খুঁজুন
                               
, ,
           

উপকূলের সংকট নিয়ে তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান তথ্য সচিবের

পটুয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
উপকূলের সংকট নিয়ে তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান তথ্য সচিবের

উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট বিভিন্ন সংকটের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালীর কোডেক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য সচিব বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়; উপকূলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনেই এর নানা প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। নদীভাঙনে বসতভিটা ও কৃষিজমি হারানো, লবণাক্ততার কারণে কৃষি ও সুপেয় পানির সংকট, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও জলাবদ্ধতার মতো সমস্যা মানুষের জীবন-জীবিকাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।

তিনি বলেন, এসব সংকটের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন বৈশ্বিক বিষয় হলেও এর প্রভাব অঞ্চলভেদে ভিন্ন। তাই স্থানীয় পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে হবে।

মাহবুবা ফারজানা আরও বলেন, জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় মানুষের উদ্যোগ ও সম্ভাবনাগুলোও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব গ্রেড-১) মুহাম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের মতো জটিল বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে সহজ, বোধগম্য ও নির্ভরযোগ্যভাবে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও তরুণ জলবায়ু কর্মীসহ মোট ২৫ জন অংশ নেন।

তিন দিনের প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি, জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই, তথ্য-উপাত্তের ব্যবহার, জলবায়ু সাংবাদিকতা এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির কৌশল নিয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু ঝুঁকি ও এর বহুমাত্রিক প্রভাব সম্পর্কে সাংবাদিকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাস্তবতাকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সক্ষমতা তৈরি করাই এ কর্মশালার অন্যতম লক্ষ্য।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারে নতুন বিধিনিষেধ, নিষিদ্ধ মিছিল-পোস্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারে নতুন বিধিনিষেধ, নিষিদ্ধ মিছিল-পোস্টার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রচারের ধরন ও পরিধিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারে মিছিল ও পোস্টার নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের প্রচারে সরকারি সুবিধা ব্যবহার, মাইক, বিলবোর্ড ও নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে কঠোর বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও ইসিকে দেওয়া হয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে ২০১৬ সালের বিধিমালা বাতিল করে নতুন আচরণবিধি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। ভবন, দেয়াল, গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি, সেতু, ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী লাগানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত প্রকাশ্য মিছিলও করা যাবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রেও রাখা হয়েছে কঠোর বিধান। ব্যক্তিগত কুৎসা, অপমানজনক বক্তব্য, মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ। এআই ব্যবহার করে এমন বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি বা প্রচারও করা যাবে না।

নির্বাচনী প্রচারে মাইক ব্যবহারের সময়ও নির্ধারণ করে দিয়েছে ইসি। দুপুর ১২টার আগে এবং সূর্যাস্তের পর মাইক ব্যবহার করা যাবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে এবং একটি ওয়ার্ডে একটির বেশি মাইক ব্যবহার করা যাবে না।

এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রার্থীর পক্ষে সরকারি যানবাহন বা সরকারি কোনো সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না।

বিলবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি বিলবোর্ডের সর্বোচ্চ আয়তন ১৬ ফুট বাই ৮ ফুট হতে পারবে এবং প্রতি ওয়ার্ডে একজন প্রার্থী একটির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না।

নির্বাচনী প্রচারে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহার করা যাবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান বা ট্রেন ব্যবহার করে মিছিল কিংবা শোভাযাত্রাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোটের দিন ভোটার আনা-নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া বা ব্যবহার করা যাবে না।

আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসি।

আগামী নভেম্বরের শেষার্ধ থেকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ জনের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ জনের মরদেহ

গাজা সিটির জয়তুন এলাকায় একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একই পরিবারের ৫৫ জনের মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা সবাই মালকা পরিবারের সদস্য বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মালকা পরিবারের ৬০ জনের বেশি সদস্যের সন্ধানে টানা ৭২ ঘণ্টা ধরে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এ সময় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বেশির ভাগ সদস্যের মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

প্রায় দুই বছর আগে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের সময় মালকা পরিবারের সদস্যরা ওই ভবনটিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলায় ভবনটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর পরিবারের বহু সদস্য নিখোঁজ ছিলেন।

ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকর্মীরা দীর্ঘ সময় ধরে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের সন্ধান চালান। একপর্যায়ে সেখান থেকে ৫৫ জনের মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মালকা পরিবারের সদস্যদের স্মরণে আগামী সপ্তাহের শুরুতে একটি যৌথ জানাজার আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এসএ

নেপালে হিমবাহধসের ১০ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
নেপালে হিমবাহধসের ১০ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার

নেপালে ভয়াবহ হিমবাহ ও পাথরধসের পর সৃষ্ট ঢলের ১০ দিন পর একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ত্রিশূলী–১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে তাঁকে উদ্ধার করে নেপালের সেনাবাহিনী।

নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত বার্তা সংস্থা এএফপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আপার ত্রিশূলী–১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে ওই চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সকালে ত্রিশূলী–৩–এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে দুই নেপালি নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন সঞ্জয় শাহ ও কবির মহারাজন।

উদ্ধারের পর তাঁদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হয়। তবে সুড়ঙ্গের ভেতরে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। তাঁদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কবির মহারাজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে কাঠমান্ডুর আর্মি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সঞ্জয় শাহকেও একই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথা রয়েছে।

নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সব সুড়ঙ্গেই উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ আশা রয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপক হিমবাহ ও পাথরধসের ঘটনা ঘটে। এরপর কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত ওই অঞ্চলে নেমে আসে। এতে বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু কর্মী নিখোঁজ হন।

দুর্যোগের পর থেকে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নেপালের বিভিন্ন সংস্থা। একের পর এক জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় উদ্ধারকাজে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩৪৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৮৩ জনের বেশি মানুষ।

অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বত অংশে এই দুর্যোগে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৩১ জন এখনো নিখোঁজ। দুই দেশের হিসাব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ১ হাজার ৩৭৫ জনে। নিখোঁজের সংখ্যা পাঁচ হাজার পাঁচশরও বেশি।

ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ জীবিত আছেন কি না, তা জানতে ক্ষতিগ্রস্ত সুড়ঙ্গগুলোতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নেপাল সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএ