খুঁজুন
                               
, ,
           

পরীক্ষার সময় গুগলের জেমিনাই ঢুকে পড়েছিল ৩ প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
পরীক্ষার সময় গুগলের জেমিনাই ঢুকে পড়েছিল ৩ প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে

সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা চালানোর সময় Google-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল জেমিনাই বাস্তব তিনটি প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে প্রবেশ করেছিল। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গুগল এ তথ্য জানিয়েছে।

গুগলের নিরাপত্তা প্রকৌশল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিদার অ্যাডকিনস এএফপিকে বলেন, নিয়মিত পরীক্ষার সময় জেমিনাই অনলাইনে বিভিন্ন তথ্য খুঁজে পায়। এরপর পরীক্ষার অংশ বলে মনে হওয়া কয়েকটি ওয়েবসাইটে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় লগইন তথ্য অনুমান করে মডেলটি।

ঘটনাগুলো গত মে মাসে ঘটে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। গুগল বিষয়টি জানতে পারে জুলাইয়ে। তবে কোন তিন প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে জেমিনাই প্রবেশ করেছিল, তা প্রকাশ করা হয়নি।

অ্যাডকিনস জানান, তিনটি ঘটনাতেই জেমিনাই একপর্যায়ে নিজে থেকে থেমে যায়। পরে গুগল সংশ্লিষ্ট তিন প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি জানায় এবং তাদের প্রশিক্ষণ অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে পরীক্ষার পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনে।

এ ঘটনা এআই ব্যবহারের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগে OpenAI-এর দুটি মডেল নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের বাইরে গিয়ে ইন্টারনেটে প্রবেশ এবং এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেসের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে ঢোকার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল।

এ ছাড়া Anthropic এবং চীনের মুনশট এআইয়ের ক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গুগলের কর্মকর্তা হিদার অ্যাডকিনস বলেন, এসব ঘটনা শক্তিশালী এআই মডেলকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রশিক্ষণ দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে। তিনি জানান, মডেলটি যে তথ্য পেয়েছিল এবং যে ধরনের ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল, সেগুলোকে পরীক্ষার অংশ মনে করেই এ ধরনের আচরণ করেছিল।

এআই মডেলগুলো ক্রমেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং, কোড লেখা ও বিভিন্ন স্বয়ংক্রিয় কাজ করতে সক্ষম হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা মডেলের স্বায়ত্তশাসন ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।

কালের আলো/এসএ

ভাঙনের মুখে শত বছরের বাবুগঞ্জ বাজার, জরুরি প্রতিরোধের দাবি

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
ভাঙনের মুখে শত বছরের বাবুগঞ্জ বাজার, জরুরি প্রতিরোধের দাবি

বরিশালের বাবুগঞ্জ বাজার ও আশপাশের ঘরবাড়ি-স্থাপনা নদীভাঙনের হুমকিতে পড়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে মানুষের ঘরবাড়ি ও শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

বাবুগঞ্জ বাজারের বাসিন্দা ও বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, বাজার ও আশপাশের স্থাপনা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবালকে একাধিকবার ভাঙনের ভয়াবহতার কথা জানানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, মানুষের ঘরবাড়ি ও শেষ সম্বল নদীগর্ভে চলে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নিলে সেই ক্ষতি আর পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ বাজার রক্ষায় এখনই জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেন, নদীভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে বাবুগঞ্জ বাজার রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, বাবুগঞ্জ বাজার রক্ষায় একটি প্রকল্প পানি উন্নয়ন বোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে নদীভাঙন ও জরুরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রসঙ্গে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

৪২৯ ফুটের স্লিম জিম, উঠল গিনেস রেকর্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
৪২৯ ফুটের স্লিম জিম, উঠল গিনেস রেকর্ডে

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় মাংসের স্ন্যাকস স্লিম জিম সাধারণত কয়েক ইঞ্চি লম্বা হয়। তবে এবার সেই ছোট্ট স্ন্যাকসই তৈরি হয়েছে ৪২৯ ফুটের বেশি লম্বা। নেব্রাস্কার ওমাহা শহরে তৈরি এই বিশাল স্লিম জিম জায়গা করে নিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্যপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কনাগ্রা ব্র্যান্ডস তৈরি করেছে রেকর্ড গড়া এই স্ন্যাকস। এর দৈর্ঘ্য ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চি—প্রায় একটি ফুটবল মাঠের সমান। আগের রেকর্ডের চেয়েও এটি প্রায় ১১৬ ফুট বেশি লম্বা।

বিশাল এই স্ন্যাকস তৈরির কাজ করেছে কনাগ্রার বিশেষ ‘ব্লেজ ক্রু’। দলের সদস্যরা জানান, আকারে বিশাল হলেও স্লিম জিমের স্বাদ ও তৈরির মূল ফর্মুলা যেন প্রচলিত স্ন্যাকসটির মতোই থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে তাঁরা দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন।

স্ন্যাকসটি এতটাই লম্বা ছিল যে সাধারণ কোনো পাত্রে রাখা সম্ভব হয়নি। তাই প্রথমে এটিকে একটি বিশাল তারের চাকায় পেঁচিয়ে রাখা হয়। পরে একাধিক টেবিলের ওপর লম্বালম্বিভাবে সাজানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের একজন বিচারক। ফিতা দিয়ে মেপে তিনি স্ন্যাকসটির রেকর্ড নিশ্চিত করেন।

কনাগ্রা ব্র্যান্ডসের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেস সোয়েলি বলেন, এই রেকর্ড তাঁদের দলের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমের প্রতিফলন। কর্মীদের কাজের প্রতি ভালোবাসা উদ্‌যাপন করতেই ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

রেকর্ড গড়া স্লিম জিমটির বড় একটি অংশ পরে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএ

নতুন প্রজন্মকে পেশায় রাখতে সরকারি সহায়তা চান মৃৎশিল্পীরা

ঈশ্বরদী (পাবনা)সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
নতুন প্রজন্মকে পেশায় রাখতে সরকারি সহায়তা চান মৃৎশিল্পীরা

দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলোর অন্যতম মৃৎশিল্প। একসময় গ্রামবাংলার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে মাটির তৈরি নানা সামগ্রীর ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিকতার প্রভাবে এ শিল্প এখন নানা সংকটে পড়েছে। কাজের অভাব, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং পণ্যের বাজার সংকুচিত হওয়ায় অনেক মৃৎশিল্পী পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।

স্থানীয় মৃৎশিল্পীরা জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা পেলে তারা নতুন করে আশাবাদী হতে পারেন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকেও এ পেশায় ধরে রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা।

মৃৎশিল্পীদের ভাষ্য, বর্তমানে অনেকেই নিয়মিত কাজ পান না। ফলে মাটির তৈরি পণ্য উৎপাদন করে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা না থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি মৃৎপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব জানিয়েছেন, মৃৎশিল্পীদের জন্য সরাসরি সরকারি সহযোগিতার সুযোগ নেই। তবে বিভিন্ন সমিতি ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।

স্থানীয় মৃৎশিল্পীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিত উদ্যোগ নিলে হারিয়ে যেতে বসা এ ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে আবারও ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি