খুঁজুন
                               
, ,
           

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলি সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলি সেনা নিহত

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলায় নিহত হয়েছেন এক ইসরায়েলি সেনা। ওই একই হামলায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। রোববার (২৯ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

নিহত সেনার নাম সার্জেন্ট মোসে ইয়েজাক হাকোহেন কাৎজ। ২২ বছর বয়সী এ সেনা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্যারাট্রুপার ব্রিগেডের ৮৯০তম ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন। ইসরায়েলের হয়ে যুদ্ধ করলেও তার আসল ঠিকানা যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাটের নিউ হ্যাভেনে।

আহত তিন সেনার অবস্থা মাঝারি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের সেনাবাাহিনী। তাদের সবাইকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদের অভিহিত করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এর কয়েকদিন পর এ যুদ্ধে যোগ দেয় হিজবুল্লাহ। এরপর লেবানের দক্ষিণাঞ্চল দখলের পরিকল্পনা হাতে নেয় ইসরায়েল। এর অংশ হিসেবে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে নিজেদের সেনা পাঠাচ্ছে তারা।

আর এসব সেনার ওপর অতর্কিত হামলা চালাচ্ছে হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা। এর পাশাপাশি ইসরায়েলের দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে রকেট হামলা চালাচ্ছে তারা।

হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, যতদিন ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যুদ্ধ চালাবে ততদিন তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা অব্যাহত রাখবে।

এরআগে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছিল হিজবুল্লাহ। কিন্তু ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের যুদ্ধবিরতি হয়। তা সত্ত্বেও লেবাননে হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে শত শতবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছিল ইসরায়েল। হিজবুল্লাহ এসবের জবাব না দিলেও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার তারা আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সুস্থ থাকতে গিয়ে উল্টো ক্ষতি? ‘ওয়েলনেস অপটিমাইজেশন’ নিয়ে নতুন ভাবনা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
সুস্থ থাকতে গিয়ে উল্টো ক্ষতি? ‘ওয়েলনেস অপটিমাইজেশন’ নিয়ে নতুন ভাবনা

সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা, পরিমিত খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম- এসব অভ্যাস নিঃসন্দেহে উপকারী। কিন্তু সুস্থ থাকার এই চেষ্টাই যখন প্রতিদিনের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তখন সেটি উল্টো মানসিক চাপের কারণ হয়ে উঠতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ‘হেলথ-ম্যাক্সিং’ বা ‘ওয়েলনেস অপটিমাইজেশন’ নিয়ে তাই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রতিটি অভ্যাসের হিসাব

কত ঘণ্টা ঘুম হলো, দিনে কত পা হাঁটা হলো, শরীরে কতটা পানি গেল, কত গ্রাম প্রোটিন খাওয়া হলো-এসব তথ্য এখন স্মার্টওয়াচ, ফিটনেস ট্র্যাকার ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই জানা যায়। ২০২৬ সালে স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির বাজারেও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও তার ভিত্তিতে পরামর্শ দেওয়ার প্রবণতা আরও বাড়ছে।

কিন্তু সমস্যা শুরু হতে পারে তখনই, যখন এসব তথ্য স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার বদলে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘুমের স্কোর একটু কম হলেই দুশ্চিন্তা, নির্দিষ্ট সংখ্যক পদক্ষেপ পূরণ না হলে অপরাধবোধ কিংবা প্রতিদিনের ব্যায়ামের লক্ষ্য পূরণ না হলে নিজেকে ব্যর্থ মনে করা – এ ধরনের আচরণ অনেকের জীবনকে আরও চাপপূর্ণ করে তুলতে পারে।

‘আরও ভালো’ হওয়ার চাপ

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে অনেক সময় এমন একটি লক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিদিন নিজেকে আগের দিনের চেয়ে আরও ভালো করতে হবে। বেশি ব্যায়াম, আরও নিখুঁত খাবার, আরও ভালো ঘুম, আরও বেশি উৎপাদনশীলতা- সবকিছুতেই যেন সর্বোচ্চ ফল পাওয়ার চেষ্টা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘ম্যাক্সিং’ সংস্কৃতি এই প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ‘হেলথ-ম্যাক্সিং’-এর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য অতিরিক্ত বা প্রমাণভিত্তিক নয় এমন কিছু পদ্ধতিও অনুসরণ করা হতে পারে।

স্মার্টওয়াচ কি সবসময় স্মার্ট সিদ্ধান্ত দেয়?

স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি বা ওয়্যারেবল অবশ্যই উপকারী হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি তথ্য থেকে নিজের শারীরিক অবস্থার কিছু পরিবর্তন বোঝা যায়। তবে একটি দিনের কোনো একটি স্কোর বা রিডিংকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, ওয়্যারেবলের তথ্যকে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের একটি অংশ হিসেবে দেখা, পুরো স্বাস্থ্য নির্ধারণের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে নয়।

২০২৬ সালে প্রকাশিত একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনাতেও দেখা গেছে, ওয়্যারেবল থেকে পাওয়া স্বাস্থ্য-তথ্য একা ব্যবহার করে উদ্বেগ নির্ধারণ করা যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য নয়। গবেষকেরা বরং এসব তথ্যের সঙ্গে ব্যক্তির নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় ক্লিনিক্যাল তথ্য মিলিয়ে দেখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

ঘুম নিয়েও বাড়ছে অতিরিক্ত চিন্তা

ভালো ঘুমের জন্য ঘুমের সময় ও মান পর্যবেক্ষণ করা উপকারী হতে পারে। কিন্তু ঘুমের প্রতিটি পর্যায়, স্কোর কিংবা ‘রিকভারি’ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করলে ঘুম নিজেই উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

অর্থাৎ, ঘুমানোর উদ্দেশ্য যদি বিশ্রাম নেওয়া হয়, তাহলে ঘুমের স্কোর ঠিক রাখার চাপ যেন সেই বিশ্রামকেই নষ্ট না করে-সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

তাহলে কি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছেড়ে দিতে হবে?

একেবারেই নয়। বরং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের মূল কথা হলো ভারসাম্য। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-এসবকে জীবনের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালের একটি সাম্প্রতিক জরিপেও চরম ধরনের ‘বায়োহ্যাকিং’ বা দীর্ঘায়ু বাড়ানোর কঠিন কৌশলের বদলে মানুষ ছোট, বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখা যায়-এমন অভ্যাসের দিকে বেশি ঝুঁকছে বলে উঠে এসেছে।

স্বাস্থ্য মানেই নিখুঁত হওয়া নয়

দিনে ১০ হাজার পা হাঁটতে না পারলেও আপনি ব্যর্থ নন। একদিন ব্যায়াম না করলেও পুরো রুটিন নষ্ট হয়ে যায় না। কোনো রাতে ঘুমের স্কোর খারাপ এলেও আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জীবনকে আরও স্বস্তিদায়ক ও উপভোগ্য করা-জীবনকে আরও একটি পরীক্ষায় পরিণত করা নয়।

সাম্প্রতিক ‘ওয়েলনেস অপটিমাইজেশন’ নিয়ে আলোচনাও শেষ পর্যন্ত সেই প্রশ্নই সামনে আনছে-সুস্থ থাকার জন্য আমরা প্রযুক্তি ও তথ্য ব্যবহার করছি, নাকি শেষ পর্যন্ত তথ্যের পেছনেই ছুটে নিজেদের ওপর আরও চাপ তৈরি করছি?

কালের আলো/এসএ

নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের বড় রায়, দুই আসামির ফাঁসি বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের বড় রায়, দুই আসামির ফাঁসি বহাল

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে চার আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম।

মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন পাওয়া চার আসামি হলেন নূর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জুবায়ের এবং উম্মে সুলতানা ওরফে পপি।

অন্যদিকে কামরুন নাহার মনি, হাফেজ আব্দুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, আব্দুর রহিম শরীফ, মোহাম্মদ শামীম, ইফতেখার উদ্দিন রানা, রুহুল আমিন, আবছার উদ্দিন ও মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ কাউন্সিলরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, ১৬ আসামির বিরুদ্ধে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিল। হাইকোর্টের বিচারিক পর্যালোচনায় ১০ জনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায়ে নিম্ন আদালতের বিচারকের ভূমিকা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্য অনুযায়ী, এক হত্যাকাণ্ডে ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়াকে হাইকোর্ট ‘মাইন্ডলেস সেন্টেন্স’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে ওই বিচারককে ফৌজদারি মামলার বিচার ও সাজা দেওয়ার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে আনার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি

ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি, নিহত ১১ নিখোঁজ ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি, নিহত ১১ নিখোঁজ ৬

ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন। দুইটি হেলিকপ্টারও উদ্ধার অভিযানে যুক্ত করা হয়েছে।

নৌকাটি গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোরে তিউনিসিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এতে বেশিরভাগই তরুণ অভিবাসী ছিলেন।

তিউনিসিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, নৌকাটিতে একই পরিবারের সাতজন সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া এক ব্যক্তি তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে নৌকায় উঠেছিলেন।

দুর্ঘটনার পর মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, উদ্ধারের আগে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। পরে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ তাঁকে উদ্ধার করে।

নৌকায় থাকা সবাই তিউনিসিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেন গেরদানে এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান জোরদারের দাবিতে শনিবার রাতে শহরটিতে কয়েক ডজন তরুণ বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

কালের আলো/এসএ