খুঁজুন
                               
, ,
           

জ্যাকলিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাতে নোরা উসকানি দিতেন, দাবি সুকেশের

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
জ্যাকলিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাতে নোরা উসকানি দিতেন, দাবি সুকেশের

বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন কারাবন্দি প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখর। জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙে দিতে নোরা তাকে উসকানি দিতেন—এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন সুকেশ।

সম্প্রতি সুকেশের নামে ভাইরাল হওয়া একটি কথিত হাতে লেখা চিঠিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই চিঠিতে নোরাকে নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ করেছেন সুকেশ। তবে চিঠিটি সত্যিই তার লেখা কি না, তা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে চিঠিতে থাকা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

কথিত চিঠিতে সুকেশ দাবি করেছেন, মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় একটি বাড়ি কেনার জন্য তিনি নোরাকে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রসাধনী, বিদেশি ব্র্যান্ডের ব্যাগ, বিলাসবহুল গাড়িসহ বিভিন্ন দামি উপহার দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। নোরার সঙ্গে তার হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের কিছু তথ্যও চিঠিতে তুলে ধরার দাবি করা হয়েছে।

চিঠির বড় একটি অংশে জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সুকেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। সুকেশের অভিযোগ, তাদের সম্পর্ক নিয়ে নোরা ঈর্ষান্বিত ছিলেন। এমনকি জ্যাকলিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার জন্য নোরা নিয়মিত তাকে উসকানি দিতেন।

এ ছাড়া নোরা তাকে বারবার ফোন করতেন এবং দিনে প্রায় ১০ বার পর্যন্ত যোগাযোগ করে বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য অর্থ দাবি করতেন বলেও দাবি করেছেন সুকেশ।

কথিত চিঠির শেষদিকে নোরাকে সতর্ক করে সুকেশ লিখেছেন, ‘আমাকে উসকানি দিয়ো না।’ পাশাপাশি তার অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজনে সেসব প্রমাণ প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।

সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ঘিরে নোরা ফাতেহি ও জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সম্পর্কের আলোচনা এর আগেও একাধিকবার সামনে এসেছে। নতুন করে ভাইরাল হওয়া কথিত চিঠির কারণে সেই পুরোনো বিতর্ক আবারও আলোচনায় এসেছে। তবে চিঠিটির সত্যতা এবং এতে করা অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কালের আলো/এসএ

ইরানের নেতৃত্ব উৎখাতে ব্যর্থ হলে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: সাবেক উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
ইরানের নেতৃত্ব উৎখাতে ব্যর্থ হলে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: সাবেক উপদেষ্টা

প্রচলিত সামরিক উপায়ে ইরানের নেতৃত্বকে উৎখাত করতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সন্ত্রাসবিরোধী সাবেক উপদেষ্টা জো কেন্ট।

গত শুক্রবার পডকাস্টার টাকার কার্লসনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কেন্ট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কাকে অসম্ভব বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। তার মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরান সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।

কেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতে ট্রাম্প তাঁর লক্ষ্য একাধিকবার পরিবর্তন করলেও এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারেননি। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার বড় একটি অংশ ব্যবহার করেছে।

তিনি বলেন, ওয়াশিংটন যদি এখনো ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশটিকে পুরোপুরি আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চায়, তাহলে সামনে মূলত দুটি পথ রয়েছে—পূর্ণমাত্রার স্থল অভিযান অথবা পারমাণবিক হামলা।

তবে ইরানের বিশাল ভূখণ্ড ও জনসংখ্যার কারণে স্থল অভিযান বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন কেন্ট। তাঁর মতে, এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পার্বত্য এলাকায় মাটির গভীরে থাকা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনায় সীমিত পারমাণবিক হামলার মতো বিকল্প নিয়ে ভাবা হতে পারে।

এর আগে ট্রাম্প ইরানকে বিভিন্ন সময় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তেহরান ওয়াশিংটনের দাবি মেনে না নিলে ইরানের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। মার্কিন বাহিনী ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে বলেও হুমকি এসেছে তাঁর কাছ থেকে।

এদিকে গত মাসের শেষ দিকে ইরানের ওপর সর্বশেষ দফার হামলা হঠাৎ স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে পেন্টাগনের উচ্চ নির্ভুলতার অস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে আসার কথা বলা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ ধরনের সংকটের খবর অস্বীকার করে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ থাকার দাবি করেছেন।

এরই মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে ওয়াশিংটন। গত সপ্তাহে ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে ‘চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়ার মতো অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেন। পরে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।

তবে জো কেন্টের পারমাণবিক হামলা সংক্রান্ত মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যায়ন হিসেবেই এসেছে; এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নীতির ঘোষণা নয়।

কালের আলো/এসএ

সোমালিয়ায় জলদস্যুদের কবল থেকে কার্গো জাহাজ উদ্ধার, নিহত ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
সোমালিয়ায় জলদস্যুদের কবল থেকে কার্গো জাহাজ উদ্ধার, নিহত ১৪

সোমালিয়ার আংশিক স্বায়ত্তশাসিত পুন্টল্যান্ড রাজ্যের উপকূলের কাছে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা একটি কার্গো জাহাজ উদ্ধার করেছে তুরস্ক ও সোমালিয়ার যৌথ বাহিনী। অভিযানে ১৪ জন জলদস্যু নিহত এবং তাদের চারটি নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সোমালি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ক্যামেরুনের পতাকাবাহী ‘এমভি লাতুফ’ জাহাজটি উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। বাহিনীর অব্যাহত চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত বাকি জলদস্যুরা জাহাজ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এরপর জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয় যৌথ বাহিনী।

সোমালি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, উপকূল সুরক্ষা এবং জলদস্যুতা প্রতিরোধে সোমালিয়া ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির আওতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তবে অভিযানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না কিংবা জাহাজের নাবিকদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা কী, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

পুন্টল্যান্ডের নুগাল অঞ্চলের গোদোব জিরায়ন জেলার জিফ্লে সম্প্রদায়ের স্থানীয় এক মুরব্বি আবদুল্লাহি ওয়ারসামে এপিকে জানিয়েছেন, জাহাজটি এবং এর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা মুক্ত হয়েছেন।

‘এমভি লাতুফ’ গত জুলাইয়ের শেষ দিকে তুরস্কের টেকিরদাগ বন্দর ছেড়ে যায়। পরে ১৭ আগস্ট সোমালিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পুন্টল্যান্ডের নুগাল অঞ্চলের উপকূলীয় জলসীমায় জাহাজটি অপহরণের শিকার হয়।

মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়ার পর কার্গো জাহাজটি তানজানিয়ার দারুস সালামের নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

২০০০-এর দশকে সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল এবং ২০১১ সালে তা চরমে পৌঁছায়। পরে আন্তর্জাতিক নৌবাহিনীর উপস্থিতি ও বাণিজ্যিক জাহাজে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়।

তবে আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার (আইএমও) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এপ্রিল থেকে সোমালিয়া উপকূলে জলদস্যুদের হামলা আবারও বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ। এ ছাড়া অন্তত পাঁচটি কার্গো জাহাজ জিম্মি করে রাখার ঘটনাও ঘটেছে।

কালের আলো/এসএ

জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার বদল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার বদল

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার পদ নিয়ে চলা সাম্প্রতিক বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। দীর্ঘদিনের ম্যানেজার আমের খানের জায়গায় নতুন টিম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. আমিরুল ইসলামকে (বাবু)।

রোববার (৩০ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাফুফে। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ‘ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬’ সামনে রেখে জাতীয় দলের ব্যবস্থাপনায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বাফুফের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আসন্ন আসরে বাংলাদেশ দলের টিম লিডারের দায়িত্ব পালন করবেন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. ইকবাল হোসেন। আর টিম ম্যানেজারের মূল প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন আমিরুল ইসলাম বাবু।

অন্যদিকে, ন্যাশনাল টিমস কমিটির সদস্য আমের খানকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়নি। তাকে দলের টিম কো-অর্ডিনেটর হিসেবে রাখা হয়েছে।

গত প্রায় দেড় বছর ধরে জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আমের খান। তবে তিনি বাফুফের নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্য না হওয়ায় ফেডারেশনের ভেতরে এ পদ নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। কয়েকজন নির্বাচিত সদস্যের দাবি ছিল, গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব তাদের মধ্য থেকেই কাউকে দেওয়া উচিত।

সম্প্রতি আমিরুল ইসলাম বাবু প্রকাশ্যে ম্যানেজার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে। শেষ পর্যন্ত বাফুফের সিদ্ধান্তে নির্বাচিত সদস্যদের দাবিই প্রাধান্য পেল।

এর আগে বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আমিরুল ইসলাম। পরে দীর্ঘ সময় নারী ফুটবল দলের ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। নারী দলের সঙ্গে কাজ করার পর আবারও পুরুষ জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্বে ফিরলেন বাবু।

কালের আলো/এসএ