খুঁজুন
                               
, ,
           

কানাডার পথে ববিতার সঙ্গী রাজ্জাকের নাতনি ঐশী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
কানাডার পথে ববিতার সঙ্গী রাজ্জাকের নাতনি ঐশী

কানাডার সাগরপাড়ের পথ ধরে গাড়ি ছুটছে। এক পাশে আটলান্টিকের জলরাশি, অন্য পাশে প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য। গাড়ির পেছনের আসনে বসে সেই সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন দেশের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী ফরিদা আক্তার ববিতা। কখনো জানালার কাচ নামিয়ে সমুদ্র দেখেছেন, কখনো মোবাইলে ধারণ করেছেন পথের দৃশ্য। আর গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে ছিলেন নায়করাজ রাজ্জাকের নাতনি নাজলি হোসেন ঐশী।

কানাডার কুইবেক থেকে জ্যাসপার যাওয়ার পথে এমনই এক পারিবারিক ভ্রমণের মুহূর্ত ধরা পড়েছে ববিতার ভিডিওতে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নায়করাজ রাজ্জাকের মেজ ছেলে রওশন হোসেন বাপ্পী, তাঁর স্ত্রী নাহিদ হোসেন হ্যাপি এবং তাঁদের মেয়ে ঐশী।

সকালে যাত্রা শুরু করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছিল পরিবারটি। গাড়ির সামনে ছিলেন ঐশী ও তাঁর বাবা বাপ্পী। পেছনের আসনে ছিলেন হ্যাপি ও ববিতা। আটলান্টিকের পাশ দিয়ে চলার সময় চারপাশের দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে পড়েন ববিতা।

ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা সবাই কুইবেক থেকে যাচ্ছি আটলান্টিক সমুদ্রের পাশ দিয়ে। কী অপূর্ব সাগর! ওরে বাবা… সাংঘাতিক!’

যাত্রাপথে ববিতা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই উপভোগ করেননি, গাড়িতে থাকা স্বজনদের সঙ্গেও আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। তাঁর ভিডিওতে ধরা পড়েছে দীর্ঘ পথের এই পারিবারিক ভ্রমণের নানা মুহূর্ত।

শেষ পর্যন্ত জ্যাসপারে পৌঁছে আরও উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন ববিতা। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘জ্যাসপার। অপূর্ব! আমরা এখানে আছি।’ পরে সমুদ্রের পাড় থেকে ছেলে অনিকের সঙ্গে ভিডিও কলে কথাও বলেন তিনি।

রাজ্জাক পরিবারের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক

কানাডা সফরে ববিতার জন্য এই ভ্রমণের বিশেষত্ব শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যে নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পুরোনো পারিবারিক সম্পর্কও। নায়করাজ রাজ্জাকের পরিবারের সঙ্গে ববিতার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। দুই পরিবারের মধ্যে নিয়মিত যাওয়া-আসা ছিল এবং পারিবারিক নানা অনুষ্ঠানেও তাঁদের দেখা হতো।

রাজ্জাককে স্মরণ করে ববিতা একবার বলেছিলেন, ‘রাজ্জাক ভাই শুধু পর্দার নায়ক ছিলেন না, আমার চোখে বাস্তব জীবনেও তিনি ছিলেন সত্যিকারের নায়ক।’

রাজ্জাকের মেজ ছেলে বাপ্পীর সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক অনেকটা মা-সন্তানের মতো। ববিতার ভাষায়, ছোটবেলা থেকেই দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠতার কারণে তাঁদের সম্পর্কটি পারিবারিক হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, ‘বাপ্পীও আমার সন্তানের মতো। ছোটবেলা থেকে আমাদের দুই পরিবারের যাওয়া-আসার কারণে সম্পর্কটা অনেক বেশি পারিবারিক।’

কানাডায় ববিতা

প্রায় দুই মাস আগে ছেলে অনিকের সঙ্গে সময় কাটাতে কানাডায় যান ববিতা। অনিক থাকেন কিচেনারে। অন্যদিকে রওশন হোসেন বাপ্পী পরিবার নিয়ে টরন্টোতে বসবাস করেন।

কানাডায় যাওয়ার পর বাপ্পীর পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন ববিতা। এবার দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে কুইবেকে ঘুরতে যান। সেখানে কিছু সময় কাটানোর পর তাঁরা জ্যাসপারের উদ্দেশে রওনা হন।

রওশন হোসেন বাপ্পী নায়করাজ রাজ্জাকের মেজ ছেলে। বড় ছেলে বাপ্পারাজ ও ছোট ছেলে সম্রাট অভিনয়ের কারণে দর্শকদের কাছে পরিচিত হলেও বাপ্পী কখনো অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হননি। ২০১৩ সাল থেকে তিনি পরিবার নিয়ে কানাডায় বসবাস করছেন।

ববিতার এই কানাডা সফরে তাই একদিকে যেমন নতুন জায়গা দেখার আনন্দ, অন্যদিকে তেমনি পুরোনো পারিবারিক বন্ধনের উষ্ণতাও যোগ হয়েছে। আটলান্টিকের পাড় ধরে গাড়িতে কাটানো সেই আনন্দময় মুহূর্তই এবার উঠে এসেছে তাঁর ভিডিওতে।

কালের আলো/এসএ

কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ
কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

কলম্বিয়া জাতীয় দলের সঙ্গে ১৫ বছরের পথচলার ইতি টেনেছেন তারকা মিডফিল্ডার হামেস রদ্রিগেজ। ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।

২০১১ সালে বলিভিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই গোল করে জাতীয় দলে যাত্রা শুরু করেছিলেন রদ্রিগেজ। এরপর কলম্বিয়ার হয়ে ১৩১ ম্যাচে ৩১ গোল ও ৪৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার পাশাপাশি গোলসংখ্যায়ও তাঁর অবস্থান দ্বিতীয়। কলম্বিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ গোল করেছেন রাদামেল ফালকাও।

রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় ২০১৪ বিশ্বকাপ। সেই আসরে পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন তিনি। উরুগুয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় তাঁর করা ভলিতে গোলটি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে আছে। পরে ওই পারফরম্যান্সের পর তিনি যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে।

কলম্বিয়ার হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন রদ্রিগেজ—২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৬। ২০২৬ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটিই হয়ে থাকে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর শেষ ম্যাচ। পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায় নেয় কলম্বিয়া।

জাতীয় দলের হয়ে ১০ নম্বর জার্সি পরার পাশাপাশি অধিনায়কত্বও করেছেন রদ্রিগেজ। তাঁর নেতৃত্বে ২০২৪ কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠে কলম্বিয়া। তবে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে শিরোপা জিততে পারেনি দলটি।

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও এখনই ফুটবল ছাড়ছেন না রদ্রিগেজ। সম্প্রতি কলম্বিয়ার ক্লাব আতলেতিকো নাসিওনালের সঙ্গে চুক্তি করেছেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।

কালের আলো/এসএ

‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

ব্ল্যাকপিংকের সদস্য লিসার এক দশকের বেশি পুরোনো একটি ভিডিও নিয়ে গত বছর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ভিডিওতে কৃষ্ণাঙ্গদের উদ্দেশে ব্যবহৃত একটি বর্ণবাদী শব্দ শোনা যায়। এবার সেই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন লিসা। তিনি জানিয়েছেন, তখন ওই শব্দের অর্থ ও এর বর্ণবাদী ইতিহাস সম্পর্কে তিনি জানতেন না।

লিসার নতুন তথ্যচিত্র ‘অলওয়েজ লালিসা’য় ঘটনাটি উঠে এসেছে। টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তথ্যচিত্রটির প্রিমিয়ারের পর মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন তিনি। লিসা বলেন, থাইল্যান্ডে বেড়ে ওঠার কারণে ওই বিষয়ে তাঁর কোনো শিক্ষা ছিল না। তাই তখন শব্দটির অর্থ তিনি জানতেন না।

ভিডিওগুলো ধারণ করা হয়েছিল এক দশকেরও বেশি আগে, যখন লিসা ও ব্ল্যাকপিংকের অন্য সদস্যরা কিশোরী ছিলেন। তাঁরা অন্য শিল্পীদের গান অনুশীলন করছিলেন, যেসব গানের কথায় ওই বর্ণবাদী শব্দটি ছিল। ২০২৫ সালে লিসার প্রথম একক কোচেলা পরিবেশনের প্রস্তুতির সময় ভিডিওগুলো প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

লিসা বলেন, এখন তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছেন এবং এ নিয়ে শিক্ষা নিয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলেও জানান তিনি। বিতর্কের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলতে নিষেধ করেছিল বলেও তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১ সেপ্টেম্বর টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘অলওয়েজ লালিসা’র প্রিমিয়ার হয়। তথ্যচিত্রটিতে ব্ল্যাকপিংক থেকে দূরে থাকার সময় লিসার একক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহ ও আইম্যাক্সে তথ্যচিত্রটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। পরে চলতি বছর ইউটিউব প্রিমিয়ামেও এটি দেখা যাবে।

লিসা, জেনি, জিসু ও রোজে বর্তমানে নিজেদের একক কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তবে ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন লিসা। তিনি বলেছেন, তাঁর বয়স ৫০ হলেও তিনি ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে কাজ করতে চান।

কালের আলো/এসএ

যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

সম্পর্কে দুজন মানুষ একে অপরের জন্য কতটা মানানসই, তা বোঝার ক্ষেত্রে ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ বা আবেগগত সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ। দুজন মানুষই ভালো হলেও তাঁদের আবেগ, প্রয়োজন ও যোগাযোগের ধরন একে অপরের সঙ্গে মানানসই নাও হতে পারে। তাই সম্পর্কের আবেগগত নিরাপত্তা বোঝার জন্য কয়েকটি লক্ষণ খেয়াল করা যেতে পারে।

কঠিন বিষয়েও সহজে কথা বলা: অর্থ, পরিবার, ঈর্ষা, ব্যক্তিগত সীমারেখা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বস্তিকর কথাও যদি সঙ্গীর সঙ্গে স্বচ্ছন্দে বলা যায় এবং তিনি তা বোঝার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি আবেগগত সামঞ্জস্যের একটি লক্ষণ।

অনুভূতির পরিবর্তন খেয়াল রাখা: সঙ্গী মনের কথা পড়ে ফেলবেন—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। তবে আচরণে পরিবর্তন, কখন আশ্বাস প্রয়োজন কিংবা কখন কিছুটা একা থাকতে চান—এসব সঙ্গী খেয়াল করেন কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ।

মতভেদ হলেও সম্পর্ক নিরাপদ থাকা: সম্পর্কে মতবিরোধ থাকতেই পারে। দুজনের রাগ প্রকাশের ধরনও আলাদা হতে পারে। তবে ঝগড়ার সময় অপমান, হুমকি বা ইচ্ছাকৃত আঘাতের পরিবর্তে পরে আলোচনায় ফিরে এসে সমাধানের চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্বলতা প্রকাশে স্বস্তি থাকা: ভয়, অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা কিংবা খারাপ সময়ের কথা সঙ্গীর কাছে বলতে পারা এবং এ নিয়ে বিচার বা অপমানের ভয় না থাকা আবেগগত নিরাপত্তার বড় লক্ষণ।

আবেগগত প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া: কারও ভালোবাসা প্রকাশের ধরন কথায়, কারও কাজে। কেউ বেশি যোগাযোগ চান, আবার কেউ ব্যক্তিগত পরিসর পছন্দ করেন। প্রয়োজন আলাদা হলেও দুজন যদি একে অপরের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে মাঝামাঝি জায়গায় আসার চেষ্টা করেন এবং প্রয়োজনের সময়ে মানসিক সমর্থন দেন, তাহলে সম্পর্কের আবেগগত সামঞ্জস্যের ভিত্তি তৈরি হয়।

সব মিলিয়ে, একটি সম্পর্কের বড় স্বস্তি হলো—সঙ্গীর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিজেকে বদলে ফেলতে না হয়ে নিজের মতো করেই নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ বোধ করা।

কালের আলো/এসএ