খুঁজুন
                               
, ,
           

১৫ বছরের কম বয়সীদের অনলাইন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনছে ইইউ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
১৫ বছরের কম বয়সীদের অনলাইন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনছে ইইউ

অনলাইন জগতের নানা ঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষা দিতে ১৫ বছরের কম বয়সীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আনার উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

প্রস্তাবিত নীতিমালার আওতায় ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, এআই চ্যাটবট ও অনলাইন গেমিংয়ে প্রবেশাধিকার সীমিত বা নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইউরোপীয় কমিশনের একটি খসড়া নথির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, ইউটিউব ও চ্যাটজিপিটির মতো জনপ্রিয় ডিজিটাল সেবার শিশুদের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, অনলাইন আসক্তি এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে সুরক্ষা দিতে নীতিনির্ধারকেরা বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা ভাবছেন।

বয়সভেদে থাকবে আলাদা বিধিনিষেধ

ইইউর প্রস্তাবিত ‘কিডস অ্যাক্ট’-এর আওতায় শিশুদের বয়স অনুযায়ী অনলাইন ব্যবহারে আলাদা নিয়ম চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

খসড়া নথি অনুযায়ী—

  • ৩ বছরের কম বয়সীদের অনলাইন অ্যাক্সেস সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত নিরাপদ ও শিশুবান্ধব ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
  • ১৩ ও ১৪ বছর বয়সীরা বাবা-মায়ের অনুমতি নিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও সীমিত যোগাযোগের সুবিধাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে।
  • ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সীরা নিজস্ব স্বাধীন অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

প্রযুক্তি কোম্পানির ওপরও বাড়বে দায়িত্ব

প্রস্তাবটি কার্যকর হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকেও বেশ কিছু নতুন নিয়ম মানতে হবে। এর মধ্যে বাধ্যতামূলক বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু, ক্ষতিকর কনটেন্ট সহজে রিপোর্ট করার সুযোগ এবং আসক্তিমূলক ডিজাইন কমানোর মতো পদক্ষেপ রয়েছে।

নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা কিংবা অনলাইন গেম ডাউনলোডের ক্ষেত্রেও বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আসতে পারে।

এ ছাড়া প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে বড় অঙ্কের তদারকি ফি দিতে হতে পারে। এই অর্থ ডিজিটাল সেবার ওপর আইনি ও নিয়ন্ত্রক পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে।

কবে কার্যকর হবে?

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ইইউর প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান হেনো ভির্কুনেন আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করবেন বলে খসড়া নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ইইউভুক্ত দেশগুলো ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। অনুমোদনের পরই প্রস্তাবটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হবে।

ইউরোপীয় কমিশনের মতে, ডিজিটাল প্রযুক্তি শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করলেও অনলাইনে শোষণ, অপব্যবহার ও ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই নতুন উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ
কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৫ বছরের অধ্যায়ের ইতি, জাতীয় দলকে বিদায় রদ্রিগেজের

কলম্বিয়া জাতীয় দলের সঙ্গে ১৫ বছরের পথচলার ইতি টেনেছেন তারকা মিডফিল্ডার হামেস রদ্রিগেজ। ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।

২০১১ সালে বলিভিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই গোল করে জাতীয় দলে যাত্রা শুরু করেছিলেন রদ্রিগেজ। এরপর কলম্বিয়ার হয়ে ১৩১ ম্যাচে ৩১ গোল ও ৪৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার পাশাপাশি গোলসংখ্যায়ও তাঁর অবস্থান দ্বিতীয়। কলম্বিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ গোল করেছেন রাদামেল ফালকাও।

রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় ২০১৪ বিশ্বকাপ। সেই আসরে পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন তিনি। উরুগুয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় তাঁর করা ভলিতে গোলটি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে আছে। পরে ওই পারফরম্যান্সের পর তিনি যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে।

কলম্বিয়ার হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন রদ্রিগেজ—২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৬। ২০২৬ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটিই হয়ে থাকে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর শেষ ম্যাচ। পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায় নেয় কলম্বিয়া।

জাতীয় দলের হয়ে ১০ নম্বর জার্সি পরার পাশাপাশি অধিনায়কত্বও করেছেন রদ্রিগেজ। তাঁর নেতৃত্বে ২০২৪ কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠে কলম্বিয়া। তবে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে শিরোপা জিততে পারেনি দলটি।

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও এখনই ফুটবল ছাড়ছেন না রদ্রিগেজ। সম্প্রতি কলম্বিয়ার ক্লাব আতলেতিকো নাসিওনালের সঙ্গে চুক্তি করেছেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।

কালের আলো/এসএ

‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
‘তখন জানতাম না’, পুরোনো ভিডিওর বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ লিসার

ব্ল্যাকপিংকের সদস্য লিসার এক দশকের বেশি পুরোনো একটি ভিডিও নিয়ে গত বছর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ভিডিওতে কৃষ্ণাঙ্গদের উদ্দেশে ব্যবহৃত একটি বর্ণবাদী শব্দ শোনা যায়। এবার সেই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন লিসা। তিনি জানিয়েছেন, তখন ওই শব্দের অর্থ ও এর বর্ণবাদী ইতিহাস সম্পর্কে তিনি জানতেন না।

লিসার নতুন তথ্যচিত্র ‘অলওয়েজ লালিসা’য় ঘটনাটি উঠে এসেছে। টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তথ্যচিত্রটির প্রিমিয়ারের পর মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন তিনি। লিসা বলেন, থাইল্যান্ডে বেড়ে ওঠার কারণে ওই বিষয়ে তাঁর কোনো শিক্ষা ছিল না। তাই তখন শব্দটির অর্থ তিনি জানতেন না।

ভিডিওগুলো ধারণ করা হয়েছিল এক দশকেরও বেশি আগে, যখন লিসা ও ব্ল্যাকপিংকের অন্য সদস্যরা কিশোরী ছিলেন। তাঁরা অন্য শিল্পীদের গান অনুশীলন করছিলেন, যেসব গানের কথায় ওই বর্ণবাদী শব্দটি ছিল। ২০২৫ সালে লিসার প্রথম একক কোচেলা পরিবেশনের প্রস্তুতির সময় ভিডিওগুলো প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

লিসা বলেন, এখন তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছেন এবং এ নিয়ে শিক্ষা নিয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলেও জানান তিনি। বিতর্কের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলতে নিষেধ করেছিল বলেও তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১ সেপ্টেম্বর টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘অলওয়েজ লালিসা’র প্রিমিয়ার হয়। তথ্যচিত্রটিতে ব্ল্যাকপিংক থেকে দূরে থাকার সময় লিসার একক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহ ও আইম্যাক্সে তথ্যচিত্রটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। পরে চলতি বছর ইউটিউব প্রিমিয়ামেও এটি দেখা যাবে।

লিসা, জেনি, জিসু ও রোজে বর্তমানে নিজেদের একক কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তবে ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন লিসা। তিনি বলেছেন, তাঁর বয়স ৫০ হলেও তিনি ব্ল্যাকপিংকের সঙ্গে কাজ করতে চান।

কালের আলো/এসএ

যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
যে ৫ লক্ষণ বলে দেবে, সঙ্গীর সঙ্গে আপনার ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ আছে কি না

সম্পর্কে দুজন মানুষ একে অপরের জন্য কতটা মানানসই, তা বোঝার ক্ষেত্রে ‘ইমোশনাল কম্প্যাটিবিলিটি’ বা আবেগগত সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ। দুজন মানুষই ভালো হলেও তাঁদের আবেগ, প্রয়োজন ও যোগাযোগের ধরন একে অপরের সঙ্গে মানানসই নাও হতে পারে। তাই সম্পর্কের আবেগগত নিরাপত্তা বোঝার জন্য কয়েকটি লক্ষণ খেয়াল করা যেতে পারে।

কঠিন বিষয়েও সহজে কথা বলা: অর্থ, পরিবার, ঈর্ষা, ব্যক্তিগত সীমারেখা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বস্তিকর কথাও যদি সঙ্গীর সঙ্গে স্বচ্ছন্দে বলা যায় এবং তিনি তা বোঝার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি আবেগগত সামঞ্জস্যের একটি লক্ষণ।

অনুভূতির পরিবর্তন খেয়াল রাখা: সঙ্গী মনের কথা পড়ে ফেলবেন—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। তবে আচরণে পরিবর্তন, কখন আশ্বাস প্রয়োজন কিংবা কখন কিছুটা একা থাকতে চান—এসব সঙ্গী খেয়াল করেন কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ।

মতভেদ হলেও সম্পর্ক নিরাপদ থাকা: সম্পর্কে মতবিরোধ থাকতেই পারে। দুজনের রাগ প্রকাশের ধরনও আলাদা হতে পারে। তবে ঝগড়ার সময় অপমান, হুমকি বা ইচ্ছাকৃত আঘাতের পরিবর্তে পরে আলোচনায় ফিরে এসে সমাধানের চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্বলতা প্রকাশে স্বস্তি থাকা: ভয়, অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা কিংবা খারাপ সময়ের কথা সঙ্গীর কাছে বলতে পারা এবং এ নিয়ে বিচার বা অপমানের ভয় না থাকা আবেগগত নিরাপত্তার বড় লক্ষণ।

আবেগগত প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া: কারও ভালোবাসা প্রকাশের ধরন কথায়, কারও কাজে। কেউ বেশি যোগাযোগ চান, আবার কেউ ব্যক্তিগত পরিসর পছন্দ করেন। প্রয়োজন আলাদা হলেও দুজন যদি একে অপরের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে মাঝামাঝি জায়গায় আসার চেষ্টা করেন এবং প্রয়োজনের সময়ে মানসিক সমর্থন দেন, তাহলে সম্পর্কের আবেগগত সামঞ্জস্যের ভিত্তি তৈরি হয়।

সব মিলিয়ে, একটি সম্পর্কের বড় স্বস্তি হলো—সঙ্গীর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিজেকে বদলে ফেলতে না হয়ে নিজের মতো করেই নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ বোধ করা।

কালের আলো/এসএ