খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমতে পারে দেশেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমতে পারে দেশেও

শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিতের কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমেছে। এতে টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো দরপতনের পথে রয়েছে মূল্যবান ধাতুটি। আন্তর্জাতিক বাজারে এ প্রবণতার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৯ জুন) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৯ দশমিক ২৬ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারও কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০৭ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি স্বর্ণ বাজারে চাপ বাড়িয়েছে। মার্কিন ডলার এক বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করায় অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। ফলে বাজারে চাহিদা কিছুটা কমেছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবার তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমনের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা কার্যকর হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এ অবস্থায় বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানো কিংবা কঠোর নীতিমালা অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা চাপের মুখে পড়েছে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নীতিনির্ধারণী বৈঠকে মার্কিন ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখলেও ভবিষ্যতে হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে। ফেডের প্রকাশিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৯ জন নীতিনির্ধারকের মধ্যে নয়জন চলতি বছর আরও সুদহার বৃদ্ধির প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন।

তবে দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী রয়েছে কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান। বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্স ডিসেম্বরের মধ্যে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। যদিও এটি তাদের আগের পূর্বাভাসের তুলনায় কম। কারণ, প্রতিষ্ঠানটি এখন আর চলতি বছরে ফেডের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা দেখছে না।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দর কমার কারণে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের দামের ওঠানামা সাধারণত দেশের বাজারেও প্রভাব ফেলে। সে কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন করে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

সবশেষ গত ১৮ জুন স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করে বাজুস। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের নকশা ও মজুরিভেদে অতিরিক্ত খরচ যুক্ত হতে পারে।

স্বর্ণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। শুক্রবার স্পট মার্কেটে রুপার দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৩২ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৮০ দশমিক ৮৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৭২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রশান্ত মহাসাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
প্রশান্ত মহাসাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ৩

Oplus_131072

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত একটি নৌকায় মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চালানো এই আকস্মিক হামলায় নৌকাটিতে থাকা তিনজন নিহত হয়েছেন।

লাতিন আমেরিকায় কথিত মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে অত্যন্ত কঠোর ও আগ্রাসী সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। সর্বশেষ এই হামলার পর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে ট্রাম্প প্রশাসন যাদের ‘নারকো-টেররিস্ট’ বা মাদক-সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে চালানো মার্কিন সামরিক হামলায় নিহতের মোট সংখ্যা অন্তত ২১১ জনে পৌঁছেছে।

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে চালানো সাম্প্রতিক এসব রক্তাক্ত হামলা নিয়ে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, তারা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কথিত মাদক পাচারকারীদের লক্ষ্য করে এই অভিযান চালিয়েছে। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বা পেন্টাগন ওই নৌকাটি আসলেই কোনো মাদক বহন করছিল কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ করেনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত মার্কিন বাহিনীর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাগরে আঘাত পাওয়ার পর নৌকাটিতে আগুন ধরে যাওয়ার আগে সেটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পানিতে চলছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী মাদক চক্র বা কার্টেলগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর একধরনের সরাসরি যুদ্ধ চলছে। তিনি এই সামরিক হামলাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের অবৈধ প্রবাহ কমানো এবং মাদক অতিরিক্ত সেবনে মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর হার ঠেকানোর জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে তার প্রশাসন মাদক-সন্ত্রাসীদের হত্যার দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত খুব কম প্রমাণ হাজির করতে পেরেছে।

এদিকে  বিশ্লেষক ও সমালোচকেরা মার্কিন এই নৌ-হামলার বৈধতা ও কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, ফেন্টানাইলসহ অতি প্রাণঘাতী মাদকের একটি বড় অংশ মূলত মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে স্থলপথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে, যা মূলত চীন ও ভারত থেকে আসা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। ফলে সাগরে নৌকা ডুবিয়ে মাদক চোরাচালান বন্ধের এই নীতি কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন তিন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন তিন মন্ত্রী

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর মধ্যবর্তী তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পৌঁছান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরি এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

​সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা দুপুরে তিস্তা ব্যারাজ ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। এরপর তারা তিস্তা অবসর হলরুমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় তিস্তা অববাহিকার দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা, টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীশাসন এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ ছাড়া, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, লালমনিরহাট, নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

শিক্ষকদের জন্য হঠাৎ সরকারের কড়া সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের জন্য হঠাৎ সরকারের কড়া সতর্কবার্তা

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ব্যাপারে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। মূলত, ফেসবুক-ইউটিউবে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কটূক্তি, অপপ্রচার এবং আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে এ সতর্কবার্তায়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বার্তায়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা সব সরকারি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করছেন, যা নির্দেশিকার পরিপন্থি। এসব পোস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি দপ্তর কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দেয়া এবং সেসব পোস্ট শেয়ার করাও সরকারি চাকরির আচরণবিধির লঙ্ঘন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি, অপপ্রচার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে