খুঁজুন
                               
, ,
           

সাংবাদিককে না পেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছেলেকে আটকের অভিযোগ

খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
সাংবাদিককে না পেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছেলেকে আটকের অভিযোগ

খুলনায় একটি মামলায় স্থানীয় দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল্লাহ তারেককে না পেয়ে তার ১৬ বছর বয়সী ছেলেকে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর গিলাতলা দক্ষিণপাড়ার বাসা থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সিয়ামকে খানজাহান আলী থানায় নেওয়া হয়।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের জেলা প্রবেশন কার্যালয়ের মাধ্যমে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয় বলে জানা গেছে।

সাংবাদিকের পরিবারের অভিযোগ, সিয়াম কোনো মামলার আসামি নয়। তাকে থানায় নিয়ে দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হয় এবং শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। থানায় অবস্থানকালে তার বাবাকে নিয়েও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ করেন তারা।

সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেকের দাবি, গফ্ফার ফুড মোড়ে গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করা নিয়ে স্থানীয় দোকান মালিক সমিতির সঙ্গে কসাই আরমান শেখের বিরোধ তৈরি হয়। পরিবেশ দূষণের অভিযোগে সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে স্থানান্তরের কথা জানানো হলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে তারাসহ চারজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করেন।

সাইফুল্লাহ তারেক আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় এক নারীর মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে তার সঙ্গে বিরোধের জেরেও তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তার দাবি, যথাযথ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই ছাড়াই মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে খুলনা শিশু সুরক্ষা জোটের সভাপতি শামিমা সুলতানা শিলু সাংবাদিকের সন্তানকে থানায় নেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাবার দায় শিশু নেবে কেন।’ বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তবে শিশুকে থানায় নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, সিয়াম সরকারি কাজে বাধা দিয়েছে এবং পুলিশকে গালাগাল করেছে। এ কারণে তাকে থানায় আনা হয়েছিল।

পরে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের জেলা প্রবেশন কার্যালয়ের মাধ্যমে ছয় মাসের প্রবেশন দিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।

সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেকের বিরুদ্ধে করা মামলাকে ষড়যন্ত্রমূলক দাবি এবং তার শিশুসন্তানকে থানায় নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রেকর্ড দামে ডিজেল, কর ছাড়ের পথে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
রেকর্ড দামে ডিজেল, কর ছাড়ের পথে ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ কমাতে কম দামের ডিজেল সহজলভ্য করার উদ্যোগ নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশ জারির প্রস্তুতি নিচ্ছে তাঁর প্রশাসন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) এর মধ্যেই এ নির্বাহী আদেশ ঘোষণা করা হতে পারে। এতে করমুক্ত ডিজেলের সরবরাহ বাড়ানোসহ জ্বালানির ব্যয় কমানোর কয়েকটি পদক্ষেপ থাকতে পারে।

বাড়ানো হবে সস্তা ডিজেলের সরবরাহ

পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ‘রেড-ডাইড ডিজেল’ আরও সহজলভ্য করা। সাধারণত কৃষিকাজ ও নির্দিষ্ট কিছু অফ-রোড যানবাহনে এই ডিজেল ব্যবহার করা হয়। সড়কে চলাচলকারী সাধারণ যানবাহনের ব্যবহৃত ডিজেলের তুলনায় এতে করের সুবিধা রয়েছে।

একই সঙ্গে রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সড়কে ব্যবহৃত ডিজেলের কর মওকুফের উদ্যোগ নিতে পরিবহন বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

এতে ট্রাক পরিবহনসহ বেশি জ্বালানি ব্যবহারকারী বিভিন্ন খাতের পরিচালন ব্যয় কমতে পারে।

সেপ্টেম্বরে রেকর্ড দাম

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি প্রায় ৬ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়, যা রেকর্ড। জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ভোক্তার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের খরচও বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ডিজেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে ট্রাক পরিবহন থেকে শুরু করে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ব্যয়েও এর প্রভাব পড়ে।

৩ নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে এই মূল্যবৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক উদ্বেগও তৈরি করেছে।

যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে চাপ

ইরান ও ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন তেল শোধনাগারে হামলাও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ডিজেলের সরবরাহ বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়বে জি৭

ট্রাম্পের চাপের পর গত সপ্তাহে জি৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। তবে এই পরিমাণের কতটা প্রকৃত নতুন সরবরাহ এবং কতটা আগে ঘোষিত বৈশ্বিক চুক্তির অংশ, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এর একটি অংশ মার্চে ঘোষিত বৈশ্বিক চুক্তির আওতায় আগেই অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে জানা গেছে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

সৌদি হামলায় তুরস্ক-পাকিস্তানের দ্রুত সেনা মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
সৌদি হামলায় তুরস্ক-পাকিস্তানের দ্রুত সেনা মোতায়েন

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা মোকাবিলায় প্রথমবারের মতো কার্যকর হলো সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’। হুতিদের হামলার জবাবে সম্মিলিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সক্রিয় এবং সৌদি আরবে দ্রুত সেনা মোতায়েনে সম্মত হয়েছে তিন দেশ।

সোমবার (৫অক্টোবর) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে তিন দেশের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ৭ আগস্ট মক্কায় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর এটিই জোটটির প্রথম বড় ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ।

হামলা হলে সবার ওপর হামলা

চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তির পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নীতির সঙ্গে এ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান জানান, ইরানপন্থী হুতিদের হামলা এবং এর সঙ্গে জড়িতদের জবাব দিতে জোটের আওতায় ‘সম্মিলিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা’ সক্রিয় করার বিষয়ে তিন দেশ একমত হয়েছে।

তিনি বলেন, সৌদি আরব ও পবিত্র স্থানগুলোর ওপর হামলা মোকাবিলায় তিন দেশের সংহতি ও ঐক্য আরও শক্তিশালী হয়েছে।

দ্রুত সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী তিন দেশ তাদের পূর্বনির্ধারিত সামরিক শক্তি ও সক্ষমতা সরবরাহ করবে। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সৌদি আরবে এসব বাহিনী দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করা হবে।

তবে এসব প্রতিশ্রুতি সংশ্লিষ্ট দেশের অনুমোদিত চুক্তি ও নিজস্ব আইনের আওতাতেই বাস্তবায়ন করা হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

ইয়েমেনে পাল্টা অভিযান

হুতিদের দখলে থাকা এলাকাগুলো পুনর্দখলে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অনুগত বাহিনী পাল্টা অভিযান শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় করার ঘোষণা আসে।

সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী জানিয়েছে, তারা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা পুনর্দখল করেছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইয়েমেনি বাহিনীর অভিযানে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটও অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জোটের প্রায় ১০০টি যুদ্ধবিমান অভিযানে সহায়তা করছে বলে জানানো হয়েছে।

সৌদিতে হামলার দাবি হুতিদের

এদিকে সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং উপকূলীয় শহর রাবিগে আরামকোর একটি তেল স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতিরা। পাশাপাশি একটি বিমানবন্দর, বিমানঘাঁটিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার দাবিও করেছে তারা।

তবে হুতিদের এসব দাবির বিষয়ে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

বড় সামরিক শক্তির জোট

২০২৬ সালের গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার সূচক অনুযায়ী, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সম্মিলিত সক্রিয় সামরিক সদস্য প্রায় ১৪ লাখ। তিন দেশের কাছে রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ সামরিক বিমান, ৬ হাজার ট্যাংক এবং ৩৪০টির বেশি নৌযুদ্ধের সরঞ্জাম।

এর আগে সেপ্টেম্বরের শুরুতে সৌদি আরবের দিকে হুতিদের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছিলেন, সৌদি আরব আক্রান্ত হলে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হতে পারে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন সমীকরণ

গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের জ্যেষ্ঠ নন-রেসিডেন্ট ফেলো আবদুল আজিজ আলঘাশিয়ানের মতে, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে হুতিদের হামলা ও উসকানি জোটটির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো এবার বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, ইয়েমেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের এই সামরিক সমন্বয় আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এসএ

ক্যাফে-ওয়াকওয়ে-নজরুল মঞ্চে সাজবে ধানমন্ডি লেক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
ক্যাফে-ওয়াকওয়ে-নজরুল মঞ্চে সাজবে ধানমন্ডি লেক

রাজধানীর ধানমন্ডি লেককে আধুনিক ও নান্দনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দুটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে লেকের তলদেশে জমে থাকা স্ল্যাশ উত্তোলন ও অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের বিস্তারিত নকশাও প্রস্তুত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ধানমন্ডির ৩/এ-তে ‘ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

থাকবে ক্যাফে ও আধুনিক ওয়াকওয়ে

শেখ রবিউল আলম বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ধানমন্ডি লেকে ক্যাফে, নতুন ওয়াকওয়ে এবং নাগরিকদের অবসর ও বিনোদনের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা হবে।

একটি আধুনিক লেকে যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকা প্রয়োজন, তার সবই এখানে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে শুধু ধানমন্ডিবাসী নয়, রাজধানীর অন্যান্য এলাকার মানুষও বিনোদনের সুযোগ পাবেন।

মন্ত্রী বলেন, ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ ছিল। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হতে চলায় তিনি আনন্দিত। তবে উন্নয়নের পাশাপাশি লেকের পরিবেশ রক্ষায় নাগরিকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিষ্কার হবে তলদেশ, সংস্কার হবে সাইডওয়াল

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, ধানমন্ডি লেকের উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা থাকলেও কাজটি গুছিয়ে আনতে সময় লেগেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে লেকের তলদেশে জমে থাকা স্ল্যাশ পরিষ্কার করা হবে। এরপর পানি পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি সাইডওয়াল সংস্কার, বিদ্যমান ওয়াকওয়ে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ, গাছপালার সৌন্দর্যবর্ধন এবং উন্নত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

শিশুদের জন্য থাকবে স্পিডবোট

ধানমন্ডি লেকে শিশুদের বিনোদনের জন্য স্পিডবোটের ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক।

তিনি বলেন, লেকে মাছ রয়েছে এবং বর্তমানে পানি মাছ মারা যাওয়ার মতো অতটা দূষিত নয়। তবে লেকটি যেন বারবার দূষিত না হয়, সে জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা ও সচেতনতা জরুরি।

হবে ‘নজরুল মঞ্চ’

ধানমন্ডি লেককে ঘিরে পুরো এলাকার সৌন্দর্য ও নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এর অংশ হিসেবে রাস্তা, ফুটপাত ও লাইটিংসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে।

পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে ‘নজরুল মঞ্চ’ নামে একটি সাংস্কৃতিক মঞ্চ। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পাশাপাশি লাইব্রেরি, ক্যাফে ও পড়াশোনার সুযোগ থাকবে।

রবীন্দ্র সরোবরের আদলে ধানমন্ডি লেককেও ঢাকাবাসীর জন্য একটি উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক ও বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রশাসক।

আজ থেকেই শুরু উন্নয়নকাজ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, ধানমন্ডি লেকের উন্নয়নকাজ মঙ্গলবার থেকেই শুরু হবে। এ কাজে ধানমন্ডিবাসী, স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ধানমন্ডির পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই লেকে আসেন। তাই সবার জন্য সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করাই উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি