খুঁজুন
                               
, ,
           

২৫ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ, তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ
২৫ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ, তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস

ঢাকাসহ দেশের ২৫ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে কিছু কিছু এলাকায় এই তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ ঢাকা, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, নীলফামারী, চাঁদপুর, ফেনী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকার কিছু জায়গায় তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনীতে, ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সরকারকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
সরকারকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের

লাখ লাখ কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণের বোঝা নিয়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, এই ঋণের দায় শুধু বর্তমান প্রজন্ম নয়, ভবিষ্যতে জন্ম নেওয়া শিশুকেও বহন করতে হবে। তাই সবকিছুর সমালোচনা না করে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের গত এক মাসের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই সবকিছুর সমালোচনা না করে আগের সরকার দেশের ওপর কী পরিমাণ বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে গেছে, তা বিবেচনা করা উচিত। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করছেন। তবে এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে রুমন বলেন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় মানুষ সমস্যায় পড়েছিল এবং এর প্রভাব বিদ্যুৎ সরবরাহেও পড়ে। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। শুধু ঘোষণা দেওয়ার পরিবর্তে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। কোন এলাকায় কতটুকু গ্যাসের চাপ যাচ্ছে এবং মানুষ কী পরিমাণ গ্যাস পাচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও করেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব। তিনি একটি পুরোনো মন্দির সংস্কারের জন্য ভেঙে ফেলার ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। তার দাবি, মন্দিরটি দীর্ঘদিনের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংস্কারের জন্য ভাঙা হচ্ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

রুমন বলেন, কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য জোড়াতালি দিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সবাইকে তিনি দোষারোপ করছেন না। কারণ, তিনি নিজেও ১৯৯৩ সাল থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশ্বাসের কথা উল্লেখ করে রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দুই দিন আগ পর্যন্ত তারেক রহমান একটি জাতীয় দৈনিকের মালিক ও প্রকাশক ছিলেন। বিগত সরকার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে পত্রিকাটি বন্ধ করে দিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

এ ছাড়া তারেক রহমানের গবেষণামূলক কাজের প্রসঙ্গ তুলে রুমন বলেন, প্রায় ১৭-১৮ বছর আগে বনানীর একটি কার্যালয়ে বাংলাদেশের কৃষি, ফসল, মাছ চাষ, পরিত্যক্ত পুকুরসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণামূলক কাজ করা হতো। ওই সময়ের ফাইলগুলো এখনো সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে রুমন সবাইকে দেশের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সবাই সহযোগিতা করলে সুন্দর, সুসজ্জিত ও সফল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কালের আলো/এমএসআইপি/এসকে 

নিয়মিত বই পড়লে বাড়ে মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য, কমে মানসিক চাপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
নিয়মিত বই পড়লে বাড়ে মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য, কমে মানসিক চাপ

মনের প্রশান্তি ও মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। বই পড়লে স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমতেও সহায়তা করে। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির গবেষক বারবারা সাহাকিয়ান ও তাঁর দল পাঁচটি জরিপ এবং আটটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পেয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত বই পড়ার ফলে মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটার বা ধূসর পদার্থের পরিমাণ বাড়তে পারে। এতে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হয় এবং কগনিটিভ রিজার্ভ বা বুদ্ধিবৃত্তিক সঞ্চয় গড়ে উঠতে সহায়তা করে। বিশেষ করে শৈশব থেকেই আনন্দের জন্য বই পড়ার অভ্যাস থাকলে আবেগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত মস্তিষ্কের অংশগুলোর বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, বই পড়ার অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে এবং একাকিত্বের অনুভূতি দূর করতে সহায়তা করতে পারে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে নিয়মিত বই পড়া ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে। কল্পকাহিনি পড়ার মাধ্যমে মানুষ বাস্তব জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ পায়।

নেদারল্যান্ডসের ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউটের গবেষক ফক হুয়েটিগের মতে, বই পড়া মস্তিষ্কের একধরনের ব্যায়ামের মতো। তবে এ ক্ষেত্রে আনন্দের জন্য পড়াটাই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মানুষ নিয়মিত ও দীর্ঘ সময় ধরে পড়ার অভ্যাস বজায় রাখতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানোর কারণে বর্তমান সময়ে বই পড়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে। গবেষকদের মতে, মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য ও মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতে তাই দৈনন্দিন জীবনে বই পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনা গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: নিউ সায়েন্টিস্ট

কালের আলো/এসএ

বাংলাদেশের রেটিংয়ের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ থেকে ‘স্থিতিশীল’ করল মুডিজ

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের রেটিংয়ের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ থেকে ‘স্থিতিশীল’ করল মুডিজ

বাংলাদেশ সরকারের ক্রেডিট রেটিংয়ের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ থেকে ‘স্থিতিশীল’ করেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিজ রেটিংস। তবে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ইস্যুয়ার ও সিনিয়র আনসিকিউরড রেটিং ‘বি২’ এবং স্বল্পমেয়াদি ইস্যুয়ার রেটিং অপরিবর্তিত রেখেছে সংস্থাটি।

মুডিজ রেটিংস বিশ্বের অন্যতম প্রধান ক্রেডিট রেটিং সংস্থা। বিভিন্ন দেশের সরকার, ব্যাংক ও কোম্পানির ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা, আর্থিক অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি মূল্যায়ন করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

মুডিজের পর্যবেক্ষণে, রাজনৈতিক ও বৈদেশিক চাপের কারণে বাংলাদেশের রেটিংয়ের পূর্বাভাস আগে ‘নেতিবাচক’ করা হলেও বর্তমানে সেই চাপ কিছুটা কমেছে। নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, নমনীয় বিনিময় হার এবং রেকর্ড রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক অবস্থানকে আগের তুলনায় শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল প্রায় ২১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে তা বেড়ে ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে দেশের চার মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও উন্নতির পূর্বাভাস দিয়েছে মুডিজ। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ২০২৮ অর্থবছর থেকে তা প্রায় ৪ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, আমদানি ব্যয় এবং তৈরি পোশাক খাতের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছে মুডিজ। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৯ শতাংশের কাছাকাছি থাকা মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমতে পারে।

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা, বড় ও বহুমুখী অর্থনীতি, অনুকূল জনমিতিক কাঠামো এবং প্রতিযোগিতামূলক তৈরি পোশাক খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছে মুডিজ।

তবে সরকারের সংকীর্ণ রাজস্বভিত্তি, দুর্বল ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা এবং ব্যাংকিং খাতের বড় ধরনের দুর্বলতাকে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। মুডিজের হিসাবে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ। ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় মূলধন পর্যায়ে ফিরিয়ে নিতে পুনঃমূলধনীকরণে জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। এতে সরকারের ওপর বড় ধরনের আর্থিক দায় তৈরির ঝুঁকি রয়েছে।

মুডিজ জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোট সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ হলেও সরকারের রাজস্বের প্রায় ৩০ শতাংশ সুদ পরিশোধে ব্যয় হচ্ছে। তবে বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় উৎস থেকে সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ ঋণের ব্যয় এবং পুনঃঅর্থায়ন ঝুঁকি কিছুটা কমাতে সহায়তা করছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের অব্যাহত যোগাযোগকে বৈদেশিক অর্থায়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে দেখছে মুডিজ। সংস্থাটি জানিয়েছে, সরকার নতুন একটি আইএমএফ-সমর্থিত কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করছে।

তবে রাজস্ব আদায়, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং বিনিময় হার নীতিতে অগ্রগতি প্রত্যাশার তুলনায় ধীর হলে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

মুডিজের মতে, ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে দ্রুত অগ্রগতি, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রেটিং উন্নত হতে পারে। অন্যদিকে, ব্যাংকিং খাতের বড় আর্থিক দায় সরকারের ওপর এসে পড়া, প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা দুর্বল হওয়া, রাজস্ব ও বৈদেশিক খাতে অবনতি, আইএমএফ-সমর্থিত সংস্কার কর্মসূচি থেকে বড় ধরনের বিচ্যুতি অথবা নতুন রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা রেটিংয়ের ওপর নিম্নমুখী চাপ তৈরি করতে পারে।

মুডিজ আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মৌলিক বিষয় ও প্রতিষ্ঠানগত সক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তন না হলেও দেশের আর্থিক সক্ষমতা ও ঋণ পরিস্থিতি কিছুটা দুর্বল হয়েছে। তবে বিদ্যমান ঝুঁকিগুলো বাংলাদেশের ‘বি২’ রেটিংয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংস্থাটি।

কালের আলো/এম/এএইচ