খুঁজুন
                               
, ,
           

কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন প্রতারণার শিকার আরও ১০৯ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন প্রতারণার শিকার আরও ১০৯ জন

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া আরও ১০৯ জন দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে তারা দেশে ফেরেন। এ নিয়ে জুন মাসে সেখান থেকে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তারা থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে রাত ১টা ২৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। গত চার দিনে মোট ৩৬২ জন বাংলাদেশি কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন।

দেশে ফিরে আসা প্রত্যেককে বিমানবন্দরে সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এবং ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়

লক্ষ্মীপুরের এক ভুক্তভোগী জানান, একটি রিক্রুটিং এজেন্সি ও দালাল চক্র তাকে কম্বোডিয়ার একটি কোম্পানিতে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই চাকরির জন্য তিনি ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) থেকেও ছাড়পত্র নিয়েছিলেন।

কিন্তু কম্বোডিয়া পৌঁছানোর পর তাকে মাত্র এক মাসের একটি ভিজিট ভিসা দেওয়া হয়। বিমানবন্দরে বাংলাদেশি দালালেরা তাকে গ্রহণ করলেও পরে কোনো বৈধ কাজের ভিসার ব্যবস্থা করা হয়নি। পরিবর্তে তাকে টাকার বিনিময়ে একটি সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয় বলে ওই ভুক্তভোগী জানান।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, তাদের বিদেশি নাগরিকদের লক্ষ্য করে অনলাইন প্রতারণা করতে বাধ্য করা হতো। যারা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারতেন না, তাদের মারধর, শারীরিক নির্যাতন এবং ইলেকট্রিক শক দেওয়া হতো। স্ক্যাম সেন্টারের ভেতরে আলাদা একটি নির্যাতন কক্ষও ছিল বলে তিনি জানান।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওই সেন্টারে অভিযান চালালে প্রতারক চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যান এবং তারা মুক্ত হন।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, সাইবার স্ক্যাম এখন মানবপাচারের একটি বিপজ্জনক রূপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলছি যে সাইবার স্ক্যাম এখন মানবপাচারের এক ভয়াবহ রূপ। উন্নত দেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের বিদেশ নেওয়া হচ্ছে এবং এরপর তাদের অনলাইন প্রতারণায় বাধ্য করা হচ্ছে। যারা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে ব্যর্থ হন, তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

শরিফুল হাসান জানান, কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানের ফলে কয়েকটি স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে এই বাংলাদেশিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, জুন মাসে ৫৮৩ জনের ফিরে আসা প্রমাণ করে যে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি এই পাচারকারী চক্রের শিকার হয়েছেন। বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী মামলা করেছেন।

তিনি এই ঘটনার সাথে জড়িত দালাল, রিক্রুটিং এজেন্সি এবং আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রকে শনাক্ত করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে ১৫ হাজার ৯২১ বাংলাদেশি কাজের উদ্দেশ্যে কম্বোডিয়ায় গিয়েছেন। তবে ফিরে আসা ব্যক্তিদের দাবি, কাজ না পেয়ে বা প্রতারণার শিকার হয়ে কয়েক হাজার বাংলাদেশি এখনো সেখানে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

তারা জানান, তাদের অনেককেই উচ্চ বেতনের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল।

প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুনে ফিরে আসা ৫৮৩ জনের অনেকেরই বিএমইটি ছাড়পত্র ছিল।

এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে আটজন এবং গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর আরও ১৮ বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। তাদেরও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ড সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং তাদের সাইবার প্রতারণা করতে বাধ্য করা হয়।

ব্র্যাক জানিয়েছে, পাচারকারী চক্র ভুয়া ওয়েবসাইট, ইমেল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কম্পিউটার অপারেটর, কল সেন্টার এক্সিকিউটিভ এবং কাস্টমার সার্ভিস অফিসারের মতো আকর্ষণীয় পদের বিজ্ঞাপন দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের প্রলুব্ধ করে।

সংস্থাটি আরও জানায়, চাকরিপ্রার্থীদের পরে স্ক্যাম সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে বন্দুকের মুখে জিম্মি করে অনলাইনে প্রতারণায় বাধ্য করা হয়।

থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, লাওস ও ভিয়েতনামে চাকরির উদ্দেশ্যে যাওয়ার আগে চাকরির প্রস্তাব, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভিসার ধরন সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ব্র্যাক।

কালের আলো/এসএকে

রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েদির মৃত্যু

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েদির মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিরাজুল ইসলাম (৫০) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা কারাগারের বন্দী ছিলেন। বাড়ি পাবনা সদরের দাপুলিয়া গ্রামে। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল ৯টায় তিনি মারা যান।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আখেরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মারামারির মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন সিরাজুল। পাবনা কারাগারে তিনি অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

তিনি জানান, সিরাজুল ইসলাম ডায়াবেটিসসহ কয়েকটি অসুখে ভুগছিলেন। তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে। এ সিনেমাটি মুক্তির আগেই মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। সিনেমাটির মুক্তি আটকে দিতে এবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’।

ইতোমধ্যে মুম্বাই হাইকোর্টে ‘জিওস্টার’-এর বিরুদ্ধে ২৫০ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ মামলা করেছে তারা। ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, তাদের কোনো রকম অনুমতি না নিয়েই বেআইনিভাবে ‘কুইন’ সিনেমার এ সিক্যুয়েল নির্মাণ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে পরিচালক বিকাশ বহলের হাত ধরে শুরু হয়েছিল ‘কুইন ২’ সিনেমার শুটিং। সম্প্রতি সিনেমাটির ক্যামেরা ক্লোজ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আর শুটিং শেষ হওয়ার এ খবরটি সামনে আসার পরপরই আইনি লড়াইয়ে নামার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ফ্যান্টম স্টুডিওস।

সংস্থার ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে একাধিকবার জিওস্টার ও পরিচালক বিকাশ বহলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। ফ্যান্টম স্টুডিওসের পক্ষ থেকে তাদের আপত্তির কথা জানানো হয়। এমনকি প্রকাশ্যে আইনি নোটিশও জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই মামলর পথ বেছে নিয়েছে ফ্যান্টম স্টুডিওস।

ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, ‘কুইন’ সিনেমার ৫০ শতাংশ মেধাস্বত্বের মালিকানা এখনো তাদের হাতেই রয়েছে। সেই আইনগত অধিকার বলেই এ সিনেমার সিক্যুয়েলসংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্তের অংশীদার তারা। চলতি বছরের এপ্রিলে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল— ‘কুইন’-এর ওপর ভিত্তি করে কোনো সিক্যুয়েল বা নতুন কোনো অভিযোজন নির্মাণের অনুমতি তারা কাউকে দেয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কুইন’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তোলার পাশাপাশি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে তুমুল প্রশংসা পেয়েছিল। সিনেমাটি সে বছর দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লুফে নেয়, যার মধ্যে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান পান কঙ্গনা রানাউত। সেই সময়ে সিনেমাটির যৌথ প্রযোজনায় ছিল ‘ভায়াকম১৮ মোশন পিকচার্স’ ও ‘ফ্যান্টম ফিল্মস’।

অনুরাগ কাশ্যপ, বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে, মধু মন্টেনা ও বিকাশ বহল মিলে গড়ে তুলেছিলেন ফ্যান্টম ফিল্মস। পরে ২০১৮ সালে এ সংস্থাটি বন্ধ হয়ে গেলেও ২০২১ সালে ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’ নামে নতুনভাবে এর পথচলা শুরু হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

প্রখ্যাত মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম স্বাক্ষরিত আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ওই পত্র অনুযায়ী, সরকার আইরিন খানকে সরকারের সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা ও বেতন-ভাতায় দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেবে।

বুধবার (৮ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আইরিন জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই আইরিন খান তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে পারেন। সূত্র জানায়, এ নিয়োগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও সম্মতি দিয়েছেন।

ডিও লেটারে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মানবাধিকার, সুশাসন ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে আইরিন খান অত্যন্ত সুপরিচিত। তার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে দক্ষতা বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।

এতে আরও বলা হয়, বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান কার্যকরভাবে তুলে ধরা এবং দেশের কূটনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে আইরিন খান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পত্রে তার নিয়োগ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন