খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

সকাল সকাল পৌঁছে যাওয়া গেল চীনের ডুনডুয়াংয়ে স্মার্টফোন নির্মাতা ভিভোর কারখানায়। বিশাল এই কারখানায় রয়েছে বড় তিনটি ভবন। কর্মীদের থাকার জন্য আছে বেশ কয়েকটি বহুতল ডরমিটরি।

গবেষণা ও উন্নয়নের (আরঅ্যান্ডডি) জন্য তৈরি ভবনটির আয়তন প্রায় ১০ লাখ বর্গমিটার। একসময় এটিই ছিল ভিভোর সদর দপ্তর। আর স্মার্টফোন উৎপাদনের কাজ মূলত দুটি ভবনে পরিচালিত হয়।

এই কারখানা থেকেই প্রতি মাসে প্রায় ৬০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদন করা হয়। অর্থাৎ দিনে গড়ে প্রায় ২ লাখ ফোন।

৩০ উৎপাদন লাইনে তৈরি ফোন

বাংলাদেশ, মিসর ও পাকিস্তানের সাংবাদিক এবং প্রযুক্তিবিষয়ক ইউটিউবারদের একটি দলকে কারখানাটি ঘুরিয়ে দেখান ভিভোর কর্মী ওউ কি।

তিনি জানান, কারখানায় মূলত সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি (এসএমটি) ব্যবহার করে উৎপাদন করা হয়। স্মার্টফোন তৈরির জন্য এখানে রয়েছে ৩০টি প্রোডাকশন লাইন।

কারখানাটির উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত বিষয়গুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। পুরো কারখানা এলাকাজুড়েই রয়েছে সবুজায়নের ব্যবস্থা।

৯ সেকেন্ডে তৈরি মাদারবোর্ড

স্মার্টফোন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয় মাদারবোর্ড তৈরির মাধ্যমে। এখানে প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড তৈরি হয়ে যায়।

এরপর শুরু হয় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোজনের কাজ। এ জন্য রয়েছে ১০টি অ্যাসেম্বলি লাইন। ধাপে ধাপে ফোনে যুক্ত করা হয় প্রসেসর, ক্যামেরা, স্পিকারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। একই সঙ্গে ফোনে ইনস্টল করা হয় সফটওয়্যার।

এরপর ফোন যায় চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধাপে। ফোনের পর্দা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় সময় লাগে মাত্র তিন সেকেন্ড।

মানুষের তদারকি, কাজ করে যন্ত্র

ভিভোর এই কারখানার উৎপাদনপ্রক্রিয়ার বড় অংশই স্বয়ংক্রিয়। বিভিন্ন যন্ত্র নিজে থেকেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় মানুষের তদারকি রয়েছে।

ভিভোর জন্য ব্যবহৃত স্মার্টফোন তৈরির যন্ত্রগুলো তৈরি করেছে আইকিউও। ফলে উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে প্রযুক্তিনির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার দেখা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিভোর কারখানা

চীনে ডুনডুয়াংয়ের এই কারখানা ছাড়াও ভিভোর আরও একটি কারখানা রয়েছে। এর বাইরে ব্রাজিল, ভারত, তুরস্ক, মিসর, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানেও ভিভোর কারখানা রয়েছে।

বিশাল উৎপাদন সক্ষমতা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং একাধিক দেশে কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

কালের আলো/এসএ

পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ 

আমদানি-রফতানি পণ্য খালাসের পদ্ধতি সহজ করা, লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাণিজ্য ব্যয় কমাতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন কমিটির দশম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পণ্য চালান খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সরকার দপ্তরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করার কাজ করছে। এসব উদ্যোগের সুফল ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্র অনুযায়ী, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বাণিজ্য সহজীকরণ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৫৪টি পদক্ষেপের মধ্যে ৪৭টি বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাটাগরি-এ’র ২১টি ও ক্যাটাগরি-বি’র ১৮টি বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়ন করে ডব্লিউটিওকে জানানো হয়েছে।

ক্যাটাগরি-সি’র ১৫টি পদক্ষেপের মধ্যে আটটি সম্পন্ন হয়েছে; বাকি সাতটি ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে অবশিষ্ট কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার ওপর সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাণিজ্যসংক্রান্ত সনদ, লাইসেন্স ও পারমিটের আবেদন এবং সেবা একই প্ল্যাটফর্মে আনতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন করেছে। এতে এখন পর্যন্ত ১৯টি সংস্থা যুক্ত হয়েছে; আরও ১৮টি দফতরকে যুক্ত করার উদ্যোগ চলছে। এ কার্যক্রম পরিচালনায় পৃথক বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো কমিশনারেট গঠনের কাজও চলমান।

এনবিআরের সদস্য ড. আল আমিন প্রামাণিক সভায় জানান, স্বয়ংক্রিয় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার বা এআরএমএসের কার্যক্রম আগামী অক্টোবরের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন। ঝুঁকি বিশ্লেষণভিত্তিক এ ব্যবস্থা চালু হলে পণ্য খালাস দ্রুত করার সুযোগ তৈরি হবে। অথোরাইজড ইকোনমিক অপারেটর সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়াতেও এনবিআর উদ্যোগ নিয়েছে বলে তিনি জানান।

কাস্টমস সেবায় এরই মধ্যে পণ্য বন্দরে পৌঁছানোর আগে খালাস প্রক্রিয়া শুরু এবং অনলাইন অটো-ম্যানিফেস্ট রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ব্যবসায়ীদের শুল্ক ও বাণিজ্যসংক্রান্ত তথ্য দিতে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ইনকোয়ারি পয়েন্ট।

সভায় পচনশীল কৃষিপণ্য রপ্তানির অবকাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে কোল্ড স্টোরেজ আধুনিকায়নের কাজ চলছে। বেনাপোলে নতুন কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের দরপত্র মূল্যায়ন শেষ হয়েছে। মোংলায় ১৮ একর জমিতে কোল্ড স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনের চুক্তি হয়েছে। চট্টগ্রামের দেওয়ানহাটে রফতানিমুখী কৃষিপণ্যের জন্য প্যাকিং হাউস ও কোল্ড চেইন স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণ চুক্তির সব কার্যক্রম এককভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সহযোগিতায় অবশিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার চেষ্টা চলছে।

ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী একই ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত কমাতে অভিন্ন কার্যপদ্ধতি ও ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর জোর দেন। এছাড়া খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষা ও পরীক্ষাগার সুবিধা উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় নিয়েও সভায় আলোচনা হয়।

সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডব্লিউটিও) খাদিজা নাজনীন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সমস্যা সমাধানে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ-সহ সকল অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে সচল রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে সব পক্ষ সমান সুবিধা পায়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দিতে অর্থ, শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে।

এসময় রাষ্ট্রপতি দেশের বিকাশমান অর্থনীতিতে শিল্প ও বাণিজ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত এবং বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।

জ্বালানি সংকট সমাধানে শিল্প মালিকদের সোলারসহ বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি। বলেন, সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের ধন্যবাদ জানান। এসময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস-সচিব উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মেটার এআই এজেন্ট ‘মিউজ’-এর জনপ্রিয়তা, অ্যামাজনে নিষিদ্ধ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
মেটার এআই এজেন্ট ‘মিউজ’-এর জনপ্রিয়তা, অ্যামাজনে নিষিদ্ধ

মেটার এআই এজেন্ট ‘মিউজ’ উন্মোচনের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীর হয়ে ই–মেইল পাঠানো, ভ্রমণের টিকিট বুক করা, অনলাইনে পণ্য কেনাসহ বিভিন্ন ডিজিটাল কাজ করতে পারে এই এআই এজেন্ট।

গত ৮ সেপ্টেম্বর চালুর পর দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ স্টোরের শীর্ষে উঠে আসে মিউজ। সেন্সর টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহে অ্যাপটি ২৫ লাখের বেশি বার ডাউনলোড হয়েছে।

তবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি মিউজকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে অনলাইনে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে মিউজের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে অ্যামাজন।

কেন মিউজকে নিষিদ্ধ করল অ্যামাজন

অ্যামাজনের দাবি, মিউজ কোনো অনুমতি ছাড়াই তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এতে গ্রাহকের তথ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে মিউজ ব্যবহার করে পণ্য কেনার চেষ্টা করলে ব্যবহারকারীরা একটি সতর্কবার্তা দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে মিউজকে ‘অননুমোদিত এআই এজেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে অ্যামাজনে প্রবেশ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহারের শর্ত লঙ্ঘন করছে।

অ্যামাজনের ভাষ্য, মিউজ ওয়েবসাইটে প্রবেশের আগে তাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। এমনকি মেটাও মিউজ সম্পর্কে আগে অ্যামাজনকে জানায়নি।

গ্রাহকের তথ্য নিয়ে উদ্বেগ

অ্যামাজনের অভিযোগ, মিউজ ব্যবহারকারীর লগইন তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টের তথ্য পরিবর্তনের সক্ষমতাও রয়েছে এআই এজেন্টটির।

এসব কারণে গ্রাহকের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামাজন। এ কারণেই তাদের প্ল্যাটফর্মে মিউজের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মিউজ কীভাবে কাজ করে

মেটার তথ্যমতে, মিউজ এমন একটি এআই এজেন্ট, যা ব্যবহারকারীর নির্দেশ পাওয়ার পর নিজে থেকে একাধিক ধাপে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ‘স্পার্ক’ মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই এআই এজেন্ট সাধারণ চ্যাটবটের তুলনায় ভিন্নভাবে কাজ করে।

কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি মিউজ ব্যবহারকারীর হয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ফরম পূরণ, ই–মেইলের ইনবক্স গোছানো, রান্নার রেসিপি থেকে বাজারের তালিকা তৈরি কিংবা অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠানোর মতো কাজ করতে পারে।

এমনকি অনলাইনে পণ্য কেনার মতো কাজও সম্পন্ন করার সক্ষমতা রয়েছে মিউজের।

নিরাপত্তা ত্রুটির অভিযোগ

মিউজ নিয়ে নিরাপত্তা গবেষকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গবেষকেরা মিউজের ম্যাকওএস অ্যাপে একটি ত্রুটি শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন।

তাঁদের দাবি, ওই ত্রুটি কাজে লাগিয়ে কম্পিউটারে থাকা ক্ষতিকর সফটওয়্যার মিউজের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করতে পারে। ফলে এআই এজেন্টটির কার্যকারিতার পাশাপাশি ব্যবহারকারীর ডিভাইস ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কালের আলো/এসএ