খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

শিক্ষকদের পাঠদানের মান মূল্যায়নের আওতায় আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের পাঠদানের মান মূল্যায়নের আওতায় আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান এবং শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়নের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

শনিবার (৯ মে) কক্সবাজারে লিডারশীপ ট্রেনিং সেন্টারে স্কুল ফিডিং ও প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান এবং শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়নের আওতায় আনা হবে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে ইতোমধ্যে কয়েকজন প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু জবাবদিহিতা নয়, শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ক্ষমতায়ন ও সহায়তাও নিশ্চিত করা হবে।

নিজের ১৭ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষায় আসা অনেক শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান দুর্বল থাকে, যার মূল কারণ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের দুর্বল ভিত্তি। তাই প্রাথমিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করা গেলে দেশের অর্থনীতি, সামাজিক শৃঙ্খলা ও সামগ্রিক উন্নয়নের অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষিত সমাজ গড়ে তুলতে পারলে মব কালচারসহ নানা সামাজিক সমস্যা কমে আসবে। দেশের সব সমস্যার মূলে গেলে শিক্ষা ব্যবস্থাকেই পাওয়া যায়। তাই শিক্ষা ব্যবস্থাকে সঠিক পথে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমাদের সবার।

প্রতিমন্ত্রী স্কুলের অবকাঠামো, মাঠ ও প্লেগ্রাউন্ডের অবস্থা, ফাউন্ডেশনাল লার্নিং ও নিউমারেসি কার্যক্রম, মিড ডে মিল বাস্তবায়ন, গার্ড ও ক্লিনার সংকট, অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা এবং শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে শিক্ষকদের মতামত জানতে চান।

তিনি আরও বলেন, কমিউনিকেশনের মাধ্যমেই আমরা আমাদের সিস্টেমগুলো ইমপ্রুভ করতে পারব। প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে মাঠপর্যায়ের শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সরাসরি মতামত ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে হলে বাস্তব সমস্যাগুলো নির্ভয়ে ও খোলামেলাভাবে তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি জনবান্ধব সরকার হিসেবে শিক্ষা ব্যবস্থার ‘স্ট্রাকচারাল মেরামত’ করতে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আনতে মিড ডে মিল, ইউনিফর্ম, জুতা ও পাঠ্যবই প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষে আনাই যথেষ্ট নয়, শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।

পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম, বিদ্যালয়ের পরিবেশ, উপস্থিতি, পাঠদানের মান এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এ তথ্য দেখা যায়।

বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর, যার স্কোর ১৭৮। ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাতারের রাজধানী দোহা। তালিকায় চতুর্থ স্থানে ১৬৯ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা ১৫২ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

বুধবার (২৪ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ১৭০টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৯টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

হজ অফিস জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৫৯ হাজার ৮৮৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৮৯টি ফ্লাইটে ২৮ হাজার ৮৪৫ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

এদিকে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৮৮০ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩২৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের মাধ্যমে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই কৃষক ও কনটেন্ট নির্মাতা কবির হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, কবির হোসেন ছিলেন একজন কর্মঠ, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও কৃষিপ্রেমী মানুষ। কৃষিকে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং কৃষকের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের বাস্তব চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ কৃষক ও কৃষি অঙ্গনের পরিচিত মুখকে হারালো।

মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কবির হোসেন ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃষকের জীবন, সংগ্রাম ও সম্ভাবনার নানা দিক তুলে ধরে কবির হোসেন ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক তদন্তে তিনি একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি পান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ