খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ভুয়া বার্তায় ফাঁদ পেতে ‘সিগন্যাল’ ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরির চেষ্টা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ
ভুয়া বার্তায় ফাঁদ পেতে ‘সিগন্যাল’ ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরির চেষ্টা

বার্তা আদান-প্রদানের জনপ্রিয় মাধ্যম ‘সিগন্যাল’ ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে নতুন ধরনের প্রতারণামূলক হামলা শুরু করেছে হ্যাকাররা। এবার তাদের লক্ষ্য ব্যবহারকারীদের সংরক্ষিত বার্তার অনুলিপি বা ব্যাকআপ হাতিয়ে নেওয়া।

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যাকাররা নিজেদের সিগন্যালের সহায়তা দলের সদস্য পরিচয় দিয়ে ব্যবহারকারীদের কাছে বার্তা পাঠাচ্ছে। ওই বার্তায় দাবি করা হচ্ছে, সমন্বয়জনিত সমস্যার কারণে সংরক্ষিত বার্তা, ছবি ও অন্যান্য তথ্য স্থায়ীভাবে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সমস্যা সমাধানের অজুহাতে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ব্যাকআপ পুনরুদ্ধারের বিশেষ চাবি চাওয়া হচ্ছে। এ চাবি ব্যবহার করেই সংরক্ষিত তথ্য পুনরুদ্ধার করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্লেষক জশ রোগিন প্রথম এ ধরনের প্রতারণামূলক বার্তার একটি ছবি প্রকাশ করেন। তার দাবি, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচক বেশ কয়েকজন কর্মী এমন বার্তা পেয়েছেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘অ্যাকসেস নাউ’-এর সহায়তা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আল-মাসকাতিও একই ধরনের একাধিক অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সবাই চীনবিরোধী কর্মী নন। ফলে হামলাটি আরও বিস্তৃত পরিসরে চালানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত প্রতারণার মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল। ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য হ্যাকাররা সিগন্যালের সহায়তা দলের পরিচয় ব্যবহার করছে।

এ বিষয়ে সিগন্যাল স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি কখনো নিজ থেকে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে না। পাশাপাশি নিবন্ধন সংকেত, গোপন নম্বর বা পুনরুদ্ধার চাবিও কখনো চায় না। তাই ‘সিগন্যাল সহায়তা’ পরিচয়ে আসা এ ধরনের যেকোনো বার্তাকে প্রতারণার চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেউ যদি ভুল করে পুনরুদ্ধার চাবি হ্যাকারদের হাতে তুলে দেন, তাহলে তারা ব্যবহারকারীর পুরোনো বার্তা, ছবি, নথি ও অন্যান্য সংরক্ষিত তথ্যের নাগাল পেতে পারে।

গত বছর সিগন্যাল নিরাপদ ব্যাকআপ সুবিধা চালু করে। এ ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীর তথ্য শক্তিশালী সংকেতায়নের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়। পুনরুদ্ধার চাবি ছাড়া সেই তথ্য পড়া বা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয় বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।

তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুনরুদ্ধার চাবি কারও সঙ্গে ভাগ না করার পাশাপাশি সন্দেহজনক বার্তা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

কালের আলো/এম/এএইচ

আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

তিনি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছকে বাঁধা নয় মোটেও। সবার উর্ধ্বে দায়িত্ব ও মানবিকতাকে স্থান দিয়ে মন্ত্রীত্বের পুরাতন সব রীতি ভেঙে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। সব সময় নিজ নির্বাচনী এলাকার ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে মানুষের কাছাকাছি তিনি। ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের এই সংসদ সদস্য এলাকার সাধারণ মানুষের শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিজের কাঁধেই তিনি লাশ বহন করেছেন। দাফন কাজে নিজের সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি কবরে শায়িত করতে নেমে গেছেন। প্রকৃত মনুষ্যত্ববোধের পরিচয় দিচ্ছেন।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ থেকে ২৯ মে। দেখতে দেখতে কেটে গেছে দু’মাস। এ সময়ে নিজ কাঁধে খাটিয়া বহন করে দুটি মরদেহ দাফন কাজে অংশ নিয়ে অনন্য মানবিক নজির স্থাপন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রথমটি উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে ২৭ মার্চ। অন্যটি গত ২৯ মে নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায়। প্রটোকলের চিরায়ত প্রথা ভেঙেছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায় মরহুম আব্দুল হামিদের জানাজায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় তিনি নিজ কাঁধে খাটিয়া তুলে নেন এবং অন্যদের সঙ্গে মরদেহ বহন করেন। কোনো দ্বিধা বা সংকোচ না করে নিজেই কবরে নেমে পড়েন। মরদেহ খাটিয়া থেকে নামিয়ে কবরে শায়িত করার কাজে সরাসরি শরিক হন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

মৃতের স্বজনদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিকতা ও উদারতা অপার বিস্ময়ে উপভোগ করলেন। মুহুর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লো সোশ্যাল হ্যাণ্ডেলে। নেটিজেনরা সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন অনন্য মানবিকবোধ নিয়ে মেতে উঠলেন প্রশংসায়। কেউ কেউ বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতোই তার এই প্রতিমন্ত্রীও অতি সাধারণ। যোগ্য ব্যক্তিই ক্যাবিনেটে স্থান পেয়েছে।’

সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে দেখে সবাই অভিভূত। অতীতে কোন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে দেখেনি মানুষ। জনতার নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের প্রতি তার এই শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নান্দাইলবাসীর কাছে এক বিমুগ্ধ বিস্ময়।

স্থানীয়রা বলছেন, এখনও অনেক রাজনীতিকের ভেতরে দয়া-মায়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা আছে। মনুষ্যত্ববোধ যে টিকে আছে তার বড় এক উদাহরণ প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এই মানবিকবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

স্কটল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
স্কটল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে বাংলাদেশ করে ১৩৩ রান। জবাবে খেলতে নেমে ২৬ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্কটিশরা।

এডিনবার্গে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ওপেনিং জুটিতে আসে ১৬ রান। ১৩ বলে ১২ রান করে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার আউট হওয়ার আগে করেন ১১ রান। আর শারমিন আক্তারের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১০ রান।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন দলনেতা নিগার সুলতানা জ্যোতি। এছাড়া ২২ রান করে করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণ আক্তার। ২ রান করেন রাবেয়া খান।

রান তাড়া করতে নেমে কোনো চাপই নেয়নি স্কটিশরা। দলনেতা ক্যাথরিন ব্রাইসের ফিফটিতে সহজ জয় পেয়ে যায় তারা। সর্বোচ্চ ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্যাথরিন। ২৮ রান করেন ওপেনার ক্যাথেরিন ফ্রেশার। এছাড়া ডার্সি কার্টার ও সারাহ ব্রাইস ২৩ রান করে করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

পশুর হাটে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণেও সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে দাবি তার।

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সেলিম উদ্দিন বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের ঘোষণার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই। রাজধানীর অনেক এলাকায় এখনো পশুর বর্জ্য পড়ে আছে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে এবং বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, পশুর হাটগুলোতে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি হয়েছে। কিন্তু এসব অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাগুলোতেও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

জামায়াত নেতা বলেন, ‘জুলাইকে অস্বীকার করা মানে ফ্যাসিবাদকে মেনে নেওয়া। যারা এমন অবস্থান নেবে, তাদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর জরুরি।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ