খুঁজুন
                               
, ,
           

ভারী বৃষ্টিতে ৫ লাখের বেশি কৃষক ক্ষতির মুখে 

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
ভারী বৃষ্টিতে ৫ লাখের বেশি কৃষক ক্ষতির মুখে 

সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটসহ ৪৩ জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৫ লাখের বেশি কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং ১ লাখ ১৪ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে রয়েছে আউশ ধান, আমনের বীজতলা, গ্রীষ্মকালীন সবজি, আদা, হলুদ, পেঁপেসহ অন্যান্য ফসল। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) জানিয়েছে এই তথ্য।

ক্ষতিগ্রস্ত জমির মধ্যে ৭৯ হাজার ৫০০ হেক্টর আউশ ধানের জমি, ১০ হাজার ৫০৪ হেক্টর আমনের বীজতলা ও ১৭ হাজার ৮০০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজির জমি রয়েছে। সার্বিকভাবে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।।কৃষকরা জানান, জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সবজিগাছ পচে গেছে। অন্যদিকে, নতুন রোপণ করা চারাগুলোও টিকতে পারেনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফিল্ড সার্ভিস উইংয়ের পরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান মণ্ডল বলেন, অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করছে। তিনি বলেন, ‘ফসলের ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ, সম্ভাব্য ক্ষতির হিসাব এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করাই এখন অগ্রাধিকার। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আমন ধান, আগাম শীতকালীন সবজির বীজ ও প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ। প্রতিকূল আবহাওয়ার পর কৃষক যেন দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে এবং কৃষিকাজ চালিয়ে যেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এসব করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন কৃষিখাতের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ শেষ হলে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষকের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং দ্রুত কৃষিকাজ শুরু করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেবে।’ এর আগে গত ১১ জুলাই এক অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেছিলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সুনির্দিষ্ট পুনর্বাসন সহায়তা দিতে সরকার তালিকা প্রস্তুত করছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মূলত নির্ভর করবে বন্যা কতদিন স্থায়ী হয়, বৃষ্টির তীব্রতা কেমন থাকে এবং কত দ্রুত পানি নেমে যায়—এসব বিষয়ের ওপর। দ্রুত পানি নেমে গেলে ফসলের সামগ্রিক ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে এবং পানিতে তলিয়ে যাওয়া কিছু ফসল আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারে। তবে জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে, বিশেষ করে আউশ ধান, আমনের বীজতলা, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের। দেশের মোট আবাদি জমির তুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ খুব বেশি না হলেও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কৃষক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ওপর এর প্রভাব ব্যাপক। এর প্রভাব শুধু ফসলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, মৎস্য খাত ও পশুখাদ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

কালের আলো/এম/এএইচ

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। আগামী রোববার বাঁশখালী সফরে গিয়ে এসব পরিবারের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকায় প্রস্তুতি চলছে। সেখানে দুটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণসহ অনুষ্ঠানস্থলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অনুষ্ঠানস্থল, হেলিপ্যাড, নিরাপত্তা-ব্যবস্থা ও নির্মাণাধীন ঘরগুলো পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে বাঁশখালী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়সহ মাটির ঘরে বসবাসকারী অনেক পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। এসব পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নতুন ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বাঁশখালী পৌরসভা ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে ১০০টি পরিবারকে ঘর দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। যেসব পরিবারের ঘর বন্যায় বিধ্বস্ত হয়েছে এবং নতুন করে ঘর নির্মাণের সামর্থ্য নেই, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এতে দুটি কক্ষ থাকবে। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ঘর নির্মাণে আরসিসি পিলার, কাঠ ও টিন ব্যবহার করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ঘরের নকশা, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও নির্মাণ ব্যয়ের হিসাব তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। বরাদ্দ পাওয়ার পর দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজের মান নিশ্চিত করতে ঘরগুলো তদারকির জন্য আলাদা দল গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। জেলা প্রশাসকও কয়েক দিন ধরে নির্মাণাধীন ঘর ও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন।

জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শুধু ঘর নির্মাণ করে দেওয়াই লক্ষ্য নয়, উপকারভোগীরা যেন এসব ঘরে দীর্ঘদিন নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য প্রতিটি ঘরের নির্মাণকাজ আলাদাভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে স্বামীহারা এক নারীর হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন। সন্তান নিয়ে বসবাস করা ওই নারীর হাতে চাবি তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রতীকীভাবে ১০০টি পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম শুরু হবে।

এছাড়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১৫ জন প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য বাঁশখালীর একাধিক স্থান পরিদর্শন করা হয়েছিল বলে জানান জেলা প্রশাসক। বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিরাও সম্ভাব্য স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। তবে বন্যায় বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় খোলা জায়গার অভাবে সেসব স্থান উপযুক্ত বিবেচিত হয়নি। পরে বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকাটি নির্বাচন করা হয়।

সেখানে পাশাপাশি দুটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। হেলিপ্যাড থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ঘর হস্তান্তরের নির্ধারিত স্থানে নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত নতুনভাবে পরিচিতি পাবে বলে তারা আশা করছেন। সৈকতটি দেশ-বিদেশে পরিচিত হলে জেলে সম্প্রদায়-অধ্যুষিত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রীর বাবুনগর মাদরাসায় যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে মাদরাসার শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। এরপর হাটহাজারীতে গিয়ে কবর জিয়ারত এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

হাটহাজারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যেও সহায়তা বিতরণ করা হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, মঞ্চ, প্যান্ডেল, হেলিপ্যাড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সব প্রস্তুতি শনিবার দুপুরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪১৪

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৭ জন, লালবাগ বিভাগে ২২ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৮ জন, মতিঝিল বিভাগে ৭২ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৪৫ জন, মিরপুর বিভাগে ১১২ জন, গুলশান বিভাগে ৩৫ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৫৩ জন রয়েছেন।

অভিযানকালে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, তিন রাউন্ড গুলি, ৩০ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ১০ হাজার ২৮৭টি ইয়াবা ট্যাবলেট, প্যাথোডিন ইনজেকশন গ্রহণের ১৮টি সিরিঞ্জ, ২৪টি সিরিঞ্জের সুই, ইয়াবা সেবনের আটটি ফয়েল পেপার, দুটি গ্যাস লাইট, দুটি বোতলের কর্ক, চার হাজার ২২ প্যাকেট সিগারেট, ১৩টি মোবাইল ফোন, পাঁচটি নিষিদ্ধ লিফলেট, দুটি কার্ড, একটি পুরাতন বই, একটি খাতা, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জাল নোট, একটি গাঁজা সেবনের কলকী, একজন ভিকটিম, একটি ট্রাক, একটি প্রাইভেটকার, দুটি সিএনজি এবং ৩০টি চেতনানাশক অ্যান্টিভেন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার এবং আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি