খুঁজুন
                               
, ,
           

জামায়াতকে হারিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিজয়ী ফয়সল

ঠাকুরগাঁও,সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
জামায়াতকে হারিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিজয়ী ফয়সল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন মির্জা ফয়সল আমীন।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ৩১ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মির্জা ফয়সল আমীন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার হোসেনের চেয়ে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৪ ভোট বেশি পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধানই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার চিত্র তুলে ধরেছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। আসনটিতে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল গণনা করা হয়। পরে ১৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পাঁচ প্রার্থী
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন ছাড়াও নির্বাচনে ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। প্রার্থীদের প্রতীক ছিল যথাক্রমে বটগাছ, হাতপাখা ও ডাব। ১৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তবে এটি বেসরকারি ফলাফল; চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার ওপর নির্ভরশীল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের অবকাঠামো নির্মাণে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় খাদ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় গুরুত্ব

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং খাদ্যশস্য দীর্ঘ সময় নিরাপদে সংরক্ষণের উপযোগী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেশি হয়, সেসব এলাকায় গুদাম নির্মাণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান পুরোনো গুদামগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর বক্তব্য দেন। তাঁরা খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা, গুদামের মান উন্নয়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানাসহ খাদ্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গুদামের আধুনিকায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দুর্গম পাহাড়ে সেনাপ্রধান, নজরে মাঠের বাস্তবতা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
দুর্গম পাহাড়ে সেনাপ্রধান, নজরে মাঠের বাস্তবতা

একদিকে সামরিক নেতৃত্বের নির্দেশনা, অন্যদিকে দুর্গম পাহাড়ে সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব। এই দুইয়ের সংযোগস্থলেই রয়েছে মাঠপর্যায়ের সেনাসদস্যদের প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা। সেই বাস্তবতার খোঁজ নিতে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের বাঘাইহাট জোনের সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি রিজিয়নে যান তিনি। সেখানে মোতায়েনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তাঁদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন সেনাপ্রধান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

  • বাঘাইহাট ক্যাম্পে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ
  • প্রতিকূল পরিবেশে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি
  • দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা ও সতর্কতার ওপর জোর

মাঠের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ
কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতায় পরিকল্পনা ও নির্দেশনার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দায়িত্ব পালনের প্রকৃত অভিজ্ঞতা তৈরি হয় মাঠেই। সেখানে কর্মরত সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ শীর্ষ নেতৃত্বকে তাঁদের কাজের পরিবেশ ও দায়িত্বের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ দেয়। বাঘাইহাট ক্যাম্পে সেনাপ্রধানের সফরের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল এই সরাসরি যোগাযোগ। সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা এবং তাঁদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার মধ্য দিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের প্রতি নেতৃত্বের মনোযোগ প্রতিফলিত হয়েছে। এটি শুধু একটি ক্যাম্প পরিদর্শনে সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের সঙ্গে নেতৃত্বের সংযোগের গুরুত্বও তুলে ধরেছে।

প্রতিকূলতার মধ্যেও কর্তব্যনিষ্ঠার স্বীকৃতি
দুর্গম পাহাড়ে সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দায়িত্ব পালন সহজ নয়। এসব বাস্তবতার মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। দায়িত্বরত সদস্যদের কাজের প্রতি এই স্বীকৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। মাঠপর্যায়ে কর্মরত সদস্যদের অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছে।

প্রশংসার পাশাপাশি প্রত্যাশাও স্পষ্ট
দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতির সঙ্গে সেনাপ্রধানের নির্দেশনাও ছিল স্পষ্ট। তিনি সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত কর্তব্য পালন অব্যাহত রাখতে বলেছেন। এই নির্দেশনার তাৎপর্য হচ্ছে—প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করার স্বীকৃতির পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের মান অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যাশাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে পেশাগত শৃঙ্খলা, সতর্কতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল হাসান উজ জামান, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসান সেলিমসহ সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাঘাইহাট সেনা ক্যাম্পে সেনাপ্রধানের পরিদর্শনে তিনটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, প্রতিকূল পরিবেশে তাঁদের দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা। দুর্গম এলাকায় দায়িত্বরত সদস্যদের কাজের বাস্তবতা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার মধ্য দিয়ে সফরটি মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বের মনোযোগকে সামনে এনেছে। নেতৃত্বের প্রত্যাশা ও মাঠের দায়িত্ব—এই দুইয়ের সংযোগই ছিল বাঘাইহাট সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

কালের আলো/এমএএএমকে

পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট

কূটনৈতিক প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ
পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট

জাপানের নারিতা বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজ। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন করতে না পারায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিলম্ব হয় ফ্লাইটটির। পরে ত্রুটি মেরামত শেষে ঢাকার পথে রওনা দেয় উড়োজাহাজটি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১১টার দিকে ফ্লাইটটি যাত্রা করে বলে জানানো হয়েছে।

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিলম্ব
চার দিনের জাপান সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল উড়োজাহাজটির। তবে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়নের প্রস্তুতির মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফ্লাইটটির যাত্রা বিলম্বিত হয়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিলম্বের কথা জানান এবং এ জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন। পরে উড়োজাহাজটি টারমাকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

ত্রুটি মেরামতের পর উড্ডয়ন
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় উড়োজাহাজটির ত্রুটি মেরামত করা হয়। স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১০টার দিকে এটি যাত্রার জন্য প্রস্তুত হয়। এরপর রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে ফ্লাইটটি। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রধানমন্ত্রী ও সফরসঙ্গীদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক ঘণ্টা বেশি অপেক্ষা করতে হয়। ত্রুটি মেরামত শেষে ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করায় তাদের দেশে ফেরার পথের অনিশ্চয়তা কাটে।

চার দিনের জাপান সফর শেষে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী
চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে নির্ধারিত সময়ে ফিরতে না পারলেও উড়োজাহাজটির যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের পর যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের বিলম্বের কারণ হিসেবে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানানো হয়েছে। তবে ত্রুটির ধরন বা বিস্তারিত কারিগরি তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি