খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ​ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

​সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের পেশাগত সক্ষমতা ও উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) এবং সৌদি আরবের শীর্ষ সামরিক একাডেমিগুলোর মধ্যে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও কোর্স বিনিময় আরো জোরদার করার ব্যাপারে বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

​প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি মানবিক সংকট মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের যৌথ অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিনিময়ের বিষয়ে উভয় পক্ষ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নিয়মিত সফর বিনিময়ের মাধ্যমে বিদ্যমান কৌশলগত ও সামরিক অংশীদারিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

​সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারি ও সামগ্রিক সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতির জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরো নিবিড় ও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে দুই দেশের সব পর্যায়ে সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এ সময় দুই দেশের সংসদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

তিনি জানান, ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করতে পারে, তা নিয়ে বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যও এখানেই নিহিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাক্ষাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের অভিজ্ঞতারও প্রশংসা করেন দীনেশ ত্রিবেদী।

এর আগে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে। তিনি জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, আগে দুই দেশের সম্পর্ক অনেকটা সরকারকেন্দ্রিক ছিল। এখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

স্পিকার আরও বলেন, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে আবারও গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্পিকারের বক্তব্যের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারত সরকারও দুই দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

৩০ লাখের হাতে বাড়তি টাকা, নজর এখন বাজারে

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
৩০ লাখের হাতে বাড়তি টাকা, নজর এখন বাজারে

একদিকে বেতন বাড়ার স্বস্তি, অন্যদিকে বাজারে দাম বাড়ার শঙ্কা—নতুন পে-স্কেল ঘিরে তৈরি হয়েছে এমনই দ্বিমুখী বাস্তবতা। সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। কিন্তু তাদের হাতে বাড়তি অর্থ যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে পণ্য ও সেবার চাহিদা বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। আর সেই চাপ শেষ পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকেই বহন করতে হতে পারে।

গত সোমবার (৩০ আগস্ট) মন্ত্রিসভায় নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর সরকারি চাকরিজীবী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে এর বিপরীতে বেসরকারি খাতের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি কর্মজীবীর বেতন-ভাতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। সরকারি চাকরিজীবীদের আয় বাড়লেও বেসরকারি খাতের আয় একই হারে না বাড়লে দুই খাতের মধ্যে আয়বৈষম্য আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

বাড়তি টাকার প্রথম ধাক্কা বাজারে
অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কার মূল জায়গাটি হলো—৩০ লাখ মানুষের হাতে একসঙ্গে বাড়তি অর্থ পৌঁছালে ভোগের চাহিদা বাড়বে। সাধারণত অতিরিক্ত আয় পাওয়ার পর মানুষের প্রথম দিকের ব্যয় যায় খাদ্য, পোশাক, পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাড়িভাড়া ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাতে। কিন্তু সরবরাহ যদি একই গতিতে না বাড়ে, তাহলে চাহিদার এই বাড়তি চাপ সরাসরি পণ্যের দামে প্রতিফলিত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হানের মতে, পে-স্কেল দেওয়া স্বাভাবিক হলেও বাংলাদেশের দুর্বল সরবরাহব্যবস্থা বড় চ্যালেঞ্জ। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সরবরাহ না বাড়লে তার প্রভাব দামের ওপর পড়তে পারে।

মূলত তিনটি পথে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হতে পারে। প্রথমত, বাড়তি আয় থেকে ভোগ বাড়লে চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, সরকারি বেতন বৃদ্ধির প্রভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপরও কর্মীদের বেতন বাড়ানোর চাপ তৈরি হলে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে। প্রতিষ্ঠানগুলো সেই বাড়তি ব্যয় পণ্যের দামে চাপিয়ে দিলে তৈরি হবে খরচজনিত মূল্যস্ফীতি। তৃতীয়ত, বাড়তি ব্যয় মেটাতে সরকার যদি অতিরিক্ত ব্যাংকঋণের ওপর বেশি নির্ভর করে, তাহলে অর্থনীতিতে তারল্য বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

বছরে বাড়তি ব্যয় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা
নতুন পে-স্কেল শুধু বাজার নয়, সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকেও বড় পরীক্ষার মুখে ফেলছে। পুরো কাঠামো বাস্তবায়িত হলে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এটি এককালীন কোনো ব্যয় নয়; বেতন-ভাতা, পেনশন ও সংশ্লিষ্ট সুবিধার ওপর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় তৈরি করবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। সেই হিসাবে নতুন পে-স্কেলের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় বর্তমান রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৫ দশমিক ২ শতাংশ। ফলে রাজস্ব আদায় বাড়ানো ছাড়া এ ব্যয় সামলানো সরকারের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই যখন বড় চ্যালেঞ্জ, তখন নতুন করে এত বড় স্থায়ী ব্যয় যুক্ত হওয়ায় বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপ আরও বাড়বে।

ধাপে বাস্তবায়নে চাপ কমানোর চেষ্টা
সরকার অবশ্য একসঙ্গে পুরো ব্যয়ের চাপ না দিয়ে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন মূল বেতন ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিন ধাপে কার্যকর হবে। বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। সরকারের দৃষ্টিতে এই ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন তাৎক্ষণিক রাজস্ব চাপ ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি কিছুটা কমাতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে বাড়তি ব্যয়ের দায় থেকেই যাবে।

রাজস্ব বাড়ানোই টেকসই সমাধান
নতুন ব্যয়ের অর্থ জোগাতে সরকারের সামনে মূলত তিনটি পথ—রাজস্ব বাড়ানো, অন্য খাতের ব্যয় কমানো অথবা ঋণ নেওয়া। এর মধ্যে সবচেয়ে টেকসই পথ রাজস্ব বাড়ানো। করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি বন্ধ, কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন, অপ্রয়োজনীয় কর-ছাড় পুনর্বিবেচনা এবং উচ্চ আয় ও সম্পদের ওপর কার্যকর কর নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যদিকে, উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা সামাজিক সুরক্ষা খাতের বরাদ্দ কমিয়ে বেতন-ভাতা মেটানো হলে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ বেতন ও পেনশন একবার বাড়লে তা কমানো কঠিন; ফলে এগুলো বাজেটের অনমনীয় ব্যয়ে পরিণত হয়।

ঋণ নিলে বাড়বে আরেক ঝুঁকি
২০২৬-২৭ অর্থবছরে অনুদান বাদে বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। পে-স্কেলের অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে আরও ব্যাংকঋণ নিতে হলে সরকারের সুদ ব্যয় বাড়বে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। অর্থনীতির ভাষায় যাকে বলা হয় ‘ক্রাউডিং আউট’। এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও চাপে পড়তে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ

নতুন অ্যালবাম নিয়ে ফিরছে স্পিরিচুয়াল, শুরু ‘দুঃস্বপ্ন’ দিয়ে

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
নতুন অ্যালবাম নিয়ে ফিরছে স্পিরিচুয়াল, শুরু ‘দুঃস্বপ্ন’ দিয়ে

দীর্ঘদিনের সংগীতচর্চার পর নতুন অ্যালবাম নিয়ে শ্রোতাদের সামনে ফিরছে ব্যান্ড স্পিরিচুয়াল। ‘পেছনের গল্প’ শিরোনামের অ্যালবামটি সাজানো হয়েছে মোট আটটি গান দিয়ে।

তবে প্রচলিত নিয়মে একসঙ্গে পুরো অ্যালবাম প্রকাশ না করে এবার ভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে ব্যান্ডটি। পর্যায়ক্রমে একটি করে গান প্রকাশের মাধ্যমে ধীরে ধীরে শ্রোতাদের সামনে উন্মোচিত হবে ‘পেছনের গল্প’-এর প্রতিটি অধ্যায়।

এই যাত্রার শুরু হচ্ছে ‘দুঃস্বপ্ন’ গান দিয়ে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মিউজিক ভিডিওসহ গানটি প্রকাশ করা হবে। এর মধ্য দিয়েই স্পিরিচুয়ালের নতুন সংগীত অধ্যায়ের সূচনা হবে।

‘দুঃস্বপ্ন’ প্রকাশের পর অ্যালবামের বাকি গানগুলোও পর্যায়ক্রমে প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যান্ডটির লক্ষ্য, ২০২৬ সালের মধ্যেই ‘পেছনের গল্প’-এর আটটি গান শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

প্রতিটি গানকে আলাদাভাবে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনায় অ্যালবামটি শুধু গানের সংকলন নয়, বরং ধাপে ধাপে উন্মোচিত একটি পূর্ণাঙ্গ সংগীতকাহিনি হয়ে উঠবে বলে মনে করছে স্পিরিচুয়াল।

ব্যান্ডটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, একটি গান প্রকাশের পর সেটি নিয়ে শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া ও অনুভূতি জানার সুযোগ থাকবে। সেই আবহ ও প্রতিক্রিয়াকে সঙ্গে নিয়েই পরবর্তী গান প্রকাশ করা হবে। এভাবেই একে একে পূর্ণতা পাবে পুরো অ্যালবাম।

দীর্ঘ সংগীতযাত্রায় অর্জিত অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও নতুন সৃষ্টিকে আরও পরিণতভাবে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরতেই এই আয়োজন বলে জানিয়েছে ব্যান্ডটি।

‘পেছনের গল্প’ অ্যালবামের গানগুলো স্পিরিচুয়ালের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল ছাড়াও স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিক, আইটিউনস, অ্যামাজন মিউজিক ও ইউটিউব মিউজিকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ