খুঁজুন
                               
, ,
           

নবম পে-স্কেল কার্যকর আজ, বর্ধিত বেতন কবে মিলবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
নবম পে-স্কেল কার্যকর আজ, বর্ধিত বেতন কবে মিলবে?

দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে বুধবার (১ জুলাই)। মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষাপটে সরকার ধাপে ধাপে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে নতুন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা এলেও বর্ধিত বেতন কবে থেকে ব্যাংক হিসাবে যাবে, তা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখনও কিছুটা অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে একই বেতন কাঠামোর অধীনে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বাস্তবতায় নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নবম পে কমিশনের সুপারিশে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কমিশন ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বিভিন্ন পর্যায়ে মূল বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। তবে চূড়ান্ত বাস্তবায়নে সব সুপারিশ হুবহু থাকবে কিনা, তা নির্ভর করবে সরকারের অনুমোদিত গেজেট ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে মূল বেতন ও ভাতার বিষয়টি আলাদা ধাপে কার্যকর করার চিন্তা ছিল। তবে সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থায় কারিগরি জটিলতা এড়াতে মূল বেতন এক ধাপে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। আর বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতার সংশোধন পরবর্তী ধাপে কার্যকর হতে পারে।

সরকার নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। এই অর্থ সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ে ব্যবহার হতে পারে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। তাদের বেতন ও পেনশন খাতে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, পে-স্কেল কার্যকরের দিন শুরু হলেও প্রশাসনিক আদেশ, গেজেট প্রকাশ, সফটওয়্যারভিত্তিক হিসাব সমন্বয় এবং বেতন বিল প্রস্তুতের কারণে বর্ধিত অর্থ হাতে পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, গেজেট জারির পর বকেয়াসহ নতুন হারে বেতন দেওয়া সম্ভব হবে।

নতুন পে-স্কেল সরকারি চাকরিজীবীদের স্বস্তি দিলেও অর্থনীতিবিদদের নজর এখন আর্থিক প্রভাব কী পড়ে তার দিকে।

তাদের মতে, বেতন বৃদ্ধি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াবে, তবে বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে বাড়তি চাহিদার প্রভাবে নিত্যপণ্যের দামে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তারেক রহমানের কাজে ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের সমর্থন 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের কাজে ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের সমর্থন 

দেশের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনের ধরনকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করছেন বলে উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক জরিপে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডেল্টাগ্রাম পরিচালিত এ জরিপে অংশ নেন ৩ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। তাদের মধ্যে ৭৫ দশমিক ৩ শতাংশ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের কাজের ধরন তারা সমর্থন করেন। বিপরীতে মাত্র ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আর ৭ দশমিক ২ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো মত দেননি।

ডেল্টাগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশজুড়ে এ জরিপ পরিচালিত হয়। বিএনপি সরকার গঠনের প্রায় চার মাস পর এই জনমত যাচাই করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, বিভাগভিত্তিক হিসাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে, যেখানে অনুমোদনের হার ৮৩ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম সমর্থন পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে এ হার ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ।

গ্রামাঞ্চলে সরকারের প্রতি সমর্থন শহরের তুলনায় বেশি। জরিপে গ্রামীণ এলাকার ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শহরাঞ্চলে এই হার ৭০ দশমিক ১ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণেও সমর্থনের হার প্রায় একই রকম থাকলেও ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এটি তুলনামূলক কম, ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।

জরিপে উঠে এসেছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকার শুরুর দিকেই উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পেয়েছে।

ডেল্টাগ্রাম জানিয়েছে, জরিপে দুই ধাপের স্তরভিত্তিক সম্ভাব্যতা নমুনা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। দেশের আটটি বিভাগের ১৫০টি প্রাথমিক নমুনা এলাকা থেকে প্রতিটিতে ২০টি করে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। মোট উত্তরদাতার সংখ্যা ছিল ৩ হাজার। জরিপের সাড়া দেওয়ার হার ছিল ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো। সাক্ষাতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয়।

বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও ইতালির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি, সামরিক প্রশিক্ষণের আধুনিকায়ন এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ইতালির সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ইতালির সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দুই দেশের অবদান ও ভবিষ্যতে বিশ্বশান্তি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার বিষয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

সাক্ষাতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে।

জবাবে ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারত্বের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বগুড়ায় সংস্কারকৃত হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় সংস্কারকৃত হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করলেন সেনাপ্রধান

সংস্কারকৃত বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করছেন প্রথমবারের মতো অবতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।

বুধবার (৮ জুলাই ) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে শিবগঞ্জে এসে তিনি এই হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন।

শিবগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি হেলিপ্যাডের স্থান নির্ধারিত থাকলেও বছরের পর বছর তা অযত্নে পড়েছিল। সংস্কারের কোনো উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। অবশেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির উদ্যোগে হেলিপ্যাডটি সংস্কার করা হয়।

সংস্কারকৃত এই হেলিপ্যাডেই প্রথমবারের মতো অবতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অবহেলায় পড়ে থাকা হেলিপ্যাডটি আবারও কার্যকরভাবে ব্যবহারের সূচনা হল।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি