খুঁজুন
                               
, ,
           

ইরানকে কাছে রাখছে বেইজিং!

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানকে কাছে রাখছে বেইজিং!

কূটনীতিতে কখনো নীরবতাই সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে চীনের আচরণ যেন সেই পুরোনো কূটনৈতিক পাঠেরই নতুন উদাহরণ। ইরানের বিরুদ্ধে ‘সামরিক হামলার’ নিন্দা জানিয়ে এসসিও যখন সম্মিলিত অবস্থান ঘোষণা করল, চীনও তার বাইরে যায়নি।

কিন্তু একই সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের কোনো আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়নি। ইরানি সংবাদমাধ্যম দুই নেতার সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের খবর দিলেও বেইজিং এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। এই ব্যবধানই চীনের কৌশলের আসল চিত্র তুলে ধরে। ইরানকে প্রয়োজনের সময় সমর্থন করবে চীন, কিন্তু তেহরানের সংঘাতের সঙ্গে নিজেকে এমনভাবে জড়াবে না, যাতে তার বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ ঝুঁকিতে পড়ে।

চীনের কাছে যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ ইরান
চীনের কাছে ইরান গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কারণে। প্রথমত, জ্বালানি। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানি তেল তুলনামূলক কম দামে পাওয়ার সুযোগ চীনের জন্য আকর্ষণীয়। দ্বিতীয়ত, মধ্যপ্রাচ্যের বাজার ও বাণিজ্যপথে ইরানের কৌশলগত অবস্থান। তৃতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব মোকাবিলায় তেহরান বেইজিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশীদার। কিন্তু ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতারও মূল্য আছে। তেহরানের পক্ষে দৃশ্যমানভাবে দাঁড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে। বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান ও নিরাপত্তা—বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের সম্পর্ক এমনিতেই উত্তপ্ত। এর মধ্যে ইরান ইস্যুতে সরাসরি অবস্থান নিলে চীনের ওপর নতুন চাপ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আসল পরীক্ষাটি উপসাগরে
চীনের হিসাব আরও জটিল করে তুলেছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক। সৌদি আরব চীনের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অংশীদার। আরব আমিরাত হয়ে উঠেছে চীনের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। অথচ দুই দেশই ইরানকে নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সন্দেহের চোখে দেখে। ফলে তেহরানের দিকে অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়লে রিয়াদ ও আবুধাবির আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর এই ঝুঁকি নেওয়ার মতো অবস্থায় চীন নেই। বেইজিংয়ের লক্ষ্য তাই মধ্যপ্রাচ্যে পক্ষ বেছে নেওয়া নয়; বরং এমন অবস্থান তৈরি করা, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী থাকে।

এসসিওতে ঐক্য, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সংযম
ইরানের পক্ষে এসসিওর বিবৃতি অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। চীন ও রাশিয়ার প্রভাববলয়ে থাকা এই জোট পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে আগ্রহী। তবে যৌথ বিবৃতি আর চীনের নিজস্ব কূটনৈতিক অবস্থান এক নয়। বেইজিং এসসিওর সম্মিলিত নিন্দাকে সমর্থন করেছে, কিন্তু ইরান ইস্যুকে নিজের দ্বিপক্ষীয় কূটনীতির কেন্দ্র বানায়নি। শি ও পেজেশকিয়ানের আনুষ্ঠানিক বৈঠক না হওয়া এবং তাদের কথোপকথন নিয়ে চীনের নীরবতা সেই সীমারেখাটিই স্পষ্ট করেছে। বার্তাটি যেন এমন—ইরানকে একা ফেলে দেওয়া হবে না, কিন্তু ইরানের হয়ে লড়তেও নামবে না চীন।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন অঙ্ক
চীনের এই ভারসাম্যনীতি ওয়াশিংটনের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। যুক্তরাষ্ট্র চাইলেই চীনকে ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে ধরে নিতে পারবে না। আবার বেইজিং তেহরানের পাশে সব ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়াবে—এমন ধারণাও ভুল। চীনের হিসাব সরল, যেমন—যেখানে ইরান চীনের স্বার্থে প্রয়োজনীয়, সেখানে ঘনিষ্ঠতা; যেখানে ইরান ঝুঁকির কারণ, সেখানে দূরত্ব। বিশকেকে চীনের নীরবতা তাই দ্বিধা নয়, কৌশল। ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় শক্তিগুলোর সঙ্গেও দরজা খোলা রাখার এই নীতি মধ্যপ্রাচ্যে চীনের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সম্পদ হয়ে উঠছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

জুলাই আন্দোলনে হত্যা: কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
জুলাই আন্দোলনে হত্যা: কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর কাফরুল থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। তার আইনজীবী মহসিন রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার শুনানিতে কলিমুল্লাহর আইনজীবী দাবি করেন, তার কোনো রাজনৈতিক পদ বা সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি একজন শিক্ষক এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করে দাবি করেন, কলিমুল্লাহ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

আদালতের অনুমতি নিয়ে কলিমুল্লাহ বলেন, ছাত্রজীবন থেকে শিক্ষকতা জীবন পর্যন্ত তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। উপাচার্য থাকাকালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং সাঈদ হত্যার প্রতিবাদে তিনি কথা বলেছেন বলেও আদালতকে জানান।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় কাফরুল এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন তরিকুল ইসলাম রুবেল। রাত ৮টার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হামলা চালানো হলে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় পরে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই হত্যা মামলায় কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন কাফরুল থানার উপপরিদর্শক জহুরুল ইসলাম। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১৪ জুন উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় তার কারামুক্তি আটকে যায়। পরবর্তী সময়ে ওই মামলায় জামিন পেলেও নতুন করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো তাকে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

হংকংয়ে পোশাকের বাইরে পাট-চামড়া-ফল রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
হংকংয়ে পোশাকের বাইরে পাট-চামড়া-ফল রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ

হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তাজা ফল, পাট ও চামড়াজাত পণ্যসহ উচ্চমূল্যের বহুমুখী পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হংকং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সামিটের সাইডলাইনে হংকং ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের (এইচকেটিডিসি) নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ হংকং থেকে ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে এবং রপ্তানি করেছে ১০৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি সামান্য বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে হংকংয়ের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সরাসরি প্রবেশ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

বৈঠকে আম, কাঁঠাল ও লেবুসহ বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের তাজা ফল হংকংয়ের সুপারমার্কেট ও বড় আমদানিকারকদের কাছে পৌঁছে দিতে ব্যবসায়ী পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগ ও ম্যাচমেকিং আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে ভর্তুকিযুক্ত বা বিনামূল্যে প্রদর্শনী স্টল, ইলেকট্রনিক সার্টিফিকেট অব অরিজিন চালু, শুল্ক প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন এবং যৌথ শিপিং ও লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের আগ্রহও জানান তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, হংকংকে দক্ষিণ চীন ও গ্রেটার বে এরিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।

এইচকেটিডিসির নির্বাহী পরিচালক সোফিয়া চং বাংলাদেশের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তিনি তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

বৈঠক শেষে এইচকেটিডিসির একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বড় পরিসরে হামের টিকাদান ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
বড় পরিসরে হামের টিকাদান ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশজুড়ে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বড় পরিসরে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে হামের টিকার একটি বড় চালান দেশে এসে পৌঁছেছে। চলতি মাসের ১৭ তারিখে আরও একটি বড় চালান দেশে আসবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির উইমেন্স কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকার প্রয়োজনীয় হামের টিকা রেখে না যাওয়ায় বর্তমানে টিকার সংকট তৈরি হয়েছে। তবে হামে মৃত্যুর ঘটনায় বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের টিকার একটি বড় চালান ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি বড় চালান আসবে। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে দেশে প্রতি গজে পানি জমে থাকে, সেখানে মশা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। ঢাকার বাইরে প্রতিটি হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেই অনেক রোগী ঢাকায় চলে আসেন।

অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরাই রোগীদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের মধ্যেও এক ধরনের ভীতি কাজ করে। এ কারণে তারা অনেক সময় রোগীকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি