খুঁজুন
                               
, ,
           

ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ঋণ-সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

কয়েক বছর আগেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত ছিল শ্রীলঙ্কা। জ্বালানি ও খাদ্যের তীব্র সংকট, ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। একপর্যায়ে ৫১ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয় দেশটি।

সেই সংকট কাটিয়ে এখন ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রটি। আর এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বামপন্থি নেতা ও প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে।

দেউলিয়াত্বের পথে যেভাবে গিয়েছিল দেশটি

শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের ভুল নীতি, অতিরিক্ত বৈদেশিক ঋণ, ২০১৯ সালের বড় ধরনের করছাড় এবং করোনা মহামারির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে মহামারির ধাক্কায় বৈদেশিক মুদ্রা আয় ব্যাপকভাবে কমে যায়।

এর মধ্যে কৃষিতে হঠাৎ রাসায়নিক সার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ২০২২ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় শেষ হয়ে গেলে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ আমদানিতে দেখা দেয় তীব্র সংকট।

মূল্যস্ফীতি একপর্যায়ে ৭০ শতাংশের ওপরে উঠে যায়। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানির জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো মানুষের দুর্ভোগ দেশটির অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতীক হয়ে ওঠে।

গণআন্দোলনে বদলে যায় রাজনীতি

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দেশজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক গণআন্দোলন, যা ‘আরাগলায়া’ নামে পরিচিত। বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।

এরপর রনিল বিক্রমাসিংহে দায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেন। তবে কর বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের মতো কঠোর পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।

ফলে প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা আরও কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি)।

ক্ষমতায় এসে বাস্তববাদী অর্থনীতি

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পান এনপিপির নেতা অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। পরে তার জোট পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও অর্জন করে।

বামপন্থি ও মার্কসবাদী রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শুরুতে তার সরকার নিয়ে বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে দিশানায়েকে আইএমএফের কর্মসূচি বাতিল না করে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। পাশাপাশি নিজের সরকারের সংস্কার কর্মসূচিও বাস্তবায়ন শুরু করেন।

কর প্রশাসন শক্তিশালী করা, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ভ্যাট ব্যবস্থায় সংস্কার এবং দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ কমাতে কিছু করছাড়ও দেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিতে ফিরছে স্বস্তি

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে এখন বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধার এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আইএমএফের হিসাবে, ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের মার্চের শেষে দেশটির সরকারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

রাজস্ব আদায়েও রেকর্ড হয়েছে। ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কা ২ হাজার ৫৫৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন রুপি রাজস্ব সংগ্রহ করে, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে বিদেশি ঋণ পুনর্গঠনের কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে সংকট পুরোপুরি কাটেনি

অর্থনীতির পুনরুদ্ধার হলেও শ্রীলঙ্কার সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আইএমএফের কর্মসূচির আওতায় রাজস্ব বাড়ানো ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কারণে জনগণের ওপর কর এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ রয়েছে। দারিদ্র্য ও আয়বৈষম্যের সমস্যাও পুরোপুরি দূর হয়নি।

এ ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানির দাম, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং পর্যটন খাতে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব দেশটির অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

তবু কয়েক বছর আগের দেউলিয়া অবস্থা থেকে বর্তমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড এবং ঋণ পুনর্গঠনের অগ্রগতি দেখাচ্ছে—শ্রীলঙ্কা ধীরে ধীরে সংকটের গভীর খাদ থেকে বেরিয়ে আসছে।

বামপন্থি রাজনৈতিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও দিশানায়েকে যে বাস্তববাদী অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করছেন, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক মহলে আগ্রহের বিষয়। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, রাজনৈতিক আদর্শের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক সংস্কারও একটি সংকটাপন্ন দেশকে পুনরুদ্ধারের পথে নিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম ফিরছে ভারতে

সাম্প্রতিক কয়েক বছরের ধারা ভেঙে আইপিএল ২০২৭-এর মিনি-নিলাম ভারতের মাটিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০২৩ সালে কোচিতে নিলাম আয়োজনের পর থেকে আইপিএলের নিলাম ভারতের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। দুবাই, জেদ্দা ও আবুধাবিতে হয়েছিল পরবর্তী নিলামগুলো। তবে এবার মিনি-নিলাম হওয়ায় তা আবার ভারতে ফিরছে।

ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অনুরোধও এ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে। বিদেশে নিলাম আয়োজনের ক্ষেত্রে দলগুলোর কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের যাতায়াত, থাকা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় বাড়তি জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।

তবে নিলামের ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পর্যাপ্ত পাঁচ তারকা হোটেল ও ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তাদের থাকার সুবিধা বিবেচনা করে শহর নির্বাচন করা হবে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে বিয়ের মৌসুম হওয়ায় হোটেল পাওয়া নিয়েও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নিলামের জন্য কয়েক রাত মিলিয়ে ১০০টির বেশি কক্ষ প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে আইপিএলের আলোচিত ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এক মাস পর আবার বৈঠকে বসবে গভর্নিং কাউন্সিল।

এর আগে ৩০ আগস্ট বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে নিয়মটি নিয়ে মতামত চেয়েছিল। জানা গেছে, বেশিরভাগ দল নিয়মটি বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে কয়েকটি দল অন্তত আরও এক মৌসুম নিয়মটি চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, কারণ তারা এই নিয়ম বিবেচনায় রেখেই দল সাজিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

 

জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় ডব্লিউএইচওর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় ডব্লিউএইচওর

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. আহমেদ জামশিদ মোহামেদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, রোগ প্রতিরোধ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই পক্ষ।

বৈঠকে জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রোগ প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং উদীয়মান জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ধারাবাহিক সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রশংসা করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বহুপক্ষীয় অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ডব্লিউএইচওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সংস্থাটির চলমান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এসব কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, রোগ নজরদারি এবং জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি সহায়তা।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি

মজুত বৃদ্ধির ধাক্কায় কমল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
মজুত বৃদ্ধির ধাক্কায় কমল তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে যাওয়ায় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। তবে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে তেল লোডিং স্থগিত থাকায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

জিএমটি রাত ১২টা ২৮ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯৩ সেন্ট কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৮২ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৯৭ সেন্ট কমে ১০৪ দশমিক ৮৬ ডলারে দাঁড়ায়।

আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (এপিআই) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭১ লাখ ব্যারেল বেড়েছে। অথচ রয়টার্সের এক জরিপে বিশ্লেষকেরা ওই সময়ে মজুত প্রায় ১৬ লাখ ব্যারেল কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে তেল লোডিং স্থগিত থাকায় সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলার পর দেশটি ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ করে দিয়েছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই পাইপলাইনে তেল পরিবহন আবার শুরু হতে পারে। তবে পুরোপুরি মেরামতের কাজ শেষ করতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

ফলে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রে মজুত বৃদ্ধির কারণে তেলের দামে নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন অবকাঠামোতে বিঘ্ন সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ধরে রেখেছে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ