খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকারের কাজে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
সরকারের কাজে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমলাতন্ত্রের কেউ হোক কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তি—দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে প্রধানমন্ত্রী শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ক্র্যাব মিলনায়তনে রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসান সম্পাদিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচমাসের উন্নয়ন যাত্রা গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন ও আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বই অন্ধকার ঘোচাতে বাতির মতো কাজ করে, একটি বড় প্রদীপের কাজ করে। মানবসভ্যতার অগ্রগতিতে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। আজ আমরা মাইক্রোফোনে কথা বলছি, টেলিভিশন ক্যামেরায় ছবি ধারণ হচ্ছে, অডিও রেকর্ড হচ্ছে এবং সাংবাদিকেরা আমাদের বক্তব্য লিখে রাখছেন—এসবই বিজ্ঞানের অবদান।

তিনি বলেন, বিজ্ঞানীরা যেসব তত্ত্ব ও থিওরি লিখেছেন, সেগুলো বই আকারে প্রকাশিত হয়েছিল বলেই পরবর্তী প্রজন্ম সেগুলো পড়েছে, চর্চা করেছে এবং সেখান থেকে প্রতিবছর ও প্রতিটি শতাব্দীতে নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করেছে। তাই বইয়ের কোনো বিকল্প তৈরি হয়নি।

বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে রিজভী বলেন, আমরা যদি বই না পড়ি, জ্ঞান অর্জন না করি এবং ন্যূনতম শিক্ষায় শিক্ষিত না হই, তাহলে আমাদের মনের জগত ও বিশ্বজগত—দুটোই অন্ধকার হয়ে থাকবে। বই হচ্ছে মনের জগতের পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট অর্জন করতে পারলেই মনের জগতের পাশাপাশি বহির্জগতের অন্ধকারও দূর করা সম্ভব।

সরকারের পাঁচ মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে রিজভী বলেন, নির্বাচিত সরকার তারেক রহমানের সরকারকে নিয়ে নানা কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এই পাঁচ মাসে সরকার কী করেছে, তার পরিসংখ্যানসহ বিভিন্ন ঘটনাবলি বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে। জাতি এসব জানে এবং দেখেছে। তবে সব তথ্য একত্র করে সুগ্রন্থিতভাবে উপস্থাপন করা হলে তা একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন এবং সামনে হেলথ কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি রয়েছে। গ্যাস সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, তারও একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় আসার পরপরই সেগুলো বাস্তবায়নে তিনি বাংলাদেশের মাঠে-মাঠে, হাটে-ঘাটে ও বন্দরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। দিন-রাত তিনি কাজ করছেন এবং তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিজেই দেখছেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি করছেন না। কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সে আমলাতন্ত্রের লোক হোক, বুরোক্রেসির লোক হোক কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তি হোক—গাফিলতির বিরুদ্ধে তিনি শক্ত হাতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। একই সঙ্গে যারা কাজ করছেন, তাদের অনুপ্রাণিত করছেন এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে ও প্রধানমন্ত্রীত্বে বিএনপি বা জোট সরকার জনকল্যাণ, জনস্বার্থ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও বিস্তৃত করার জন্য যেসব উদ্যোগ নিয়েছে এবং যেগুলো বাস্তবায়ন হতে চলছে, সেসবের মোটামুটি বিস্তৃত বর্ণনা বইটিতে পাওয়া যাবে।

সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে যারা সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে, কলঙ্ক লেপনের চেষ্টা করছে এবং নানাভাবে সরকারের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে, এই বই তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ড এবং জনগণের প্রতি তার নিবেদনের তথ্য-উপাত্ত ও পরিসংখ্যানসহ কোনো গ্রন্থ রচিত হলে সেটি সবার হাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে থাকবে।

তিনি বলেন, তখন মানুষ বুঝতে পারবে, যারা সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং মিথ্যাভিত্তিক কথা বলছে, তারা মূলত সরকারের ভালো কাজগুলোকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।

সংগঠনের উপদেষ্টা রোটারিয়ান নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সভাপতি সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান,ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তৌহিদ আউয়াল প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং ধস, টেস্টের আগে বাংলাদেশকে সতর্ক করলেন সিমন্স

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং ধস, টেস্টের আগে বাংলাদেশকে সতর্ক করলেন সিমন্স

অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা। দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ফিফটি পেরোতে পেরেছেন শুধু মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর সেঞ্চুরি ছাড়া ব্যাট হাতে উল্লেখযোগ্য কোনো ইনিংস নেই।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৬৩ রান তুললেও দ্বিতীয় ইনিংসে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ডারউইনে তৃতীয় দিন শুরু করার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১৯ রান। সেখান থেকে মাত্র ১৬ ওভারের মধ্যেই বাকি আট ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে মাত্র ৫৪ রানে গুটিয়ে যায় দল।

বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর ছিলেন থম্পসন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মাত্র একটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা এই বোলার দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ১০ উইকেটের আটটিই তুলে নেন। তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা কার্যত কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

দুই টেস্টের সিরিজ শুরুর ঠিক আগে এমন পারফরম্যান্স স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে বাংলাদেশের ব্যাটিং সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রস্তুতি ম্যাচে দলের ব্যাটিং দেখে সন্তুষ্ট হতে পারেননি প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। ম্যাচ শেষে বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি ব্যাটসম্যানদের আউট হওয়ার ধরন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

সিমন্স বলেন, প্রস্তুতি ম্যাচে কয়েকটি ইতিবাচক দিক থাকলেও ব্যাট হাতে বাংলাদেশ নিজেদের হতাশ করেছে। বিশেষ করে যেভাবে ব্যাটসম্যানরা আউট হয়েছেন, সেটি মোটেও সন্তোষজনক নয় বলে মনে করেন তিনি।

তবে প্রস্তুতি ম্যাচের ব্যর্থতা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত নন কোচ। তাঁর বিশ্বাস, প্রথম টেস্টের আগে হাতে থাকা তিন দিনে ব্যাটসম্যানরা নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

সিমন্সের ভাষায়, টেস্ট ক্রিকেটে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার জন্য দলের হাতে আরও কয়েকটি দিন রয়েছে। খেলোয়াড়দের ওপর তাঁর আস্থা আছে এবং এই সময়ের মধ্যে তাঁরা নিজেদের প্রস্তুত করে নিতে পারবেন বলেও আশা করছেন তিনি।

প্রস্তুতি ম্যাচের ফল হতাশাজনক হলেও সেটিকে পেছনে ফেলে টেস্ট সিরিজে মনোযোগ দিতে চান সিমন্স। তাঁর মতে, এটি ছিল হতাশার একটি ম্যাচ, কিন্তু এখন অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে তাকানোর সময়।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার ডারউইনে। প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিংয়ের যে দুর্বলতা দেখা গেছে, মূল লড়াইয়ের আগে সেটিই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মিরাজের সেঞ্চুরি কিছুটা স্বস্তি দিলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে ভালো করতে হলে শুধু একজনের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। দলের টপ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানদেরই এখন দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে হবে।

কালের আলো/এসএ

নেপালে মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলনে বাংলাদেশের ৮ সাংবাদিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
নেপালে মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলনে বাংলাদেশের ৮ সাংবাদিক

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলন-২০২৬’-এ অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে আজ শনিবার (৮ আগস্ট) আটজন সাংবাদিক রওনা হয়েছেন।

আগামী ৯ থেকে ১২ আগস্ট চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য‘সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের জন্য আদিবাসী ভাষার সাংবাদিকতা’।

বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম (এসজেএফ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক এবং দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের হেড অব অনলাইন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া শিহাবুর রহমান।

প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন-দৈনিক বঙ্গবাণীর সম্পাদক মুশতাক আহমেদ মুবারকী, দৈনিক আজকালের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট মো. জিয়াউর রহমান, দৈনিক ব্যাংক বীমা অর্থনীতির সম্পাদক মোহাম্মদ মুনীরুজ্জামান, দৈনিক আজকের প্রভাতের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট মো. আবু বকর সিদ্দিক, দৈনিক অমর বাংলার এক্সিকিউটিভ এডিটর পান্না জামান এবং চ্যানেল-এস টেলিভিশনের অনলাইন বিভাগের শাহনাজ বেগম।

এ ছাড়া সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল মো. আবদুর রহমানও সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

ফেডারেশন অব নেপালী ইন্ডিজিনাস ন্যাশনালিটিজ জার্নালিস্টস (ফোনিজ) সম্মেলনের মূল আয়োজক। সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম (এসজেএফ)।

নেপালের তামাং, তমু গুরুং, লিম্বু, থারু, কিরাত রাই, শেরপা ও মাগার সাংবাদিক সংগঠনগুলো সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে। সম্মেলনের সমন্বয়ে রয়েছে ন্যাশনাল ফোরাম অব নেওয়া জার্নালিস্টস।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশের মাতৃভাষাভিত্তিক সাংবাদিকতায় যুক্ত সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও গবেষকরা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

চার দিনব্যাপী সম্মেলনে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মাতৃভাষা সাংবাদিকতার বর্তমান অবস্থা, সংকট, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকতা ও ভাষা নিয়ে গবেষণাপত্র ও কার্যপত্রও উপস্থাপন করবেন অংশগ্রহণকারীরা। এতে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

সম্মেলনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া নেপালের ঐতিহাসিক ও পর্যটন স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আয়োজকদের মতে, মাতৃভাষা সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি, সরকারি নীতিতে এর গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা, লিপি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সচেতনতা তৈরিই এ সম্মেলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে মাতৃভাষায় সাংবাদিকতার চর্চা ও বিকাশে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও সম্মেলনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

পূজায় আসছে রায়হান রাফীর বড় বাজেটের হরর সিনেমা ‘আন্ধার’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
পূজায় আসছে রায়হান রাফীর বড় বাজেটের হরর সিনেমা ‘আন্ধার’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক দৃশ্য ‘ফাঁস’ করে ইতিমধ্যেই শোরগোল ফেলে দিয়েছেন নির্মাতা রায়হান রাফী। অভিনব এই প্রচারণার মাঝেই জানা গেল তাঁর বহুল আলোচিত হরর চলচ্চিত্র ‘আন্ধার’ মুক্তির আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা। আগামী অক্টোবর মাসে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে আনার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।
নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও পূজার দীর্ঘ ছুটিকেই মুক্তির লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। পরিচালক রায়হান রাফী জানান, ঈদে সিনেমা মুক্তির মাধ্যমে যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়, তা তাঁরা পূজাতেও ফিরিয়ে আনতে চান। ছুটির দিনে দর্শক যাতে পরিবার নিয়ে সিনেমা হলে আসেন, সে উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পনা।
‘আন্ধার’কে বলা হচ্ছে দেশের অন্যতম বড় বাজেটের হরর ছবি। সিনেমার একটি বিশাল অংশে থাকছে ভিএফএক্স ও গ্রাফিকস অ্যানিমেশনের কাজ, যার সম্পাদন সম্পন্ন হয়েছে মুম্বাইয়ের একটি স্টুডিওতে। নির্মাতার বিশ্বাস, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাই চলচ্চিত্রে হরর ঘরানার যে শূন্যতা রয়েছে, এই সিনেমা তা অনেকটাই পূরণ করবে।
চলচ্চিত্রটির গল্পের পটভূমিও বেশ ভিন্ন। দেশের জনপ্রিয় দুই ব্যান্ডশিল্পী—অর্থহীনের সাইদুস সালেহীন সুমন (বাস বাবা সুমন) এবং ক্রিপটিক ফেইটের শাকিব চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন ভৌতিক লোককাহিনি ও অতিপ্রাকৃত ঘটনার গল্প সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের সংগৃহীত সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই নির্মিত হয়েছে ‘আন্ধার’-এর কাহিনি। আন্তর্জাতিক মানের হরর কনটেন্ট উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই এই প্রচেষ্টা।
চিত্রনাট্যে নাজিফা তুষিকে দেখা যাবে ‘নাদিয়া’ চরিত্রে। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া স্থিরচিত্রে তুষির পাশাপাশি দেখা গেছে জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী আফসানা মিমিকে। দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর কাজ নিয়ে মুখ খুলে তুষি জানান, নাদিয়া চরিত্রটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম প্রিয় ও চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ।
তুষি ও আফসানা মিমি ছাড়া সিনেমাটির শক্তিশালী তারকাবহুল কাস্টে আরও রয়েছেন: চঞ্চল চৌধুরী,সিয়াম আহমেদ,গাজী রাকায়েত, মোস্তফা মন্ওয়ার, তানজিকা আমিন। এছাড়াও এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটছে ফররুখ আহমেদ রেহান ও স্বর্ণালী চৈতির।
চলচ্চিত্রটির বেশিরভাগ শুটিং সম্পন্ন হয়েছে গাজীপুর ও ময়মনসিংহে। আগামী সেপ্টেম্বরে ছবিটি বাংলাদেশ সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মুক্তির আগে পর্যায়ক্রমে ছবিটির অফিশিয়াল পোস্টার, টিজার ও ট্রেলার প্রকাশ করা হবে।
কালের আলো/এসএ