খুঁজুন
                               
, ,
           

এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ
এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে এডমিরাল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম গত ২৩ জুলাই ভাইস অ্যাডমিরাল পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন। নৌবাহিনীর ৮৭এ ব্যাচের এই কর্মকর্তা জ্যেষ্ঠতা ও মেধা—দুই তালিকাতেই প্রথম স্থান অর্জন করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও নেতৃত্বস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাঁর কর্মদক্ষতার পরিচয় রয়েছে। লেবানন ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

নৌবাহিনী প্রধান হওয়ার আগে তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায়ও মিসবাহ উল আজীমের রয়েছে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে তিনি মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ও মাস্টার্স ইন ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। ভারতের মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে এমএসসি এবং চীনের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি থেকে স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে আরও একটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ‘চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ও অর্জন করেন মিসবাহ উল আজীম। এসএসসি ও এইচএসসি—উভয় পরীক্ষাতেই তিনি সম্মিলিত মেধাতালিকায় স্থান অর্জন করেছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের বড় রায়, দুই আসামির ফাঁসি বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের বড় রায়, দুই আসামির ফাঁসি বহাল

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে চার আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম।

মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন পাওয়া চার আসামি হলেন নূর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জুবায়ের এবং উম্মে সুলতানা ওরফে পপি।

অন্যদিকে কামরুন নাহার মনি, হাফেজ আব্দুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, আব্দুর রহিম শরীফ, মোহাম্মদ শামীম, ইফতেখার উদ্দিন রানা, রুহুল আমিন, আবছার উদ্দিন ও মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ কাউন্সিলরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, ১৬ আসামির বিরুদ্ধে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিল। হাইকোর্টের বিচারিক পর্যালোচনায় ১০ জনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায়ে নিম্ন আদালতের বিচারকের ভূমিকা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্য অনুযায়ী, এক হত্যাকাণ্ডে ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়াকে হাইকোর্ট ‘মাইন্ডলেস সেন্টেন্স’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে ওই বিচারককে ফৌজদারি মামলার বিচার ও সাজা দেওয়ার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে আনার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি

ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি, নিহত ১১ নিখোঁজ ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি, নিহত ১১ নিখোঁজ ৬

ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন। দুইটি হেলিকপ্টারও উদ্ধার অভিযানে যুক্ত করা হয়েছে।

নৌকাটি গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোরে তিউনিসিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এতে বেশিরভাগই তরুণ অভিবাসী ছিলেন।

তিউনিসিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, নৌকাটিতে একই পরিবারের সাতজন সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া এক ব্যক্তি তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে নৌকায় উঠেছিলেন।

দুর্ঘটনার পর মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, উদ্ধারের আগে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। পরে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ তাঁকে উদ্ধার করে।

নৌকায় থাকা সবাই তিউনিসিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেন গেরদানে এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান জোরদারের দাবিতে শনিবার রাতে শহরটিতে কয়েক ডজন তরুণ বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

কালের আলো/এসএ

‘এক ফোঁটা তেলও যেতে দেব না’, হরমুজ নিয়ে ইরানের হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
‘এক ফোঁটা তেলও যেতে দেব না’, হরমুজ নিয়ে ইরানের হুমকি

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের তেল পরিবহন করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নতুন প্রধান মোহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি কিংবা পারস্য উপসাগরের কোনো পথ দিয়েই ইরান এক ফোঁটা তেলও বাইরে যেতে দেবে না।

ইরানি এই কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পদক্ষেপকে অবৈধ বলে দাবি করেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক নীতিকে যেসব দেশ সমর্থন বা সহযোগিতা করবে, তাদের ভূমিকাকে তেহরান ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে।

এর আগে ইরান জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা স্থানীয় উপকূলীয় দেশগুলোর হাতেই থাকা উচিত।

এ ছাড়া যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি পরিচালনার সুযোগ দেবে কিংবা ওয়াশিংটনকে অন্য কোনো ধরনের সহায়তা করবে, তাদেরও কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। পারস্য উপসাগরীয় তেল ও গ্যাস উৎপাদক দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এই সরু জলপথের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে এখানে তেল চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

ইরানের এই হুমকি তাই শুধু দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধের বিষয় নয়; এর প্রভাব বিশ্বের জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও পড়তে পারে।

কালের আলো/এসএ