খুঁজুন
                               
, ,
           

আকুর বিল পরিশোধে রিজার্ভে ধাক্কা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
আকুর বিল পরিশোধে রিজার্ভে ধাক্কা

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই-আগস্ট মেয়াদের আমদানি বিল বাবদ ১৩৯ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। বড় অঙ্কের এই বৈদেশিক লেনদেন নিষ্পত্তির পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নেমে এসেছে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবেও রিজার্ভ রয়েছে ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার—যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ১.০৯ বিলিয়ন ডলার কম।

  • ১৩৯ কোটি ডলার পরিশোধের পর এক সপ্তাহে কমেছে ১.০৬ বিলিয়ন
  • নিট রিজার্ভ ২৮ বিলিয়নের কাছাকাছি
  • পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয়ের সক্ষমতা

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আকুর হিসাবে ১৩৯ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানি লেনদেনের দায় সাধারণত দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি বিল এবার পরিশোধ করল বাংলাদেশ। একসঙ্গে বড় অঙ্কের এই বিল পরিশোধের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার মজুতে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রোস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে মোট রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আকুর বিল পরিশোধের পর মোট রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ হিসাবেও রিজার্ভ কমেছে। বৃহস্পতিবার এই হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার, যা এখন দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে।

নিট রিজার্ভে স্বস্তি, মেটানো যাবে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয়
গ্রোস ও বিপিএম-৬ হিসাবের বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা প্রকৃত ব্যয়যোগ্য রিজার্ভের একটি হিসাব রয়েছে। এই তথ্য নিয়মিত প্রকাশ না করলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এনআইআর রয়েছে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। দেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের আমদানি ব্যয় হয়। সে হিসাবে বর্তমান নিট রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের।

আন্তর্জাতিকভাবে একটি দেশের অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে মোটামুটি নিরাপদ অবস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই বিচারে বাংলাদেশের রিজার্ভ এখনো স্বস্তিদায়ক সীমার মধ্যেই রয়েছে। তবে রিজার্ভের ওপর চাপ পুরোপুরি কেটে গেছে—এমনটি বলার সুযোগ নেই। আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক দায় মেটাতে নিয়মিত বৈদেশিক মুদ্রা প্রয়োজন। ফলে রিজার্ভের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পাশাপাশি রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

জুলাইয়ের তুলনায় এবার কম আকুর বিল
এর আগে গত ৭ জুলাই আকুর মে-জুন মেয়াদের ১৪৮ কোটি ডলারের আমদানি বিল পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ। ওই পরিশোধের পর বিপিএম-৬ হিসাবে দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার এবং মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার।

এবার দুই মাসের বিল হিসেবে ১৩৯ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে, যা আগের নিষ্পত্তির তুলনায় ৯ কোটি ডলার কম। আকু মূলত সদস্য দেশগুলোর আন্তঃদেশীয় আমদানি-রফতানি লেনদেন নিষ্পত্তির একটি ব্যবস্থা। বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তান বর্তমানে এর সদস্য। ইরানের তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় পরিশোধের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় শ্রীলঙ্কার আকু সদস্যপদ বর্তমানে সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে।

জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন—এসক্যাপের ভৌগোলিক সীমারেখায় থাকা দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য আকুর সদস্যপদ উন্মুক্ত। বড় অঙ্কের আকু বিল পরিশোধে রিজার্ভে তাৎক্ষণিক চাপ তৈরি হলেও, প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলারের নিট ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ এবং প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা আপাতত বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের অবস্থানকে তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক রাখছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

উত্তরায় শপিং মলের রেস্টুরেন্টে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
উত্তরায় শপিং মলের রেস্টুরেন্টে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

রাজধানীর উত্তরায় বিমানবন্দরের পাশে একটি শপিং মলের ছয়তলা ভবনের পাঁচতলায় থাকা একটি রেস্টুরেন্টে আগুন লেগেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উত্তরা ও বিমানবন্দর ফায়ার স্টেশনের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

দুপুর ১টা ৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের প্রচেষ্টায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের কর্মকর্তা আনারুল ইসলাম দোলন এ তথ্য নিশ্চিত করেন

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

গুণগত নিষ্পত্তিতে বদলে যাচ্ছে ঢাকার আদালতের চিত্র

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
গুণগত নিষ্পত্তিতে বদলে যাচ্ছে ঢাকার আদালতের চিত্র

মামলার সংখ্যা কমিয়ে আনা নয়, সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করাই এখন ঢাকার অধস্তন আদালতে মামলার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বড় অগ্রাধিকার। আর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে রায়ের পরিসংখ্যানে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে রায়ে নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় আসামিদের সাজা পাওয়ার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৪২ শতাংশে।

আগের দুই সরকারের সময়ে এই হার ছিল ২২ শতাংশের কিছু বেশি। অর্থাৎ আগের সময়ের তুলনায় বর্তমানে প্রতি ১০০ আসামির মধ্যে প্রায় ১৪ জন বেশি সাজা পাচ্ছেন। বিচারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলার ‘কোয়ালিটি ডিসপোজাল’ বা গুণগত নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই এই পরিবর্তন এসেছে। ঢাকার সিএমএম আদালতের ৪৭ মাসে রায়ে নিষ্পত্তি হওয়া মামলার পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

সাক্ষী হাজিরে নতুন উদ্যোগ
বর্তমান সিএমএম মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের উদ্যোগে মামলার গুণগত নিষ্পত্তিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের যথাযথভাবে আদালতে হাজির করা এবং তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। সাক্ষীদের প্রসেস যথাযথভাবে দেওয়া হচ্ছে কি না, প্রসেস কার্যকর হচ্ছে কি না—তা নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হলে তাকে ফিরিয়ে না দিয়ে যথাসম্ভব সেদিনই সাক্ষ্যগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া যেসব সাক্ষীর মোবাইল নম্বর রয়েছে, তাদের এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তারিখ জানানো হচ্ছে। এক মাস আগে, তিন দিন আগে এবং সাক্ষ্য দেওয়ার আগেও দেওয়া হচ্ছে স্মরণবার্তা। এতে সাক্ষীদের আদালতে উপস্থিতি এবং সাক্ষ্য রেকর্ডের হার বেড়েছে।

প্রমাণনির্ভর মামলায় দ্রুত নিষ্পত্তি
মামলার গুণগত নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে চুরি, মারামারি ও অন্যান্য প্রমাণনির্ভর মামলা চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব মামলায় আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ যথাযথভাবে আদালতের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়াও এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুত। বিচারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে শুধু মামলার সংখ্যা কমানোর জন্য নিষ্পত্তির পরিবর্তে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে রায় দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। প্রয়োজনীয় সাক্ষীরা আদালতে হাজির হওয়ায় এবং তাদের সাক্ষ্য রেকর্ড হওয়ায় মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিচারকের সামনে আসছে। ফলে যেসব মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হচ্ছে, সেসব মামলায় সাজা দেওয়ার সুযোগও বাড়ছে।

সাজা শুধু প্রমাণিতদের
গুণগত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো—একটি মামলায় একাধিক আসামি থাকলেও সবাইকে একসঙ্গে সাজা দেওয়া হচ্ছে না। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হচ্ছে, শুধু তাকেই সাজা দেওয়া হচ্ছে। আর পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকলে দেওয়া হচ্ছে খালাস। আদালতসংশ্লিষ্টরা জানান, সিএমএম আদালতের বিচারকদের মধ্যে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে সাজার হার সবচেয়ে বেশি। তার আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণকে গুরুত্ব দিয়ে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাজা এবং প্রমাণিত না হলে খালাস দেওয়ার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ছয় মাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ ২৩ মাসে রায়ে নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় আসামিদের সাজা পাওয়ার হার ছিল ২২ দশমিক ২১ শতাংশ। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে হার ছিল ২২ দশমিক ২৯ শতাংশ। কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ছয় মাসে সাজার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৪২ শতাংশে। দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় ২২ শতাংশের কাছাকাছি থাকা সাজার হার ছয় মাসে ৩৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়াকে বিচারসংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, সাক্ষ্যগ্রহণে গতি, সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং প্রমাণনির্ভর মামলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ফলে বিচারিক কার্যক্রম আরও কার্যকর হয়েছে।

সামনে আরও ভালো ফলের প্রত্যাশা
সাজার হার বাড়লেও এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসামি খালাস পাচ্ছেন। বিচারসংশ্লিষ্টদের মতে, এর বড় কারণ তদন্তের দুর্বলতা, পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারা এবং সাক্ষীদের আদালতে হাজির করতে ব্যর্থতা।

তবে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া গেলে ভবিষ্যতে সাজার হার আরও বাড়বে বলে তারা মনে করছেন। একই সঙ্গে মামলার গুণগত মান নিশ্চিত করা গেলে দুর্বল ও ভিত্তিহীন মামলার সংখ্যাও কমে আসবে। সব মিলিয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বিচারপ্রক্রিয়ায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

১২ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
১২ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসব্যাপী ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ শুরু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস বাস্তবায়ন উপলক্ষে জরুরি মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান।

সন্ধানী বার্তা/এএএন/এমএসআইপি