খুঁজুন
                               
, ,
           

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকের করণীয় কী

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকের করণীয় কী

২০০০ সালের পর থেকে বাংলাদেশে ডেঙ্গু জনস্বাস্থ্যের বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লে সরকারি উদ্যোগ জোরদার হলেও প্রকোপ কমে গেলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ বাস্তবায়নে ঘাটতি থেকে যায়। ফলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের নিয়মিত সচেতনতা ও অংশগ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

২০১৭ সালে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) একজন রোগতত্ত্ববিদ বাংলাদেশে এসে একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা দিয়েছিলেন। সেখানে ডেঙ্গুর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মূল্যায়ন, বিভিন্ন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে দ্রুত সাড়াদানকারী দল গঠন এবং একাধিক মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজে যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছিল।

২০১৯ সালে ডেঙ্গুর বড় প্রাদুর্ভাবের সময় WHO-এর জ্যেষ্ঠ কীটতত্ত্ববিদ বি এন নাগপালও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, শুধু সিটি করপোরেশনের কর্মীদের মাধ্যমে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। কারণ এডিস মশা মানুষের বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন ছোট পানির পাত্রে বংশবিস্তার করে এবং ঘরের অন্ধকার ও আর্দ্র জায়গায় অবস্থান করতে পারে।

নাগরিকের করণীয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, পরিত্যক্ত পাত্র, ছাদসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। শুধু নর্দমা পরিষ্কার করলেই হবে না; ছোট ছোট পানির আধারও নজরদারির আওতায় আনতে হবে।

এ ছাড়া ঘরের অন্ধকার ও আর্দ্র জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখা এবং মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার।

ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করাতে হবে। ডেঙ্গু শনাক্ত হলে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পথ্য গ্রহণ করতে হবে।

বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, প্রবীণ এবং উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা ক্যানসারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বর হলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের পাশাপাশি নাগরিকদের নিয়মিত অংশগ্রহণ জরুরি। সরকারি উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত সচেতনতা একসঙ্গে চললে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

কালের আলো/এসএ

চ্যাটজিপিটিতে নতুন সুবিধা, এবার অনুসরণ করবে আপনার লেখার ধরন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
চ্যাটজিপিটিতে নতুন সুবিধা, এবার অনুসরণ করবে আপনার লেখার ধরন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে লেখা তৈরি এখন অনেকের দৈনন্দিন কাজের অংশ। তবে এআইয়ের তৈরি লেখায় অনেক সময় নির্দিষ্ট শব্দ, বাক্যগঠন ও একঘেয়ে ভঙ্গি থাকায় সহজেই বোঝা যায় যে লেখাটি মানুষের তৈরি নয়। এ ধরনের লেখাকে অনেকে ‘এআই স্লপ’ বলে থাকেন। এবার ব্যবহারকারীর নিজস্ব লেখার ধরন অনুসরণ করে আরও স্বাভাবিকভাবে লেখা তৈরির সুযোগ দিতে চ্যাটজিপিটিতে ‘রাইটিং স্টাইল’ সুবিধা যুক্ত করেছে ওপেনএআই।

ওপেনএআই জানিয়েছে, নতুন এই সুবিধার মাধ্যমে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীর আগের লেখা বিশ্লেষণ করে তাঁর লেখার ধরন অনুযায়ী নতুন লেখা তৈরি করতে পারবে। ব্যবহারকারীর পছন্দের শব্দ ও বাক্যাংশ, বাক্য সাজানোর ধরন, লেখার স্বর, যতিচিহ্নের ব্যবহারসহ বিভিন্ন ছোটখাটো অভ্যাসও এতে বিবেচনায় নেওয়া হবে। এমনকি লেখার শেষে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট সাইন বা বড় হাতের অক্ষর ব্যবহারের ধরনও অনুসরণ করতে পারবে চ্যাটজিপিটি।

প্রাথমিকভাবে চ্যাটজিপিটি ওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের জন্য সুবিধাটি চালু করা হয়েছে। ওয়েবে চ্যাটজিপিটি ওয়ার্ক ব্যবহারের সুযোগ থাকা সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের ব্যবহারকারীরা সেটিংসের ‘পারসোনালাইজেশন’ অপশন থেকে এটি চালু করতে পারবেন। তবে সুবিধাটি ব্যবহারের জন্য চ্যাটজিপিটি ওয়ার্ককে ব্যবহারকারীর জিমেইল, গুগল ড্রাইভ, স্ল্যাক ও শেয়ারপয়েন্টের মতো সেবায় প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।

ওপেনএআইয়ের তথ্যমতে, ব্যবহারকারীর লেখার ধরন বিশ্লেষণ করে পরবর্তী সময়ে তৈরি করা ই-মেইল, নথি বা অন্যান্য লেখায় সেই বৈশিষ্ট্যগুলো অনুসরণ করবে চ্যাটজিপিটি। ফলে এআই দিয়ে তৈরি লেখা ব্যবহারকারীর নিজস্ব লেখার মতো আরও স্বাভাবিক মনে হতে পারে।

ব্যবহারকারীর লেখার ধরন অনুসরণ করে লেখা তৈরির সুবিধা অবশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে অ্যানথ্রপিক তাদের এআই চ্যাটবট ক্লডে ‘স্টাইলস’ সুবিধা চালু করেছে। এতে ব্যবহারকারীরা নিজেদের লেখা আপলোড বা পেস্ট করে নির্দিষ্ট যোগাযোগের ধরন অনুযায়ী কাস্টম স্টাইল তৈরি করতে পারেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

কালের আলো/এসএ

এশিয়ান গেমস উপলক্ষে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
এশিয়ান গেমস উপলক্ষে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চার দিনের সরকারি সফরে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাপান গমন করেছেন।

সফরকালে তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।

এছাড়া, তিনি এশিয়ান গেমসের বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সচিবদের সরাসরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সচিবদের সরাসরি নির্দেশনা

বিদ্যুতের চলমান সংকট মোকাবিলা এবং সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সচিবদের মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ জেলার প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাস্তবায়নের সমস্যা চিহ্নিত এবং জনগণের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারি অফিসগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের বিষয়েও সচিবদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিব সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হওয়া সভা চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানায়, সভায় ৬১ জন সচিব উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, সচিবদের বৈঠকটি মূলত প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে তাগিদ দেওয়ার জন্য আয়োজন করা হয়েছে। কাজের দক্ষতা কীভাবে বাড়ানো যায় এবং কোন কাজ কীভাবে সম্পন্ন করতে হবে, তা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।

বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প নিয়ে সাধারণত দপ্তরগুলোতে কাঠামোবদ্ধভাবে আলোচনা হয়। তবে এবারের সভায় বিদ্যুতের চলমান সমস্যা এবং তাৎক্ষণিকভাবে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের সমস্যা জানতে মাঠে সচিবরা

অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়নে সচিবদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ জেলার দায়িত্বের আওতাধীন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি মাঠপর্যায়ে গিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে কোথায় সমস্যা হচ্ছে, তা জনগণের সঙ্গে কথা বলে চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়েও কাজ করতে বলা হয়েছে। এসব কার্যক্রমের অগ্রগতি পরবর্তী সময়ে জানাতে বলা হয়েছে, যাতে সম্মিলিতভাবে কাজের মান আরও উন্নত করা যায়।

সরকারি অফিসে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ

বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারি অফিসগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের বিষয়েও সচিবদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬–২০৩০) নিয়েও সভায় আলোচনা হয়।

সরকারের চলমান কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর করার বিষয়টি সভায় গুরুত্ব পায়। জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এমন বিভিন্ন প্রস্তাবও পর্যালোচনা করা হয়।

দায়িত্ব নেওয়ার ২১০ দিন পর প্রথম সচিব সভা

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় সাত মাস পর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো সচিব সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা হিসেবে বিবেচিত হয়।

এ ধরনের সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

কালের আলো/এমএসআইপি