খুঁজুন
                               
, ,
           

মারিব-তাইজে হুতিদের অগ্রগতি, চাপে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
মারিব-তাইজে হুতিদের অগ্রগতি, চাপে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘাত নতুন করে তীব্র হয়েছে। গত এক সপ্তাহে হুতিরা সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন কয়েকটি এলাকায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মারিব ও তাইজ—দুই কৌশলগত অঞ্চল।

সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। একই সময়ে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তারের কারণে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্বার্থ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

মারিব কেন গুরুত্বপূর্ণ

উত্তর ইয়েমেনে হুতিবিরোধী বাহিনীর অন্যতম প্রধান ঘাঁটি মারিব। অঞ্চলটি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাসসম্পদের কেন্দ্র হওয়ায় এর সামরিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে।

হুতিরা দীর্ঘদিন ধরে মারিব দখলের চেষ্টা করছে। তাদের হাতে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ চলে গেলে উত্তর ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে। একই সঙ্গে তেল-গ্যাস অবকাঠামোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেতে পারে হুতিরা।

ইয়েমেনের রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাদ্দাম আল-হুরাইবি মনে করেন, মারিবের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া হুতিদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আলোচনায় প্রভাব বাড়াতে পারে। তাঁর মতে, বড় ধরনের সামরিক পরাজয় ছাড়া হুতিরা অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিউ আমেরিকার ফেলো অ্যাডাম ব্যারনের মতে, মারিব হুতিদের দখলে গেলে ইয়েমেনের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতিতে তা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।

মারিবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান। উত্তরাঞ্চল থেকে শাবওয়া ও আল-মাহরা প্রদেশের দিকে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ স্থলপথ এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গেছে। ফলে মারিবের নিয়ন্ত্রণ দক্ষিণ ও পূর্ব ইয়েমেনের দিকে সামরিক ও রসদ পরিবহনের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে।

তাইজেও সংঘাত তীব্র

মারিবের পাশাপাশি পশ্চিমাঞ্চলের তাইজে নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে হুতিরা তাইজের পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা দখল করেছে বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে। সেগুলো পুনর্দখলে সৌদি-সমর্থিত বাহিনী পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে।

তাইজের গুরুত্ব মূলত এর অবস্থানের কারণে। অঞ্চলটি হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তরাঞ্চল, সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন দক্ষিণাঞ্চল এবং লোহিত সাগর উপকূলের মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল।

তাইজের নিয়ন্ত্রণ কোনো পক্ষের হাতে থাকলে দক্ষিণের বন্দরনগরী এডেনের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ ও রসদ সরবরাহে কৌশলগত সুবিধা তৈরি হতে পারে।

এ ছাড়া ইয়েমেনের অন্যতম বড় জনবসতিপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় তাইজের রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। ২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা দখলের পর তাইজ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।

বাব আল-মানদেব নিয়ে উদ্বেগ

তাইজের পশ্চিমে লোহিত সাগরের উপকূল ধরে রয়েছে মোখা বন্দর এবং আরও দক্ষিণে বাব আল-মানদেব প্রণালি। সম্প্রতি এসব এলাকার ওপর হুতিদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তারের দাবি নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি করেছে।

বাব আল-মানদেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্ব বাণিজ্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঐতিহাসিকভাবে এই জলপথ ব্যবহার করে আসছে। ফলে সেখানে সংঘাত বা জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে।

ইয়েমেনি বিশ্লেষক ও লেখক ফুয়াদ মুসেদের মতে, হুতিরা সমুদ্রপথের কাছাকাছি নিজেদের অবস্থান শক্ত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর ওপর চাপ তৈরির সুযোগ পেতে পারে।

তবে এসব বক্তব্য বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন; হুতিদের নির্দিষ্ট কৌশল বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও তথ্য প্রয়োজন।

বাড়ছে মানবিক সংকট

নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে ইয়েমেনে ৮৫ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ জিবুতির উত্তর উপকূলে আশ্রয় নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মারিবের মানবিক গুরুত্বও অনেক। ইয়েমেনের দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত বহু মানুষ বছরের পর বছর মারিবে আশ্রয় নিয়েছেন।

ফলে মারিব ও তাইজে সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই যত বাড়ছে, ততই বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর নতুন করে বাস্তুচ্যুতি ও মানবিক সংকটের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মারিব ও তাইজ—দুই ফ্রন্টেই হুতিদের অগ্রগতি ইয়েমেনের সামরিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেবের কাছাকাছি তাদের অবস্থান শক্ত হলে সংঘাতের প্রভাব ইয়েমেনের সীমানা ছাড়িয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যপথেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এসএ

কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ
কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

কলম্বিয়া জাতীয় দলের সঙ্গে ১৫ বছরের পথচলার ইতি টেনেছেন তারকা মিডফিল্ডার হামেস রদ্রিগেজ। ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।

২০১১ সালে বলিভিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই গোল করে জাতীয় দলে যাত্রা শুরু করেছিলেন রদ্রিগেজ। এরপর কলম্বিয়ার হয়ে ১৩১ ম্যাচে ৩১ গোল ও ৪৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার পাশাপাশি গোলসংখ্যায়ও তাঁর অবস্থান দ্বিতীয়। কলম্বিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ গোল করেছেন রাদামেল ফালকাও।

রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় ২০১৪ বিশ্বকাপ। সেই আসরে পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন তিনি। উরুগুয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় তাঁর করা ভলিতে গোলটি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে আছে। পরে ওই পারফরম্যান্সের পর তিনি যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে।

কলম্বিয়ার হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন রদ্রিগেজ—২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৬। ২০২৬ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটিই হয়ে থাকে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর শেষ ম্যাচ। পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায় নেয় কলম্বিয়া।

জাতীয় দলের হয়ে ১০ নম্বর জার্সি পরার পাশাপাশি অধিনায়কত্বও করেছেন রদ্রিগেজ। তাঁর নেতৃত্বে ২০২৪ কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠে কলম্বিয়া। তবে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে শিরোপা জিততে পারেনি দলটি।

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও এখনই ফুটবল ছাড়ছেন না রদ্রিগেজ। সম্প্রতি কলম্বিয়ার ক্লাব আতলেতিকো নাসিওনালের সঙ্গে চুক্তি করেছেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।

কালের আলো/এসএ

‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

ব্ল্যাকপিংকের সদস্য লিসার এক দশকের বেশি পুরোনো একটি ভিডিও নিয়ে গত বছর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ভিডিওতে কৃষ্ণাঙ্গদের উদ্দেশে ব্যবহৃত একটি বর্ণবাদী শব্দ শোনা যায়। এবার সেই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন লিসা। তিনি জানিয়েছেন, তখন ওই শব্দের অর্থ ও এর বর্ণবাদী ইতিহাস সম্পর্কে তিনি জানতেন না।

লিসার নতুন তথ্যচিত্র ‘অলওয়েজ লালিসা’য় ঘটনাটি উঠে এসেছে। টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তথ্যচিত্রটির প্রিমিয়ারের পর মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন তিনি। লিসা বলেন, থাইল্যান্ডে বেড়ে ওঠার কারণে ওই বিষয়ে তাঁর কোনো শিক্ষা ছিল না। তাই তখন শব্দটির অর্থ তিনি জানতেন না।

ভিডিওগুলো ধারণ করা হয়েছিল এক দশকেরও বেশি আগে, যখন লিসা ও ব্ল্যাকপিংকের অন্য সদস্যরা কিশোরী ছিলেন। তাঁরা অন্য শিল্পীদের গান অনুশীলন করছিলেন, যেসব গানের কথায় ওই বর্ণবাদী শব্দটি ছিল। ২০২৫ সালে লিসার প্রথম একক কোচেলা পরিবেশনের প্রস্তুতির সময় ভিডিওগুলো প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

লিসা বলেন, এখন তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছেন এবং এ নিয়ে শিক্ষা নিয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলেও জানান তিনি। বিতর্কের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলতে নিষেধ করেছিল বলেও তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১ সেপ্টেম্বর টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘অলওয়েজ লালিসা’র প্রিমিয়ার হয়। তথ্যচিত্রটিতে ব্ল্যাকপিংক থেকে দূরে থাকার সময় লিসার একক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহ ও আইম্যাক্সে তথ্যচিত্রটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। পরে চলতি বছর ইউটিউব প্রিমিয়ামেও এটি দেখা যাবে।

লিসা, জেনি, জিসু ও রোজে বর্তমানে নিজেদের একক কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তবে ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন লিসা। তিনি বলেছেন, তাঁর বয়স ৫০ হলেও তিনি ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে কাজ করতে চান।

কালের আলো/এসএ

যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

সম্পর্কে দুজন মানুষ একে অপরের জন্য কতটা মানানসই, তা বোঝার ক্ষেত্রে ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ বা আবেগগত সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ। দুজন মানুষই ভালো হলেও তাঁদের আবেগ, প্রয়োজন ও যোগাযোগের ধরন একে অপরের সঙ্গে মানানসই নাও হতে পারে। তাই সম্পর্কের আবেগগত নিরাপত্তা বোঝার জন্য কয়েকটি লক্ষণ খেয়াল করা যেতে পারে।

কঠিন বিষয়েও সহজে কথা বলা: অর্থ, পরিবার, ঈর্ষা, ব্যক্তিগত সীমারেখা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বস্তিকর কথাও যদি সঙ্গীর সঙ্গে স্বচ্ছন্দে বলা যায় এবং তিনি তা বোঝার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি আবেগগত সামঞ্জস্যের একটি লক্ষণ।

অনুভূতির পরিবর্তন খেয়াল রাখা: সঙ্গী মনের কথা পড়ে ফেলবেন—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। তবে আচরণে পরিবর্তন, কখন আশ্বাস প্রয়োজন কিংবা কখন কিছুটা একা থাকতে চান—এসব সঙ্গী খেয়াল করেন কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ।

মতভেদ হলেও সম্পর্ক নিরাপদ থাকা: সম্পর্কে মতবিরোধ থাকতেই পারে। দুজনের রাগ প্রকাশের ধরনও আলাদা হতে পারে। তবে ঝগড়ার সময় অপমান, হুমকি বা ইচ্ছাকৃত আঘাতের পরিবর্তে পরে আলোচনায় ফিরে এসে সমাধানের চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্বলতা প্রকাশে স্বস্তি থাকা: ভয়, অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা কিংবা খারাপ সময়ের কথা সঙ্গীর কাছে বলতে পারা এবং এ নিয়ে বিচার বা অপমানের ভয় না থাকা আবেগগত নিরাপত্তার বড় লক্ষণ।

আবেগগত প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া: কারও ভালোবাসা প্রকাশের ধরন কথায়, কারও কাজে। কেউ বেশি যোগাযোগ চান, আবার কেউ ব্যক্তিগত পরিসর পছন্দ করেন। প্রয়োজন আলাদা হলেও দুজন যদি একে অপরের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে মাঝামাঝি জায়গায় আসার চেষ্টা করেন এবং প্রয়োজনের সময়ে মানসিক সমর্থন দেন, তাহলে সম্পর্কের আবেগগত সামঞ্জস্যের ভিত্তি তৈরি হয়।

সব মিলিয়ে, একটি সম্পর্কের বড় স্বস্তি হলো—সঙ্গীর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিজেকে বদলে ফেলতে না হয়ে নিজের মতো করেই নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ বোধ করা।

কালের আলো/এসএ