খুঁজুন
                               
, ,
           

বিয়ের পরও কেন ছবি প্রকাশ্যে আনেননি তাপসী, জানালেন নিজেই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ
বিয়ের পরও কেন ছবি প্রকাশ্যে আনেননি তাপসী, জানালেন নিজেই

বলিউডে তারকাদের বিয়ে মানেই যেন ঝলমলে আয়োজন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক ছবি আর ভিডিও, ভক্তদের শুভেচ্ছার বন্যা। কিন্তু সেই চেনা পথে হাঁটেননি অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। ডেনমার্কের সাবেক ব্যাডমিন্টন তারকা ম্যাথিয়াস বোয়ের সঙ্গে বিয়ের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও নিজেদের বিয়ের কোনো আনুষ্ঠানিক ছবি বা ভিডিও প্রকাশ্যে আনেননি তিনি।

২০২৪ সালে ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে উদয়পুরে বিয়ে করেন তাপসী ও ম্যাথিয়াস। তাঁদের বিয়ের কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও অভিনেত্রী নিজে কখনো সেসব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেননি। এতদিন পর এবার জানালেন, কেন এতটা গোপন রেখেছেন জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যায়।

বিয়ে কেন প্রকাশ্যে আনেননি?

সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তাপসী স্পষ্ট করেছেন, বিয়ে তাঁর কাছে একান্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয়। তাই সেটিকে জনসমক্ষে ঘোষণা করার প্রয়োজনীয়তা কখনো অনুভব করেননি তিনি।

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘কেন আমাকে প্রকাশ্যে বিয়ের ঘোষণা দিতে হবে? আমি সব সময় আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন আলাদা রেখেছি।’

তাপসী আরও জানান, ব্যক্তিগত বিষয় আড়ালে রাখার অর্থ এই নয় যে তিনি সেগুলো নিয়ে লজ্জিত কিংবা ভয় পান। বরং শুরু থেকেই নিজের জীবনের ব্যক্তিগত ও পেশাগত দুটি দিককে আলাদা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

‘ছবি-ভিডিও প্রকাশ করা আমার কাছে অদ্ভুত’

তারকাদের বিয়েতে সাধারণত ছবি, ভিডিও কিংবা বিশেষ ফটোশুট এখন প্রায় নিয়মিত বিষয়। অনেক তারকাই বিয়ের মুহূর্তের ছবি নিজেরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। তবে তাপসীর কাছে এই বিষয়টি কিছুটা অস্বাভাবিক।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটা ব্যক্তিগত বিষয়; আর আমি এটাকে ব্যক্তিগতই রাখতে চাই। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা কিংবা ছবি ও ভিডিওর একটি ডেক সামনে রাখা—বিষয়টি আমার কাছে খুবই অদ্ভুত লাগে।’

অর্থাৎ নিজের জীবনের বিশেষ মুহূর্তকে প্রচারের অংশ বানাতে চাননি তাপসী। বরং বিয়েকে বিয়ে হিসেবেই রাখতে চেয়েছেন, কোনো প্রচারণামূলক আয়োজন হিসেবে নয়।

স্বামীকে নিয়েও সচেতন তাপসী

শুধু নিজের পছন্দের কারণেই বিয়ের বিষয়টি ব্যক্তিগত রাখেননি তাপসী। এর পেছনে রয়েছে স্বামী ম্যাথিয়াস বোয়ের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতাও।

ম্যাথিয়াস বিনোদনজগতের মানুষ নন। ডেনমার্কের সাবেক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। ফলে তাপসীর তারকা পরিচয়ের কারণে যেন ম্যাথিয়াস কিংবা তাঁর পরিবারের ব্যক্তিগত জীবন অযাচিতভাবে আলোচনায় না আসে, সেটিও মাথায় রেখেছেন অভিনেত্রী।

তাপসীর কাছে নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তবে দুটির সীমানা যেন একে অন্যকে অতিক্রম না করে, সে বিষয়ে বরাবরই সচেতন তিনি।

প্রায় এক দশকের সম্পর্ক

তাপসী ও ম্যাথিয়াসের সম্পর্ক অবশ্য হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। ব্যাডমিন্টনকে ঘিরেই তাঁদের পরিচয়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব, পরে সেই সম্পর্ক রূপ নেয় ভালোবাসায়।

প্রায় এক দশক ধরে সম্পর্কের পর ২০২৪ সালে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। উদয়পুরে ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

তারকাদের অনেক বিয়ের মতো তাপসী ও ম্যাথিয়াসের বিয়েতেও ছিল না ব্যাপক প্রচার বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রকাশ্য আয়োজন। বরং কাছের মানুষদের নিয়েই নিজেদের বিশেষ দিনটি উদ্‌যাপন করেন তাঁরা।

বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এলেও ছবি নয়

২০২৪ সালে তাপসী ও ম্যাথিয়াসের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের বিয়ের কিছু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবে সেসবের কোনোটিই তাপসী নিজে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেননি।

বিয়ের পরও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি আলোচনা করেননি অভিনেত্রী। বরং নিজের অভিনয়, সিনেমা ও পেশাগত কাজকেই সামনে রেখেছেন তিনি।

তাপসীর এই অবস্থান অবশ্য তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত নীতির সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি ঘটনা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াকে তারকার দায়িত্ব বলে মনে করেন না তিনি।

‘প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া দায়িত্ব নয়’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। বিয়ে, সম্পর্ক, পরিবার—সবকিছুরই ছবি বা ভিডিও দেখতে চান ভক্তরা। কিন্তু তাপসীর মতে, একজন তারকার পেশাগত জীবন নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক হলেও ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক নয়।

তাই নিজের বিয়ের ক্ষেত্রেও সেই একই নীতি অনুসরণ করেছেন তিনি। সিনেমা, অভিনয় কিংবা পেশাগত সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হোক—এতেই স্বচ্ছন্দ তাপসী। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনের পরিসরটি নিজের মতো করেই রাখতে চান।

সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই সংযত

তাপসী পান্নু বলিউডের পরিচিত মুখ হলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়ে বরাবরই তুলনামূলকভাবে সংযত। ম্যাথিয়াসের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকার পরও তাঁদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত খুব বেশি প্রকাশ্যে আনেননি তিনি।

বিয়ের পরও সেই অবস্থানে পরিবর্তন আসেনি। বরং সময় যত গড়িয়েছে, ততই স্পষ্ট হয়েছে—ব্যক্তিগত জীবনকে ব্যক্তিগত রাখার সিদ্ধান্তটি তাপসীর কাছে সাময়িক কোনো কৌশল নয়, বরং সচেতন জীবনযাপন।

তিন বছর পর বিয়ের ছবি প্রকাশ না করার কারণ জানিয়ে তাপসী যেন সেই অবস্থানই আবারও স্পষ্ট করলেন। তারকার জীবন বলে সবকিছু দর্শকের সামনে তুলে ধরতে হবে—এমন ধারণায় বিশ্বাসী নন তিনি। নিজের কাজের মাধ্যমে দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেই বেশি স্বচ্ছন্দ এই অভিনেত্রী।

আর তাই বিয়ের ছবির অপেক্ষায় থাকা ভক্তদের জন্য তাপসীর বার্তা বেশ পরিষ্কার—কিছু মুহূর্ত শুধু নিজের এবং কাছের মানুষদের জন্যই থাকুক।

কালের আলো/জেএন

ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে নিষিদ্ধ হচ্ছে মদ-জুয়া ও বেটিংয়ের বিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে নিষিদ্ধ হচ্ছে মদ-জুয়া ও বেটিংয়ের বিল

শরিয়াহসম্মত কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট সেবা চালুর লক্ষ্যে ‘ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড অপারেশনস অব ব্যাংকস’ শীর্ষক নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালায় ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মদ, জুয়া, নাইটক্লাবসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ খাতে লেনদেন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামি ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি বিভাগ (আইবিআরপিডি) থেকে জারি করা সার্কুলারে নীতিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর করতে বলা হয়। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে সার্কুলারটি পাঠানো হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ইসলামি ব্যাংকিং সেবা দেওয়া যেকোনো তফসিলি ব্যাংক টাকায় ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করতে পারবে। তবে বৈদেশিক মুদ্রা বা ডুয়াল কারেন্সি কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে অনুমোদিত ডিলার হতে হবে।

ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে নগদ উত্তোলন বা বিলম্বে পরিশোধযোগ্য দায় ‘কার্দে হাসান’ বা সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে বিবেচিত হবে। গ্রাহককে কেবল মূল অর্থ পরিশোধ করতে হবে। ব্যাংক কার্ড ইস্যু, নেটওয়ার্ক সুবিধা, হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ও লেনদেন প্রক্রিয়াকরণের মতো নির্দিষ্ট সেবার বিপরীতে ‘উজরাহ’ বা সেবা ফি নিতে পারবে।

তবে এসব ফি বকেয়া স্থিতি, ক্রেডিট সীমা কিংবা বিলম্বের সময়ের সঙ্গে বাড়ানো যাবে না। প্রচলিত সুদের হারের সঙ্গেও কোনো ফি যুক্ত করা যাবে না।

নীতিমালায় ব্যাংকগুলোকে ফি ও চার্জ তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঋণের সঙ্গে সম্পর্কহীন কিছু ফিতে মুনাফার উপাদান থাকতে পারবে। অন্যদিকে ঋণের সঙ্গে সম্পর্কিত ফি কেবল প্রকৃত প্রত্যক্ষ ব্যয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। বকেয়া স্থিতি, বিলম্বের সময় বা ক্রেডিট সীমার ভিত্তিতে বাড়ে—এমন ফি নেওয়া যাবে না।

গ্রাহক নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে চুক্তির সময় নির্ধারিত একটি অর্থ দান হিসেবে দেওয়ার অঙ্গীকার করতে পারবেন। এ অর্থ ব্যাংকের আয় হিসেবে দেখানো যাবে না; পুরো অর্থই দাতব্য খাতে দিতে হবে।

এ ছাড়া মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড (এমসিসি) ব্যবহারের মাধ্যমে অনুমোদন পর্যায়েই নিষিদ্ধ খাতের লেনদেন বন্ধ করতে হবে। নীতিমালায় মদ ও মদজাতীয় পণ্য, জুয়া ও ক্যাসিনো, বেটিং, নাইটক্লাব ও বার, তামাকজাত পণ্য, শুকরের মাংস ও অ-হালাল মাংস, অশ্লীল কনটেন্ট, ক্রিপ্টো ট্রেডিং, জ্যোতিষ ও ভাগ্য গণনার মতো খাতকে নিষিদ্ধ তালিকায় রাখা হয়েছে।

এই তালিকা অন্তত বছরে একবার পর্যালোচনা করতে হবে। কোনো ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির (এসএসসি) আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন

তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে নতুন আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে নতুন আলোচনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে সফরের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পর ভারত ও বাংলাদেশ নতুন করে সফরের সময়সূচি নির্ধারণে আলোচনা করছে। আগামী অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ অথবা নভেম্বরের শুরুতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা আরও গতি পেতে পারে।

তবে সফরটি শেষ পর্যন্ত হবে কি না, তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। সেটি হলো ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের জন্মদিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানানো এবং মোদির দ্রুত জবাব দেওয়ার ঘটনাকে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক যোগাযোগের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে সম্ভাব্য সফরের তারিখ দ্রুত চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

এদিকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ঢাকায় সাম্প্রতিক সফর নিয়েও বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর তার ঢাকায় আসার খবর প্রকাশ পেলেও ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি।

নতুন বাংলাদেশি হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়ামের নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব গ্রহণকেও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

তবে তারেক রহমানের ভারত সফরের তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে নভেম্বরের সম্ভাব্য সফরটি শেষ পর্যন্ত কোন তারিখে এবং কী কর্মসূচিতে হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

তথ্যসূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর প্রাণহানি, পাশাপাশি চিতায় দাহ

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর প্রাণহানি, পাশাপাশি চিতায় দাহ

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে স্বামীর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, স্বামীর মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে তিনি রেললাইনে গিয়ে প্রাণ হারান। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ পাশাপাশি চিতায় দাহ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামে। মৃত দম্পতি হলেন—মালিগাঁও গ্রামের হরেন্দ্রনাথ বর্মণ (৮০) ও তার স্ত্রী নিত্যবালা বর্মণ। হরেন্দ্রনাথ স্থানীয় একটি মন্দিরের পূজারি ছিলেন। তার স্ত্রী নিত্যবালাও স্বামীর সঙ্গে নিয়মিত ধর্মীয় কাজে যুক্ত থাকতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৯টার দিকে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় নিজ বাড়িতে মারা যান হরেন্দ্রনাথ। স্বামীর মৃত্যুর পর নিত্যবালা গভীরভাবে শোকাহত হয়ে পড়েন। তিনি দীর্ঘ সময় স্বামীর মরদেহের পাশে বসে ছিলেন।

ভোরের দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান নিত্যবালা। সকালে তাকে খুঁজে না পেয়ে স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা মালিগাঁও এলাকায় রেললাইনের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরিবারের ধারণা, রাজশাহী থেকে পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পারিবারিক শ্মশানে হরেন্দ্রনাথ ও নিত্যবালার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পাশাপাশি দুটি চিতায় সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

হরেন্দ্রনাথের ছেলে রবীন চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘বাবা দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তার মৃত্যুর পর মা সারা রাত বাবার শিয়রে বসে কেঁদেছেন। সকালে কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।’

প্রতিবেশী যতীন চন্দ্র বর্মণ বলেন, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে ওই দম্পতির মধ্যে গভীর ভালোবাসা ছিল। স্বামীর মৃত্যুর শোক নিত্যবালা সহ্য করতে পারেননি বলে ধারণা করছেন তারা।

আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান জানান, পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানানোর আগেই মরদেহের সৎকার সম্পন্ন করেছেন। রেললাইনে মৃত্যুর ঘটনা হওয়ায় রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি