খুঁজুন
                               
, ,
           

ব্রাজিলিয়ান জ্যোতিষীর ভবিষ্যদ্বাণী, নেইমারদের অপহরণ করবে এলিয়েনরা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
ব্রাজিলিয়ান জ্যোতিষীর ভবিষ্যদ্বাণী, নেইমারদের অপহরণ করবে এলিয়েনরা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে এক বিস্ময়কর ও বিতর্কিত ভবিষ্যদ্বাণী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্রাজিলের এক জ্যোতিষী দাবি করেছেন, বিশ্বকাপ চলাকালে মায়ামির একটি স্টেডিয়ামে এলিয়েন বা ভিনগ্রহীদের মহাকাশযান অবতরণ করবে এবং খেলোয়াড়, রেফারি ও দর্শকদের মধ্যে শত শত মানুষকে অপহরণ করে নিয়ে যাবে।

এই দাবি করেছেন ব্রাজিলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত আধ্যাত্মিক গুরু ও জ্যোতিষী এলিসাঞ্জেলা দে সুজা, যিনি ‘ভো বাহিয়ানা’ নামে পরিচিত। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা দুই কোটিরও বেশি বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিওতে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি জানান, একটি স্বপ্নে তিনি দেখেছেন যে মায়ামির একটি স্টেডিয়ামে ফুটবল ম্যাচ চলাকালে বিশাল একটি ইউএফও অবতরণ করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শতাধিক এলিয়েন সেখানে উপস্থিত হবে এবং মুহূর্তের মধ্যে চিৎকার, কান্না ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে। তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনায় খেলোয়াড়, ম্যাচ কর্মকর্তাসহ ৭০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ বা অপহৃত হতে পারে।

ভো বাহিয়ানা তার ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশেষভাবে ২০২৬ সালের ২৪ অথবা ২৬ জুন তারিখের কথা উল্লেখ করে ওই সময় মায়ামির স্টেডিয়াম এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি অনেক চিৎকার, অনেক কান্না এবং কষ্ট দেখেছি। যারা পারবেন, ওই দিন স্টেডিয়াম থেকে দূরে থাকুন।”

ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের ধারণা, তিনি সম্ভবত মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিতব্য সম্ভাব্য ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচের কথাই ইঙ্গিত করেছেন। যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্রাজিলীয় অভিনেতা ও কনটেন্ট নির্মাতা জে ক্লেও। টিকটকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি এই ঘটনাকে ভবিষ্যতের কোনো বড় পরিবর্তনের সম্ভাব্য সংকেত হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপর থেকেই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

অনেকে এই ঘটনাকে ২০২৪ সালে মায়ামির একটি শপিং মলকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া তথাকথিত ‘এলিয়েন’ গুজবের সঙ্গে তুলনা করছেন। সে সময় কিশোরদের আতশবাজি ফোটানো এবং পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ভিনগ্রহী দেখার নানা দাবি ছড়িয়ে পড়েছিল, যা পরে ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভো বাহিয়ানার এই দাবির পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বা নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই। ফলে বিষয়টিকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে নয়, বরং একটি ব্যক্তিগত স্বপ্ন বা অনুমান হিসেবেই দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে মজার প্রতিক্রিয়াও কম নয়। কেউ লিখেছেন, এত দূর থেকে এলিয়েনরা যদি আসে, তবে কি শুধু ব্রাজিলের তারকাদের খেলা দেখতেই আসবে? আবার কেউ পুরো ঘটনাকে জনপ্রিয়তা অর্জনের উদ্দেশ্যে ছড়ানো গুজব বলেই মন্তব্য করেছেন।

বিশ্বকাপকে ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকলেও, এলিয়েনদের সম্ভাব্য আগমন ও অপহরণের এই ভবিষ্যদ্বাণী আপাতত নেটদুনিয়ার কৌতূহল ও হাস্যরসের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএকে

কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় বরখাস্ত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় বরখাস্ত ৭

Oplus_131072

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে রিম্পা (২১) নামে এক বন্দি নারী দেওয়াল টপকে পালানোর ঘটনায় দুইজন মেট্রন ও পাঁচ মহিলা কারারক্ষীসহ মোট সাতজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ।

তিনি বলেন, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় রিপোর্টের ভিত্তিতে গতকাল তাদের ৭ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলেন— মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেট্রন মেরিনা, মেট্রন রেহেনা এবং মহিলা কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। ওই সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে বন্দি রিম্পা (২১) কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।

পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালালেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন। পরে গতকাল (শুক্রবার) রাতে কোনাবাড়ী মডেল থানায় কারা কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করে।

কালের আলো/এসএকে

চীনে বড় ভূমিধস : ৮ জন নিহত, ৩৪ জন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
চীনে বড় ভূমিধস : ৮ জন নিহত, ৩৪ জন নিখোঁজ

চীনের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ চংকিংয়ের পেংশুই জেলায় বড় ভূমিধস হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন ৮ জন এবং এখন পর্যন্ত নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ৩৪ জন।

এছাড়া জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ জনকে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১০ (বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা দশ) মিনেটে এই ভূমিধস ঘটে বলে জানিয়েছেন পেংশুই জেলা প্রশাসনের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা রেন জুজিয়াং।

আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ভূমিধসের অল্প সময়ের মধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগের উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা শুরু করেন। বর্তমানে ৮০০ কর্মী ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং নিখোঁজদের সন্ধান পেতে এখনও তৎপরতা জারি আছে।

পেংশুইয়ের যে এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেটি একটি পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার সড়ক। ভূমিধসের পর ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে চীনা সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি। সেই ছবিতে দেখা গেছে, ওই এলাকার সড়কের একাংশ মাটি-পাথরের স্তূপে ঢেকে গেছে।

ভূমিধসের পর পর ধূলোবালির মেঘে ঢেকে গিয়েছিল ওই এলাকা। সেই মেঘের ভেতর আতঙ্কিত অবস্থায় চিৎকার-ছোটাছুটি করছিলেন লোকজন। সেই ফুটেজও প্রকাশ করেছে সিসিটিভি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে একজন স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, যে এলাকায় ভূমিধসটি ঘটেছে সেটি ‘বিপজ্জনক’ খাড়া ভূখণ্ডের জন্য পরিচিত। তিনি আরও বলেন যে, খাড়া পাহাড়ের পাশ বরাবর এখনও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা এবং উপদ্রুত লোকজনকে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ৫ কোটি ইউয়ান (৭৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার) বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিসিটিভি।

চংকিংয়ে ভূমিধসের মাত্র দু’সপ্তাহেরও কম সময়ের আগে চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে ভূমিধস ঘটেছি। সেই ভূমিধসের পর ১২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল, নিহত হয়েছিলেন ২১ জন।

সূত্র : এএফপি, গালফ নিউজ

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি

১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন

Oplus_131072

রক্তাক্ত জুলাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ১৮ জুলাই। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও, সেদিন রাজপথে নেমে আসেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের অংশগ্রহণে নতুন গতি পায় আন্দোলন এবং সফল হয় শিক্ষার্থীদের ঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি।

সেদিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ ২৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত তিন হাজার মানুষ। আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ নিহতদের হত্যার বিচার এবং বৈষম্যের অবসানের দাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নেন।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ হওয়ার পর আন্দোলন অনেকটাই থমকে গেলেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন শক্তি হিসেবে রাজপথে নামেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, রংপুরে আবু সাঈদকে হত্যার পর রাজপথে নামা আমাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, পুলিশের গুলির মুখেও তারা আন্দোলন থেকে সরে যাননি।

১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনে আশ্রয় নেন। ভবনের ভেতর থেকে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে শব্দবোমা ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ভবনটি ঘিরে ফেললে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৬০ জন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়।

একই সময়ে রামপুরা, নতুনবাজার ও প্রগতি সরণিসহ বিভিন্ন এলাকায়ও শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছিলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরাইয়া বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে এদিন বড় প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে দেশের ৪৭ জেলার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। স্কুল-কলেজের অনেক শিক্ষার্থীও রাজপথে নামেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করে।

সংঘর্ষে যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, আজিমপুর, উত্তরা, বাড্ডা, ধানমন্ডি, সাভার, চট্টগ্রাম, নরসিংদী, মাদারীপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত তিন হাজার মানুষ।

দুপুরে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো সংলাপ নয়।

রাতে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুজব ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দিনভর সংঘর্ষের পরও রাতে শনির আখড়া, কাজলা, সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের আন্দোলনের পাশে থাকার আহ্বান জানান এবং পরবর্তী কর্মসূচির প্রস্তুতি নেন।

জুলাইয়ের শুরু থেকেই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী সক্রিয় থাকলেও, ১৮ জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ শুরু হয়। আবু সাঈদ ও ওয়াসিমদের মৃত্যুর প্রতিবাদে সেদিন রামপুরা, নতুনবাজার, প্রগতি সরণি, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। সেই প্রতিরোধই পরবর্তী সময়ে আন্দোলনের গতি আরও ত্বরান্বিত করে।

কালের আলো/এসএকে