খুঁজুন
                               
, ,
           

জয়-রেকর্ড-চমক, ৭৮তম এমির আসরে আলোচনায় যত কিছু

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ
জয়-রেকর্ড-চমক, ৭৮তম এমির আসরে আলোচনায় যত কিছু

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের পিকক থিয়েটারে বসেছিল ৭৮তম প্রাইমটাইম এমি অ্যাওয়ার্ডসের আসর। বাংলাদেশ সময় গতকাল ভোরে অনুষ্ঠিত এবারের আয়োজনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল অ্যাপল টিভির হরর-কমেডি সিরিজ ‘উইডোজ বে’। এক আসরে মোট ১৪টি পুরস্কার জিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে সিরিজটি।

এর মধ্যে মূল এমি আয়োজনে ‘উইডোজ বে’ পেয়েছে ছয়টি পুরস্কার। এর আগে ক্রিয়েটিভ আর্টস এমিতে সিরিজটি জিতেছিল আরও আটটি। এর আগে এক আসরে সর্বোচ্চ পুরস্কার জয়ের রেকর্ড ছিল ‘দ্য স্টুডিও’র দখলে।

নিউ ইংল্যান্ডের একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপকে ঘিরে রহস্য, ভয় ও অদ্ভুত হাস্যরসের গল্প নিয়ে তৈরি ‘উইডোজ বে’। সিরিজটির অভিনয়শিল্পীদের মধ্যেও এসেছে বড় সাফল্য। ম্যাথু রাইস, কেট ও’ফ্লিন ও স্টিফেন রুট অভিনয়ের পুরস্কার পেয়েছেন।

রাইসের জন্য এবারের রাতটি ছিল বিশেষভাবে স্মরণীয়। ‘দ্য আমেরিকানস’–এর জন্য ২০১৮ সালে সেরা ড্রামা অভিনেতার এমি জেতার পর এবার কমেডি বিভাগে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। একই রাতে ‘দ্য বিস্ট ইন মি’–এর জন্য লিমিটেড বা অ্যানথোলজি সিরিজ বিভাগেও সেরা অভিনেতার পুরস্কার জেতেন রাইস। একই আসরে দুটি আলাদা সিরিজের জন্য প্রধান অভিনেতার দুটি এমি জিতে ইতিহাস গড়েছেন তিনি।

আবারও সেরা ‘দ্য পিট’

সেরা ড্রামা সিরিজের পুরস্কার টানা দ্বিতীয়বার জিতেছে এইচবিওর হাসপাতালকেন্দ্রিক সিরিজ ‘দ্য পিট’। পিটসবার্গের একটি ট্রমা সেন্টারের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ও কর্মীদের পেশাগত চাপ, সংকট এবং ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে তৈরি সিরিজটি এবারের এমিতে সর্বোচ্চ ২৫টি মনোনয়ন পেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত জিতেছে ছয়টি পুরস্কার।

সিরিজটির তারকা নোয়াহ ওয়াইল টানা দ্বিতীয়বার সেরা ড্রামা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন। একই সঙ্গে নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে সেরা ড্রামা সিরিজের পুরস্কারেরও অংশীদার হয়েছেন তিনি।

জিন স্মার্টের অষ্টম অভিনয় এমি

‘উইডোজ বে’র সাফল্যের আড়ালে থাকলেও ‘হ্যাকস’ও পেয়েছে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। সিরিজটির জন্য পঞ্চমবারের মতো সেরা কমেডি অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন জিন স্মার্ট। এই জয়ের ফলে অভিনয়ের জন্য তাঁর পাওয়া এমির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটে।

অভিনয়ের জন্য সর্বাধিক এমি জয়ের তালিকায় জুলিয়া লুই-ড্রাইফাস ও ক্লোরিস লিচম্যানের সঙ্গে একই সারিতে উঠে এসেছেন স্মার্ট। পরে ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’–এর জন্য সেরা ড্রামা পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে একই সংখ্যক অভিনয় এমি নিয়ে সেই তালিকায় যোগ দেন অ্যালিসন জ্যানিও।

লিমিটেড সিরিজে ‘ডিটিএফ সেন্ট লুইস’

লিমিটেড বা অ্যানথোলজি সিরিজ বিভাগে সাফল্য পেয়েছে এইচবিও ম্যাক্সের ‘ডিটিএফ সেন্ট লুইস’। মাঝবয়সী তিন মানুষের জটিল সম্পর্ক ও তার পরিণতি নিয়ে তৈরি সিরিজটি মোট সাতটি পুরস্কার জিতেছে।

লিমিটেড বা অ্যানথোলজি সিরিজ বা টেলিভিশন চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন স্যালি ফিল্ড। ‘রিমার্কেবলি ব্রাইট ক্রিচারস’–এর জন্য এই পুরস্কার পান তিনি।

এমিতে জেনডায়া-টম হল্যান্ড, আবারও বিয়ের গুঞ্জন

এবারের এমির লালগালিচায় একসঙ্গে দেখা গেছে জেনডায়া ও টম হল্যান্ডকে। তাঁদের উপস্থিতির পাশাপাশি আবারও আলোচনায় এসেছে তাঁদের বিয়ের প্রসঙ্গ।

এর আগে জেনডায়ার স্টাইলিস্ট ল রোচ দাবি করেছিলেন, দুজন গোপনে বিয়ে করেছেন। এবার সেই বক্তব্য থেকে সরে এসে রোচ জানান, তিনি ওই সময় মিথ্যা বলেছিলেন এবং জেনডায়া ও হল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেননি।

প্রয়াত তারকাদের স্মরণ

এবারের এমিতে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়েছে প্রয়াত কান্ট্রি সংগীত তারকা ডলি পার্টনকে। তাঁকে স্মরণ করে বক্তব্য দেন স্যালি ফিল্ড। দুজন একসঙ্গে ‘স্টিল ম্যাগনোলিয়াজ’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। ডলির স্মরণে গান পরিবেশন করেন কান্ট্রি সংগীতশিল্পী রেবা ম্যাকএন্টায়ার।

এ ছাড়া প্রয়াত অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারাকে স্মরণ করেন ম্যাকলি কালকিন, ড্যান লেভি ও অ্যানি মারফি। প্রয়াত নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জেমি লি কার্টিস।

এবারের এমি অ্যাওয়ার্ডস সঞ্চালনা করেন অভিনেত্রী মারিশকা হার্গিটে।

কালের আলো/এসএ

কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ
কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

কলম্বিয়া জাতীয় দলের সঙ্গে ১৫ বছরের পথচলার ইতি টেনেছেন তারকা মিডফিল্ডার হামেস রদ্রিগেজ। ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।

২০১১ সালে বলিভিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই গোল করে জাতীয় দলে যাত্রা শুরু করেছিলেন রদ্রিগেজ। এরপর কলম্বিয়ার হয়ে ১৩১ ম্যাচে ৩১ গোল ও ৪৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার পাশাপাশি গোলসংখ্যায়ও তাঁর অবস্থান দ্বিতীয়। কলম্বিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ গোল করেছেন রাদামেল ফালকাও।

রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় ২০১৪ বিশ্বকাপ। সেই আসরে পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন তিনি। উরুগুয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় তাঁর করা ভলিতে গোলটি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে আছে। পরে ওই পারফরম্যান্সের পর তিনি যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে।

কলম্বিয়ার হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন রদ্রিগেজ—২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৬। ২০২৬ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটিই হয়ে থাকে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর শেষ ম্যাচ। পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায় নেয় কলম্বিয়া।

জাতীয় দলের হয়ে ১০ নম্বর জার্সি পরার পাশাপাশি অধিনায়কত্বও করেছেন রদ্রিগেজ। তাঁর নেতৃত্বে ২০২৪ কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠে কলম্বিয়া। তবে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে শিরোপা জিততে পারেনি দলটি।

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও এখনই ফুটবল ছাড়ছেন না রদ্রিগেজ। সম্প্রতি কলম্বিয়ার ক্লাব আতলেতিকো নাসিওনালের সঙ্গে চুক্তি করেছেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।

কালের আলো/এসএ

‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

ব্ল্যাকপিংকের সদস্য লিসার এক দশকের বেশি পুরোনো একটি ভিডিও নিয়ে গত বছর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ভিডিওতে কৃষ্ণাঙ্গদের উদ্দেশে ব্যবহৃত একটি বর্ণবাদী শব্দ শোনা যায়। এবার সেই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন লিসা। তিনি জানিয়েছেন, তখন ওই শব্দের অর্থ ও এর বর্ণবাদী ইতিহাস সম্পর্কে তিনি জানতেন না।

লিসার নতুন তথ্যচিত্র ‘অলওয়েজ লালিসা’য় ঘটনাটি উঠে এসেছে। টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তথ্যচিত্রটির প্রিমিয়ারের পর মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন তিনি। লিসা বলেন, থাইল্যান্ডে বেড়ে ওঠার কারণে ওই বিষয়ে তাঁর কোনো শিক্ষা ছিল না। তাই তখন শব্দটির অর্থ তিনি জানতেন না।

ভিডিওগুলো ধারণ করা হয়েছিল এক দশকেরও বেশি আগে, যখন লিসা ও ব্ল্যাকপিংকের অন্য সদস্যরা কিশোরী ছিলেন। তাঁরা অন্য শিল্পীদের গান অনুশীলন করছিলেন, যেসব গানের কথায় ওই বর্ণবাদী শব্দটি ছিল। ২০২৫ সালে লিসার প্রথম একক কোচেলা পরিবেশনের প্রস্তুতির সময় ভিডিওগুলো প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

লিসা বলেন, এখন তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছেন এবং এ নিয়ে শিক্ষা নিয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলেও জানান তিনি। বিতর্কের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলতে নিষেধ করেছিল বলেও তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১ সেপ্টেম্বর টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘অলওয়েজ লালিসা’র প্রিমিয়ার হয়। তথ্যচিত্রটিতে ব্ল্যাকপিংক থেকে দূরে থাকার সময় লিসার একক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহ ও আইম্যাক্সে তথ্যচিত্রটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। পরে চলতি বছর ইউটিউব প্রিমিয়ামেও এটি দেখা যাবে।

লিসা, জেনি, জিসু ও রোজে বর্তমানে নিজেদের একক কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তবে ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন লিসা। তিনি বলেছেন, তাঁর বয়স ৫০ হলেও তিনি ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে কাজ করতে চান।

কালের আলো/এসএ

যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

সম্পর্কে দুজন মানুষ একে অপরের জন্য কতটা মানানসই, তা বোঝার ক্ষেত্রে ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ বা আবেগগত সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ। দুজন মানুষই ভালো হলেও তাঁদের আবেগ, প্রয়োজন ও যোগাযোগের ধরন একে অপরের সঙ্গে মানানসই নাও হতে পারে। তাই সম্পর্কের আবেগগত নিরাপত্তা বোঝার জন্য কয়েকটি লক্ষণ খেয়াল করা যেতে পারে।

কঠিন বিষয়েও সহজে কথা বলা: অর্থ, পরিবার, ঈর্ষা, ব্যক্তিগত সীমারেখা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বস্তিকর কথাও যদি সঙ্গীর সঙ্গে স্বচ্ছন্দে বলা যায় এবং তিনি তা বোঝার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি আবেগগত সামঞ্জস্যের একটি লক্ষণ।

অনুভূতির পরিবর্তন খেয়াল রাখা: সঙ্গী মনের কথা পড়ে ফেলবেন—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। তবে আচরণে পরিবর্তন, কখন আশ্বাস প্রয়োজন কিংবা কখন কিছুটা একা থাকতে চান—এসব সঙ্গী খেয়াল করেন কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ।

মতভেদ হলেও সম্পর্ক নিরাপদ থাকা: সম্পর্কে মতবিরোধ থাকতেই পারে। দুজনের রাগ প্রকাশের ধরনও আলাদা হতে পারে। তবে ঝগড়ার সময় অপমান, হুমকি বা ইচ্ছাকৃত আঘাতের পরিবর্তে পরে আলোচনায় ফিরে এসে সমাধানের চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্বলতা প্রকাশে স্বস্তি থাকা: ভয়, অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা কিংবা খারাপ সময়ের কথা সঙ্গীর কাছে বলতে পারা এবং এ নিয়ে বিচার বা অপমানের ভয় না থাকা আবেগগত নিরাপত্তার বড় লক্ষণ।

আবেগগত প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া: কারও ভালোবাসা প্রকাশের ধরন কথায়, কারও কাজে। কেউ বেশি যোগাযোগ চান, আবার কেউ ব্যক্তিগত পরিসর পছন্দ করেন। প্রয়োজন আলাদা হলেও দুজন যদি একে অপরের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে মাঝামাঝি জায়গায় আসার চেষ্টা করেন এবং প্রয়োজনের সময়ে মানসিক সমর্থন দেন, তাহলে সম্পর্কের আবেগগত সামঞ্জস্যের ভিত্তি তৈরি হয়।

সব মিলিয়ে, একটি সম্পর্কের বড় স্বস্তি হলো—সঙ্গীর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিজেকে বদলে ফেলতে না হয়ে নিজের মতো করেই নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ বোধ করা।

কালের আলো/এসএ