খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

শেরে বাংলাকে বিগত সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ
শেরে বাংলাকে বিগত সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে: নাহিদ ইসলাম

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

তিনি শেরে বাংলাকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, এ ভূখণ্ডের কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু এবং জাতীয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দিনগত রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা বলেন নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আপসহীন এই নেতার অবদান বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু অবিভক্ত ভারত ও পাকিস্তানের রাজনীতির শীর্ষে আরোহণের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাকে আঁকড়ে ধরা এই মহান নেতাকে এদেশের মানুষ কখনোই ভুলবে না।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এ দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন সংগ্রামী। কলকাতা ও পূর্ববঙ্গের জমিদারদের শোষণের জাঁতাকল থেকে এ অঞ্চলের কৃষকদের মুক্তির লক্ষ্যে তিনি জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করেছেন। বিনিময়ে অর্জন করেছেন এ মাটির মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

‘পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমান সমাজে শিক্ষার বিস্তারে অনবদ্য অবদান ছিল তার। কলকাতার তৎকালীন সিভিল সোসাইটির তীব্র বাধার মুখেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।’

নাহিদ বলেন, পূর্ব বাংলার মানুষের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব ও পশ্চিমে একাধিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নও দেখেছিলেন তিনি। এই অসীম সাহসী নেতার কাছ থেকেই আমরা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে প্রতিবাদ করার প্রেরণা পেয়েছি।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, তিনি এ জাতিকে বহু আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘যে জাতি তার সন্তানদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা কখনো সিংহের সঙ্গে লড়াই করা শিখতে পারে না।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চান বিরোধী দলীয় নেতা

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চান বিরোধী দলীয় নেতা

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর একটি বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, গতকাল বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার পৌঁছানোর পর তার একটি বক্তব্য তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেখানে ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন, সে বিষয়ে সরকারের উচিত তার কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়া।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন দেশ। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে অবশ্যই বিভ্রান্তি তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের সরকারের কাছে এ বিষয়টির সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।

ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্য নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন এবং এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ও ব্যাখ্যা কামনা করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশীয় মাছ টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
দেশীয় মাছ টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে। মাছের চাহিদা পূরণের লক্ষ্য নিয়ে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এতে যেমন একদিকে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি মাছের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে গাড়াইল বিলে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, মৎস্য শিকারে ব্যবহারে অবৈধ চায়না জালসহ সব প্রকার জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান। এ ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগসহ গণ জনসচেতনতার প্রয়োজন।

তিনি জানান, টেকসই মৎস্য চাষ ও জল ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। এতে করে স্থানীয় অর্থনীতি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আইয়ুব আলী প্রমুখসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

ভারতের ৩১তম সেনাপ্রধান (সিওএএস) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পুনের খাদকওয়াসলার জাতীয় প্রতিরক্ষা একাডেমির সাবেক ছাত্র। এছাড়া তিনি ফ্রান্সের প্যারিসে মর্যাদাপূর্ণ ‘কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স’ সম্পন্ন করেছেন।

১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে আর্মার্ড কোরে কমিশন লাভ করেন ধীরাজ। বিগত ৩০ বছরের মধ্যে তিনি প্রথম আর্মার্ড কোরের কর্মকর্তা যিনি সেনাপ্রধান হতে যাচ্ছেন।

দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সামরিক ক্যারিয়ারে সাউদার্ন কমান্ড ও সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও অপারেশনাল পদের দায়িত্ব সামলেছেন ধীরাজ শেঠ। এছাড়াও ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদী রূপান্তরে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন তিনি।

ধীরাজ শেঠ এমন এক সময়ে সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন যখন বৈশ্বিক ভূ-কৌশলগত পরিবেশ ছিল গতিশীল এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আধুনিক যুদ্ধের সদা পরিবর্তনশীল চরিত্রের কারণে নিরাপত্তা ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলো আরও প্রকট হয়ে উঠছিল।

এদিকে আগামী ৩০ জুন অবসরে যাচ্ছেন জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। ২০২৪ সালের জুন মাসে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডের কাছ থেকে ৩০তম সেনাপ্রধান (সিওএএস) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি, চলতি মাসে তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের সামরিক ক্যারিয়ারে জেনারেল দ্বিবেদীর মেয়াদে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিন্দুর’।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ