তর যোগাযোগ বজায় রাখার গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে যে ভূমিকা পালন করেছেন তার জন্য সেনাপ্রধানকে ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরা হয়। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহায়তায় কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ (৭ জুলাই) বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে মিশরের মোহাম্মদ সালাহর দল।

এই মহারণকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা এখন মহা তুঙ্গে। কে জিতবে এই তর্কে উত্তপ্ত মাঠের লড়াই শুরুর আগেই। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের সম্ভাব্য একটি পূর্বাভাস দিয়েছে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিখ্যাত সংস্থা অপ্টা।

অপ্টার সুপারকম্পিউটার ম্যাচটি নিয়ে প্রায় ২৫ হাজারবার কৃত্রিম বিশ্লেষণ (সিমুলেশন) চালিয়ে জানিয়েছে, কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টাইনদের জয়ের সম্ভাবনা ৬৮.১ শতাংশ। বিপরীতে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে। শেষ ষোলোতে আসা মিশরের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১২.৩ শতাংশ। আর ম্যাচ ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ১৮.৫ শতাংশ।

পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখলেও নকআউটের মঞ্চে যেকোনো অঘটন ঘটাতে প্রস্তুত সালাহ-বাহিনী। তা ছাড়া দুই দলই আগের রাউন্ডে চরম পরীক্ষা দিয়ে এসেছে।

আর্জেন্টিনা যেখানে নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের আত্মঘাতী গোলে ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় পায়, সেখানে মিশর ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি